Home / বাংলা লাইফ স্টাইল / মেয়েদের সাজুগুজু

মেয়েদের সাজুগুজু

সাজগুজতারুণ্যের নিজস্ব সৌন্দর্যে এ বয়সের মেয়েরা এমনিতেই সুন্দর হয়ে উঠে। পার্টিতে যেতে তাই সালোয়ার—কামিজের সঙ্গে দরকার শুধু ফ্যাশনেবল একটা হেয়ার স্টাইল, সঙ্গে হালকা মুখসাজ।

ঘরেই করতে পারেন এমন কয়েক রকম চুলসজ্জা আর একদম মৌলিক একটা মেকআপের বিষয় রইল আপনাদের জন্য।

চুল না বেঁধেই স্টাইল

* এখন তরিণীইদের খুব পছন্দ সোজা, ঝলমলে চুল। এজন্য চুলটাকে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে হালকা ব্লো ড্রাই করে নিন আগে। হেয়ার সেটিং লোশন স্প্রে করুন। পুরো চুলে স্প্রে ঠিকমতো মাখাতে চুল ভালোভাবে আঁচড়ে নিলেই পেয়ে যাবেন চিকমিকে সোজা চুল।

* ব্লা—ড্রাই করে শাইনিং সেরাম (নানা রকম পাবেন বাজারে) দিন চুলে। তারপর আয়রণ করে নিলে হয়ে গেল ঝকঝকে মসৃণ চুল।

* কারলিং আয়রণ থাকলে চুলে স্পাইরাল স্টাইল করতে পারেন। পার্টির এক দিন আগে শ্যাম্পু করতে হবে এজন্য। ভলিউমাইজার শ্যাম্পু, কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ব্লো—ড্রাই করলে চুলে বেশ ভরাটে ভাব আসবে।

বাঁধা চুলের স্টাইল

* একটু অদলবদলে সাধারণ পনিটেইলই হতে পারে ভীষণ নার্ট স্টাইল। চুলগুলো পেছনে টেনে ব্যান্ড দিয়ে বাঁধুন। বাঁধা চুলের একাংশ নিয়ে ব্যান্ডের উপর দিয়ে ঘুরিয়ে ব্যান্ডটাকে মুড়িয়ে নিন। মনে হবে চুল দিয়েই গোড়া কষে চুল বেঁধেছেন। পোশাকের সঙ্গে রং মিলিয়ে পড়ুন চিক রিবন, নানা রকম ক্লিপ। সামনে চুল ব্যান্ডস কাটা থাকলে সেটা কপালের উপর ছড়িয়ে দিন।

* কটা ক্লিপ কাঁটার ব্যবহারে করে ফেলতে পারেন ফ্রেঞ্চটুইস্ট। পেছনে টেনে চুল পুরোটা লম্বালম্বি পেঁচিয়ে ব্যবহারে করে ফেলতে পারেন ফ্রেঞ্চ টুইস্ট। পেছনে টেনে চুল পুরোটা লম্বালম্বি পেঁচিয়ে নিন। পেঁচানো চুলটাকে উপরে তুলে আবার কয়েক পেঁচে ঘুরিয়ে লম্বালম্বি রোলের মতো করুণ। ক্লীপ, কাঁটা দিয়ে আটকে নিন।

মেকআপ  

প্রথমে পুরো মুখ, তারপর চোখ ও শেষে সাজান ঠোঁট। ত্বকে দাগ না থাকলে মুখে কোনো ফাউন্ডেশন দেওয়ার দরকার নেই। সরাসরি ব্লাশ—অন হিসেবে জেল ব্লাশার দিয়ে নিন।

ত্বকের দাগ ঢাকতে ত্বকের ধরণ বুঝে ব্যবহার করতে পারেন স্টিক, ক্রিম-টু পাউডার বা ক্রিম-টু ময়েশ্চারাইজার ফাউইন্ডেশন। ক্রিম-টু পাউডার ফাউন্ডেশন ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে ত্বকে মেশাতে পারেন। মুখে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার দিয়ে পাঁচ মিনিট পর ফাউন্ডেশন লাগালে তা ভালো বসবে ত্বকে। এর পরও দরকার হরে লাগাতে পারেন কনসিলার।

এরপর লাগান ক্রিম ব্লাশ—অন। চাইলে শিলার দিতে পারেন ব্লাশ—অনের উপর শুধু গালের হাড়ে।   এক পরত লুজ পাউডারের পোঁচে শেষ করুণ ত্বকসাজ। এবার চোখের সাজে ভুরুর নিচে সোনালী, রুপালি বা অফ হোয়াইট  আই শ্যাডো দিন হাইলাইটার হিসেবে। বেছে নিন চিকচিকে (শিমার) ধরণের আই শ্যাডো। দুই—তিন রঙ আই শ্যাডো মিলিয়ে দিতে পারেন। অথবা কম সময়ে মেকআপ করতে চাইলে শুধু বাদামী শ্যাডো দিয়ে মাশকারা, উপর পাতায় আইলাইনার, নিচে কাজল দিয়ে নিন।

ঠোঁট সাজাতে আগে লিপলাইন করুণ। তরুণীদের ভালো লাগবে ফ্রস্টেড লিপস্টিক বা লিপ গ্লসে। শুধু গ্লসে চটচটে ভাব হয় অনেকের। গ্লস দেওয়ার পর বরফ ঘষে নিলে তা কেটে যাবে ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। লিপস্টিকের উপরও গ্লস দেওয়া যেতে পারে।

ব্লাশ—অন, শ্যাডো, লিপস্টিক, লিপ গ্লসের জন্য পিচ, গোলাপি, ব্রাউনের হালকা শেডগুলো সব রঙের পোশাকের সঙ্গে মানানসই। চোখের সাজকে ফুটিয়ে তুলতে পারেন নানা ধরণের মাশকরা যেমন—থিকেনিং,, ভলিউমাইজিং, কারলিং ও অন্য রং যেমন নীল মাশকারার ব্যবহারে।  ব্যস, সালোয়ার—কামিজে পার্টি সাজে আপনি একদম তৈরি।

লিখেছেনঃ চৌধুরী দীন মুহাম্মদ

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

ব্যক্তিত্ববোধ

আপনার ব্যক্তিত্ব বিকশিত করুন।

বর্ণনাঃ জীবনকে সুন্দর ও উপভোগ করতে আপনার ব্যক্তিত্ব বিকশিত করুণ। কিভাবে আপনার ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *