Breaking News
Home / বই থেকে / তেত্রিশ (ব্যথিত হৃদয়)

তেত্রিশ (ব্যথিত হৃদয়)

সাবিক ও নাঈমার দাম্পত্য জীবন সুখের সাগরে ভেসে হেলে দুলে চলতে লাগল। বিয়ের ঠিক তিন বছরের মাথায় নাঈমার কোল আলোকিত করে একটি ফুটফুটে মেয়ে জম্ম নিল।

তাদের দাম্পত্য জীবনের সুখ-শান্তি ষোল কলায় পূর্ণ হলো।

তবের দুঃখের কথা এই যে, সাকিবের ছোট মা রাশেদা খানম এখনো তাঁর হিংসাত্মক স্বভাব পরিত্যাগ করতে পারেন নি।

সাকিব নাঈমাকে নিয়ে এ কারনেই খুব একটা দেশের বাড়িতে যায় না। সে নাঈমাকে নিয়ে বাসা ভাড়া করে ঢাকায় থাকে। বছরে দু’তিনবার বাড়িতে যায়।

আট দশ অবস্থান করে আবার ঢাকায় চলে আসেন।

সাকিবরা যে কয়দিন বাড়িতে থাকে সে কয়দিন রাশেদা খানম অস্থির হয়ে থাকেন। এদেরকে দু’চোখে তিনি দেখতে পারেন না। ভাবখানা এমন, এরা চলে গেলেই যেন তিনি হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। হিংসুটে মানুষ গুলো কি এমনই হয়!

সাকিবদের দাম্পত্য জীবনের বয়স এখন পাঁচ বছর। এর মধ্যে সাকিবের শ্বশুড় হাজী বশীর সাহেব রাশেদা খানমকে তাঁর বাসায় নেওয়ার জন্য কত যে চেষ্টা করেছেন তাঁর কোনো ইয়ত্তা নেই। নাঈমার আম্মাও তাকে নিতে এসেছেন। সাকিবের আব্বাও তাকে যেতে বলেছেন। কিন্তু তার এক কথা। আমি কোথাও যাই না, যাবো না।

আসলে রাশেদা খানম সাকিবকে যেমন বরদাশত করতে পারেনি, তাঁর উন্নতি অগ্রগতিকে যেমন সুনজরে দেখেন নি, ঠিক তদ্রুপ সাকিবের বউ এত সুন্দর ও গুণবতী হউক এটাও তিনি কোনোদিন কামনা করেন নি। অথচ তিনি যা চান নি, যা কামনা করেন নি, তাই বাস্তবে হয়ে যাওয়ার কারণে তাঁর মনে এত জ্বালা, এত যন্ত্রণা, এত দুঃখ।-আরো পড়ুন

আপনি পড়ছেনঃ ব্যথিত হৃদয় (ইসলামীক উপন্যাস)

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

[পঞ্চম পরিচ্ছেদ] ইসলামী শরী‘য়াহ বাস্তবায়নের হুকুম

আল্লাহর প্রতি ঈমান ও তাঁর একত্ববাদে বিশ্বাস এটাই দাবী যে, আমরা ঈমান আনব যে, তিনি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *