যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

rep 7
ছবিঃ প্রতিকী!

বান্দরবানের লামা পৌরসভায় এক কিশোরীর ধর্ষনকারীকে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গত ১৮ই নভেম্বর লামা থানায় শালিশি বিচারের মাধ্যমে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, লামা পৌরসভার কুড়ালিয়া টেক এলাকায় দিনমজুর রফিকুল ইসলামের (৫০) ১৪ বছর বয়সী মেয়ে সুরমা (ছদ্ম নাম)। গত ১৫ নভেম্বর রবিবার সকাল ১০টার দিকে প্রসাধনী কিনতে লামামুখ বাজারে যায়। পরে প্রলোভন দেখিয়ে লামামুখ বাজারের সনাতন ব্যবসায়ী সঞ্জয় দাশ (৩২) ও তার তিন বন্ধু কিশোরীকে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে পর্যায়ক্রমে দুইদিন গণধর্ষণ করে। ধর্ষিতার মা মাফিয়া খাতুন (খুকী) জানান, দোকানদার সঞ্জয় দাশ নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে আমার মেয়েকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজার নিয়ে যেতে চায়। লামা বাজারে বাস স্টান্ডে নিয়ে বাসের টিকিট কেটে তার আরেক বন্ধু জাহাঙ্গীরের সাথে কক্সবাজার পাঠিয়ে দেয়। মেয়েটিকে পেয়ে সঞ্জয়র বন্ধু জাহাঙ্গীর তার আরো দুই বন্ধুকে নিয়ে মোট ৩জনে মিলে কক্সবাজার কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে ২দিন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এদিকে মেয়ের ফিরতে বিলম্ব হতে দেখে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা চারদিকে খুঁজতে থাকে। রবিবার সারাদিন রেখে সোমবার তাকে হোটেলে ফেলে চলে যায় তিন ধর্ষক। পরে হোটেলে ভাড়া না দেয়ায় মেয়ের হাতের মোবাইলটি রেখে দেয় হোটেল ম্যানাজার। ১৬ নভেম্বর সোমবার মেয়েটিকে হোটেল থেকে বের করে দিলে, অসহায় মেয়েটি রাস্তায় কান্নাকাটি করতে থাকে। এক পুলিশ সদস্য দেখে তার কারণ জানতে চায়। মেয়েটি তখন সব কিছু পুলিশ সদস্যকে খুলে বলে। পরে পুলিশ সদস্য লামামুখ বাজারের চন্দন মজুমদার নামে এক পরিচিত লোকের মাধ্যমে মেয়ের পরিবারকে জানায়। পরে মেয়ের বড় বোনের জামাই মুজিবর তাকে চকরিয়া গিয়ে নিয়ে আসে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে উঠে পড়ে লাগে ধর্ষক পক্ষ। ১৮ নভেম্বর বুধবার ১২টার দিকে লামা থানায় বিষয়টি সামাজিক মিমাংসা করতে বসে স্থানীয় মাদবররা। শালিসী বৈঠকে ছিলেন, লামা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন, লামামুখ বাজারের ব্যবসায়ী ডা.মৃদুল কান্তি দাশ, লামা পৌরসভার ৪,৫ ও ৬ এর মহিলা কাউন্সিলর জোৎনা বেগম, ধর্ষকের বোন জামাই পরিমল দাশ, লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রবিউল হোসেন, লামামুখ এলাকার আনোয়ার হোসেন নুরু, মাসুদ রানা, মো. সামশু, ধর্ষক সঞ্জয় দাশ, মেয়ের বোন জামাই মুজিবুর রহমান ও ভাই রানা। মূল তিন ধর্ষককে বিচারে হাজির না করে বিচার কাজ সম্পন্ন করে শালিসকাররা। সব কিছু জেনে বুঝে মেয়ের সম্ভ্রমের মূল্য নির্ধারণ করে ৬০ হাজার টাকা। তাও বাকী। আগামী ৩০শে নভেম্বর মেয়ের পরিবারকে জরিমানার টাকা দেয়া হবে বলে জানায়। সুকৌশলে সঞ্জয়কে থানা থেকে নিয়ে আসে বিচারকরা। এদিকে ১৮ তারিখের পর থেকে সঞ্জয় দাশের দোকান বন্ধ আছে বলে জানায় লামামুখ বাজারের ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে সামাজিক লোক লজ্জার ভয়ে নিজের বাড়ি ছেড়ে রুপসীপাড়া বড় বোনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে ভিকটিম। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লামা পৌর শাখার সভাপতি এম. তমিজ উদ্দিন বলেন, ধর্ষককে থানায় ধরে নিয়ে আবার ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। তাছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতনের বিষয় গুলো আপোষযোগ্য নয়। লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল হোসেন বলেন, আমি সদ্য লামা থানায় যোগদান করেছি। বিষয়টি আমি জানিনা।-মানব জমিন-২৩/১১/১৫

Syed Rubelনারী নির্যাতনবান্দরবানের লামা পৌরসভায় এক কিশোরীর ধর্ষনকারীকে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গত ১৮ই নভেম্বর লামা থানায় শালিশি বিচারের মাধ্যমে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, লামা পৌরসভার কুড়ালিয়া টেক এলাকায় দিনমজুর রফিকুল ইসলামের (৫০) ১৪ বছর বয়সী মেয়ে সুরমা (ছদ্ম নাম)। গত ১৫ নভেম্বর রবিবার সকাল ১০টার দিকে...Amar Bangla Post