যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

অর্থাৎ, যায়েদ বিন খালেদ জোহনী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুদায়বিয়্যাতে রাতে বৃষ্টি হলে ফজরের নামাযের পর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম সকলের দিকে সন্মুখে করে বসে বললেন, “তোমরা জান কি, তোমাদের প্রতিপালক কি বলেন?” সকলে বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। বললেন, তিনি বলেন, “আমার বান্দাদের মধ্যে কিছু বান্দা ,মুমিন হয়ে ও কিছু কাফের হয়ে প্রভাত করেছে। যে ব্যক্তি বলেছে যে, আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়ায় আমাদের উপর বৃষ্টি হল, সে তো আমার প্রতি মুমিন (বিশ্বাসী) ও নক্ষত্রের প্রতি কাফের (অবিশ্বাসী)। কিন্তু যে ব্যক্তি বলেছে যে, অমুক অমুক নক্ষতের ফলে আমাদের উপর বৃষ্টি হল, সে তো আমার প্রতি কাফের (অবিশ্বাসী) এবং নক্ষত্রের প্রতি মুমিন (বিশ্বাসী)”। (বুখারী)। অনুরূপ পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত ভাগ্যরাশির উপর ভরসা করাও শির্কের অন্তর্ভুক্ত জিনিস। যদি এই নক্ষত্র ও কক্ষপথের প্রতিক্রিয়া আছে বলে বিশ্বাস করে, তবে সে মুশরিক গণ্য হবে। কিন্তু যদি উহা কেবল সান্ত্বনার জন্য পড়ে, তাহলএ সে নাফারমান পাপী বিবেচিত হবে। কেওননা, শির্কীয় জিনিস পোড়ে সান্ত্বনা অর্জন জায়েয নয়। তাছাড়া এর দ্বারা শয়তান তাঁর অন্তরে এমন বিশ্বাসও প্রবেশ করিয়ে দিতে পারে, যা শির্কের অসীলা হয়ে দাঁড়াবে।

মহান স্রষ্টা যেসব জিনিসের মধ্যে কোণ উপকার রাখেন নি, উহার মধ্যে উপকার আছে বলে বিশ্বাস করাও শির্কের আওটায় পড়ে। যেমন, তাবিজ-কবচ, মাদুলী, কড়ি ও ধাতব দ্রব্যের কোন বালা ইত্যাদির ব্যাপারে অনেকে এই ধারণা পোষণ করে। আর এই ধারণা সৃষ্টি হয় জ্যোতিষী, অথবা যাদুকরের ইশারা-ইঙ্গিতে, বা গতানুগতিকভাবে। (উক্ত) জিনিসগুলো তারা নিজেদের গলায়, কিংবা ছেলেদের গলায় বদ-নজর থেকে বাঁচার ধারণা নিয়ে ঝুলায়। কিংবা দেহের কোন স্থানে বাঁধে, বা গাড়ীতে ও বাড়ীতে ঝুলিয়ে রাখে। অনুরূপ বিভিন্ন প্রকারের লোহার আংটি বিপদ-আপদ থেকে বাঁচা ে তা দূর করাসহ অনেক নির্দিষ্ট জিনিসের বিশ্বাস নিয়ে পরিধান করে। আর নিঃসন্দেহে এসব হল আল্লাহর প্রতি আস্থার বিপরীত জিনিস। এতে মানুষের ব্যাধি বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এটা হল হারাম জিনিস দ্বারা চিকিৎসা করা। আর যেসব তাবীজগুলো ঝুলানো হয়, উহার বেশীরভাগই হল শির্কযুক্ত। কেনন, হয় উহাতে জ্বিন ও শয়তানের নিকট সাহায্য কামনা করা হয়ে থাকে, অথবা থাকে দুর্বোধ্য নক্সা ও অবোধগম্য লিপি। আবার অনেক দৈব্য চিকিৎসকরা কুরআনের আয়াত লিখে এবং উহার সাথে অনেক শির্কীয় জিনিস মিশ্বিত করে। আবার অনেকেই কুরআনী আয়াত অপবিত্র নোংরা জিনিস দিয়ে, অথবা মাসিকের রক্ত দ্বারা লিখে। উল্লিখিত যাবতীয় জিনিসগুলো ঝুলানো, বা কোন কিছুতে বাধা হারাম। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেন,

অর্থাৎ, “যে ব্যক্তি তাবীজ ঝুলাল, সে শির্ক করল।”  এই কাজে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি এই ধারণা পোষণ করে যে, এই জিনিসগুলির দ্বারা উপকার ও অপকার সাধিত হয়, তবে সে বড় শির্ক সম্পদনকারী বিবেচিত হবে। কিন্তু সে যদি মনে করে যে, এগুলি কল্যাণ অকল্যাণের উপকরণ, অথচ আল্লাহ এগুলিকে উপকরণ বানান নি, তাহলে সে ছোট শির্ক সম্পাদনকারী বিবেচিত হবে এবং এটা মাধ্যমের শির্কের আওতায় পড়বে।  

আপনি পড়ছেনঃ কতিপয় হারাম বস্তু, যা অনেকে নগণ্য ভাবে বই থেকে

Syed Rubelশির্ক ও বিদআতঅর্থাৎ, যায়েদ বিন খালেদ জোহনী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুদায়বিয়্যাতে রাতে বৃষ্টি হলে ফজরের নামাযের পর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম সকলের দিকে সন্মুখে করে বসে বললেন, “তোমরা জান কি, তোমাদের প্রতিপালক কি বলেন?” সকলে বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। বললেন, তিনি বলেন, “আমার বান্দাদের মধ্যে...Amar Bangla Post