যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

স্ত্রীর ঘরমাসআলাঃ স্ত্রীর জন্য পৃথক একটি ঘরের ব্যবস্থা করা স্বামীর জন্য ওয়াজিব। অর্থাৎ, এমন একটি ঘর স্ত্রীকে দিতে হবে যেখানে স্বামির পিতা-মাতা, ভাই, বোন ইত্যাদি কেহ যেন না থাকে। স্বামী-স্ত্রী যেন পূর্ণ স্বাধীনভাবে সেখানে বসবাস করতে পারে। অবশ্য যদি স্ত্রী স্বেচ্ছায় এ হক মাফ করে দিয়ে সকলের সাথে এক ঘরে থাকতে চায়, তাহলে স্বামীর গুনাহ হবে না।

মাসআলাঃ স্ত্রী স্বাধীনভাবে তাঁর জিনিস-পত্র, কাপড়-চোপড় রাখতে পারে এবং নিজের ইচ্ছায় সে ঘর খুলতে এবং বন্ধ করতে পারে, অন্য কেহ তাতে কোনরূপ বাধা দিবার নেই, এ পরিমাণ কামরা বা ঘরই যথেষ্ট। এর চেয়ে অধিক দাবী করার হক স্ত্রীর নেই।

মাসআলাঃ স্ত্রীর যেমন স্বামীর কাছ থেকে এমন ঘর দাবী করে নেয়ার অধিকার আছে, যে ঘরে স্বামীর কোন আত্মীয়-স্বজন থাকতে বা আসতে পারবে না, তদ্রুপ স্বামীরও হক আছে যে, সে স্ত্রীকে যে ঘর দিয়েছে, তথায় স্ত্রীর কোন আত্মীয়কে এমনকি তাঁর পিতা-মাতাকেও ঢুকতে বা থাকতে দিবেনা।

মাসআলাঃ স্ত্রীর তাঁর পিতা-মাতাকে দেখার জন্য সপ্তাহে একবার যাওয়ার অধিকার আছে। তাছাড়া অন্যান্য মাহরাম আত্মীয়-স্বজনদেরকে (যেমন, আপন চাচা, মামা ও আপন ভাই ইত্যাদিকে) দেখার জন্য বছরে একবার যাওয়ার হক আছে, এর চেয়ে বেশি  নয়। এরূপ পিতা-মাতাও সপ্তাহে একবার এবং অন্যান্য মাহরাম আত্মীয়-স্বজনরা বছরে একবার এসে দেখে যেতে পারে, তাতে বাধা দেয়ার অধিকার স্বামীর নেই। অবশ্য এর চেয়ে বেশী আসতে নিষেধ করার অধিকার স্বামীর আছে।

মাসআলাঃ স্ত্রীর পিতা যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং খিদমত করার জন্য অন্য কেহ না থাকে, তাহলে আবশ্যক মত দৈনিক পিতার খিদমতের জন্য যেতে পারবে, স্বামী তাতে বাধা দিতে পারবে না। পিতা যদি বেদ্বীন কাফিরও হয় তারও হক আছে। স্বামী যদি নিষেধ করে তবুও যাওয়া উচিৎ। অবশ্য স্বামীর বিনা অনুমতিতে গেলে যতদিন স্বামীর বাড়ীর বাইরে থাকবে, ততদিন খোরপোষ পাবে না।

মাসআলাঃ স্ত্রীলোকের জন্য গায়েরে মাহরামদের বাড়ীতে যাওয়া আদৌ উচিৎ নয়। বিবাহ-শাদীর সময় যদি স্বামী অনুমতি দেয়ও তবুও যাওয়া বৈধ নয়। এরূপ ক্ষেত্রে স্বামী অনুমতি দিলে স্বামী গুনাহগার হবে। এমন কি , বিবাহ-শাদী উপলক্ষ্যে মাহরাম আত্মীয়দের বাড়ীতে যাওয়াও বৈধ নয়।

মাসআলাঃ তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীও তালাকের ইদ্দত শেষ হওয়া স্বামীর কাছে ভাত-কাপড় এবং ঘর পাওয়ার হকদার নয়।

মাসআলাঃ স্ত্রী গুনাহের কাজ করার জন্য যদি বিবাহ নষ্ট হয়ে যায়, যেমন, কামভাবের সাথে সতালু পুত্রের গায়ে হাত দিল, তজ্জন্য তালাক দেয়া হল বা বেদ্বীন হয়ে গেল, তাহলে ইদ্দতের খোরপোষের দাবী সে করতে পারবে না। অবশ্যই থাকার জন্য ঘর পাবে। কিন্তু যদি স্ত্রী স্বেচ্ছায় চলে যায়, তাহলে স্বতন্ত্র কথা, পরে আর দেয়া হবে না।-স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন

Syed Rubelছেলেদের দুনিয়ামাসআলাঃ স্ত্রীর জন্য পৃথক একটি ঘরের ব্যবস্থা করা স্বামীর জন্য ওয়াজিব। অর্থাৎ, এমন একটি ঘর স্ত্রীকে দিতে হবে যেখানে স্বামির পিতা-মাতা, ভাই, বোন ইত্যাদি কেহ যেন না থাকে। স্বামী-স্ত্রী যেন পূর্ণ স্বাধীনভাবে সেখানে বসবাস করতে পারে। অবশ্য যদি স্ত্রী স্বেচ্ছায় এ হক মাফ করে দিয়ে সকলের সাথে এক ঘরে...Amar Bangla Post