Breaking News
Home / বই থেকে / 11 (মা)

11 (মা)

আজাদ আইএ পড়ার জন্যে ভর্তি হয় সিদ্ধেশ্বরী কলেজে ৷ কলেজে পড়ে, নাজ কিংবা গুলিস্তান হলে ছবি দেখে, বন্ধুদের সাঙ্গে আড্ডা দেয় ৷ সে খুবই ভক্ত এলভিস প্রিসলির ৷ ছোটবেলা থেকেই খুব কমিকস পড়ে ৷ বড় হতে হতে সাহিত্যের প্রতি তার আগ্রহ জন্মে ৷ প্রচুর উপন্যাস পড়েছে, বাংলা উপন্যাস, ইংরেজি উপন্যাস ৷ এর মধ্যে মিলস অ্যান্ড বুন থেকে শুরু করে পেঙ্গুইন ক্লাসিক্স ৷ লরেন্স থেকে টলস্টয়-ডস্টয়ভস্কি পর্যন্ত ৷ বঙ্কিম থেকে শরৎচন্দ্র-রবীন্দ্রনাথ ৷

সিনেমা দেখতে গেলে তার সঙ্গী হয় জায়েদ ৷ অন্য বন্ধুরাও হয় কখনও কখনও ৷ তবে তার আশ্চর্য লাগে বড়লোক বন্ধুদের ৷ আজাদরা ফরাশগঞ্জের বাড়িতে চলে আসার পর তার অনেক বড়লোকের ছেলে বন্ধু তাকে এড়িয়ে চলে ৷ যেন তার সঙ্গে মিশলে তাদের জাত চলে যাবে ৷ আশ্চর্য তো ৷

জায়েদের মা নাই ৷ তারা পাঁচ-পাঁচটা বাচ্চা এ বাড়িতেই থাকে ৷ সাফিয়া বেগমকেই সব দেখাশোনা করতে হয় ৷ তাদের খাওয়া-দাওয়া, পড়াশোনার খরচের ব্যাপার আছে ৷ সাফিয়া বেগমকে একটু একটু করে গয়না ভাঙিয়ে টাকা-পয়সা জোগাড় করতে হয় ৷

এর মধ্যে আজাদ বাবার কাছ থেকে তার মাসোহারা পায় ৷ মাসে মাসে টাকাটা ওঠাতে যায় জায়েদ ৷ জায়েদও স্কুলে যায় ৷ লেখাপড়া করে ৷ তবে পড়াশোনার দিকে তার তেমন মনোযোগ নাই ৷

একদিনের ঘটনা ৷ বাসায় চাল নাই ৷ হঠাৎ রাতে চাল শেষ হয়ে গেছে ৷ রাতের বেলা আজাদের আরেক খালা এসেছে, আরো অতিথি এসেছে ৷ অতিরিক্ত রাঁধা হয়ে গেছে ৷ সকালবেলা চাল কিনতে হবে ৷ রেশনের দোকানে যেতে হবে ৷ আজাদের মায়ের কাছে নগদ টাকা নাই ৷ রেশনটা না তুললে আবার দোকান থেকে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হবে ৷ নাহলে দুপুরে আজকে হাঁড়ি উঠবে না চুলায় ৷

আজাদের মা বলেন, ‘জায়েদ, কী করি, বল তো!’

জায়েদ বলে, ‘আমার কাছে কিছু টাকা জমানো আছে ৷ আমি রেশন নিয়া আসি ৷ আপনি পরে দিয়েন আম্মা ৷’

‘তাহলে তাই কর ৷’

জায়েদের কিন্তু ভরসা আজাদ ৷ আজাদের কাছে হাতখরচের টাকা থাকে ৷ সেখান থেকে ধার নিতে হবে ৷ তবে সেটা আম্মাকে জানানো যাবে না ৷ চৌধুরীর টাকা শুনলে আম্মা সেই টাকায় কেনা অন্ন স্পর্শ করবেন না ৷

জায়েদ গিয়ে ধরে আজাদকে ৷ ‘দাদা, কিছু টাকা ধার দ্যাও তো ৷’

‘কত ?’

‘দ্যাও না ৷’

‘কী করবি ? সিনেমা দেখবি ?’

‘না ৷ বাজার সদাই করব ৷’

‘আচ্ছা চল ৷ এক জায়গায় টাকা পাই ৷ তুলে আনি ৷’

আজাদ আর জায়েদ বের হয় ৷ আলী নামে এক লোকের কাছে আজাদের মাসোহারার টাকা থাকে ৷ সেখান থেকে কিস্তিতে কিস্তিতে টাকাটা তোলা হয় ৷ তবে এ মাসের শেষ কিস্তির টাকাটা আলী ঠিকমতো দেয়নি ৷ জায়েদকে অযথা ঘোরাচ্ছে ৷

আলী বসেছিল গদিতে ৷ আজাদকে দেখে তটস্থ হয়-’এই, চেয়ার দে ৷ আরে মুছে দে ৷ ভাইয়া বসেন ৷ কী খাবেন ? চা আনাই ৷ লেমনেড খাবেন ?’

‘টাকাটা দাও ৷ যাইগা’-আজাদ দাঁড়িয়ে থেকে গম্ভীর গলায় বলে ৷

১০০ টাকা পাওয়া যায় ৷ তাই নিয়ে আজাদ আর জায়েদ বের হয় ৷ সদরঘাট থেকে বাংলাবাজার ৷ বটগাছটার নিচে একটা বড় বইয়ের দোকান ৷ হিউবার্ট নামে এক অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান এটা চালান ৷ আজাদকে দেখেই তিনি গুড মর্নিং বলে ওঠেন ৷

আজাদও গুড মর্নিং বলে সম্ভাষণের জবাব দেয় ৷

‘নয়া বই আসিয়াছে স্যার’-হিউবার্ট বলেন ৷

আজাদ বই দেখায় মগ্ন ৷ কী সব ইংরেজি বই ৷ জায়েদ বইগুলোতে কোনো মজা পায় না ৷ সে খানিকক্ষণ হিউবার্টের দিকে তাকিয়ে থাকে ৷ লোকটার গায়ের রঙ ফরসা, তবে চামড়ায় বুটি বুটি দাগ, ভুরুগুলো বড় বড় আর শাদা, চুলও শাদা, গায়ে কোট, পরনে প্যান্ট ৷ লোকটা কথা বলছে হয় ইংরেজিতে, নয়তো বইয়ের বাংলায় ৷ আর বটগাছ থেকে পাখির বর্জ্য পড়ছে টুপটাপ ৷ জায়েদ লক্ষ্য করে, বটের ফল খেয়ে পাখিগুলো যা ত্যাগ করে, তাও আসলে ফল, তাই মাথায় পড়লেও কেউ ব্যাপারটা গায়ে মাখছে না, গায়ে লাগছেও না ৷ জায়েদ এদিক-ওদিক তাকিয়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে, দাদা, যাইবা না, চলো ৷

আজাদ বই থেকে মুখ না তুলে বলে, ‘যা, তুই ওই হোটেলে মাটন কাটলেট ভাজছে, খেয়ে আয় যা ৷ নে, টাকা নে ৷’

জায়েদ তো খুশিতে লাফাতে লাফাতে বাতাসের আগে আগে ছুটে যায় ৷

এদিকে আজাদ বইয়ের মধ্যে মজা পেয়ে গেছে ৷ সে একটার পরে একটা বই নামাচ্ছে ৷ একটা মোটা ছবিঅলা বই পেয়ে সে পাগলের মতো খুশি হয় ৷ দেখেন তো এই কয়টার দাম কত হয় ?

দাম একশ টাকা ছাড়িয়ে যায় ৷

‘আচ্ছা তাহলে এটা বাদ দ্যান ৷ এখন দেখেন’-আজাদ একটা বই বাদ দিয়ে বাকিগুলো এগিয়ে দেয় ৷

‘ওয়ান হান্ড্রেড ফোর’-হিউবার্ট বলেন ৷

আজাদ পকেট হাতড়ে খুচরো বের করে দাম মিটিয়ে দেয় ৷

জায়েদ আসে ৷

আজাদ তার হাতে বইয়ের বোঝা ধরিয়ে দিয়ে বলে, ‘নে ৷ যাইগা ৷ দেরি হয়ে যাচ্ছে ৷’

তারা বাসায় ফেরে রিকশায় ৷ জায়েদ বইগুলো দাদার ঘরে নামিয়ে দেয়  ৷ তারপর বলে, ‘টাকা দ্যাও ৷’

‘কিসের টাকা ?’

‘রেশন আনুম না ?’

‘ও ৷ রেশনের টাকা ৷ কত লাগে ?’

‘৫০ টাকা দ্যাও ৷’

‘অত টাকা তো এখন নাই ৷’

‘আরি এখনই না পাইলা!’

‘হাতে করে কী আনলি!’

‘বই ৷’

‘বই কিনতে টাকা লাগে না ?’

‘এত টাকার বই তুমি আনলা!’

‘তুই-ই তো বেটা বয়ে আনলি ৷ দেখলি না কত ভারী ৷’

‘অহন ৷ আইজকা রেশন না আনলে তো ল্যাপ্স হইয়া যাইব ৷’

‘আরে কিসের ল্যাপস হইব ৷ কালকে আনিস ৷’

‘আজকা খাইবা কী! চাউল নাই ৷’

‘দোকান থেকে দুই সের চাউল কিনে আন ৷ টেবিল ক্লথটার নিচে দ্যাখ খুচরা পয়সা আছে ৷ ঝাড় ঝাড় ৷ দেখলি ৷ নে ৷ আজকার দিনটা পার কর ৷ কালকের চিন্তা কাল ৷’

খুচরা পয়সা একসঙ্গে করে কম টাকা হয় না ৷ জায়েদ বলে, ‘চলব ৷ কিন্তু তোমার মতন পাগল দেখি নাই ৷ চাউল কেনার টাকা জোগাড় কইরা কেউ বই কিনে ?’

আজাদ হাসে ৷ ‘আর তুই কী করেছিস ৷ চাউল কেনার টাকা দিয়ে কাটলেট খেয়েছিস ৷ ছি ৷’

জায়েদ লজ্জা পায় ৷ সে দোকানের দিকে দৌড় ধরে ৷ আজাদ হাসে ৷ কিন্তু তার বুকের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম বেদনাও যেন সুচের মতো ফুটছে ৷ আজকে মাকে চাউল কেনার টাকার কথাও ভাবতে হচ্ছে ৷ অথচ মায়ের নামে এই ফরাশগঞ্জের বাড়িটা, ওই ইস্কাটনের বাড়িটা ৷ পৃথিবীটা কি একটা নাগরদোলা ? মানুষ আজ ওপরে তো কাল নিচে! নিয়তির হাতের পুতুল মাত্র! তাদের ম্যাট্রিকের বাংলা ব্যাকরণে একটা সমাস পড়তে হয়েছে ৷ রাজভিখিরি ৷ যিনি রাজা তিনিই ভিখিরি ৷ বা রাজা হইয়াও যিনি ভিখিরি ৷ তার মা কি তাই ? যিনিই রানী তিনিই ভিখিরিনী!

এইসব হতাশা থেকেই বোধকরি আজাদ সিগারেটটা মজবুত-মতো ধরে ফেলে ৷ তবে সে খায় সবচেয়ে দামি সিগারেট, বিদেশী ব্রান্ডের সিগারেট ৷ চৌধুরী সাহেবের রক্তের ধারা আর যাবে কোথায় ? আজাদ সিগারেট কেনার জন্যে স্টেডিয়ামে মোহামেডান ক্লাবের উল্টো দিকে রহমত মিয়ার বিখ্যাত দোকানে যায়, বিদেশী সিগারেট কেবল ওই দোকানেই পাওয়া যায় ঢাকায় ৷ আড়াই টাকা দামের এক প্যাকেট সিগারেট কেনার জন্যে আড়াই টাকার ট্যাক্সিভাড়া দিতে তার কার্পণ্য নাই ৷

সিদ্ধেশ্বরী কলেজ থেকে আজাদ আইএ পরীক্ষা দেয় ৷ সেকেন্ড ডিভিশনে পাসও করে ৷ এবার সে পড়বে কোথায় ?

ঢাকার পরিস্থিতি বেশি সুবিধার নয় ৷ ছাত্ররা নানা রাজনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত ৷ তারা এখন তৎপর সর্বজনীন ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলন নিয়ে ৷ সারা দেশে হরতাল পালিত হচ্ছে ৷ শোভাযাত্রা-সমাবেশ এসব তো আছেই ৷ তার ওপর বছরের শুরুতেই ঢাকায় সংঘটিত হয়ে গেছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ৷ এখন আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে ছাত্ররা আবার সংগঠিত হচ্ছে ৷ তাদের স্মৃতি থেকে দু বছর আগে ১৭ সেপ্টেম্বরে শিক্ষানীতি বাতিলের দাবিতে হরতাল, মিছিলে গুলি, টিয়ারগ্যাস, লাঠিচার্জ, একজনের শাহাদত বরণ-এসব মুছে যায়নি ৷

আজাদ একদিন আড্ডা দিতে গিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ৷ কাদের যেন কর্মসূচি ছিল সেদিন, ওরা জানত না ৷ মিছিল হচ্ছে, হঠাৎই শুরু হয় দৌড়াদৌড়ি ৷ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ৷ পালাতে গিয়ে একটা ড্রেনের মধ্যে পড়ে পা মচকে যায় আজাদের ৷ সে খোঁড়াতে খোঁড়াতে ফিরে আসে বাসায় ৷

জায়েদ এসে বলে, ‘দাদা, পা টিপা দিমু ৷’

‘আরে না ৷ মাথা খারাপ ৷ তুলা দিয়ে নাড়লেও মরে যাব ৷ উফ্, কী ব্যথা রে!’

‘দাদা, এক কাম করি, কাইলকা যাই ইস্কাটনে, চৌধুরী সাবরে কই দাদার পাও ভাইঙা গেছে, ট্রিটমেন্ট করান লাগব, মালপানি ছাড়েন ৷’

‘ভালো বুদ্ধি বের করেছিস তো ৷ হ্যাঁ ৷ কালকে যাবি ৷’

জায়েদ পরের দিন গিয়ে হাজির ইস্কাটনের বাসায় ৷ দারোয়ান পথ আটকে দাঁড়ায়-’কই যাইবেন ?’

‘চৌধুরী সাবের লগে দেখা করুম’-জায়েদ বলে ৷

‘ক্যান ?’

‘ছোট সাবে পাঠাইছে ৷ হের পা ভাইঙা গেছে ৷ হেই খবর দিতে হইব ৷’

দারোয়ান গেইট ছাড়ে ৷ ভেতরে গিয়ে সে দাঁড়ায় চৌধুরী সাহেবের কাছে ৷

‘সালামালেকুম খালু ৷’

‘ওয়ালাইকুম ৷ ক্যান আইছ ?’

‘আজাদ দাদা পাঠাইছে ৷ হের পাও ভাঙছে ৷’

‘পা ভেঙেছে ৷ কী করে ভাঙল ?’

‘ইউনিভার্সিটিতে গেছল ৷ গণ্ডগোল লাগছে ৷ হে বেকায়দায় পইড়া পাও ভাইঙা ফেলাইছে ৷’

চৌধুরী সাহেবের ফরসা মুখটা সঙ্গে সঙ্গে লাল হয়ে যায় ৷ কিছুক্ষণ ভেবে তিনি বলেন, ‘আজাদরে বলো এই বাসায় এসে থাকতে!’

‘কমুনে ৷ আইব না ৷ আপনেরে টাকা দিবার কইছে ৷’

চৌধুরী সাহেব ভেতরে যান ৷ জায়েদ বৈঠকখানায় দাঁড়িয়েই থাকে ৷ টমি এসে তার গা শোঁকে ৷ পরিচিত গন্ধ পেয়ে লেজ নাড়ে ৷ একটু পরে কদম আলী এসে হাত বাড়িয়ে দেয় ৷ তার হাতে টাকা ৷

জায়েদ জিজ্ঞেস করে, ‘কত ?’

‘এক হাজার ৷ গইনা লও ৷’

জায়েদ টাকাটা গোনে ৷ তারপর খুশি মনে বেরিয়ে যায় ৷ আজাদ দাদার কাছ থেকে আজ মোটা অঙ্কের ভেট আদায় করা যাবে ৷ অন্তত চার দিন সিনেমা দেখা যাবে ডিসিতে ৷

রাত্রিবেলা ঢাকা ক্লাবে আবার ইউনুস চৌধুরীর প্রথম পত্নীর জন্যে শোক উথলে ওঠে ৷ তিনি গেলাসের পরে গেলাস উজাড় করতে করতে সামনে বসা এআই খানকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আচ্ছা বলেন তো, সাফিয়া বেগম কবে আমার পায়ের কাছে এসে পড়বে ?’

 

এআই খানের অবস্থাও তখন খারাপ ৷ তিনি বলেন, ‘পায়ের কাছে কেন পড়বে ? হোয়াই অ্যাট দি ফিট ৷ নো ৷ ইউ হ্যাভ গট হার হেভেন আন্ডার ইয়োর ফিট ৷ ইউ শুড নট অ্যালাউ হার এনটারিং ইন টু দি হেভেন সো ইজিলি ৷’

‘সে তো কিছুতেই আমার কাছে আসছে না ৷ একটা মহিলার কেন এত তেজ ? কেন ? আমি কী দেইনি তাকে ? বাড়ি তার ৷ ছেলে তার!’

এআই খান বুদ্ধি দেন, ‘শোনেন, তার ছেলেকে তার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেন ৷ সেন্ড হিম টু করাচি ৷ মেক হার আইসোলেটেড ৷ দেন শি উইল গিভ ইন ৷ শি মাস্ট ৷’

এরই মধ্যে আজাদের মায়ের কোল থেকে দু বছর বয়সী জায়েদের ছোট্ট ভাই লিমনকে এক রকম প্রায় কেড়েই নিয়ে গেছেন জায়েদের বাবা ৷ বাচ্চাটাকে পাঠিয়ে দিয়েছেন গ্রামের বাড়িতে ৷ সেই বাচ্চা মারা গেছে ৷ সেই শোকে জায়েদ ও তার ভাইবোন আর আজাদের মা খুবই ভেঙে পড়েছে ৷ একটা বাচ্চা যখন বাড়িতে থাকে, সে পুরোটা বাড়ি জুড়ে থাকে ৷ এই বাড়িতেও লিমন ছিল সবার কোলজুড়ে ৷ সে চলে যাওয়ার পরই সবার মন ছিল খারাপ ৷ তার ওপর সে মারা গেছে, এই খবর শুনে সবাই স্তব্ধ হয়ে যায় ৷ বাসার ঠিকে ঝিটা পর্যন্ত কেঁদে কেঁদে ওঠে, ‘বাচ্চাটারে এইখান থাইকা নিয়া গিয়াই মাইরা ফেলল ৷ কেমন পাষাণ বাবা রে ৷’

বাকী অংশ পড়ুন>>>

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মোজার উপর মাসাহ

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান। রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE