Home / যৌন জীবন / যৌন বিষয়ক নিবন্ধন / বেশি রক্তস্রাবের কারণ ও প্রতিকার

বেশি রক্তস্রাবের কারণ ও প্রতিকার

যে সকল মেয়েদের স্বাভাবিক নিয়মে ঋতুস্রাব হয়, তাদের দৈহিক স্বাস্থ্য দিন দিন উন্নত হতে থাকে। যাদের অতি বেশি রক্তস্রাব হয়, তাদের রোগ বলে মনে করতে হবে। এই রোগকে অতিস্রাব বা রক্তপ্রদর বলা হয়। যাদের শরীর দুর্বল, রক্ত কম, স্বাস্থ্য রোগা, তারাই এক রোগে বেশি ভোগে।

মেয়েদের জরায়ুর ভিতরে ঝিল্লিযুক্ত অংশের ফুলা ফুলা অবস্থাই বেশি ঋতুস্রাবের কারন। এটা ছাড়াও আরো কিছু কারণে বেশি স্রাব হয়। যেমন- জরায়ুতে ঘা, জরায়ুর স্থান পরিবর্তন , জরায়ু বড়, জরায়ু ছিড়ে গেলে অথবা সন্তান ভুমিষ্ঠের পরে ফুলের কোনো কচি আটকিয়ে থাকলে ইত্যাদি।

যদি কোনো মেয়েলোকের অতিরিক্ত স্রাব হতে থাকে, তবে দেখতে হবে তাঁর এ স্রাবের কারণে নারিদেহ শুকিয়ে যাচ্ছে কিনা এবং ঐ স্রাবে চাঁপবাধা কালো কালো খন্ড রক্ত আসে কি না? সাধারণত নিয়মিত স্রাবে রক্ত চাঁপবাধা কালো রং হয় না। অবশ্য জরায়ুর ভিতরে শ্লেম্মাদির সংমিশ্রণ থাকলে স্রাবের রক্তে চাঁপবাধা কাওলো রং হয় না। কিন্তু অতিরিক্ত ঋতুস্রাব হলে শ্লেম্মাদির চেয়ে রক্তের পরিমাণ বেশি থাকে বলে সহজেই চাঁপ বেধে যায়। ওই ধরণের অতিরিক্ত রক্তস্রাবে ডাক্তারি ওষুধ ছাড়াও মেয়েলোকের কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। যেমন- বেশি পরিশ্রম না করা, অধিক রাত না জাগা, বার বার কামনা-বাসনায় না পড়া, অতিমাত্রায় রতিক্রিয়া না করা ইত্যাদি মানা দ্বারা অতিরিক্ত রক্তস্রাব হওয়ার আশংকা থাকে না। যারা ওই নিয়ম-কানুন মানে না তাদেরই অস্বাভাবিক রক্তস্রাব হয়ে থাকে। তাই নারীদের নিরোগ ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য ঐ সকল কু-অভ্যাস পরিত্যাগ করে চলতে হবে। তাহলে ঐ ধরণের রোগ হতে পরিত্রাণ পাবে।

 প্রতিষেধক

যাদের অতিরিক্ত রক্তস্রাব হয় তারা পরিশ্রমের কাজ কর্ম একটুও করবে না। খোলা জায়গায় আলো বাতাসে হাঁটাচলা করবে। উঁচু – নিচু স্থানে হাঁটবে না। সম্ভব হলে হালকা ব্যায়াম করবে। অতিরিক্ত রক্তস্রাবের সময় একটি বালিশ কোমরের নিচে রেখে চিৎভাবে শুয়ে কোমরটাকে চার পাঁচ ইঞ্চি উঁচা করে রাখলে অতিরিক্ত স্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এই সব মেয়েদের লঘুপাক খাদ্য খেতে হবে এবং বেশি পরিমাণে দুধ পান করতে হবে। অবশ্য নিয়মিত ভাবে দুধ পান করতে পারলে খুবই উপকারে আসবে। গুরুপাক খাদ্য পরিহার করতে হবে। এছাড়া ভালো ফল খেতে চেষ্টা করবে। তবে ঐ অবস্থায় আনারস ফল না খাওয়া উচিৎ।

সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল, কোষ্ঠ কাঠিন্য যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে। অর্থাৎ পায়খানা যাতে পরিস্কার হয় সেদিকে বেশি খেয়াল রাখবে।    

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

হায়েয

হায়েয কি! অবস্থায় স্ত্রী সহবাস সংক্রান্ত কিছু কথা

বালেগ হওয়ার পর প্রত্যেক মাসে স্বাভাবিক নিয়ামানুসারে স্ত্রীলোকের যৌনাঙ্গ দিয়ে যে রক্তস্রাব বের হয় একে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *