যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

রাসূল (সা) সুন্নাহনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ ভরপুর হয়ে আছে, সুন্নাতকে অনুসরণ করার নির্দেশ প্রদান, বিদ‘আত থেকে নিষেধ করা এবং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে কথা অথবা কাজ অথবা মৌনসম্মতি- যাই এসেছে তা আঁকড়ে ধরার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদানে। এ ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে তন্মধ্যে নিম্নোক্তগুলো অন্যতম:

১. নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেন:

«كُلُّ أُمَّتِي يَدخُلُونَ الجَنَّةَ إلاَّ مَنْ أبَى. قَالُوا: وَمَنْ يَأبَى يَا رَسُول الله؟ قَالَ: مَنْ أَطَاعَنِي دَخَلَ الجَنَّةَ ، وَمَنْ عَصَانِي فَقَدْ أبَى».

“আমার সকল উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করে, সে ব্যতীত।সাহাবায়ে কিরাম প্রশ্ন করলেন: হে আল্লাহ রাসূল! কে অস্বীকার করবে? জবাবে তিনি বললেন: যে আমার অনুসরণ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে, সেই মূলত অস্বীকারকারী।”[1]

২. নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেন:

«دَعُونِي مَا تَرَكْتُكُمْ، إِنَّمَا أهْلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ كَثْرَةُ سُؤالِهِمْ واخْتِلافُهُمْ عَلَى أنْبيَائِهِمْ، فَإِذَا نَهَيْتُكُمْ عَنْ شَيْء فَاجْتَنِبُوهُ، وَإِذَا أمَرْتُكُمْ بأمْرٍ فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ».

“আমি যেসব বিষয়ে বর্ণনা না করে তোমাদের জন্য ছেড়ে দিয়েছি, সেসব ব্যাপারে তোমরা আমাকে ছেড়ে দাও (অর্থাৎ সেসব বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করো না)। কারণ, তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তাদের অধিক প্রশ্ন ও তাদের নবীদের ব্যাপারে তাদের মতভেদের কারণে ধ্বংস হয়েছে। কাজেই আমি যখন তোমাদেরকে কোনো কিছু থেকে নিষেধ করি, তখন তোমরা সেটা থেকে বিরত থাক। আর যখন আমি তোমোদেরকে কোনো বিষয়ে নির্দেশ প্রদান করি, তখন তোমরা তা তোমাদের সাধ্যানুসারে পালন কর।”[2]

৩. আর ‘ইরবাদ ইবন সারিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনিবলেন:

«وَعَظَنَارسولُ اللهِ  صلى الله عليه وسلم مَوعظةً بَليغَةً وَجِلَتْ مِنْهَا القُلُوبُ ،وَذَرَفَتْ مِنْهَا العُيُونُ ، فَقُلْنَا :يَا رسولَ اللهِ ! كَأَنَّهَا مَوْعِظَةُ مُوَدِّعٍ فَأوْصِنَا ، قَالَ: «أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللهِ، وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ وَإنْ تَأمَّر عَلَيْكُمْ عَبْدٌ حَبَشِيٌّ ، وَإِنَّهُ مَنْ يَعِشْ مِنْكُمْ فَسَيَرَى اختِلافاً كَثيراً ، فَعَليْكُمْ بسُنَّتِي وسُنَّةِ الخُلَفاءِ الرَّاشِدِينَ المَهْدِيِيِّنَ عَضُّوا عَلَيْهَا بالنَّواجِذِ ، وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الأُمُورِ؛ فإنَّ كلَّ بدعة ضلالة».

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জ্বালাময়ী ভাষায় আমাদেরকে উপদেশ দিলেন। এতে আমাদের মন গলে গেল এবং চোখ দিয়ে পানি ঝরতে লাগল, তখন আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! এটা তো বিদায়ী ভাষণের মতো। কাজেই আপনি আমাদেরকে আরও উপদেশ দিন। তখন তিনি বলেন: ‘আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বনের জন্য উপদেশ দিচ্ছি, আর তোমাদের ওপর হাবশী গোলামকে শাসনকর্তা নিযুক্ত করে দিলেও তার কথা শুনার এবং তার অনুগত্য করার উপদেশ দিচ্ছি, আর তোমাদের কেউ জীবিত থাকলে সে অবশ্যই বহু রকমের মতভেদ দেখতে পাবে, তখন তোমাদের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য হলো আমার সুন্নাত ও হেদায়াতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাতকে অনুসরণ করা, এ সুন্নাতকে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরে থাক এবং সকল প্রকার বিদ‘আত থেকে বিরত থাক। কারণ, প্রত্যেকটি বিদ‘আত-ই পথভ্রষ্টতা।”[3] –আরো পড়ুন

* * *

[1]সহীহ বুখারী,হাদীস নং ৬৮৫১

[2]সহীহ বুখারী,হাদীস নং ৬৮৫৮; মুসলিম, হাদীস নং ৩৩২১

[3]আবূ দাউদ ও তিরমিযী এবং তিনি বলেন: ‘হাদীসটি হাসান সহীহ’।

 

Syed Rubelবই থেকেনবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ ভরপুর হয়ে আছে, সুন্নাতকে অনুসরণ করার নির্দেশ প্রদান, বিদ‘আত থেকে নিষেধ করা এবং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে কথা অথবা কাজ অথবা মৌনসম্মতি- যাই এসেছে তা আঁকড়ে ধরার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদানে। এ ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে তন্মধ্যে নিম্নোক্তগুলো অন্যতম: ১. নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেন: «كُلُّ...Amar Bangla Post