Home / বই থেকে / বেতরের নামাজ কাজা করার বিধান
বেতরের নামাজ

বেতরের নামাজ কাজা করার বিধান

50- عَنْأَبِيْسَعِيْدٍاَلْخُدْرِيِّرَضِيَاللهُعَنْهُ،قَالَ: قَالَرَسُوْلُاللَّهِصَلَّىاللَّهعَلَيْهِوَسَلَّمَ: "مَنْنَامَعَنِالْوِتْرِأَوْنَسِيَهُ؛فَلْيُصَلِّإِذَاذَكَرَوَإِذاَاسْتَيْقَظَ".

(جامعالترمذي،رقمالحديث 465،واللفظله،وسننأبيداود،رقمالحديث 1431،وسننابنماجه،رقمالحديث 1188،وصححهالألباني).

50-  অর্থ: আবু সাঈদ আলখুদরী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত।তিনি  বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন:“যে ব্যক্তি বেতরের  নামাজ না পড়ে শুয়ে যাবে অথবা বেতরের  নামাজ পড়তে ভুলে যাবে, সে ব্যক্তি যখনই তা স্মরণ করবে কিংবা নিদ্রা থেকে জেগে উঠবে, তখনই বেতরের  নামাজ পড়ে নিবে”।

[জামে তিরমিযী, হাদীস নং 465,  এবং সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 1431 এবং সুনান ইবনু মাজাহ, হাদীসনং 1188, তবে হাদীসের শব্দগুলি জামে তিরমিযী থেকে নেওয়া হয়েছে। আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।

* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 43নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।

* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:

1। এই হাদীসটির বাহ্যিক অবস্থার দ্বারা এটা প্রতিমান হয় যে,  যে ব্যক্তি বেতরের  নামাজ ছেড়ে দিয়েছে শুয়ে যাওয়ার কারণে অথবা ভুলে যাওয়ার কারণে, সে ব্যক্তি যখনই তা স্মরণ করবে কিংবা নিদ্রা থেকে জেগে উঠবে, রাত্রি বেলায় অথবা দিনের বেলায়, তখনই সে বেতরের  নামাজ পড়ে নিবে। যেহেতু আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন:“কোনো ব্যক্তি কোনো নামাজ ভুলে গেলে কিংবা কোনো ব্যক্তির ঘুমের কারণে নামাজ ছুটে গেলে তার কাফফারা হলো এই যে, সে উক্ত নামাজের কথা স্মরণ করলেই সাথে সাথে সেই নামাজ পড়ে নিবে”।[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 315 -(684) ]।

2। প্রকৃত ইসলাম ধর্মের কতকগুলি পণ্ডিত বলেছেন: যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে বেতরের  নামাজ ছেড়ে দিয়েছে। সে ব্যক্তি বেতরের  নামাজ পড়বে চাশতের নামাজের সময়ে। তবে সে বেতরের  নামাজ বিজোড় ও অযুগ্ম পড়বে না বরং যুগ্ম করে পড়বে। যেহেতু আল্লাহর নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর প্রিয়তমা আয়েশা উম্মুল মুমেনীন [রাদিয়াল্লাহু আনহা] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আল্লাহর নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন কোনো নফল নামাজ পড়তেন, তখন তিনি তা নিয়মিত ভাবেই পড়তে পছন্দ করতেন। তবে যদি তাঁর উপর ঘুম প্রবল হতো অথবা তাঁর কোনো প্রকার কষ্ট হতো, তাহলে তিনি দিনে বারো রাকাআত নফল নামাজ পড়তেন।[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 139 – (746) ]।

3। প্রকৃত মুসলিম ব্যক্তি বেতরের  নামাজ কাজা করার বিষয়ে উল্লিখিত দুইটি মতের মধ্যে থেকে যে মতটি তার পছন্দ হবে সে মতটি সে গ্রহণ করবে, তবে প্রথম মতটি বেশি প্রাধান্য দেওয়ার উপযোগী।  আর এই বিষয়ে মহান আল্লাহই বেশি জানেন।

সূত্র : নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খন্ড

এই হাদীসটি আপনার পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের কে পড়াতে শেয়ার করুণ। পবিত্র ইসলামের আলোয় আলোকিত হোক সবার জীবন।

এই হাদীসের বাণীতে আপনার রেটিং দিন

0%

প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, আমাদের হাদীসের বাণী পড়ে আপনার কাছে কেমন লেগেছে তার উপর ভিত্তি করে আপনি একটি রেটিং প্রদান করুন। আপনার রেটিং প্রদান করতে নিচের পাঁচটি তারা থেকে আপনার মান নির্ণয় তারাতে ক্লিক করুন। সর্বোচ্চ রেটিং দিতে পঞ্চম তারাতে ক্লিক করুন।

আরো হাদীসের বাণী পড়ুন
User Rating: 4.28 ( 2 votes)

About Syed Rubel

Creative Writer/Editor And CEO At Amar Bangla Post. most populer bloger of bangladesh. Amar Bangla Post bangla blog site was created in 2014 and Start social blogging.

Check Also

দোয়ায়ে কুনুত

বেতর নামাজে কুনূতের দোয়া

49- عَنِالْحَسَنِبْنِعَلِيٍّرَضِيَاللهُعَنْهُمَا،قَالَ: عَلَّمَنِيْرَسُوْلُاللَّهِصَلَّىاللَّهُعَلَيْهِوَسَلَّمَكَلِمَاتٍأَقُوْلُهُنَّفِيْقُنُوْتِالْوِتْرِ: "اَللَّهُمَّاهْدِنِيْفِيْمَنْهَدَيْتَ،وَعَافِنِيْفِيْمَنْعَافَيْتَ،وَتَوَلَّنِيْفِيْمَنْتَوَلَّيْتَ،وَبَارِكْلِيْفِيْمَاأَعْطَيْتَ،وَقِنِيْشَرَّمَاقْضَيْتَ؛إِنَّكَتَقْضِىْوَلاَيُقْضَىعَلَيْكَ،وَإنَّهُلاَيَذِلُّمَنْوَّالَيْتَ،وَلاَيَعِزُّمَنْعَادَيْتَ،تَبَارَكْتَرَبَّنَاوَتَعَالَيْتَ". (سننأبيداود،رقمالحديث 1425،واللفظله،وجامعالترمذي،رقمالحديث 464،وسننالنسائي،رقمالحديث 1745،وسننابنماجه،رقمالحديث  1178،قالالإمامالترمذيعنهذاالحديثبأنه:  حسن،وصححهالألباني). 49 – অর্থ: আল হাসান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: