যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

danobরুহানি শিক্ষা ও দীক্ষা বিবর্জিত অথচ আধুনিক পেশাদারি শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত আইএস সন্ত্রাসীরা যদি ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, লিবিয়া গোটা মধ্যপ্রাচ্য এবং আমাদের মতো দেশগুলোতেও ব্যাপক গণহত্যা চালিয়ে লহুর দরিয়া বইয়ে দেয় তাতে ফ্রান্স বা ইউরোপের কি আসে যায়? প্যারিস বা বার্লিনেও যদি আইএস নামীয়রা খুনের বন্যা বইয়ে দেয় তাতে লন্ডন ও ওয়াশিংটনেরই বা কি আসে যায়? এমনকি আইএস আল-কায়দা তাকফিরি, তালেবান ইত্যাদি নতুন নতুন খেতাবে ভূষিত নরঘাতক বাহিনী যদি খোদ লন্ডন ও ওয়াশিংটনেও চেঙ্গিজ-হালাকুর মতো পাইকারি গণহত্যা চালায় তাতেই বা এসব বাহিনীর আসল মোড়ল, উদ্যোক্তা, পৃষ্ঠপোষক, তত্ত্বাবধায়ক, রসদদাতা, সমরাস্ত্র ও অর্থ সরবরাহকারী মার্কিন কংগ্রেস, ইয়াঙ্কি নেতৃত্ব, ব্রিটিশ রাজ ও ব্লেয়ার এবং সর্বোপরি আন্তর্জাতিক ইহুদিবাদ ও ইসরাইলের কি আসে যায়? খোদ ওবামাও বলেছেন, আইএস সৃষ্টি করেছে জর্জ ডব্লিউ বুশ ও তার ইরাক যুদ্ধনীতি। বিশ্বের কে না জানে যে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে তছনছকারী এবং লাখো লাখো নর-নারী, আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার নির্মম হত্যা, নির্বাসন ও নির্যাতনের জন্য দায়ী সন্ত্রাসীদের জন্মদান ও লালন-পালন করেছে প্রধানত আমেরিকা এবং ইসরাইল। ওদের আজ্ঞাবহ ইউরোপীয় সরকারগুলো আর মুসলিম দেশগুলোতে নানা কায়দায় ও কৌশলে চেপে বসা কিছু সরকার এবং পেট্রোডলারের পাহাড়ে বসা শেখ ও রাজা-বাদশাহরা?

আইএস নামক কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের ইসলামী রাষ্ট্র খেলাফত প্রতিষ্ঠার নামে লেলিয়ে দেয়ার পেছনে সাম্রাজ্যবাদী ও জায়নবাদী কুফরি শক্তিগুলোর প্রধান উদ্দেশ্যই হল তাদের প্রধান ব্যবসা যুদ্ধাস্ত্র বিক্রয়। পানির দরে মুসলিম দেশগুলোর খোদা প্রদত্ত তেলসম্পদ ক্রয় এবং বিশ্বের দেশ ও সরকারগুলো এবং জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করে পদানত রাখা। এ ছাড়া আরেকটি অন্যতম ও গোপন উদ্দেশ্য হচ্ছে, বিশ্বের দিশাহারা মুক্তিকামী জনগণকে খাঁটি দ্বীন-ইসলাম ও দয়াল নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে ভীতসন্ত্রস্ত ও শত্রুভাবাপন্ন করে রাখা। কেন না বুশ-ব্লেয়ার, হিলারি-মার্কেল প্রমুখ ভালো করেই অবগত ছিলেন ও রয়েছেন যে, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের তথাকথিত দাবিদার এবং প্রবক্তা পশ্চিমা সভ্যতার বস্তুবাদী ও ভোগবাদী ঘন কালো আঁধারে পাশ্চাত্যের জনগণ প্রাণান্ত হাঁপিয়ে উঠে মুক্তির জন্য একমাত্র সত্যিকার ইসলামের দিকে ব্যাপক হারে ছুটে আসছে। তাই ওরা তাদের জনগণ এবং বিশ্ববাসীকে ইসলাম থেকে দূরে রাখার মধ্যেই তাদের দানবীয় পুঁজিবাদী শোষণ, শাসন, আধিপত্য ও লুটপাট টিকিয়ে রাখার প্রধান পথ খুঁজছেন। এ জন্য ইসলাম ভীতি ও নবী করিমের প্রতি ঘৃণা ফুটিয়ে তোলার জন্য শত শয়তানি কায়দা-কৌশলের পাশাপাশি আবেগপ্রবণ স্বল্পশিক্ষিত মুসলিম যুবক ও তরুণদের আইএসের মতো সন্ত্রাসী দলে ভেড়ার হাজারও সুযোগ করে দিচ্ছে। বস্তুবাদী ও ভোগবাদী দুনিয়াদার পরাশক্তির মোড়লদের চরিত্র নমরুদ-ফেরাউন ও কুরাইশ কাফেরদেরই মতো। এরা ওদের সাম্রাজ্যবাদী দানবিক স্বার্থে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও লিঙ্গ নির্বিশেষে আপন লোকদেরও বলি দিতে পারে। এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি গত কয়েক দশকে অত্যন্ত পরিষ্কার ও সন্দেহাতীতভাবে বিশ্ববাসীর কাছে প্রমাণিত হয়েছে।

অথচ সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএস, আল কায়দা ও অন্যান্যের কুৎসিত ভয়াবহ রূপ বিশ্ববাসীর কাছে ওরাই প্রকাশ করেছে এবং ওদের দমন করার জন্য নির্লজ্জভাবে ওরাই বন্দুক, কামান, বিমান নিয়ে অভিনয় করেছে ও করছে।

পরিচালক, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস

সৌজন্যঃ সময়ের কণ্ঠস্বর

Syed Rubelমতামতরুহানি শিক্ষা ও দীক্ষা বিবর্জিত অথচ আধুনিক পেশাদারি শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত আইএস সন্ত্রাসীরা যদি ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, লিবিয়া গোটা মধ্যপ্রাচ্য এবং আমাদের মতো দেশগুলোতেও ব্যাপক গণহত্যা চালিয়ে লহুর দরিয়া বইয়ে দেয় তাতে ফ্রান্স বা ইউরোপের কি আসে যায়? প্যারিস বা বার্লিনেও যদি আইএস নামীয়রা খুনের বন্যা বইয়ে দেয় তাতে লন্ডন...Amar Bangla Post