Breaking News
Home / যৌন জীবন / স্বপ্ন দোষ / স্বপ্নদোষ রোগ

স্বপ্নদোষ রোগ

স্বপ্নদোষ বলা হয় ঘুমান্ত অবস্থায় বীর্যপাত হওয়াকে। ‘একান্ত গোপনীয় কথা’ বইয়ে এ ব্যাপারে বিশদ আলোচনা ও তাঁর চিকিৎসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে আরো কিছু অতিরিক্ত আলোচনা করা হচ্ছে। যেসব কারণে স্বপ্নদোষ দেখা দিতে পারে।

যেমন-অশ্লীল চিন্তা-ভাবনা, কু-চিন্তা ফিকির, অশ্লীলস্বপ্ন দেখা,  বদ হজম ও পেট খারাপের কারণে। মূত্রথলির দুর্বলতা, বীর্যথলি ভরপুর ইত্যাদি। বীর্যথলি ভরপুর অবস্থায় নতুন বীর্য তৈরি হলে, অতিরিক্ত বীর্য বের হয়ে আসে। বীর্য অতিরিক্ত হয়ে যাওয়ার কারণ ছাড়া বাকীগুলো বীর্য পাতলা বা ধাতু দুর্বলতার কারণে হয়। যার চিকিৎসা আবশ্যক।

স্বপ্নদোষ হওয়ার যতগুলো কারণ রয়েছে, তন্মধ্যে বদ নযর হল অন্যতম। মনের ইচ্ছা নিয়ে কোনো বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টিপাত করলে, অধিকাংশ সময় স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে।

আল্লাহ তাআলার হাজার শোকর যে, আল্লাহ তাআলা আমাকে [মূল লেখক] বিগত কয়েক বছর যাবত স্বপ্নদোষ থেকে রক্ষা করেছেন। দীর্ঘদিন স্বপ্নদোষ না হওয়াতেও আমি ঘাবরিয়ে গেলাম, না জানি আমার আবার কোন রোগ দেখা দিল। এজন্য আমার মুরব্বিদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করলাম। তারা আমাকে শান্তনা দিলেন যে, দেখ! স্বপ্নদোষ বেশির ভাগ বদ নযরের কারণে হয়ে থাকে, কারো যদি স্বপ্নদোষ না হয়, তাতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। কিছুদিন পর আমি হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর রেছালা মুতালাআ করলাম, তাতে লেখা হয়েছে যে, স্বপ্নদোষের উল্লেখযোগ্য কারণ বদ নযর ও বদ খেয়াল। এক তাফসীরে আল্লামা সুয়ুতী (রহঃ) লিখেন, নবী করীম (সাঃ) এর পূর্ণ জিবনে কখনো স্বপ্নদোষ হয় নি।

হযরত শায়খ জাকারিয়া (রহঃ) লিখেন, তাঁর জীবনে কেবল একবার স্বপ্নদোষ হয়েছিল। আর তাও হয়েছিল উটের সাওয়ার অবস্থায়। নবী ও রাসূলগণের স্বপ্নদোষ না হওয়ার কারণ হল, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বদ নযর ও বদ খেয়াল থেকে মুক্ত রেখেছেন।

সকল পুরুষের স্বপ্নদোষ হতে হবে এমনটি নয়। বরং কারো সারা জীবনে স্বপ্নদোষ নাও হতে পারে।  আবার কারো কারো দেখা যায় যে, মাসে দু’ একবার হয়ে থাকে। যদি কারো মাসে দু’একবার স্বপ্নদোষ হয়, তাহলে তাকে হেকিমের স্মরণাপন্ন হতে হবে না। কিন্তু যদি কারো অবস্থা এমন হয় যে, এক মাসে চার পাঁচ বার বা তাঁর চেয়েও বেশি স্বপ্নদোষ হয়, তাহলে তাকে হেকিমের স্মরণাপন্ন হতে হবে।

যদি কারো এভাবে মাসকে মাস বছরকে বছর স্বপ্নদোষ হতে থাকে, তাহলে আস্তে আস্তে তাঁর শরীরে দুর্বলতা দেখা দিবে। অনেক লোক এমনও আছে যে, এক রাতেই তাঁর একাধিকবার স্বপ্নদোষ হয়। এসব লোক একেবারেই দুর্বল হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠলেই মাহা ঘুড়াবে, শরীরে দুর্বলতা অনুভব হবে, চোখে অন্ধাকার দেখবে, চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে যাবে, মন ভালো থাকবে না।

অবস্থা এমন হয় যে, বীর্য পাতলা হতে হতে পানিত ন্যায় হয়। স্বপ্নদোষ কখন হয়, সে নিজেও জানে না। পেশাব পায়খানার সময়ও বীর্যপাত হয়। কোনো সুন্দরী রমনীর সাথে আলাপ করলে, কোনো যৌন বিষয়ক বই পড়লেও বীর্যপাত হয়ে যায়। যখন কারো বীর্য এমন পাতলা হয়ে যাবে, তখন  তাঁর দ্বারা সন্তান জম্ম দেয়ার ক্ষমতা হ্রাস পাবে। 

আপনি পড়ছেনঃ একান্ত নির্জনে গোপন আলাপ (বাংলা সেক্স বই)

বিভাগঃ নারী পুরুষের যৌন জ্ঞান

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

স্বপ্নদোষ রোগের বিভিন্ন কারণ

যেসব লোকদের মাঝে স্বপ্নদোষ রোগটি বিদ্যমান, বিভিন্ন কারণে তাদের মাঝে এ রোগটি পাওয়া যায়। যথাঃ- …

No comments

  1. ঔষধগুলো কোথায় পাওয়া যাবে

  2. আমার এই সমস্যা টা হয় । ধন্যবাদ এমন সুন্দর পোস্ট করার জন্য। আমি অনেক দিন ধরে এই রকমের একটি পোষ্ট খুঁজছিলাম। আপনার এই পোস্ট অনেক উপকারে আসবে আমার বিশ্বাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE