যে কোন যৌন বা স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডা.মনিরুজ্জামান এম.ডি স্যার। কল করুন- 01707-330660

picky-5বাবা মায়েরা সব সময় ব্যস্ত থাকেন শিশুর সুস্থতা বজায় রাখতে। শিশু ঠিকমত পুষ্টি পাচ্ছে কিনা, তার স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে বাবা-মায়েরদের চিন্তার কোন শেষ নেই। কারণ অপুষ্ট শিশুর শারীরিক নানান সমস্যা লেগেই থাকে। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। স্বাস্থ্যর অবনতি খুব সহজেই দেখা দেয়। একই সঙ্গে শিশুর বুদ্ধির বিকাশ ব্যহত হয়। লেখাপড়ায় অমনোযোগী সহ শারীরিক বিকলঙ্গতা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। তাই শিশুর সুন্দর স্বাস্থ্য ও অনাবিল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অবশ্যই করণীয় কিছু দিক মেনে চলতে হবে। যেমন- – শিশুর প্রথম ও একমাত্র খাবার হিসেবে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। দুধ ছাড়া পানি খাওয়ানোরও প্রয়োজন পড়ে না। এসময় মায়ের বুকের দুধই বাচ্চার একমাত্র খাদ্য হবে। – শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হয়ে গেলে, মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি স্বাভাবিক পারিবারিক খাবার খাওয়ানো শুরু করে দিতে হবে। – শিশুর শরীরে সব ধরনের পুষ্টি পেতে মিশ্র খাবার দিতে হবে। তৈরি করা যেতে পারে তেল, ডাল, চাল, শাকসবজি, ডিম, মাছ, মাংস সহযোগে পাকানো আধা তরল খাবার খিচুড়ি। শিশুদের জন্য এটি দারুণ উপযোগী খাবার। – বুকের দুধের পাশাপাশি দুধ, মাংস, ডিম জাতীয় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার দেয়া যেতে পারে। এতে শিশুর দৈনিক খাবারের রুটিনে প্রোটিন সরবরাহ নিশ্চিত হয়। – শিশুকে অবশ্যই সময়মত টিকা দিতে হবে। মারাত্মক কিছু শিশুরোগ প্রতিরোধ করে, শিশুর স্বাস্থ্যের সুরক্ষা করতে, এসব টিকা দেয়া জরুরি। এতে করে ওই সব রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশুর অপুষ্টিতে ভোগার আশঙ্কা অনেকাংশে হ্রাস পায়। – মায়ের উচিত দুইটি সন্তান গর্ভধারণের ন্যুনতম বিরতিকাল মেনে সন্তান গ্রহণ করা। এতে করে প্রতিটি শিশু পূর্ণ মেয়াদে মায়ের বুকের দুধ পান করে স্বাভাবিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারে। – মায়ের বুকের দুধ খাওয়া বাদ হয়ে গেলে নিয়মিত দুধ, ডিম, মাছ, মাংস এবং শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। বাচ্চাদের শারীরিক গড়ন স্বাভাবিক রাখতে এবং পুষ্টির চাহিদা মেটাতে অবশ্যই খাওয়া দাওয়া ঠিক রাখতে হবে। – বাচ্চা ঠিক মতো খেতে না চাইলে জোর করে খাওয়াবেন না। তাকে নানা ভাবে বুঝিয়ে বার বার খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে। জোর করে খাওয়ালে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

Syed Rubelমা ও শিশুবাবা মায়েরা সব সময় ব্যস্ত থাকেন শিশুর সুস্থতা বজায় রাখতে। শিশু ঠিকমত পুষ্টি পাচ্ছে কিনা, তার স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে বাবা-মায়েরদের চিন্তার কোন শেষ নেই। কারণ অপুষ্ট শিশুর শারীরিক নানান সমস্যা লেগেই থাকে। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। স্বাস্থ্যর অবনতি খুব সহজেই দেখা দেয়। একই সঙ্গে শিশুর...Amar Bangla Post