জরায়ু

পেঁপে বা লাউ উল্টে ধরলে যে রকম দেখতে পাওয়া যায়, মেয়েদের জরায়ুটা তদ্রূপ। অথবা কিছুটা পানের বটুয়া বা রাবারের বেলুনের মত হয়ে থাকে। তাঁর গলাটা চিকন এবং পেটটা মোটা। এটা লম্বায় তিন ইঞ্চি হয় এবং চওড়ায় দুই ইঞ্চি হতে আড়াই ইঞ্চি হয়ে থাকে। এই জরায়ুর ভিতরেই ভ্রুণের আবির্ভাব এবং ক্রম বৃদ্ধি হয়ে থাকে। জরায়ুর অভ্যন্তরীণ প্রাচীর এক প্রকার ঝিল্লি দ্বারা আবৃত। এর জন্য জরায়ুর ভ্রুণ বিকাশোপযোগী হয়। মোটামুটি ভাবে জরায়ুর তিনটি অংশ আছে।

জরায়ুর উপরের অংশকে ফান্ডাস, মধ্যের ফুলা চওড়া অংশটিকে জরায়ুর দেহ এবং নিচের চিকন মুখকে জরায়ুর গ্রীবা বলা হয়।

মেয়েদের জরায়ুর আকৃতি ত্রিভূজের মতো। তলপেটের গহব্বরে উপরের ভাগে এর অবস্থান। উপরের মোটা ভাগ উঁচুদিকে হেলে থেকে সরু জরায়ু গ্রীবা একটি গোল আধাকারের মতো মাংসপিন্ডে পরিণত হয়ে যোনীনালীর শেষ ভাগের সাথে এসে মিশেছে। যোনীর সীমা পর্যন্ত এই অংশটুকুকে তলপেটের মুখ বলা হয়। একটি সরু ছিদ্রপথ বরাবর জরায়ুর ভিতর গিয়ে শেষ হয়েছে। মেয়েদের সন্তান প্রসবের সময় এই ছিদ্র পথটি বেশ চওড়া হয়ে যায়। গর্ভের শেষ অবস্থায় প্রসবকালে জরায়ুর মাপ দশ হতে এগোরো ইঞ্চির মতো হয়ে থাকে। প্রসবান্তে জরায়ুটা এক দেড় মাসের ভিতরে পূণরায় আস্তে ধীরে ছোট হয়ে যায়। জরায়ুর অবস্থান মেয়েদের মলপ্রকোষ্ঠ আর মুত্রাশয়ের মাঝ বরাবর।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

প্রেমের কথা

কলারূপে প্রেম- প্রেমের আবশ্যকতা ও প্রীতি-স্থাপনের উপায়

‘কলারূপে প্রেমের কথা শুনে অনেকে হয়তো চমকিয়ে উঠেছেন। যে #প্রেম নিছক মানসিক ব্যাপার মাত্র, তাঁকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE