Breaking News
Home / যৌন জীবন / যৌন বিষয়ক নিবন্ধন / যেভাবে জীবন চালাতে হবে

যেভাবে জীবন চালাতে হবে

muslim-couple-9প্রত্যেক মানুষ বিশেষ করে মুসলমানরা কিভাবে জীবন চালাবে, এ ব্যাপারে নিম্মে কিছু পরামর্শ দিচ্ছি।

 

১। রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পরবে। অনেক রাত্র করে ঘুমাবে না।

২। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পরবে। এতে জ্ঞান-বুদ্ধি ভালো থাকবে। ঘুম থেকে দেরিতে উঠলে রুজি রোজগারে বরকত থাকে না।

৩। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গিয়ে হাজত পূরণ করার অভ্যাসটি বেশ ভালো । যদি সকাল বেলা বাথরুমের প্রয়োজন কষ্ট অনুভব হয়, তাহলেদু-এক পানি পান করবে। এতে সারা রাত পেটে কিছু দানাপানি না যাওয়ার সমস্যাগুলো সমাধান হয়ে যায়।

৪। খালি মাথায় কখনো বাথরুমে যাবে না। । মাথা ঢেকে বাথরুমে যাবে। কেননা, খালি মাথায় বাথরুমে গেলে খারাপ জিন ও শয়তানের আছর লাগার অধিক সম্ভাবনা রয়েছে।

৫। বাথরুমে যাওয়ার পূর্বে দুআ পড়বে। দুআটি হল-

“হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট অপবিত্র জ্বিন নর-নারীর খারাবতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”

বাথরুম থেকে বের হয়ে এই দুআ পরবে-

“সমস্ত প্রশংসা ঐ আল্লাহর জন্য যিনি অপবিত্র মলমূত্রকে আমার থেকে বের করে আমাকে শান্তি ও আরাম দান করেছেন। -(ইবিনে মাজাহ)

৬। সব মৌসুমেই সকাল বেলা সাদা ও ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুবে। সর্বোত্তম হল অযু করা। ঠাণ্ডা পানি দ্বারা চেহারা ধুলে, চেহারার সৌন্দর্যতা বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে গরম পানি পানে এ উপকারটি নেই।

৭। ঘুম থেকে উঠেই মেসওয়াক ব্যবহার করবে। মেসওয়াকের অনেক ফযীলত ও উপকার রয়েছে। নিম্মে কিছুটা উল্লেখ করা হল।

ক) হযরত আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সাঃ) দিনে হোক বা রাতে হোক ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর অযু করার আগে মেসওয়াক করতেন।– আবু দাউদ)

আল্লাম ইবনে দাকীকুল ঈদ (রহঃ) বলেন, ঘুম থেকে উঠার পর মেসওয়াক করার হেকমত এই যে, ঘুমন্তাবস্থায় পেট থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত বায়ু মুখের দিকে উঠে আসে, এতে মুখ দুর্গন্ধ হয়ে যায় এবং মুখের রুচি দূর হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠার পর মেসওয়াক করলে এসব দুর্গন্ধ দূর হয়ে যায় এবং রুচি ফিরে আসে।–(নায়ল,তা’লীক)

খ) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, মেসওয়াক করে নামায পড়ার দ্বারা মেসওয়াক বিহীন নামাযের পঁচাত্তর গুণের বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। -(আবু নুআঈম)

গ) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, মেসওয়াক করে দুরাকাআত নামায পড়া আমার নিকট মেসওয়াক বিহীন সত্তর রাকাত নামায পড়ার চেয়ে বেশি প্রিয়।

ঘ) হযরত আয়েশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, মেসওয়াক করে নামায পড়া মেসওয়াক বিহীন নামায পড়ার চেয়ে সত্তর গুণ বেশি সওয়াব রাখে।–( মিশকাত)

ঙ) হযরত আলী (রাঃ) বলেন, মেসওয়াক করলে স্বরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং কফ দূর হয়।

তিব্বে নববী কিতাবে লিখেছে- চারটি নিজিস জ্ঞান বৃদ্ধি করে। যথা-

   * অপ্রয়োজনীয় কথা বার্তা বর্জন।

* মেসওয়াক করা।

* নেককার লোকদের সান্নিধ্য গ্রহণ করা।

* আলেমদের নিকট বসা।

চ) হযরত আবু দারদা (রাঃ) বলেন, তোমরা নিজেদের জন্য মেসওয়াক করা অপরিহার্য করে নাও এবং এ ব্যাপারে উদাসীন হবে না। কেননা উহাতে চব্বিশটি উপকারিতা রয়েছে। সবচেয়ে বড় ১০ টি উপকার হল-

(১) মেসওয়াক করলে আল্লাহ তাআলা সন্তুষ্ট হন।

(২) নামাযের সওয়াব সত্তর গুণ বৃদ্ধি পায়।

(৩) স্বচ্ছলতা আসে।

(৪) মুখ সুঘ্রাণ হয়।

(৫) দাঁতের মাড়ি শক্ত হয়।

(৬) মাথা ব্যাথা সেরে যায়।

(৭) চোয়ালের ব্যাথা দূর হয়।

(৮) ফেরেশতাগণ মোসাফা

(৯) চেহারা উজ্জ্বল হয়।

(১০) দাত উজ্জ্বল হয়।

 আল্লামা তাহতাবী একটি নতুন কথা লিখছেন যে, মেসওয়াক করলে বেশি পরিমাণ মনি (বীর্য) সৃষ্টি হয়।

আপনি পড়ছেনঃ একান্ত নির্জনে গোপন আলাপ (বাংলা সেক্স বই)

বিভাগঃ নারী পুরুষের যৌন জ্ঞান

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

প্রেমের কথা

কলারূপে প্রেম- প্রেমের আবশ্যকতা ও প্রীতি-স্থাপনের উপায়

‘কলারূপে প্রেমের কথা শুনে অনেকে হয়তো চমকিয়ে উঠেছেন। যে #প্রেম নিছক মানসিক ব্যাপার মাত্র, তাঁকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE