যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

 

যৌন টিপস

এবারে আমরা একটি প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা সফল মৈথুন। এমন প্রশ্ন অনেকে করতে পারে-মৈথুন আবার সফল অ-সফল কি? যথারীতি নর-নারীর মিলন। দৈহিক মিলনের পরিপুর্ণ আনন্দ ও রেতঃপাত। এই ত মৈথুন। আমরা বলব না, তা  নয়। তবে?

আমরা বলব শতকরা একটি দু’টির বেশি মৈথুন সফল মৈথুন হয় না। কেন হয় না? তা বলতে গেলে সফল মৈথুন কি, সে বিষয়ে আলোচনা করতে হয়। স্ত্রীর কামনার তৃপ্তি কম বেশি হয়ত হয়ে থাকে। তথাপী স্ত্রীর গর্ভবতী হয়ে সন্তানের জন্মও দিতে শুরু করে, তবু তা সফল মৈথুন হয় না। কেন?

সফল মৈথুনের পরিচয়—

যে মৈথুন করলে শারীরিক, মানসিক ও দৈহিক কোনও ক্ষতি হয় না। উলটে কর্মে আনন্দ ও একাগ্রতা আসে এবং মৈথুনের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়; স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায় এবং হৃদয় প্রফুল্ল ও শান্ত লিগ্ধতায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে-তাকে সফল মৈথুন বলে।

সফল মৈথুনের ফল—

  • মনের শান্তি পায়। মন সর্বকাজে দৃঢ় হয়ে থাকে ও মনের উৎসাহ বাড়ে।
  • কাজকর্মে একাগ্রতা আনে। কাজকর্মের দিকে মন সংযোগ বৃদ্ধি পায়।
  • দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তির জন্যে কর্মক্ষেমতা বৃদ্ধি পায়। নিজেকে গর্ব অনুভব করে।
  • অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকে না।

অসফল মৈথুনের পরিচয়—

  • মনে শান্তি থাকে না। মন ধীরে ধীরে অবসাদে ভরে ওঠে। মেজাজ হয়ে যায় খিটখিটে।
  • মানসিক দূর্বলতা প্রযুক্ত কাজকর্মে ইচ্ছা কমে যায়।
  • সব সময় মন উত্তেজিত ও বিরক্ত থাকে।
  • স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা কমে আসে।
  • পরনারীর প্রতি আকর্ষণ জনিত চরিত্র দোষ ঘটতে পারে। পতিতালয় গমনও ঘটতে পারে।
  • শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে – সব সময় শরীর ভার ভার বোধ হয়। আহারে ও নিদ্রার প্রতিও আকর্ষণ কমে যায়।
  • বায়ুর প্রাবল্য, চোখ মুখ জ্বালা করতে থাকে।
  • মাথা ঘোরে ও গা বমি বমি করে।
  • ধীরে ধীরে মৈথুনের প্রতি ঘৃণাও জন্মাতে পারে।

এখন কথা হচ্ছে কি করলে মোইথুন সফল করা যায়। মৈথুন অ-সফল হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে-উপযুক্ত পুরুষ ও নারীর মিলনের অভাব।

অ-সফল মৈথুনের কারণ—

এবারে অ-সফল মোইথুনের কতকগুলি প্রধান কারণের বিষয় লেখা হচ্ছে-এগুলিও মনে মনে চিন্তা ও বিচার করে নিতে হবে।

  • মৈথুনের আগে নারীকে উত্তেজিত না করা।
  • মৈথুনে যোগ্যভাবে নিজেকে তৈরী না করা।
  • উপযুক্ত আসন না করে মৈথুনে লিপ্ত হওয়া।
  • শক্তির অভাবে মৈথুন পূর্ণ হতে পারে না।
  • অসুস্থ অবস্থায় মৈথুন করলে এতে তত পূর্ণ আনন্দ হয় না। দৈহিক ক্ষতি করে।
  • ঘন ঘন মৈথুনও অবশ্য পরিত্যাজ্য। ইহা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।
  • অযোগ্য স্ত্রী-স্ত্রী উপযুক্ত না হলে পূর্ণ মৈথুন হয় না।
  • অন্যান্য অসুবিধা বা মানসিক কারণ।
  • স্বামী বা স্ত্রীর অন্য নারী বা পুরুষের প্রতি গোপন আসক্তি।
  • প্রকৃতি উত্তেজনা ছাড়া মৈথুন।

উত্তেজনার বিচার—

এবারে প্রকৃত উত্তেজনা কি ও কি তার লক্ষণ সে বিষয়ে বলা হচ্ছে।

উত্তেজনা দুই প্রকার।

(১) আসল এবং (২) নকল বা বাহ্যিক।

যে যৌন উত্তেজনা সাধারণতঃ নর-নারীর মধ্যে দেখা যায় তা প্রায়ই নকল উত্তেজনা। নকল কেন তার প্রমাণ করে দেওয়া হবে-আগে আসল উত্তেজনার লক্ষণ কি তাই বলা হচ্ছে।

নারী পুরুষকে বা পুরুষ নারীকে কাছে টেনে নিয়ে পরস্পর উত্তেজনা সৃষ্টির প্রয়াস পায় এবং তার ফলে যদি হৃদয়ে উত্তেজনা জাগে তা প্রকৃত উত্তেজনা নয়। হৃদয়ে আপনা থেকেই ভাবভঙ্গীর মুখে পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে হবার দুর্দ্মনীয় কামনা যদি জাগে তবে তা হলো আসল অর্থাৎ প্রকৃত উত্তেজনা। 

প্রকৃত উত্তেজনা সম্পর্কে বাৎস্যায়ন বলেছেন, যদি কোন নারীর স্মৃতি (চেহারা) বা ধ্যান ছাড়াও আপনা থেকেই হৃদয় উত্তেজিত হয়ে উঠে, তবে তা হলো প্রকৃত উত্তেজনা। কিন্তু এ হলো সেই যুগের কথা-মানুষ যখন প্রকৃতির উপর নির্ভর করে চলতো। প্রকৃতির উপর নির্ভর করে সে নিজের মানসিক অবস্থা নিরূপণ করতো। আজকাল যুগ পালোটে গেছে। নারী মূর্তি দর্শন আজকাল হামেশাই করতে হয়।

হাটে-বাজারে চারপাশে নারীর নানা ভঙ্গির নানা বিজ্ঞাপন। নারীর দেহ আর যৌবনের নানারূপ ভঙ্গিমায় বিজ্ঞাপন দিয়েই আজকাল প্রচুর জিনিস বিক্রি হয়। সাইনবোর্ডেও নারীর নানারূপ প্রতিকৃতি দেখা যায়। তবে আজকাল সেভাবে প্রকৃত উত্তেজনা বোঝা সহজ কথা নয়।

প্রকৃত উত্তেজনা তাই আজকাল অন্যভাবে স্থির করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ যখন চিত্তবৃত্তি আপনা থেকেই নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং মনকে কিছুতেই আর সংযত করা যায় না, তখনই প্রকৃত উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবংত তাকেই প্রকৃত উত্তেজনা বলে। এ কথা ঠিক যে প্রকৃত উত্তেজনা ছাড়া মৈথুন করা উচিত  নয়। তেমনি প্রকৃত উত্তেজনা জাগলে তা দমন করা কঠিন নয়। তাতে দৈহিক ও মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রকৃত উত্তেজনার সময় ব্যতীত মৈথুন করলে তা মৈথুন হতে পারে না।

মৈথুনের শক্তির স্বল্পতা—

মৈথুনের শক্তির স্বল্পতা আর শীঘ্র রেত”পাত করলে একই কথা, কিন্তু দু’টির কারণ কিছুটা ভিন্ন। শীঘ্র বীর্য পতন এক ধরনের রোগ। এ বিষয়ে আমরা এর পরে রোগের পরিচ্ছেদ বিশেষভাবে আলোচনা করব। কিন্তু মৈথুন শক্তির স্বল্পতা একটা প্রধান জিনিস। এটি দৈহিক ও মানসিক অবস্থার ওপর হয়ে থাকে। কারণঃ-

  • অধিক উত্তেজনা।
  • ঘন ঘন উত্তেজনা কিন্তু কম পরিমাণে।
  • যখন উত্তেজনা আসে তখন স্ত্রীর সঙ্গে মৈথুন না করা।
  • মৈথুনের সময় ভয়, লজ্জা ও কোন বাধা।
  • বহুদিন বাদে মৈথুন করা।
  • হস্তমৈথুন করা।
  • দৈহিক অসুস্থতা।
  • জন্মগত দুর্বলতা।
  • যৌন ব্যাধি ইত্যাদি।

প্রতিকার-শীঘ্র পতন, যৌন ব্যাধি জন্মগত দুর্বলতা ইত্যাদি বিষয়ে এর পরে আলোচনা করা হয়েছে। প্রত্যেক রোগের কি ঔষধ তাও বলা হয়েছে।

যৌন ইন্দ্রিয়ের অক্ষমতা—

যৌন ইন্দ্রিয়ের অক্ষমতা হলো সকল মৈথুনের আর একটা প্রধান অন্তরায়। মৈথুন শক্তির অক্ষমতা আর যৌন অক্ষমতার কারণ কিন্তু ঠিক এক নয়। মৈথুন শক্তির অক্ষমতা সক্ষম ইন্দ্রিয় শক্তি থাকলেও হতে পারে। কিন্তু অনেকের ইন্দ্রিয় আবার ঠিক তার মত দৃঢ় হয় না। আর ইন্দ্রিয় দৃঢ় না হলে ক্ষমতা স্বাভাবিক হয় না। এর প্রকৃত কারণ কি? এ বিষয়ে নানা আলোচনা আগে করা হয়েছে। এখনও করা হবে। ইন্দ্রিয় উত্তেজিত না হবার কারণ হলো অবশ্য শারীরিক দুর্বলতা। কিন্তু তা আসে কেন?

(১) অমিতাচার।

(২) জন্মগত ক্ষমতার অভাব।

(৩) যৌন ক্ষমতার অভাব।

(৪) হস্তমৈথুন অভ্যাস ইত্যাদি।

যাই হোক যৌন ইন্দ্রিয়ের অক্ষমতার উপযুক্ত চিকিৎসক দ্বারা অবশ্যই চিকিৎসা করান দরকার। তা না হলে যৌন ইন্দ্রিয়ের ক্রমশঃ আরও মারাত্মক হয়ে অন্য রোগের সূচনা করতে পারে।

অযোগ্য স্ত্রী—

স্ত্রী, মৈথুনে অযীগ্য হয় কেমন করে? এর উত্তর হলো-মৈথুনের উপযুক্ত ভাবে সহায়ক না হলে সেই  স্ত্রীকে অযোগ্য বলা হয়। স্ত্রী অযোগ্য কি করে হতে পারে—

  • মৈথুনে অনাসক্তি।
  • উহপযুক্ত শ্রেণী হিসাবে মিল না হবার জন্য মৈথুনে অক্ষমতা। যেমন, বৃষ বা অশ্ব জাতীয় পুরুষের সাথে পদ্মিনী জাতীয় স্ত্রীর।
  • দৈহিক গঠনের জন্য মৈথুনে অতৃপ্তি।
  • লজ্জা ও ভয় ইত্যাদি কারণে স্বামীর সঙ্গে মৈথুনে লিপ্ত না হতে ইচ্ছা।
  • হৃদয়ে প্রেমের অভাব।
  • গোপন প্রণয়ী—স্বামীর প্রতি আসক্তি বা প্রেমের অভাব। এর জন্যে স্ত্রীকে ভালোবেসে তার হৃদয় জয় করতে হবে।

দৈহিক হলে, চিকিৎসার প্রয়োজন। নারী পুরুষ উভয়েই সমশ্রেণীর না হলে মৈথুনকালীন বিবিধ অসুবিধার সৃষ্টি হয়। এই অসুবিধাই হলো অ-সফল মৈথুন।  

 মৈথুনে অন্যান্য অসুবিধা—

সফল মৈথুনের অসুবিধা হলো—

আর্থিক অস্বচ্ছলতা।

যোগ্য স্থানের অভাব।

খাদ্যের অভাব ও দৈহিক দুর্বলতা ইত্যাদি।

একথা অবশ্যই ঠিক যে সুবিধাজনক সময়, স্থান, খাদ্যদির অভাব হলে, মৈথুন, সফল হতে পারে না। কোন গরীব বা অভাবী লোক আগে খাদ্যের যোগাড় করবে তারপর মৈথুন।

এখানে আর একটি প্রয়োজনীয় কথা হলো-প্রাচীন শাস্ত্র কারক বলেছেন যে, সফল মৈতুন নর-নারীর আনন্দ প্রাপ্তির উৎস তা ঠিক।

সফল মৈথুন না হলে, হৃদয়ে পূর্ণ আনন্দ প্রাপ্তি না হলে উপযুক্ত সন্তান হয় না। অ-সফল মৈথুনে যে সন্তান হয়, তা জাতির প্রতিবিন্ধক স্বরূপ। সফল মৈথুনই প্রকৃত সন্তানের জন্ম দেয়।

অবশেষে একটি প্রধান কথা হলো-মৈথুন যত কম হয় তত ভালো। তাতে রতিশক্তি বৃদ্ধি পায় ও সকল মৈথুনের জন্যে দেহ মনকে শক্তি সঞ্চয়ী করে তোলে।

আমাদের সকল বিভাগ দেখুন এখানে। 

Syed Rubelযৌন টিপস এবং টিক্স  এবারে আমরা একটি প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা সফল মৈথুন। এমন প্রশ্ন অনেকে করতে পারে-মৈথুন আবার সফল অ-সফল কি? যথারীতি নর-নারীর মিলন। দৈহিক মিলনের পরিপুর্ণ আনন্দ ও রেতঃপাত। এই ত মৈথুন। আমরা বলব না, তা  নয়। তবে? আমরা বলব শতকরা একটি দু’টির বেশি মৈথুন সফল মৈথুন হয় না। কেন...Amar Bangla Post