যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

ইন্টারনেট ও মোবাইল আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন সহজ করে দিয়েছে, সহজ করে দিয়েছে অসামাজিক কার্যক্রমও। আগে গোপনীয় কোন কিছু দেখতে হলে লোকজনকে বেশ বেগ পেতে হতো। বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নতির ফলে সব কিছু যেমন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, চলেছে সমাজ বিধ্বংসী কার্যক্রমও। যেমন, আগে কাউকে যদি মুভি অথবা মিউজিক ভিডিও দেখতে হতো তখন তাকে ভিসিডি/ডিভিডি ও টি,ভি’র সাহায্য নিতে হতো। কিন্তু বর্তমানে তার আর দরকার হয় না। শুধু লাগে মাল্টি-মিডিয়া সমর্থিত মোবাইল সেট। এখন এই মোবাইলে অডিও, ভিডিও গানের পাশাপাশি দ্রুত গতি ছড়িয়ে পড়েছে গোপন ভিডিও। ফলে দেশের সাধারণ মানুষ সাধারণ ভিডিও’র মতোই গোপন ভিডিও গুলো দেখতে পাচ্ছে। তাইতো আমরা লক্ষ করতেছি আমাদের দেশে শিক্ষিত মানুষ বাড়ার পাশাপাশি অপরাধীর সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে যুবতি নারী ধর্ষিত হবার পাশাপাশি ৫ বছরের শিশু মেয়েটিও ধর্ষিত হচ্ছে। অনেকের মনে বিদ্রুপ প্রশ্ন জাগে যে, পোশাকই যদি নারী  ধর্ষণের কারণ হয় তাহলে শিশু মেয়েরা কেনো ধর্ষণের শিকার হয় বা হচ্ছে। আমার মনেও একটি প্রশ্ন জাগে যে, শিশু মেয়েদের সাথে সেক্স করা যায় একথাটি ধর্ষকদের মনে কে গেঁথে দিচ্ছে? এ দুই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে গোপন ভিডিও। আমরা যখন গান লোডের কম্পিউটার দোকান গুলোতে গোপনে অনুসন্ধান চালিয়ে ছিলাম তখন বড়দের পাশাপাশি ছোট বাচ্চা মেয়েদের সেক্স ভিডিও পেয়েছি। এইসব ভিডিও পর্ণ প্রেমিদের কাছে বেবি সেক্স নামে পরিচিত। তাহলে আপনি চিন্তা করুণ যেখানে আমাদের দেশে ছোট বাচ্ছা মেয়েদের যৌন ভিডিও দেখানো হচ্ছে সেখানে শিশু মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হবে না কেনো? আরো ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, এই সব ভিডিও তৈরিতে বাহিরের দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এখন বাংলাদেশেই প্রচুর যৌন ভিডিও তৈরি হচ্ছে। রুমের ভিতর  স্বামী তার স্ত্রীর সাথে কি করছে স্বামী[1] তা মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও রেকর্ড করছে। প্রেমিক-প্রেমিকা রুমে ডেটিংয়ের নাম অসামাজিক অবাধ যৌনাচারে লিপ্ত হচ্ছে, প্রেমিক অথবা তার বন্ধুরা মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও রেকর্ড করছে। শিক্ষক ছাত্রীকে পড়ানোর নামে নষ্টামী করছে আবার ব্যাকমেইল করার জন্যও ভিডিও করছে। আর এসব ভিডিও ভাইরালের মতো ছড়িয়ে পড়ছে মোবাইলে এবং ইন্টারনেটের শীর্য স্থানীয় পর্ণগ্রাফী ওয়েব সাইটে। অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, এর ভিতরে আবার স্বয়ং আমাদের দেশের ১২-১৩ বছরের মেয়েরও প্রেমিকের সাথে যৌন ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে এবং তা মেমোরিতে লোড হয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্চে। আমি আগের পোস্ট এ বলেছিলাম কেঁচো খুঁজতে গিয়ে অজগর বেরিয়ে এসেছে। আমাদের দেশের ১২ বছরের মেয়েরাই বুঝে যাচ্ছে, প্রেম কি? ভালোবাসা কি? যৌন জীবন কি? শুধুতে এখানেই সীমাবদ্ধ নয় বরং প্রেমিকের সাথে রীতিমতো সে যৌন কার্যে লিপ্ত হচ্ছে। যে মেয়েটি যৌন জীবন সম্পর্কে জ্ঞান রাখে আপনি তাকে কি করে শিশু হিসাবে দেখবেন? হতে পারে যৌন জ্ঞান কম, কিন্তু সে তো যৌনতার মজা উপভোগ করছে? জানিনা, আমাদের শুভ বুদ্ধি কবে উদয় হবে। শুধু এখানে শেষ নয়, গত কিছু দিন আগে, আমার সামনেই প্রেমিক তার প্রেমিকার সাথে কথা বলতেছে যৌন ভিডিও নিয়ে। প্রেমিকাকে বলতেছে, আমি অই ভিডিও গুলো দেখতেছি তুমি কি এর আওয়াজ শুনবা? প্রেমিকা বলে আওয়াজ শুনে লাভ কি যদি দেখতে না পারি? এর থেকে বুঝা যায়  সেক্স ভিডিও দেখার প্রতি মেয়েদেরও আগ্রহ ছেলেদের  চেয়ে কোন অংশে কম নয়। চলবে……..

[1]  এখন স্বামীর হাতেও স্ত্রীর ইজ্জত—সম্মান লুণ্ঠিত। অথচ স্বামীই হচ্ছে স্ত্রীর ইজ্জত হেফাজত কারী।

বাচ্ছা মেয়েদের সেক্স ভিডিও
এটিকে একটি বাহিরের দেশের শিশু মেয়েদের যৌন ভিডিও অংশ
এটি এবং নীচের দেওয়া ছবিটিও বাংলাদেশের মেয়েদের যৌন ভিডিও থেকে নেওয়া

Syed Rubelজাতীয়ইন্টারনেট ও মোবাইল আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন সহজ করে দিয়েছে, সহজ করে দিয়েছে অসামাজিক কার্যক্রমও। আগে গোপনীয় কোন কিছু দেখতে হলে লোকজনকে বেশ বেগ পেতে হতো। বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নতির ফলে সব কিছু যেমন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, চলেছে সমাজ বিধ্বংসী কার্যক্রমও। যেমন, আগে কাউকে যদি মুভি অথবা মিউজিক ভিডিও...Amar Bangla Post