যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

সাজগোজফাউন্ডেশন সব সময় একটা স্পঞ্জে লাগিয়ে ব্যবহার করবেন। তবে আঠারো বছরের কম অর্থাৎ কিশোরীদের জন্য গাউন্ডেশন জরুরি নয়। বেবি লোশন অথবা কমপ্যাক্ট পাউডারই যথেষ্ট। ফাউন্ডডেশন ব্যবহারের আগে ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিস্কার করে ফাউন্ডেশন লাগান। গাউন্ডেশন যে কেবল মেকআপ করার আগে ব্যবহার করবেন তা নয়, মেকআপের পর স্পঞ্জে লাগানো ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে পারেন। এতে মুখের অতিরিক্ত প্রসাধন শুষে নেবে।

* মুখে বেশিক্ষণ মেকআপ ধরে রাখতে চাইলে একটা রাবারের গ্লাভসের মধ্যে বরফের টুকরা ভরে সেটা মুখের উপর বুলিয়ে নিন। ঠোঁট ও চোখের উপর একটু বেশিক্ষণ বরফের গ্লাভস ধরে রাখবেন। বরফ ছাড়াও যদি মেকআপ ধরে রাখতে চান তাহলে একটা স্পঞ্জ অ্যাসস্ট্রিনজেন্ট ভিজিয়ে সেটা খুব সাবধানে সারা মুখে বুলিয়ে নেবেন।

* প্রসাধনের পরে নরম ব্রাশ আলতো করে মুখে বুলিয়ে নিন। এতে মুখে লেগে থাকা অতিরিক্ত প্রসাধন মুছে প্রসাধনের সমতা আনবে।

* মুখে লোম থাকলে ম্যাটফিনিশ মেকআপ করবেন না। মুখে বেশি পাউডারও লাগাবেন না। এতে মুখের লোম আরও পরিস্কার ভাবে দেখা যাবে। মুখে লাগাবেন ময়েশ্চারাইজার যুক্ত ফাউন্ডেশন।

* মুখের কোন অংশ যদি বেশি উঁচু (যেমন—নাক, গালের হাড়, চিবুক) হয় এবং আপনি যদি সেই খুঁতে ঢাকতে চাআন তাহলে সে অংশে ফাউন্ডেশনের উপরে রঙহীন স্বচ্ছ পাউডার বা সাদা হাই—লাইটার লাগাতে পারেন।

* যাদের মুখ সরু ও লম্বাটে তারা যদি মুখে ভরাটভাবে আনতে চান তাহলে গালের হাড়ের উপর ব্লাশার লাগিয়ে তার উপরেল ব্রাশে সাদা হাই—লাইটার নিয়ে মুখে আলতো করে বুলিয়ে নেবেন। এরপরও যদি মুখে চকচকে ভাব আনতে চান তাহলে সাদা ক্রিম হাই—লাইটার ব্লাশারের লাগিয়ে নেবেন।

* গায়ের রঙ ও পোশাকের রঙের উপর ভিত্তি করে মুখের মেকআপ করবেন। ধরুন আপনি যদি ফর্সা হোন এবং আপনার গোলাপী ব্লাশার তো লাগাবেনই সঙ্গে ফাউন্ডেশনও লাগাবেন হালকা গোলাপী শ্যাডের।

* লিপস্টিকের রঙ যেমন পছন্দ করবেন পোশাক অনুযায়ী, তেমনই মুখেও সেই রঙের আভা রাখবেন। এর জন্য লিপস্টিকের একটা ভিন্ন ব্যবহার আছে। লিপস্টিকের সঙ্গে একটু বেবি অয়েল বা ক্রিম মিশিয়ে চিবুক টিপটিপ করে লাগিয়ে আঙ্গুলের ডগা দিয়ে মিশিয়ে দিন।

* যাদের কপাল ছোট তারা বড় দেখানোর জন্য হালকা রঙের ফাউন্ডেশন কপালের উপর চুলে রেখা বরাবর লাগান। ঠিক একইভাবে যাদের কপাল বড় তারা কপালে গাঢ় রঙের গাউন্ডেশন চুলের রেখা বরাবুর লাগিয়ে নিন।

* মুখে মেকআপ করার পরও যদি দেখেন মুখে ক্লান্তিভাব থেকে গেছে তাহলে পাতলা কাপড়ে বা তুলায় বরফের টুকরা নিয়ে মুখের আলতো করে বুলিয়ে নিন।

* কেবল মুখ পরিস্কার করলেই হবে না, যা দিয়ে মুখ পরিস্কার করবেন সেই জিনিসগুলো পরিস্কার রাখতে হবে। যেমন—তোয়ালে, পাফ ইত্যাদি।

* প্রসাধন লাগার সময় নাক, থুতনি ছাড়িয়ে কানের দিকেও মেকআপ প্রয়োজন।

* মুখের বলিরেখা ঢাকতে এমন ফাউন্ডডেশন লাগান যার রঙ বলিরেখার রঙ ও ত্বকের মাঝামাঝি এতে বলিরেখা ঢাকা সম্ভব।

* তৈলাক্ত ত্বক মেকআপ করার আগে ভেজানো তুলো দিয়ে মুখ মুছে নেবেন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি ফ্রেশনার দিয়ে মুছে নেন।

* শুল্ক ত্বক মেকআপ করার আগে মুখে ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিস্কার করে মেকআপ শুরু করবেন ময়েশ্চারাইজার যুক্ত ফাউন্ডেশন দিয়ে। খুব ভালো হয় যদি কেবল ময়েশ্চারাইজার মুখে লেপে দেন। এতে মুখের শুল্কভাব কেটে যাবে।

Syed Rubelবাংলা লাইফ স্টাইলরূপচর্চানিজেকে আকর্ষণীয় করতে কলা-কৌশলফাউন্ডেশন সব সময় একটা স্পঞ্জে লাগিয়ে ব্যবহার করবেন। তবে আঠারো বছরের কম অর্থাৎ কিশোরীদের জন্য গাউন্ডেশন জরুরি নয়। বেবি লোশন অথবা কমপ্যাক্ট পাউডারই যথেষ্ট। ফাউন্ডডেশন ব্যবহারের আগে ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিস্কার করে ফাউন্ডেশন লাগান। গাউন্ডেশন যে কেবল মেকআপ করার আগে ব্যবহার করবেন তা নয়, মেকআপের পর স্পঞ্জে লাগানো...Amar Bangla Post