যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

মাসিকের সময়

মাসআলাঃ-৬৪. হায়েয অবস্থায় স্বামীর সঙ্গে উঠাবসা, চলাফের, খানাপিনা সব কিছুই জায়েয তবে সহবাস করা হারাম।
মাসআলাঃ-৬৫. হায়েয অবস্থায় স্বামীর সঙ্গে শয়ন করা, আদর-সোহাগ করা এবং সহবাসে লিপ্ত হওয়া সম্ভাবনা না থাকলে নাভী থেকে হাটু পর্যন্ত শরীর কাপড় দ্বারা আবৃত রেখে বাকী শরীর অনাবৃত শরীরের সঙ্গে লাগানোও জায়েয আছে। আরবীতে উহাকে ‘মুবাসারাত’ বলে। তবে যদি সহবাসে পতিত হওয়ার ভয় থাকে তবে এ সমস্ত কার্য থেকে একেবারেই দূরে থাকা জরুরী, কারণ এ অবস্থায় সহবাস করা হারাম।
মাসআলাঃ-৬৬. তবে যদি (আল্লাহ না করেন) এ অবস্থার মধ্যে সহবাস হয়ে যায় তবে তওবা ও ইস্তিগফার একান্ত জরুরী। আর সর্বোত্তম হলো তাওবার সাথে সাথে কিছু সদকাও প্রদান করা।
মাসআলাঃ-৬৭. যদি কোন মহিলার হায়েযের মুদ্দাতানুযায়ী হায়েযের দিন উপস্থিত হয় আর তার স্বামী যদি তখন স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে চায় কিন্তু স্ত্রী স্বামীকে জানায় যে তার হায়েয শুরু হয়ে গেছে তবে এমতাবস্থায় স্ত্রীর কথা মেনে নেওয়া স্বামীর জন্য জরুরী যদিও স্ত্রী দ্বীনদার না হয়।
মাসআলাঃ-৬৮. পূর্ণ ১০ দিন হায়েয চলার পর যদি তা বন্ধ হয়ে যায় তবে গোসল করার পূর্বেই সহবাস করা জায়েয। কিন্তু উত্তম হলো গোসল করার পর সহবাস করা।
মাসআলাঃ-৬৯. ১০ দিনের পূর্বে রক্ত বন্ধ হয়ে গেলে গোসল না করা পর্যন্ত বা এক ওয়াক্তের নামায পরিমাণ সময় অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত সহবাস করা জায়েয নেই। তবে এক ওয়াক্ত নামায পরিমাণ সময় চলে গেলে গোসল ব্যতীতই তার সাথে সহবাস করা জায়েয।

আপনি পড়ছেনঃ নারীর শ্রেষ্ঠ উপহার বই থেকে।

বিষয়ঃ মেয়েদের অতি গোপনীয় ১১৩ টি মাসআলা

Syed Rubelপরামর্শ মূলক নিবন্ধনমাসআলা মাসায়েলগোসলমাসআলাঃ-৬৪. হায়েয অবস্থায় স্বামীর সঙ্গে উঠাবসা, চলাফের, খানাপিনা সব কিছুই জায়েয তবে সহবাস করা হারাম। মাসআলাঃ-৬৫. হায়েয অবস্থায় স্বামীর সঙ্গে শয়ন করা, আদর-সোহাগ করা এবং সহবাসে লিপ্ত হওয়া সম্ভাবনা না থাকলে নাভী থেকে হাটু পর্যন্ত শরীর কাপড় দ্বারা আবৃত রেখে বাকী শরীর অনাবৃত শরীরের সঙ্গে লাগানোও জায়েয আছে। আরবীতে উহাকে...Amar Bangla Post