Breaking News
Home / যৌন জীবন / অন্যান্য / বিভিন্ন বিষয়ে কয়েকটি হাদীস (বিবাহ)

বিভিন্ন বিষয়ে কয়েকটি হাদীস (বিবাহ)

wedding Photographyবিবাহ মানব জীবনে খুবই জরুরী জিনিস। বিবাহ করতে যে ব্যক্তি কোনো সমস্যা নেই তাঁর অবিবাহিত জীবন কাটানো অনুচিত। নবী করীম (সাঃ) বিবাহ সম্পর্কে অনেক হাদীস বলছেন, তন্মধ্যে কিছু হাদীস নিম্মে উল্লেখ করলাম।

১। ‘মুহতাজ ও অসহায় সে ব্যক্তি যার স্ত্রী নেই। তদ্রূপ ভাবে মুহতাজ ও অসহায় সে নারী, যার স্বামী নেই। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি তারা অর্থ-সম্পদে বিত্তবান হয়, তাহলেও কি তারা অসহায়? নবী করীম (সাঃ) বললেন, হ্যাঁ তারা যতো সম্পদের অধিকারী হোক না কেন, তারা অসহায়’। আসলে এ হাদীসে বিবাহহীন জীবনকে অসহায় জীবন বলার কারণ হল, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষের মাঝে বিবাহ প্রথা চালু করেছেন কেবল মানুষদের আরাম ও শান্তি পাওয়ার জন্য। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন- “আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে জোড়া জোড় করে বানিয়েছেন যেন আমরা শান্তিবোধ করি”।( আমরা দুঃখীত- আরবী লিখাটি টাইপ করতে না পেরে।)

২। নবী করীম (সাঃ) বলেন, স্বামী – স্ত্রী একে অপরের প্রতি যখন মহব্বত ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখতে থাকে, তখন আল্লাহ তাআলা স্বীয় রহমতের দৃষ্টিতে তাদেরকে দেখতে থাকেন।

৩। বিবাহ ঈমানের অর্ধেক। অর্থাৎ বিবাহের মাধ্যমে ঈমান পূর্ণাঙ্গতা লাভ করে। সেহেতু বলা যায় যে, যদি কারো ঈমান অপূর্ণাঙ্গ থাকে, তাহলে তাঁর আমলে ছাওয়াব কম হওয়াটাই স্বাভাবিক।

৪। যখন কোনো স্বামী স্বীয় স্ত্রীকে চুমা দেয়, তখন তাকে প্রত্যেক চুম্বনের বিনিময়ে হাজার বছর ইবাদতের ছাওয়াব দান করা হয়। যখন সহবাস করে, তখন তাকে তিনহাজার বছর ইবাদত করার সমান ছাওয়াব দান করা হয়। এরপর যখন [সহবাসের পর ফরয] গোসল করে তখন তাকে চার হাজার বছর ইবাদত করার সমপরিমান ছাওয়াব দান করা হয়।

৫। স্ত্রী যখন আপন স্বামীকে দেখানোর উদেশ্যে সাজ-সজ্জা গ্রহণ করে, তখন তাকে দুহাজার বছর ইবাদত করার সমপরিমাণ ছাওয়াব দান করা হয়। প্রক্ষান্তরে যে স্ত্রী স্বীয় স্বামীর বিনা অনুমতিতে ঘরের বাইরে যাবে, আকাশ যমীন ও ফেরেশতা তাঁর উপর অভিশাপ দিতে থাকে যতক্ষণ না সে স্বামীর ঘরে প্রত্যাবর্তন করে। আর যে মহিলা স্বামী ব্যতিত অন্যান্য পরপুরুষদের কে নিজের শরীর দেখাবে, পরপরুষদের প্রত্যেক দৃষ্টিতে মহিলার উপর ৩৬০ টি অভিশাপ নাযিল হবে।

৬। নবী করীম (সাঃ) মহিলাদের কে উদেশ্য করে বলেন, যখন তোমরা স্বীয় স্বামীর দ্বারা গর্ভবর্তী হবে এবং স্বামীও তোমাদের উপর সন্তুষ্টি, তখন তোমাদেরকে দিনে রোযা রাখা ও রাতে ইবাদত করার সমপরিমাণ ছাওয়াব দান করা হবে। যখন সন্তান ভূমিষ্টের কাছাকাছি সময় হয়ে আসবে, তখন তাঁর জন্য চক্ষু শীতল কারী জিনিসপত্র প্রস্তুত করা হয়। যখন বাচ্ছাকে বুকের দুধ পান করানো হবে প্রতি গ্রাসের বিনিময়ে একটি করে নেকি দান করা হবে। বাচ্ছার কারণে রাত জাগতে হলে এর বিনিময়ে সত্তরটি গোলাম আযাদ মুক্তি করার সমপরিমাণ ছাওয়াব দান করা হবে। এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে, শহীদের মর্যাদা লাভ করবে।–ইবনে মাযাহ।

আপনি পড়ছেনঃ একান্ত নির্জনে গোপন আলাপ (বাংলা সেক্স বই)

বিভাগঃ নারী পুরুষের যৌন জ্ঞান

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

বীর্যের পরিমাণ

ইতিপূর্বে এ বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে যে, বীর্য নামক উপাদান, যার রঙ সাদা ও গাঢ়, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *