Breaking News
Home / যৌন জীবন / যৌনাঙ্গ / নারীর যৌনাঙ্গের পরিচয়

নারীর যৌনাঙ্গের পরিচয়

মেয়েদের সেক্স সম্পর্কে জানতে তাদের যৌন অঙ্গের পরিচয় জানা জরুরী। তাদের কোন অঙ্গের কি নাম তা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। মেয়েদের যৌনাঙ্গ কিছু  অংশ থাকে গোপন ও কিছু  অংশ থাকে বাহ্যিক। জেনে নিন সে সম্পর্কে কিছু ক্ষুদ্র আলোচনা থেকে।


মেয়েদের গোপন ছবি meyeder gopon chobi

পুরুষের যৌনাঙ্গের মত স্ত্রীর যৌনাঙ্গের দুটি রূপ আছে। একটা বাহ্যিক অপরটা আভ্যন্তরীন। প্রথমে স্ত্রীলোকের প্রজননতন্ত্রের বাহ্যিক রূপ সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

যোনী প্রদেশ

স্ত্রীর প্রজননতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হল তাঁর যোনী প্রদেশ। তলপেটের নিম্মে যেখানে উরুদ্বয় এসে মিশেছে, সেই স্থানে খুব নরম থলথলে মাংস বিশিষ্ট ক্রিকোণাকার একটা জায়গা আছে। তাঁর অগ্রভাগ ক্রমান্বয়ে চিকন বা সরু হয়ে উরুদ্বয়ের মাঝখানে দিয়ে চলে গেছে। ঐ স্থানটা তিন হতে সাড়ে তিন ইঞ্চির মত লম্বা হবে। তাকেই বলা হয় যোনী প্রদেশ।

স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের বাহ্যিক রূপ বা অঙ্গ আট প্রকার। যথাঃ

১। কামাদ্রি।

২। বৃহদৌষ্ঠ।

৩। ক্ষুদ্রদৌষ্ঠ।

৪। ভগাস্কুর।

৫। মূত্রনালীর মুখ।

৬। যোনীনালী।

৭। সতীচ্ছদ।

৮। মলদ্বার।

নিম্মে এগুলোর আলোচনা ক্রমান্বয়ের করা হলঃ-

কামাদ্রি

স্ত্রীলোকের তলপেটের নিম্মে স্থানে যেখানে উরুদ্বয় মিশেছে, ঐ ক্রিকোণ বিশিষ্ট স্থানটাকেই বলা হয় ‘কামাদ্রি’। ঐ জায়গার দুই দিকে পুরু চামড়া আর চর্বি থাকে বলে ঈষৎ উঁচু হয়ে থাকে। স্ত্রীলোকের কৈশোর জীবনের শেষে যৌবনে আগমনে ঐ স্থানে লোম গজিয়ে থাকে। এই লোমগুলোর উপর দিয়ে ঐ ক্রিকোণ বিশিষ্ট স্থানটা জুড়ে ক্রমান্বয়ে দুপাশ দিয়ে বাঁকা ভাবে নিচের দিকে নেমে যায়। সঙ্গমবস্থায় বা অন্যান্য সময় ঐ লোমগুলো স্ত্রীলিঙ্গের  নমনীয়তা বজায় রাখে।

বৃহদৌষ্ঠ।

কামাদ্রির নিম্মের দিকে ঠিক মাঝখান হতে দুপাশে এক জোড়া পুরু ও চেপটা চামড়ার নিচের ভাঁজ , দেখতে কিছুটা ঠোটের মত। মাংসপেশী প্রায় তিন হতে সাড়ে তিন ইঞ্চি নেমে মলদ্বারে কাছে ফিয়ে শেষ হয়েছে। ঐ ঠোটের মত মাংশপেশীদ্বয়কে বলা হয় বৃহদৌষ্ঠ। স্ত্রীলোকের এই বৃহদৌষ্ঠে পুরুষের অণ্ডকোষের ন্যায় কাজ করে থাকে। বৃহদৌষ্ঠের ভিতরটা কোমল ও মসৃণ হয়। কিন্তু তাঁর বাইরের দিকটা কিছুটা কর্কশ ও লোমে আবৃত থাকে। স্ত্রীলোকের যোনীপথ এই মাংশপেশী দ্বারা ঢাকা থাকে। যতদিন পর্যন্ত স্ত্রীলোকের যৌবন অটুট ও সন্তান ধারণশক্তি থাকে, ততদিন পর্যন্ত ঐ ঠোঁট দুটি কিছুটা ফোলা আর কোমল থাকে এবং যোনী-নালীর মুখ কিছুটা চেপে রাখে। কিন্তু যে সময় স্ত্রীলোকের যৌবনে ভাটা দেখা দেয়, আর সন্তান ধারণ ক্ষমতা রহিত হয়ে যায় এবং মাসিক রক্তস্রাব (হায়েজ) চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তখন এই কোমল মাংশপেশি দুটি কোকড়িয়ে ফাঁক হয়ে যায়। বৃহদৌষ্ঠের শেষ প্রান্তের এক ইঞ্চি নিচেই হল স্ত্রীলোকের মলদ্বার।

ক্ষুদ্রদৌষ্ঠ

ক্ষুদ্রদৌষ্ঠ দেখতে  বৃহদৌষ্ঠের মতো। অভ্যন্তরে অপেক্ষাকৃত ছোট দ্বিভাজযুক্ত ঠোটের মতো দুই টুকরা চামড়া দুদিক দিয়ে এসে যোনীনালী এবং মুত্রনালীর মুখ ঢেকে ফেলেছে, এটাই ক্ষুদ্রদৌষ্ঠ। এই পাতলা মাংসের আস্তরণটা স্থিতিস্থাপক তন্ত্র দিয়ে গঠিত। স্ত্রীলোকের কামনা-বাসনায় এটা কিছুটা কঠিন হয়ে উঠে। ক্ষুদ্রদৌষ্ঠ

 অতিরিক্ত স্পর্শকাতর এবং সংবেদনশীল।  গ্রন্থিগুলো হতে রস নির্গত হওয়ার স্ত্রীলোকের যোনীনালী সর্বদা ভিজা থাকে বলে পুরুষের লিঙ্গটা স্ত্রীর যোনী-নালীতে খুব সহজেই প্রবেশ করতে পারে।

ভগাস্কুর

স্ত্রীলোকের যোনী ফাটলের উপর দিকে সেখানে ক্ষুদ্রদৌষ্ঠের মুখ দুটি এসে পরস্পর জোড়া লেগেছে, ঠিক ঐ স্থানটায় একটি ক্ষুদ্র মাংসের পুটলির মতো দেখা যায়, এতাকেই ভগাস্কুর বলা হয়। এই ভগাস্কুরের সাথে পুরুষের লিঙ্গাগ্রের বেশ কিছুটা মিল রয়েছে। কিন্তু ভগাস্কুরে অনেক বেশি স্নায়ু সন্নিবেশিত হওয়ার কারণে পুরুষের লিঙ্গাগ্র অপেক্ষা অনেক বেশি পুলক সঞ্চারক, সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর হয়ে থাকে। স্ত্রীলোকের বাহ্যিক  যৌনাঙ্গের ভিতরে এর মতো সুখানুভব ও আনন্দদায়ক অন্য কোনো অঙ্গ নেই। এটা আকারে সাধারণত সিকি ইঞ্চি হতে আধা ইঞ্চি ভিতরে হয়ে থাকে। স্ত্রীলোকের যখন স্বামী সহবাসের ইচ্ছে জাগে, তখন এই ভগাস্কুরটি কিছুটা কঠিন হয় এবং তাঁর ভিতরে  বিদ্যুতের মতো এক প্রকার শক্তি সঞ্চারিত হয়ে থাকে। ঐ শক্তির জন্য ভগাস্কুর অগ্রমনিটা বার বার নাচতে থাকে। 

মূত্রনালী

স্ত্রীলোকের যৌনি-মুখের কিছুটা উপরে এবং ভগাস্কুরের  নিচে তাদের মুত্রনালির মুখ অবস্থিত। মুত্রাশয় হতে বের হয়ে মুত্রনালীটা এই জায়গাতে এসে শেষ হয়েছে। সাধারণত স্ত্রীলোকের মুত্রনালীটা লম্বায় দেড় ইঞ্চির মত হবে। অনেকের হয়ত এমন ভুল ধারণা হতে পারে যে, স্ত্রীলোকের মুত্রনালী ও যোনীনালীর মুখ দুটি একই। আসলে এটা ঠিক নয়। মূত্র-নালীর অল্প একটু নিচে পিছনে ঘেসে যোনীনালীর অবস্থান।

যোনী-নালী

স্ত্রীলোকের মলদ্বারের উপরে এবং মুত্রনালীর নিচে যোনীনালীর মুখ । স্ত্রীলোক দাঁড়ানো অবস্থায় থাকলে যোনীনালিকে একটি লম্বা ফাটলের মত দেয়া যাবে। কিন্তু শুয়ে থাকাবস্থায় উরুদ্বয়কে উপর দিকে উঠিয়ে ফাঁক করলে তখন যোনীমুখকে একটা ডিমের মত দেখা যাবে। ঐ যোনীমুখ হতে অভ্যন্তরে যে নালীটা জরায়ু পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকেই বলা হয়ে থাকে যোনী নালী ।  যোনীনালীর প্রাচীরগাত্র সর্বদা চেপে থাকে। কোনো গর্ত বা ফাঁক দেখতে পাওয়া যায় না। একমাত্র যে সময় যোনীমুখে পুরুষাঙ্গ ঢুকানো হয়, তখনই যোনীপথ ফাঁকা হয়ে থাকে। এটা ছাড়াও স্ত্রীলোকের ঋতুস্রাব (হায়েজ) ও শ্বেতস্রাবের সময় কিছুটা ফাঁক হয়ে থাকে। যোনীনালীর সংকোচনতা এবং প্রসারতার ক্ষমতা অদ্ভুত ধরণের। এই কারণে সঙ্গমকালে পুরুষের লিঙ্গটা ছোট বা বড় হলেও বেশ খাপ খেয়ে যায়। কোনো প্রকার অসুবিধা হয় না। স্ত্রীলোকের যোনীনালীর মাপ পাশের দিকে তিন হতে চার ইঞ্চি এবং ভিতরের দিকে পাঁচ হতে ছয় ইঞ্চির মত । স্ত্রীলোকের যৌনাঙ্গটা বিশেষভাবে সংকোচন ও সম্প্রসারণশীল পেশীতন্ত্র দ্বারা তৈরী। তাতে চাপ পড়লে প্রয়োজন মতো ফাঁকা হয়ে যায়। মেয়েলোকের সন্তান প্রসবের সময় যোনীনালীর অভ্যন্তর ভাগটা খুব নরম হলেও সমতল নয়, কতগুলো অসমান খাঁজে ভরা

সতীচ্ছদ

স্ত্রীলোকের যোনীনালীর মুখটা ঝিল্লির পাতলা পর্দার একটা আবরণ দ্বারা বন্ধ হয়ে থাকে। এই পর্দাটার নামই হল সতীচ্ছদ। সতীচ্ছদ নানা প্রকারের হয়ে থাকে। সতীচ্ছদের উপরিভাগে দুটি ছিদ্র থাকে। ঐ ছিদ্র দ্বারা মেয়েদের ঋতুর (হায়েজের) সময় রক্তস্রাব বের হয়ে থাকে। এই প্রকারের সতীচ্ছদ হল স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো কোনো মেয়েদের সতীচ্ছদে অনেকগুলো ছিদ্র দেখা যায়। আবার তাঁর পাশে করাতের মত খাঁজ কাটাও থাকে। আবার কারো সতিচ্ছদ ছিদ্রশূণ্য দেখায যায়।

মেয়েদের বিবাহের পরে যোনীনালীতে সঙ্গমকালে পুরুষাঙ্গ প্রবেশের সময় অধিকাংশ স্ত্রীলোকের যোনীমুখের ঝিলির পর্দাটা ছিড়ে যায়। মেয়েলোকের সতীচ্ছদ না ছেড়া পর্যন্ত পুংলিঙ্গ যোনীনালীতে প্রবেশ করতে পারে না। এই সতীচ্ছদের পর্দা ছেড়ার সময় স্ত্রীলোকের সামান্য ব্যথা পেয়ে থাকে। কোনো কোনো স্ত্রীলোকের কিছুটা রক্তও বের হয়।

আবার কোনো কোনো স্ত্রীলোকের সতীচ্ছদের পর্দাটা বেশ পুরু এবং সম্প্রসারণশীল দেখা যায়। এই অবস্থায় যোনীনালীতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করতেই পারে না। ফলে স্বামী-স্ত্রীর জন্য দাম্পত্য জীবন কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এই অবস্থায় ডাক্তার দ্বারা অস্ত্রোপাচার করে সতীচ্ছদ অপসারণ করে নিতে হবে। তবে এটা খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায়। –একান্ত নির্জনে গোপন আলাপ

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

পুরুষাঙ্গে যেসব ঔষধ ব্যবহার করতে হয়

পুরুষাঙ্গের দুর্বলতা দূর করার জন্য যেমন ঔষধ খেতে হয়, তদ্রুপ ভাবে পুরুষাঙ্গের শিরা, উপশিরা, ধমনি …

5 comments

  1. তিন মাসের ছোট ছেলেকে বেদানা বা ডালিম খাওলে কিছু আসুবিধা আছে

  2. মেয়েদের যৌন অঙ্গ সম্পর্কে জানার আগ্রহ আমার প্রচুর ছিল। জেনে উপকৃত হলাম। ধন্যবাদ আমার বাংলা পোস্ট কে।

  3. tarin ummaysaima

    আমি এতদিন জানতাম যৌন নালী আর পেস্রাবের রাস্তা একটা,এখন জেনেছি দুইটি আলাদা।বাট পুরুষাঙ্গ যদি পেস্রাবের রাস্তা দিয়ে ঢুকে যায় কী হবে?

  4. Hi, its nice post on the topic of media print, we all be familiar with media is a wonderful
    source of data.

  5. I have to thank you for the efforts you’ve put in penning this blog.
    I am hoping to view the same high-grade blog posts by you in the future as well.
    In truth, your creative writing abilities has encouraged me to get my very own website now
    😉

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE