Breaking News
Home / বই থেকে / সতের (ব্যথিত হৃদয়)

সতের (ব্যথিত হৃদয়)

পরদিন বাসে করে রওয়ানা দিল সাকিব। বাসে প্রচন্ড ভীড়। ভীড় তো থাকবেই। কোথায় ভীড় নেই? যেদিকে দৃষ্টি যায় সেদিকেই ভীড়। পথে-ঘাটে ভীড়, বাজারে-বন্দরে ভীড়, দোকানে-মার্কেটে ভীড়, পার্কে-সিনেমায় ভীড়, গ্যালারী-কনসার্টে ভীড়। এমন কি আবুল মিয়ার জোড়াতালি মার্কা চায়ের দোকানেও ভীড়। তবে হ্যাঁ, একটি স্থান আছে যেখানে ভীড় নেই। অথচ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুনিয়ার সর্বোৎকৃষ্ট স্থান হলো মসজিদ আর সর্বোনিকৃষ্ট স্থান হচ্চে বাজার।

লোকাল বাস। সিট পাওয়ার কথা না। তারপরেও ভাগ্যের জোরে একটি সিট মিলে যায়। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে সাকিব। সীটে বসে দোয়া পড়ে নেয়। যানবাহনে আরোহনের দোয়া। সুবহানাল্লাযি সাখখারা লানা হা-যা ওয়া মা কুন্না লাহু…..।

গাড়ী চলতে শুরু করেছে। সাকিব বসে বসে জিকির করছে। এটা সাকিবের অভ্যাস। সে একদন্ড সম্য নষ্ট করে না। তাসবীহ পকেটে থাকে। সবসময় থাকে। বিশেষ করে সফরের সময়। তাসবীহ সঙ্গে থাকলে সময় সুযোগে জিকির করা যায়। তাসবীহ ছাড়া সফর করে না। তাঁর ডাইরীতে লেখা সফরের সামানার শীর্ষেই আছে তাহবীহ, মিসওয়াক ও টয়লেট পেপারের কথা।

সাকিবের মাথা নিচু। এক সময় সে মাথা উঠায়। দু’জন বৃদ্ধ লোক তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে । তারা সিট পান নি। বাসে ধাক্কাধাক্কি চলছে। এ অবস্থায় দেহের তাল সামলানো বড় কঠিন। তবু তারা শরীরের সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে উপরের রডখানা মজবুত করে ধরে রেখেছেন।

সাকিবের পাশে এক মাদরাসার ছাত্র। নাম সোহেল। ঢাকা যাবে। খানিক আগে সাকিব তাঁর পরিচয় নিয়েছে। সে মাদরাসা দারুর রাশাদে পড়াশুনা করে। এবার চতুর্থ বর্ষে। বি এ পাশ করার পর মাদরাসায় ভর্তি হয়েছে। মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা সালমান সাহেব নাকি তাকে খুব আদর করেন।

দু’জন বৃদ্ধকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সাকিব আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়। তাঁর দেখাদেখি উঠে দাঁড়ায় পাশের ছাত্রটিও। সাকিব প্রবীণ ব্যক্তিদ্বয়কে বসতে অনুরোধ করে। বলে, আপনারা বসুন। আপনারা আমাদের মুরব্বী। পিতৃস্থানীয় লোক। ইসলাম ধর্মে বড়দের সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রবীণ ব্যক্তিদ্বয় বসতে চান না। একজন বলেন–বাবা! তোমরা বসো। আমাদের দাঁড়িয়ে থাকলেও কোনো অসুবিধা হবে না।

সাকিব ও সোহেল উভয়ে অবাক হয়। চেয়ে থাকে তাদের মুখপানে। তারপর আবারও অনুরোধ করায় তারা বসতে বাধ্য হন।

বৃদ্ধদ্বয়ের মধ্যে যিনি আগে কথা বলেছিলেন তিনি সাকিবদের অবাক হওয়া দেখে আবার বললেন, বাবা! আমাদের কোনো অসুবিধা না হওয়ার কথা শুনে তোমরা হয়তো আশ্চর্য হয়েছ। এখানে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। আমি আসলে একথা এজন্য বলেছি যে, আমাদের যুগে আমরা কত ভালো ভালো খাবার খেয়েছি, খাঁটি দুধ ও পুষ্টিকর ফলমূল আহার করেছি। আর তোমরা? তোমরা তো এসবের কিছুই পাচ্চ না। সব খাবারেই এখন ভেজালের মিশ্রণ আছে। আমাদের সময় গরীবরাও উৎকৃষ্ট মানের খাবার ও ফলমূল খেতে পারত। কিন্তু এখন সেগুলোর দাম গরীবদের নাগালের বাইরে। তোমরা ভালো ভালো খেতে পাও না বলেই বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারো না। অল্পক্ষণ পরেই ঝিমিয়ে পড়ো। ভেজাল খাদ্যদ্রব্য খেয়েই আজ তোমদের এই অবস্থা। তবে তোমাদের সুন্দর বিবেক আছে বলেই আজ আমাদের বসতে দিয়েছ। নইলে প্রায়ই তো আমরা বাসে আসি। সিট পাই না। দাঁড়িয়ে থাকি। কিন্তু কই, সেখানে তোমাদের চেয়ে স্বাস্থ্যবান যুবকরাও তো বসতে বলে না!

প্রবীণ লোকটি থামলেন। চশমটা হাত দিয়ে ঠিকঠাক করে নিলেন। তাঁর কথাগুলো শুনে পাশের সিটে বসা আরেক ভদ্রলোক হেসে বললেন, চাচা! আপনার দু’খানা কথা একদম খাঁটি। আমার একটি ছেলে এবার এইচ, এস, সি পরীক্ষা দেবে। খানাদানা আমি ভালোই দেই। সেও খায়। কিন্তু স্বাস্থ্য হয় না। সবাই তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাকে। চড়া দামের জন্য তো ফল-ফ্রুট কিনতেই পারি না। এসবের দাম শুনলেই পকেটের মানিব্যাগ হা করে থাকে।

ভদ্রলোকের কথা শুনে সবাই ফিক করে হেসে ওঠে। তিনি আরো বললেন, গত কয়েক বছর আগেও শিক্ষক ও গুরুজনদের অনেক সম্মান ছিল। আমি দেখেছি, কোনো ছাত্র বিপরীত দিক থেকে আসতে থাকা শিক্ষক বা গুরুজনকে দেখামাত্র মাথা হেঁট করে সুবোধ বালকের মতো দাঁড়িয়ে থাকত। সাইকেলে আরোহণ অবস্থায় দেখলে সাইকেল থেকে নেমে যেত। তারপর কাছে এলে শ্রদ্ধা ও বিনয়ের সাথে সালাম দিত। আর বর্তমানে? বর্তমানে তো ছাত্রদের দ্বারাই শিক্ষকরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন। অপমানিত হচ্ছেন। যুগ যে এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, ভাবতেও গা শিউরে ওঠে! কলির যুগ বোধ হয় এটাকেই বলে!

গাড়ির লেডিস সীটে বসেছিলেন অপরুপ সুন্দরী এক মেয়ে। বয়স ষোল কি সতের হবে। হাতে বই পুস্তক দেখে মনে হয় কোনো কলেজের ছাত্রী মেয়েটির সাজসজ্জা চোখে পড়ার মতো। একমাত্র সাকিব ও সোহেল ছাড়া গাড়ির সবাই বারবার মেয়েটির দিকে তাকাচ্ছে। ওরা পিছনের সিটে থাকায় ব্যাপারটি ওদের নযরে আসছে। এরই মধ্যে গাড়িখানা দুতিন বার মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হওয়া থেকে বঁচে গেল। সাকিব ব্যাপারটি চিন্তা করল। ভাবল, তবে কি ড্রাইভার সাহেব মাতাল! কিন্তু না, ড্রাইভারকে মাতাল বলে মনে হলো না। গাড়ীর ইঞ্জিনজনিত কোনো ক্রটি নিয়েও সন্দেহ করার কোনো অবকাশ নেই। কারণ দেখেই বুঝা যাচ্ছে, খুব বেশি হলে হবে গাড়িটা রাস্তায় নামানো হয়েছে। আর গাড়ীতে যাত্রীও মাত্রাতিরিক্ত ছিল না। তাহলে কারণটা কি? বারবার গাড়িটি দুর্ঘটনার শিকার হতে যায় কেন?

একটু পরেই সাকিব কারণটা খুঁজে পায়। সে লক্ষ্য করে দেখল, সেই নযরকাড়া অর্ধ উলঙ্গ মেয়েটিই হলো মূল সমস্যা। কারণ সবার সাথে সাথে ড্রাইভারের দৃষ্টিও সেই মেয়ে আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছিল। আর তাই এই বিপত্তি।

নানাবিধ রসালাপের মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত হতে থাকে। প্রায় আধ ঘন্টা বাস চলার পর দুটি সীট খালি হয়। সাকিব ও সোহেল সেখানে বসে। আবার তাদের মধ্যে কথা শুরু হয়। কথা বলতে বলতে সোহেল সাকিবের সাথে বেশ ফ্রী হয়ে যায়। নানা প্রসঙ্গ নিয়ে তারা আলোচনা করে।

এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সহশিক্ষা নিয়েও কথা হয়।

সাকিব জিজ্ঞেস করে, ভাই! আপনি তো উভয় শিক্ষায় শিক্ষিত। আচ্ছা, আপনার দৃষ্টিতে সহশিক্ষা ব্যবস্থাটা কেমন?

‘সহশিক্ষা’ শব্দট শোনা মাত্রই একটি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে সোহেল। কেমন যেন আনমনা হয়ে যায় সে। মনে হয় একসাগর কষ্ট এইমাত্র তাঁর হৃদয়ে উথলে উঠেছে।

সাকিবের প্রশ্নের জবাবে সোহেল বলে, ভাইজান! সহশিক্ষা আমি মোটেও পছন্দ করি না। পছন্দ না করার কারণ হিসেবে ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা তো আছেই। তাছাড়া একটি নির্মম সত্য ঘটনার কারণেও সহশিক্ষা ব্যবস্থাকে আমি চরমভাবে ঘৃণা করি। শুনবেন কি আপনি সেই ঘটনা?

শুনব না মানে? অবশ্যই শুনব। গত কয়েক দিন আগে আমাদের রিচার্স সেন্টার থেকে একটি সেমিনার স্মারকের পাশাপাশি আরেকটি বইও প্রকাশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই বইয়ের খোরাকের জন্য আমি এ ধরণের কিছু সত্য ঘটনা তালাশকরছি। আপনি এখন যে ঘটনাটি শুনাবেন, আশা করি, সেটিও আমাদের বইয়ে স্থান পাবে। তাছাড়া আপনার এ ঘটনা বলার দ্বারা সফরের একঘয়েমী ভাবটা দূর হবে।

সোহেল হালকা একটা কাশি দিয়ে গলাটা একটু পরিস্কার করে নেয়। তারপর বলতে থাকে–

আমার এক অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিল। আমি তাকে দোস্ত বলে ডাকি। আমি অনেকদিন তাকে একা একা হাঁটত দেখেছি। চেহারামলিন। চোখ দেখে মনে হত একটু আগেই সে চোখ ভরে কেঁদেছে। তবে কোনোদিন এ ব্যাপারে তাকে কিছু জিজ্ঞেস করি নি। আমি অনেকবার তাঁর রুমে গিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে পেয়েছি। ঘুমিয়ে থাকলেও তাঁর চোখ দুটি ছিল অশ্রুসিক্ত। তখনও তাকে আমি ডিস্টার্ব করি নি। একদিন তাকে সাহসকরে জিজ্ঞেস করে ফেললাম, আরে দোস্ত! এত পেরেশান থাকো কেন? সে আহ করে একটা ঠান্ডা হাওয়া মুখ থেকে নির্গত করে। তারপর একটা নিষ্প্রভ মুচকি হাসি দিয়ে বলে–

চিরসুখি জন, ভ্রমে কি কখন,

ব্যথিতের বেদনা, বুঝিতে পারে?

কি যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে,

কভু আশি বিষে, দংশেনি যারে?

তাঁর এ কবিতা শুনে আমি হাসিতে ফেটে পড়লাম। তাঁর মনটাকে হালকা করার জন্য বললাম, মনে হয়, তুমি কবি। কখন থেকে কবি হলে দোস্ত? কোনো ডুবলিকেট প্রেমে পড় নাই তো?

সে কোনো উত্তর দিল না। চুপ মেরে বসে রইল। আমি বললাম, কি দোস্ত! মন খারাপের কারণটা কিন্তু এখনি বলো নি। তবে মনে রেখো, আমি কিন্তু আজ তোমার এ রহস্য উদঘাটন না করে যাচ্ছি না।

এতকিছুর পরও সে কিছুতেই বলতে চাইল না। অবশ্য পরে অনেক পীড়াপীড়ির পর সব কিছু সে খুলে বলল। বলতে লাগল–

আমার ছিল এক নিকটাত্মীয়। আমি তাকে স্নেহ করতাম, ভালোবাসতাম। তাঁর সাথে আমার পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হওয়া ছিল অসম্ভব। হারাম। কারণ সে ছিল আমার মাহরাম আত্মীয়। মেয়েটি যখন একদম ছোট তখন তাঁর মা তাকে আমার মায়ের তত্ত্বাবধানে রেখে যায়। সেই ছোটকাল থেকেই আমি তাকে আদর সোহাগ করতাম। যেহেতু আমার কোনো ছোট বোন ছিল না, তাই বোনের অকৃত্রিম স্নেহ-আদরও তাঁর ভাগ্যে জোটে। সেও আমাকে খুব সম্মান করত। শ্রদ্ধা করত।

মেয়েটির নাম লাবণী। মায়ের কথা অনুযায়ী সে আমাদের গ্রামের প্রাথমিক স্কুলে লেখাপড়া শুরু করে। সেখানকার পড়াশুনা শেষ হওয়ার পর হাইস্কুলে ভর্তি হয়। হাইস্কুলটি ছিল আমাদের বাড়ি থেকে কোয়ার্টার মাইল দূরে।

দিন যায় রাত আসে। এভাবে কয়েক বছর কেটে যায়। লাবণী আসতে আসতে বড় হতে থাকে। আমি লাবণীকে এত বেশি ভালবাসতাম যে, তাঁর হালাল ভালোবাসার মধ্যে ডুবে থেকে অন্য মেয়ের সাথে অবৈধ ও হারাম প্রেম করা থেকে নিজেকে পবিত্র রাখি। তাই আমার মনের মধ্যে অন্য কোনো মেয়ের চিন্তাও আসে নি।

আমি নিজেকে পবিত্র রাখতে যেমন তাঁর ভালোবাসা নিয়েই অন্যসব নাজায়িয ভালোবাসা থেকে বিরত থাকি, তেমনি আমি চাইলাম, সেও আমার মহব্বত ধরণ করে অন্য সব অবৈধ প্রেম থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে। তাই একদিন আমি তাকে ডেকে বললাম, লাবণী! আমার সাথে তোমার একটি ওয়াদা করতে হবে। করবে?

সে বলল, আপনার সব কথাই আমি পালন করতে প্রস্তুত।

আমি বললাম, স্কুলে তুমি নিত্য নতুন অনেক বন্ধু পাবে। হয়তো কোনো সুদর্শন ছেলে তোমার কাছে প্রেম নিবেদন করবে। তখন তুমি এ নাজায়েয পথে পা বাড়াবে না–এ ওয়াদাটুকুই তোমাকে আজ করতে হবে।

লাবণী বলল, কী যে বলেন আপনি! এটা কি কোনোদিন সম্ভব? আমি আপনার নিকট ওয়াদা দিচ্ছি, কোনোদিন এ পথে চল্ব না। আমি কেবল আপনার দোয়া চাই।

আমি বললাম, আমিও তোমার সামনে অঙ্গীকার করছি যে, কোনো ভিন্ন মেয়ের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলব না।

শোন লাবণী! আমরা পরস্পর এজন্য ওয়াদাবদ্ধ হলাম যে, তোমার জন্য যেমন পর পুরুষের সঙ্গে মেলামেশা করা ইসলামের দৃষ্টিতে পাপ, আমার জন্যও বেগানা মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করা পাপ। আমরা যদি শরীয়ত অনুমোদিত আমাদের আন্তরিক মহব্বত্বে সম্পর্ক বজায় রাখি তাহলে আমরা আধুনিক তারুণ্য ও যৌবনের গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে যাওয়া থেকে বেঁচে যাব, বেঁচে যাব নিজকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিক্ষেপ করা থেকে, ইনশাআল্লাহ।

এরপর কয়েক বছর অতিবাহিত হয়ে গেল। আমি মাঝে মধ্যে তাকে ওয়াদার কথা স্মরণ করিয়ে দিতাম। বলতাম। লাবণী! ওয়াদা যেন ঠিক থাকে। স্মরণ রেখো, আমি সব সময় তোমার সামনে উপস্থিত না থাকলেও মহান আল্লাহ লাক কিন্তু সব সময় তোমার সাথে আছেন।

একবার কোনো এক কাজে আমাকে বেশ কয়েজ মাস বাইরে থাকতে হলো। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে লাবণীর মধ্যে বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম। মনে হলো এ লাবণী যেন সে লাবণী নয়। চিন্তা করলাম, তাঁর হৃদয়ে কারো ভালোবাসার নীড় রচিত হয় নি তো? আমি লাবণীকে ডাকলাম। বললাম–

লাবণী!

জ্বী।

তোমার কিছু হয় নি তো?

জ্বী না।

তোমাকে কেউ কিছু বলে নি তো?

জ্বী না। আমি তখন আর কিছুই বললাম না। কারণ সে আবার মনে কষ্ট পেয় যায় কিনা সে ভয় আমার ছিল। আমি কখনোই চাইতাম না, আমার কোনো কথা বা আচরণ দ্বারা সে কষ্ট পাক।-আরো পড়ুন

আপনি পড়ছেনঃ ব্যথিত হৃদয় (ইসলামীক উপন্যাস)

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মোজার উপর মাসাহ

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান। রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE