যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

গোসলখানাউভয়ের উপর ওয়াজিব যে, তারা বাড়ির মধ্যে গোসলখানা গ্রহণ করবে। আর বাজারের হাম্মামে স্ত্রীকে প্রবেশ করার অনুমতি দিবে না। কেননা, এটা হারাম। এ সম্পর্কে বহু হাদীস রয়েছেঃ

প্রথম হাদীসঃ-

“জাবির (রাঃ) থেক বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার স্ত্রীকে হাম্মাম বা গোসলখানায় প্রবেশ না করায় এবং যে আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে সে তার স্ত্রীকে যেন লুঙ্গী ব্যতিত হাম্মামের প্রবেশ না করায় এবং যে আল্লাহ পরকালের প্রতি বিশ্বাস সে যেন এমন দস্তরখানায় না বসে যেখানে মদ পরিবেশন করা হয়।”[1]

দ্বিতীয় হাদীসঃ

“উম্মে দারদা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি হাম্মাম বা গোসলখানা থেকে বের হলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি বললেনঃ কোথা থেকে এসেছ হে উম্মে দারদা? তিনি বললেনঃ হাম্মাম থেকে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার জীবন। এমন কোন মহিলা নেই যে আপন বাড়ী ব্যতীত অন্যের বাড়ীতে তার পোশাক খুলবে, কিন্তু সে আল্লাহ ও তার মধ্যেকার সমস্ত পর্দাকে বিনষ্ট করে ফেলে।”[2]

তৃতীয় হাদীসঃ

“আবুল মালীহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ শামবাসীদের কতিপয় মহিলা আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট আগমন করল। অতঃপর আয়িশাহ (রাঃ০ বললেনঃ তোমরা কোথা থেকে এসেছো? তারা বললঃ শাম এলাকা থেকে। তিনি বললেনঃ সম্ভবত তোমরা আল-কূরাহ শহরের, যার মহিলারা হাম্মামে প্রবেশ করে? তারা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ এমন কোন মহিলা যে তার পোশাককে অন্যের বাড়ীতে খুলে সে আল্লাহ ও তার মাঝে যা আছে তাকে ছিড়ে ফেলে।”[3]

আপনি পড়ছেনঃ বাসর রাতের আদর্শ  বই থেকে।


[1]  হাকিম (৪/২৮৮) পৃষ্ঠা আর শব্দ বিন্যাস তারই, তিরমিযী, নাসায়ীর কিছু অংশ, আহমাদ (৩/৩৩৯) পৃষ্ঠা এবং জুরজানী (১৫০ পৃষ্ঠা) আবুয যুবাইর হতে, তিনি জাবির হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম হামিক বলেছেনঃ মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ। ইমাম যাহাবী তার সাথে ঐকমত্য হয়েছেন। ইমাম তিরমিযী বলেছেনঃ হাসান হাদীস। আর তার অনেক প্রমাণাদি রয়েছে যা তারগীবুত তারহীবে দেখবেন ১/৮৯-৯১ পৃষ্ঠা, ত্ববরানী আওসাত এর (১০-১১) পৃষ্ঠা এবং বাগেনদী মুসনাদে উমার ১৩ পৃষ্ঠা ও ইবনু আসাকীর (৪/৩০৩/২) পৃষ্ঠা।

[2]  মুসনাদে আহমাদ (৬/৩৬১-৩৬২) পৃষ্ঠা এবং দুলাবী তার দু’সানাদে (২/১৩৪) পৃষ্ঠা। একটি সানাদ সহীহ। আল্লামা মুনযেরী তাকে মজবুত করেছেন। এ হাদীসে প্রমাণ করে যে, হিজাজ নগরসমূহে হাম্মাম পরিচিত ছিল। আর কতিপয় হাদীসে যা এসেছেঃ অচিরেই তোমাদের জন্য অনারবদের দেশ সমূহ বিজীত হবে। আর তার মধ্যে এমন কতগুলো ঘর পাবে যাকে হাম্মাম বলা হয়। এর সানাদ সহীহ যেমন তাখরীজুল হালাল ওয়ালা হারাম এর (১৯২) পৃষ্ঠা। যা প্রমাণ করে যে, তা নিষেধের ক্ষেত্রে স্পষ্ট নয়, সুতরাং আপনি চিন্তা করুন।

[3]  আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, দারেমী, ত্বয়ালেসী, আহমাদ এবং ইবনুল আরাবী মু’জাম এর (৭১/১), হাকিম (৪/২৮৮), বাগাবী শরহুস সুন্নাহ (৩/২১৬/২) পৃষ্ঠা, বাগাবী ও তিরমিযী তাকে হাসান বলেছেন । ইমাম হাকিম বলেছেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ। যাহাবী তার সাথে ঐক্যমত হয়েছেন। তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। শব্দ বিন্যাস আবূ দাউদের (২/১৭০) পৃষ্ঠা। আর এ হাদীসে ঐ ব্যক্তির বিপক্ষে দলীল রয়েছে যে ব্যক্তি বলেনঃ হাম্মাম সম্পর্কে কোন সহীহ হাদীস নেই। যেমন ইবনুল কাইউম যাদুল মা’আদ এর (১/৬২) পৃষ্ঠা। আর তারা এ ব্যাপারে কতিপয় দুর্বল হাদীসের সূত্রের উপর ভরসা করে এবং অন্য সূত্রের খোঁজ করা ছাড়াই আলোচনা করেন।

Syed Rubelবই থেকেগোসলউভয়ের উপর ওয়াজিব যে, তারা বাড়ির মধ্যে গোসলখানা গ্রহণ করবে। আর বাজারের হাম্মামে স্ত্রীকে প্রবেশ করার অনুমতি দিবে না। কেননা, এটা হারাম। এ সম্পর্কে বহু হাদীস রয়েছেঃ প্রথম হাদীসঃ- “জাবির (রাঃ) থেক বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার স্ত্রীকে হাম্মাম...Amar Bangla Post