Breaking News
Home / যৌন জীবন / যৌন বিষয়ক নিবন্ধন / হায়েয – নেফাসেরত বিবিধ মাসায়েল

হায়েয – নেফাসেরত বিবিধ মাসায়েল

 

  • হায়েয নেফাস চলাকালিন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করা যাবে না। অর্থাৎ গোসল ওয়াজিব থাকা অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ, কা’বা শরীফের তাওয়াফ করা, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত ও স্পর্শ করা সবই নিষেধ। তবে কুরআন শরীফ গেলাফ দ্বারা মোড়ানো থাকে বা আলগা কাপড় দ্বারা পেচানো থাকে, তাহলে প্রয়োজনে স্পর্শ করা যাবে।
  • নাপাক হালতে কুরআনের একটি পরিপূর্ণ আয়াত পড়া ঠিক নয়, তবে একটি ছোট আয়াত বা তাঁর চেয়ে কম হলে পড়া যাবে।
  • অযু বিহীন কুরআন শরীফ স্পর্শ করা যাবে না, মৌখিকভাবে পড়া যায়।
  • পরিহিত কাপড় দ্বারা কুরআন শরীফ স্পর্শ করা জায়েয নেই। তবে আলগা কাপড় দ্বারা স্পর্শ করা যাবে।
  • টাকা –পয়সা, তশতরী। রুমাল, তাবিজ অথবা অন্য কোনো বস্তুতে কুরআনের আয়াত লেখা থাকলে, নাপাক অবস্থায় অর্থাৎ হায়েয নেফাসওয়ালী মহিলারা ও যাদের উপর গোসল ওয়াজিব হয়েছে, তারা কেউ তা স্পর্শ করতে পারবে না। তবে যদি কোনো পাত্রে বা থলিতে রক্ষিত থাকে, তবে সে পাত্র স্পর্শ করা যাবে।
  • দোয়ার নিয়তে যদি সূরা ফাতিহা বা কুরআন শরীফে যে সকল আয়াত দুআ মুনাজাত সম্বলিত, তিলাওয়াতের নিয়ত বাদে কেবল দুআর নিয়তে পাঠ করে তাহলে কোনো অসুবিধা নেই।
  • প্রতি ওয়াক্তে হায়েয নেফাসওয়ালী মহিলারা সত্তর বার ইস্তেগফার পড়লে এক হাজার রাকাত নফল নামায পড়ার সওয়াব পাবে।
  • কারো উপর গোসল ফরয ছিল এবং গোসল শেষ করার পূর্বেই ঋতুস্রাব শুরু হল, এমতাবস্থায় তাঁর উপর গোসল করা ওয়াজিব নয়। বরং ঋতু হতে পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করবে। এ গোসলই উভয় প্রকার গোসলের জন্য যথেষ্ট হবে।
  • পবিত্র হজ্জের যাবতীয় কার্যক্রম সুন্দরভাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করার জন্য যদি মহিলারা এমন ওষুধ ব্যবহার করে, যা সাময়িক ভাবে হায়েযকে বন্ধ করে দেয়, তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিতে এতে কোনো প্রকার অসুবিধা নেই। শরীয়তের দৃষ্টিতে এমন করা জায়েয আছে। তদ্রূপ ভাবে রমযানের ত্রিশটি রোযা রমযানের ভিতরেই পালনের উদ্দেশ্যে এমনটি করা জায়েয আছে। তবে চিকিৎসা বিদ্যা অনুযায়ী শরীরের জন্য ক্ষতিকর। -জাদীদ ফিকহী মাসাইল
  • যদি কারো ব্যবহৃত কুরসুফ (নেপকিন) ভিজে অবস্থায় লাল অথবা হলুদ বর্ণের থাকে; কিন্তু তা শুকিয়ে গেলে সাদা বর্ণের হয়ে যায়। এর উপর হায়েযের হুকুম প্রয়োগ করা হবে। কেননা, ভিজে অবস্থায় ধর্তব্য হবে।
  • হায়েয অবস্থায় চারকুল ও আয়াতুল কুরসী পাঠ করা জায়েয নেই। তবে দুআর নিয়তে জায়েয আছে।
  • হায়েয অবস্থায় শিক্ষিকা ছাত্রিদের থেকে সবক শুনতে পারবে। এতে শরীয়তের দৃষ্টিতে ছাত্রীদের কোনো গোনাহ হবে না।
  • হায়েয নেফাস অবস্থায় আল্লাহ তাআলার ৯৯ টি নাম যপনা করা জায়েয।
  • হায়েয নেফাস অবস্থায় হাতমুজা পরিধান করে কুরআন শরীফ কিংবা কুরআনী আয়াত সম্বলিত কোনো কাগজ ইত্যাদি ধরা বা বহন করা জায়েয নেই, যদিও মোজা চামড়ার হোক না কেন। কারণ, হাত মোজা হাতের মধ্যেই গণ্য হয়ে থাকে।
  • হায়েয নেফাসের হালতে যমযমের পানি পান করা যাবে । তেমনি ভাবে যে পানিতে আয়াতে কুরআনী অথবা দুআ পড়ে ফুঁক দেয়া হবে, তা পান করা জায়েয।
  • হায়েয ও নেফাসের হালতে ফেকাহ বা হাদীস গ্রন্থ স্পর্শ করা বা বহন করা মাকরূহ। কেউ কেউ বলেছেন, জায়েয আছে, কিন্তু তা অনুত্তম। তবে উত্তম হল এই যে, রুমাল ইত্যাদি দ্বারা স্পর্শ করা।
  • হায়েয ও নেফাস অবস্থায় কুরআন শরীফ লিখতে পারবে না। কারণ, কুরআন লেখা, পড়া ও ছোঁয়ার একই হুকুম।
  • হায়েয ও নেফাস অবস্থায় কুরআনের অনুবাদ লেখা মাকরূহ।
  • হায়েয নেফাস অবস্থায় জায়নামায়ে বসে যিকির-আযকার করতে পারবে, তবে খেয়াল রাখতে হবে, জায়নামাযে যেন নাপাক না হয়।
  • হায়েয অবস্থায় কারো মুখ থেকে সেজদায়ে তেলাওয়াতের আয়াত পাঠ করতে শুনলে, পাঠকারীর জন্য সেজদা ওয়াজিব। কিন্তু শ্রোতার জন্য ওয়াজিব নয়।
  • হায়েজ নেফাস অবস্থায় আযানের জওয়াব দেয়া যাবে। আপনি পড়ছেনঃ একান্ত নির্জনে গোপন আলাপ(সেক্স বিষয় বই)

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

প্রেমের কথা

কলারূপে প্রেম- প্রেমের আবশ্যকতা ও প্রীতি-স্থাপনের উপায়

‘কলারূপে প্রেমের কথা শুনে অনেকে হয়তো চমকিয়ে উঠেছেন। যে #প্রেম নিছক মানসিক ব্যাপার মাত্র, তাঁকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE