যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

মহান আল্লাহ বলেন,

“অতঃপর যখন শুভদিন ফিরে আসে, তখন তারা বলতে আরম্ভ করে যে, এটাই আমাদের জন্য উপযোগী। আর যদি অকল্যাণ এসে উপস্থিত হয়, তবে তাতে মূসার এবং তাঁর সঙ্গীদের অলক্ষণ বলে অভিহিত করে।” (সূরা আরাফ : ১৩১)

আরবদের প্রথা ছিলো যে, তাদীর কেউ যখন সফর ইত্যাদি করার ইচ্ছা করত তখন একটি পাখী ধরে তাকে উড়াত। যদি সে ডান দিকে যেত, তাহলে এটাকে শুভলক্ষণ মনে করে স্বীয় ইচ্ছা পূরণ করত। কিন্তু যদি সে বাম দিকে যেত, তবে এটাকে অশুভলক্ষণ মনে করে কত ইচ্ছা ত্যাগ করত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম এই কাজকে শির্ক বলে গণ্য করেছেন। তিনি বলেন,

“অশুভ বা কুলক্ষণ মনে করা শির্ক।”(আহমদ)

কন মাসকে অশুভ বা কুলক্ষণ মনে করাও তাওহীদের পূর্ণতা বিরোধী (উক্ত) হারাম আক্বীদারই অন্তর্ভুক্ত বিষয়। যেমন, সফর মাসে বিবাহ-শাদী না করা। প্রত্যেক মাসের শেষ বুধবারকে অশুভ মনে করা, অথবা ১৩ সংখ্যাকে, কিংবা কোন নামকে, বা ব্যাধিগ্রস্ত কোন মানুষকে দেখে অলক্ষ্মী মনে করা। যেমন, দোকান খুলতে যাওয়ার পথে কোন কানাকে দেখে অশুভ লক্ষণ মনে করে ফিরে আসা ইত্যাদি। এ সবই হচ্ছে হারাম ও শির্কীয় পর্যায়ের জিনিস।  আর এই ধারণা যারা পোষণ করে, তাদের সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম-এর কোন সম্পর্ক নেই। তাই ইমরান বিন হুসায়েন (রাঃ) থেকে মার্ফু সূত্রে বর্ণিত। (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেন,)

“সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে (কোন কিছুকে) অশুভ মনে করে, বা যার জন্য করা হয়। যে ভবিষ্যদ্বাণী করে, কিংবা যার জন্য করা হয়। যে যাদু করে, অথবা যার জন্য যাদু করা হয়। (তাবারানী) আর যদি কেউ এই ধরনের কোন ধারণায় পতিত হয়ে পড়ে, তাহলে তাঁর কাফফারা তা-ই, যা আব্দুল্লাহ বিন আমর রাযী আল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেছেন,

“অশুভ-কুলক্ষণ যাকে স্বীয় কাজ থেকে ফিরিয়ে দেয়, সে অবশ্যই শির্ক করে। সাহাবায়ে কেরামগণ জিজ্ঞাসা করলেন, উহার কাফফারা কি হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বললেন, সে এই দো’আ পড়বে, (আল্লাহুম্মা লা-খায়রা ইল্লা খায়রুকা অলা তায়রা ইল্লা তায়রুকা অলা লা-ইলাহা গায়রুকা) “হে আল্লাহ! তোমার মঙ্গল ব্যতীত আর কোন মঙ্গল নাই। তোমার পক্ষ হতে সুসাব্যস্ত দুর্ভাগ্য ব্যতীত আর কোন দুর্ভাগ্যই হতে পারে না এবং তুমি ছাড়া আর কন সত্য উপাস্য নাই।” (আহমদ)

আর কম-বেশি অশুভ, বা কুলক্ষণের ধারণা সৃষ্টি হওয়া মানুষের স্বভাবগত ব্যাপার। তবে এর উত্তম চিকিৎসা হল আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা। যেমন ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন,

“আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যে এই অশুভ ধারণায় পতিত হয় না। তবে আল্লাহর প্রতি তাওয়াককুল রাখলে তিনি তাঁর ঐ ধারণা দূর করে দেবেন”। (আবু দাউদ) 

আপনি পড়ছেনঃ কতিপয় হারাম বস্তু, যা অনেকে নগণ্য ভাবে বই থেকে

Syed Rubelশির্ক ও বিদআতমহান আল্লাহ বলেন, “অতঃপর যখন শুভদিন ফিরে আসে, তখন তারা বলতে আরম্ভ করে যে, এটাই আমাদের জন্য উপযোগী। আর যদি অকল্যাণ এসে উপস্থিত হয়, তবে তাতে মূসার এবং তাঁর সঙ্গীদের অলক্ষণ বলে অভিহিত করে।” (সূরা আরাফ : ১৩১) আরবদের প্রথা ছিলো যে, তাদীর কেউ যখন সফর ইত্যাদি করার ইচ্ছা করত তখন...Amar Bangla Post