Home / যৌন জীবন / অন্যান্য / মযী যেভাবে বের হয়

মযী যেভাবে বের হয়

I-Love-Islamআলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আমার অধিক পরিমাণে “মযী” বের হত। আমি একজনকে এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করতে অনুরোধ করি। কেননা তার কন্যা (মা ফাতেমা) আমার স্ত্রী, আমার অধীনে ছিল। এ ব্যক্তি রাসূল (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে-তিনি বলেন, এ অবস্থায় অযু করবে এবং পুরুষাঙ্গ ধুয়ে ফেলবে। (বুখারী)

[sc”ri3]

তিরমিযী শরীফের বর্ণনাঃ

আলী (রাল) হতে বর্ণিত, আমি রাসূল (সাঃ)-কে মযী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বলেন, মযী বের হলে অযু করতে হবে; আর মনীতে (বীর্যপাত হলে) গোসল করতে হবে। (তিরমিযী)

আলী (রাঃ) কর্তৃক রাসূল (সাঃ) হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, মযী বা পাতলা আঠালো পানি দু’এক ফোঁটা বা আরও অধিক পরিমাণে বের হলেও গোসল করতে হবে না, বরং এ অবস্থায় অযু করলেই যথেষ্ট হবে। আর মনী (ঘন গাঢ় বীর্য) বের হলে গোসল করতে হবে।

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আমার প্রায়ই মযী নির্গত হত এবং গোসল করতাম—এমনকি এ কারণে (ঠান্ডায়) আমার পিঠে ব্যথা হত। অতঃপর আমি এ বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর খিদমতে উপস্থাপন করি। (রাবী বলেন) কিংবা অন্য কারো দ্বারা বলানো হয়। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তুমি এরূপ করবেনা, বরং যখনই মযী বের হয়েছে দেখবে, তখনই তা ধৌত করবে এবং নামায আদায়ের জন্য যে অযু কর সেভাবে অযু করে নিবে। অবুশ্য যদি উত্তেজনাবশতঃ বীর্য (মনী) বের হয়ে যায় তাহলে গোসল করবে। (আবু দাউদ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সহীহ হাদীস থেকে আরও প্রমাণিত হয়-মযী কাপড়ে লেগে গেলে তা ধৌত করার কোন প্রয়োজন হয় না বরং মযী লেগে যাওয়ার স্থানে পানি ছিটিয়ে দিলেই যথেষ্ট হবে।

সাহাল বিন হোনাইফ (রাঃ) বর্ণনা, আমার অত্যাধিক লিঙ্গোত্থানের জন্য একাধিকবার মযী বের হত। তাই আমি বার বারই গোসল করতাম। আমি একথা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলেঃ তিনি বলেনঃ এ কারণে তোমার অযু করাই যথেষ্ট হবে। আমি প্রশ্ন করলামঃ হে আল্লাহর! আমার কাপড়ে মযী লেগে গেলে কি করব? তখন তিনি বললেনঃ তুমি পানি নিয়ে যেখানে তোমার কাপড়ে মযী লেগেছে সেখানে ছিটিয়ে দিবে। (তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)

এ হাদীস থেকে প্রমাণিত হয়, মযী বা পাতলা আঠাল পানি কাপড়ে লেগে গেলে কাপড় ধৌত করার কোন প্রয়োজন নেই বরং কাপড়ের এ মযী লেগে যাওয়ার স্থানে পানি ছিটিয়ে দিলেই যথেষ্ট হবে। তাছাড়া মযী লেগে আছে এ দ্বিধা দূর করার জন্য রাসূলুল্লাহ (৯সাঃ) পানি ছিটিয়ে দিতে বলেছেন। বিশেষ করে প্রত্যেক অযুর শেষে লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে দেয়ার ব্যাপারে সহীহ হাদীস থেকে প্রমাণিত হয়।

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ আমার কাছে হযরত জিব্রাঈল (আঃ) এসে বলেনঃ হে মুহাম্মদ! যখন তুমি অযু শেষ করবে তখন (লজ্জাস্থানে) পানির ছিটা দিবে (তিরমিযী)

আলী বিন আবূ তালেব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি অত্যাধিক মযী বিশিষ্ট লোক ছিলাম। আমি আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-ক জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করলাম। মিকদাদ বিন আসওয়াদকে বললাম যেন, রাসূল (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করে। অতঃপর মিকদাদ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এ অবস্থায় অযু করতে হবে। (বুখারী, মুসলিম)

মুসলিম শরীফের অপর বর্ণনা, নিজের লজ্জাস্থান ধৌত করবে এবং অযু করবে।

আহমদ এবং আবু দাউদের বর্ণানা, নিজ লজ্জাস্থান ও অন্ডকোষদ্বয় ধুবে এবং অযু করবে।

আবদুল্লাহ বিন দা’দ থেকে বর্ণিত, আমি “পানির পর পানি” (অর্থাৎ পেশাবের পর মযী বের হওয়া) সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)_কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যে, সেটি মযীর কারণে। প্রত্যেক যুবকেরই মযী বের হয়, এরকম হলে তুমি তোমার লজ্জাস্থান ও অন্দোকোষদ্বয় ধুবে এবং নামাযের জন্য অযু করবে। (আবু দাউদ)

মযী বের হওয়ার সম্পর্কে ইমাম আশশাওকানী আরও বলেনঃ

মযী বের হলে গোসল ফরয হয়না। এটিই সর্বসম্মত অভিমত, তিনি আরও দলীল গ্রহণ করেছেন যে, মযীর ফলে অযু করার নির্দেশটি প্রস্রাবের ফলে অযু করার নির্দেশের মত মযী পবিত্র করতে পানি লাগবে। কারণ হাদীসে বলা হয়েছে “এক অঞ্জলী পানি হাতে ছিটান”।

প্রস্রার করলে যেমনিভাবে অযু ভেঙ্গে যায়, আবার নতুন অযু করে নামায আদায় করতে হয়। তেমনিভাবে মযী বের হলেও অযু ভেঙ্গে যায়। তবে মযী যেমন কাপড়ে লেগে গেলে পানি ছিটিয়ে দিলেই যথেষ্ট হয়, তেমনিভাবে প্রস্রাবের ছিটা কাপড়ে লেগে গেলে পানির ছিটা মোটেই যথেষ্ট নয় বরং উত্তম রূপে প্রস্রাবের ছিটা ধৌত করে নেয়াটাই উত্তম। এর পর পড়ুনঃ ‘মনির’ পরিচয়

পোস্টঃ পরিপূর্ণ স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন

About Syed Rubel

Creative Writer/Editor And CEO At Amar Bangla Post. most populer bloger of bangladesh. Amar Bangla Post bangla blog site was created in 2014 and Start social blogging.

Check Also

স্তন চুম্বনের সঠিক পদ্ধতি

নারীদের কোন কোন জায়গা গুলোতে স্পর্শ করলে বেশি উত্তেজিত হয় বেশিরভাগ পুরুষ এটা অনুমান করেতে পারেনা: যখন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *