Home / স্বাস্থ্য / স্বাস্থ্য পরামর্শ / সুস্থ থাকার ১৫ টি টিপস

সুস্থ থাকার ১৫ টি টিপস

সুস্থ থাকার উপায়সুস্থ্যতাই সকল আনন্দ ও সুখের মূল। অসুস্থতা জীবনের আনন্দ ও সুখ কেড়ে নেয়। রোগের চিকিৎসা করানোর চেয়ে রোগ প্রতিরোধ জরুরী। তাই জেনে নিন সুস্থ থাকার ১৫ টি উপায়।

০১. নিজেই নিজের চিকিৎসা ও ওষুধ প্রয়োগের অভ্যাস পরিত্যাগ করুণ। এ অভ্যাস বিপদের কারণ হতে পারে।

০২. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন লাভে সাহায্য করে। আর ৪০ বছর বয়সের পর তো এটা অবশ্যই করণীয়।

০৩. টেনসন অনেক রোগের কারণ। টেনসন দূর করতে নিয়মিত কাজের বাইরে অন্য কাজ করুণ। যেমনঃ সমাজ সেবা করতে পারেন। মাঝে মধ্যে বাইরে বেড়াতে যেতে যান।

০৪. ব্লাডপ্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) সারে না। একে কমিয়ে রাখতে হয়। তাই কোনো অবস্থাতেই ওষুধ বন্ধ করবেন না। নিয়মিত চেকআপ ও ওষুধে গাফিলতি হলে হার্ট অ্যাটাক বা মস্তিঙ্কে রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যু হতে পারে।

০৫. ডায়াবেটিসের রোগীদেরও নিয়মিত চেকআপ ও ওষুধে গাফিলতি হলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই রোগীরা পকেটে বিস্কুট বা টফি রাখবেন এবং তিনি যে ডায়াবেটিসের রোগী একথা আইডেনটিটি কার্ড বা অন্য কোথাও যেন উল্লেখ থাকে। বাইরে কাজের তাগিদে খাবার খেতে দেরি হলে রক্তে সুগারের পরিমাণ কমে গিয়ে হাইপোগ্লাইসিমিয়ার ন্য অজ্ঞান হবার সম্ভাবনা থাকে।

০৬. রোগ সারাবার জন্য যোগাসন করছেন করুণ। কিন্তু যে ওষুধ খাচ্ছেন সেটি বন্ধ করবেন না। করলে বিপদ অনিবার্য।

০৭. রোগ সারানোর চেয়ে রোগের প্রতিরোধ কাম্য। বেশিদিন বাঁচতে শরীর সম্বন্ধে যত্নবান হন। প্রসঙ্গত জেনে রাখুন স্থূলকায় মহিলাদের ক্যানসারের সম্ভাবনা অন্যান্য মহিলাদের তুলনায় দ্বিগুন। এর জন্য ওজন কমাতে হবে এবং ক্যানসার প্রতিরোধ খাবার অর্থাৎ ফাইবারযুক্ত খাবার যেমন, টমোটো, বেশি পরিমাণে সবুজ শাকসবজি, ক্যারটেনয়িড এবং ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ সমৃদ্ধ ফলমুল নিয়মিত খেতে হবে।

০৮. ভুরিভোজন পরিত্যাগ করুণ; কে জানে এই ভোজনই আপনার শেষ ভোজন কিনা!

০৯. কোলেস্টরল কমাবার জন্য মাংসের পরিবর্তে মাছ, বেশি পরিমাণে শাক-সবজি ও ছাতু খাওয়া অভ্যাস করুণ। কোলেস্টরল অবশ্যই কমবে।

১০. মদ ও ধূমপান মরণ অভ্যাস। এর সঙ্গে সখ্যতা করবেন না।

১১. নিয়মিত হাল্কা ব্যায়াম কেবল শারীরিক দক্ষতাই বাড়ায় না; দীর্ঘজীবন লাভেও সাহায্য করে।

১২. রক্তদান মহাদান। রক্তদান করুণ। কঠিন ব্যাধি যেমন থ্যালাসিমিয়া, দীর্ঘস্থায়ী অপারেশন, প্রসবকালীন প্রচুর রক্তক্ষরণ বা দুর্ঘটনাগ্রস্থ কোনো ব্যক্তির রক্তের প্রয়োজন হলে আপনার দান করা রক্তে এরা নতুন জীবন ফিরে পাবে।

১৩. বিয়ে করতে চলেছেন? রক্ত পরীক্ষা করে দেখেছেন কি আপনার রক্ত কোনো গ্রুপের এবং ‘আর-এইচ’ পজিটিভ না নেগেটিভ? আপনাদের কেউ থ্যালাসেমিয়ার কেরিয়ার কী? আপনারা যদি দুজনেই থ্যালাসেমিয়ার কেরিয়ার হন তবে আপনাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়া নামক জিনবাহিত মরণ রোগে আক্রান্ত এবং যৌবনে পা রাখার আগেই মারা যেতে পারে। নৈতিক দিক দিয়ে কোনো দম্পতিরই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুর জন্ম দেবার অধিকার নেই। আর আপনার রক্তের গ্রুপ ও ‘আর-এইচ’ জানা থাকলে হঠাৎ রক্তের প্রয়োজন হলে সমস্যায় পড়তে হবে না। এছাড়া কোনো মহিলার রক্ত যদি আর-এইচ নেগেটিভ হয় এবং তাঁর হবু স্বামীর রক্ত ‘আর-এইচ’ পজিটিভ হয় তবে বিয়ের পর সুস্থ স্বাভাবিক সন্তানের জন্য গর্ভাবস্থায় এবং সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার পর মাকে বিশেষ ইনজেকশনের প্রয়োজন পড়তে পারে।

১৪. গর্ভাবস্থায় স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞের নিকট নিয়মিত চেক-আপ তো অবশ্যই করণীয় তবে সুস্থ ও স্বাভাবিক সন্তানের জন্য গর্ভধারণের আগেই প্রি-ন্যাটাল কাউন্সেলিং প্রয়োজন। এছাড়াও গর্ভধারণেচ্ছু মহিলাদের মাসিকের ১২ দিনের পর যথেচ্ছ ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

১৫. ক্যানসার সাধারণত বার্ধক্যের রোগ কিন্তু মহিলাদের বিশেষ করে হাই-রিক্স গ্রুপের জনন অঙ্গের ক্যানসার যে কোনো বয়সে হতে পারে। স্তনের ক্যানসার প্রতিরোধে ‘সেলফ ব্রেস্ট এগজামিনেসন অর্থাৎ নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। জরায়ুর ক্যানসার প্রতিরোধে এইচ পি ভি টিকা এবং সময়ে প্যাপস্মিয়ার টেস্ট করতে হবে। জরায়ুর ভেতরের অর্থাৎ এন্ডোমেটরিয়াল ক্যানসার প্রতিরোধে ডি.সি বায়প্সি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। ওভারির ক্যানসার সব থেকে বেশি মারাত্মক, সেজন্য ওভারির ফাংশানাল সিস্ট বা টিউমার ছাড়া যে কোনো নিওপ্লাসটিক সিস্ট বা টিউমার ডায়াগনসিস হলে অপারেশন করে বাদ দিতে হবে।

0%

User Rating: 4.73 ( 2 votes)

About Syed Rubel

Creative Writer/Editor And CEO At Amar Bangla Post. most populer bloger of bangladesh. Amar Bangla Post bangla blog site was created in 2014 and Start social blogging.

Check Also

ঘুম ভালো হওয়ার উপায়

ঘুম যদি ভালো না হয় তাহলে মন-মেজাজ ঠিক থাকে না কাজ করতেও ভালো লাগে না। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *