Home / বই থেকে / বার (ব্যথিত হৃদয়)

বার (ব্যথিত হৃদয়)

প্রায় আট মাস পরের কথা। সাকিব ইতোমধ্যে ইফতা বিভাগ থেকে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে পাশ করে মুফতি হয়ে বের হয়েছে। বের হয়েছে তাঁর সাথীরাও। পড়াশুনা শেষ করার পর বার জনের সবাই মুফতি সাহেবের হাতে বায়আত হয়েছে। সেই সাথে তাকে মুরব্বী হিসেবে মেনে নিয়ে এ কথার অঙ্গীকার করেছে যে, তারা সর্বদা তাঁর পরামর্শ নিয়ে চলবে। তাঁর পরামর্শ না নিয়ে কেউ কিছু করবে না।

মুফতি শফীউল্লাহ সাহেব এই আট মাস চিন্তা করেছেন। ফিকির করেছেন। বারবার ভেবেছেন, অন্যদের সাথে পরামর্শ করেছেন—কিভাবে প্রতিভাবান এই ছেলেগুলোকে কাজে লাগানো যায়। কিভাবে তাদের দ্বারা দীনের বড় কোনো খেদমত আঞ্জাম দেওয়া যায়।

স্বতঃসিদ্ধ কথা এই যে, মানুষ যখন কোনো বিষয় নিয়ে কায়মনোবাক্যে ফিকির করতে থাকে, চেষ্টা করতে থাকে, কাকুতি মিনতি করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করতে থাকে তখন আল্লাহ আপক তাকে সাহায্য করেন। সমস্যা সমাধানের রাস্তা খুলে দেন। হযরত মুফতি সাহেবের বেলায়ও তা-ই হলো।

গভীর চিন্তা ও পরামর্শের পর মুফতি সাহেব তিনটি সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন। তা এই যে—

১। এ বছর কাকরাইলের ‘তিন দিনের জোর’ থেকে বারজনের সবাইকে তিনি এক বছরের জন্য তাবলীগ জামাতে পাঠিয়ে দিবেন।

২। জামাত থেকে ফিরার পর তিনি মাওলানা সাকিবুল হাসানকে প্রধান বানিয়ে তাদেরকে দিয়ে একটি গবেষণা কেন্দ্র খুলবেন। যেখানে মুসলিম উম্মাহর বিভিন্ন সমস্যা ও তা সমাধানের বিভিন্ন উপায় নিয়ে প্রত্যহ আলোচনা করা হবে। এই গবেষণা কেন্দ্রের নাম পরবর্তীতে নির্ধারণ করা হবে।

৩। সবাইকে ঢাকা শহরে অবস্থিত কাছাকাছি কয়েকটি মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। গবেষণা কেন্দ্রটি হবে মাঝামাঝি কোনো স্থানে।

সেখানে কম্পিউটার ছাড়াও গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও বই-পুস্তক থাকবে। এই কেন্দ্রে তারা প্রতিদিন বিকালে একত্রিত হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও মতবিনিময় করবে।-আরো পড়ুন

আপনি পড়ছেনঃ ব্যথিত হৃদয় (ইসলামীক উপন্যাস)

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মোজার উপর মাসাহ

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান। রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *