Home / সংবাদ সারাদিন / মতামত / ১৪ ফেব্রুয়ারী কে ঘৃণা করুণ, অসভ্যদের গালে জুতা মারুন

১৪ ফেব্রুয়ারী কে ঘৃণা করুণ, অসভ্যদের গালে জুতা মারুন

shammi
ছবিঃ শাম্মী হক

বাংলাদেশে এক অসভ্য ফেসবুকে ইভেন্ট খুলেছে। যার নামঃ ভালোবাসা দিবসে পুলিশি পাহারায় প্রকাশ্যে চুমু খাব! যিনি এটি খুলেছেন তাঁর নাম হচ্ছে শাম্মী হক। যিনি এক সময় শাহবাগে ফাঁসি ফাঁসি বলে চিৎকার করতে। তাঁর এই চিৎকার চেঁচামেচি নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথা নেই।[1] আমার মাথা ব্যথা হচ্ছে, তাঁর অসভ্যতা নিয়ে। তিনি ১৪ই ফেব্রুয়ারী তরুণ-তরুণীদের প্রকাশ্য চুমু খাওয়ায়ে একটি মুসলিম প্রধান দেশে কি ধরনের সভ্যতা চালু করার চেষ্টা করতেছেন । এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে, কুত্তা-কুত্তি সভ্যতা চালু করতে চাচ্ছেন। ইসলামে যেখানে বেগানা নারী-পুরুষ একে অপরকে দেখাই নিষেধ, যেখানে পর্দা করা ফরয। সেখানে তিনি ব্যভিচারকে দেশে ব্যাপকহারে উস্কে দেবার জন্য এই ইভেন্ট খুলেছেন। তাঁর সহযোগী এক নারী তাঁর ওয়ালে লিখেছে “আমি একটা কথা প্রায়ই বলি,

নারী
পৃথিবীর প্রাচীনতম সৌন্দর্য।
কিন্তু পশুরা সুন্দর ভালোবাসেনা,
তাদের পছন্দ রক্ত।

এই ইভেন্টে পেইজে গেলে বোঝা যায় বাঙ্গালি কতটা পশু। চুমুর মত ভালোবাসার গভীরতম আবেগ এর চাইতেও এদের কাছে রক্তাক্ত নারী অসম্ভব প্রিয়। এরা চুম্বনে বিশ্বাসী না এরা ধর্ষণে বিশ্বাসী।”

এখন আমি আপনাদের কাছে প্রশ্ন করি, আপনি নিজে কয়টি মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন? বাংলাদেশে দৈনিক কয়টি মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়? আপনার আশে-পাশের এলাকার কয়টি মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে? এবার তাকান তো পাশের দেশে ভারতে, তাকান তো আমেরিকাতে সহ অন্যান্য উন্নত দেশ গুলোতে যেখানে নারী পুরুষের অবাধ মেলা-মেশা আছে। ঐ সমস্ত দেশে এক দিন যত গুলো মেয়ে ধর্ষিত হয়, আমাদের দেশে ১ বছরেও তা হয় না। তা হলে আমরা ধর্ষণের বিশ্বাসী হলাম কি করে? হতে পারে তিনি যাদের সাথে চলা-ফেরা করেন সেসব পুরুষেরা তাকে ঘন্টায় ঘন্টায় ধর্ষণ করে। যে-যে-রকম সে তো অন্যকে তায়ই ভাববে এটাই স্বাভাবিক। এতে অস্বাভাবিকের কিছু নেই।  বাংলাদেশের মাত্র ২০% পুরুষেরা যদি ধর্ষণের বিশ্বাসী হতো তাহলে অধিকাংশ নারীকেই হাসপাতালে কাটাতে হয়তো। হয়তো তাদের মাঝে তেনারাও থাকতেন।

[sc name=”abpb” ]

তাঁর সহযোগী নারী বলেছেন,  “চুমুর মত ভালোবাসার গভীরতম আবেগ এর চাইতেও এদের কাছে রক্তাক্ত নারী অসম্ভব প্রিয়। এরা চুম্বনে বিশ্বাসী না এরা ধর্ষণে বিশ্বাসী।”

কেনো দিদি? বাংলাদেশের স্বামীরা কি তাঁর স্ত্রীকে চুমু খায়না? বাংলাদেশের স্বামীরা বা স্ত্রীরা আপনার মতো অসভ্য নাকী? লজ্জা-শরম খেয়ে কুত্তা-কুত্তির মতো প্রকাশ্য স্ত্রী স্বামীকে, স্বামী স্ত্রীকে চুমু খাবে? আপনার বাবা আপনাকে দুনিয়ায় আনতে আপনার মাকে চুমু না খেয়েই কি তাঁর কাজ স্টার্ট করেছিলেন নাকি? করে থাকলে আপনি জানলেন কেমন করে? কারণ সেসময় তো আপনি এ জগতে ছিলেন না। তাহলে একথা কি আপনার মা বলেছে? আপনার মা এ কথা বলে থাকলে তো আপনার মা আপনার চেয়েও ডাবল অসভ্য প্রজাতির। ঐ যে কথা আছে না, বৃক্ষ তোমার নাম কি, ফলেই পরিচয়! আপনারও একই অবস্থা। আপনি বলতে পারেন, আমার কথার দ্বারা আমি দোষী সাব্যস্ত হতে পারি, আমার মা কেনো? আপনার কথার উত্তরে আমিও বলবো, বাংলাদেশের পুরুষ যদি কোনো নারীকে ধর্ষণ করে তাহলে অবশ্যই এটা নিন্দনীয় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধের  কারনে তাকে শাস্তি দিন, আমরা এতে বাঁধা দিলাম কোথায়? তাইয় বলে তো একজনের ধর্ষণের দ্বায় বাংলাদেশের ঘোটা পুরুষ জাতির উপরে চাপিয়ে দিতে পারেন না।

cumu khab Eventsচুমু হতে পারে ভালোবাসার আবেগ। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্কদের ভালোবাসার আবেগ নয় বরং যৌনাচারে লিপ্ত হওয়ার প্রথম ধাপ হচ্ছে লিপ কিস। আপনাদের দেওয়া প্রচ্ছদ ছবিও এটা প্রমাণ করে।

আপনারা ভাববেন না যেন মেডিক্যাল সাইন্সের জ্ঞান শুধু আপনাদের আছে। মেডিক্যাল সাইন্সের জ্ঞান আল্লাহ আমাদেরকেও দান করেছেন।

আমাদের হৃদয়ে পশ্চিমাদের মতো শুধু ১৪ই ফেব্রুয়ারীতে ভালোবাসা উদয় হয় না। আমাদের হৃদয়ে ভালোবাসা সব সময় জাগ্রত থাকে। ১৪ই ফেব্রুয়ারী আসলে পশ্চিমাদের মনে পড়ে বৃদ্ধাশ্রামে রেখে আসা বাবা-মায়ের কথা। তাই তারা কার্ড দিয়ে এই দিনের শুভেচ্ছা জানায়। আমরা তাদের মতো অসভ্য বর্বর জাতী নয় একথাটা সব সময় মনে রাখবেন।

আপনি ভাববেন না আমরা আপনার গোপন মিশন বুঝতে ব্যর্থ হয়েছি। আপনারা এটাই চেয়ে ছিলেন। আপনারা জানেন যে, আপনারা এজাতীয় একটা ইভেন্ট খুললে কিছু রাম ছাগলের বাচ্ছা আপনাদেরকে নিয়ে অসভ্য ভাষায় গালিগালাজ করবে, কিছুটা উল্টা-পাল্টা কথা বলবে। আর এগুলোকে বিদেশী মিডিয়া প্রচার করে নিজেদেরকে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের আক্রমের শিকার হয়েছেন বলে জাহির করবেন ও বিদেশীদের দেওয়া হালুয়া প্রসাদ খাবেন। আপনাদের কোন সৎ যোগ্যতা নেই, নিজেদেরকে লোজনের সামনে প্রকাশ্যে আনার। তাই অসৎ যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে পাবলিসিটি করতে চেয়েছেন। এবং আপনারা আপনাদের পরিকল্পনার ষোল আনা সফল হয়েছেন।

[1] তারা যাদের বিরুদ্ধে চিৎকার চেঁচামেচি করেছেন, তারা ৭১রের দেশ বিরোধী কাজের দ্বায়ে অভিযুক্ত। আমি যেহেতু তখন ছিলাম না তাই এটি কত টুকু সত্য মিথ্যা তখনকার সময়ে যারা ছিলেন তারা ভালো বলতে পারবেন। আমার কথা একটাই, তারা যদি অপরাধি হয়ে থাকে, তাহলে তাদের বিচার হওয়া উচিৎ। আর তারা যদি অবিচারের মুখোমুখী হয়ে থাকেন, তাহলে মহান আল্লাহ আছে। তিনিই তাঁর বান্দার ভালো মন্দ বিচার করবেন।-সৈয়দ রুবেল (প্রধানঃ আমার বাংলা পোস্ট)

শেয়ার করে অন্যদেরকে পড়ার সুযোগ দিন।

About Syed Rubel

Creative Writer/Editor And CEO At Amar Bangla Post. most populer bloger of bangladesh. Amar Bangla Post bangla blog site was created in 2014 and Start social blogging.

Check Also

এক নজরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার ও বস্তুর নাম।

আমাদের বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা বিভিন্ন খাবার ও বস্তুর জন্য বিখ্যাত। এর মধ্যে আমরা কিছু জেলার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *