Home / বই থেকে / বয়স বিবেচনায়ও স্ত্রীর প্রতি সহানুভুতিশীল হউন।

বয়স বিবেচনায়ও স্ত্রীর প্রতি সহানুভুতিশীল হউন।

সাধারণতঃ দেখা যায় স্বামী – স্ত্রীর বয়সের মাঝে ৮/১০ বছরের ব্যবধান থাকে। এই ৮/১০ বছরের ব্যবধান কিন্তু কম নয়, অনেক। ধরুণ, স্বামীর বয়স যদি স্ত্রীর চাইতে ১০ বছর বেশী হয় তবে তার অভিজ্ঞতা স্ত্রীর অভিজ্ঞতার চেয়ে ১০ বছর বেশি। তদুপরি স্বামীর চলাফেরা, মেলামেশা ও যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্ত্রীর তুলনায় অনেক ব্যাপক ও বিস্তৃত । ফলে সঙ্গত কারণেই স্বামীর সঞ্চিত অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার স্ত্রীর অভিজ্ঞতার ভাণ্ডারের চাইতে অনেক বড়। এ কারণে প্রায় সকল ক্ষেত্রে স্ত্রীর তুলনায় স্বামীর পরিপক্কতা থাকে বেশি। সুতরাং অভিজ্ঞতা ও পরিপক্কতার পার্থক্যের কারণে কোনো বিষয়ে স্বামী – স্ত্রীর মধ্যে মতের অমিল ও চিন্তার ভিন্নতা থাকা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই এ ক্ষেত্রে স্বামীকে চটে গেলে চলবে না। বরং স্ত্রীর বয়সের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার প্রতি সদয় ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। তাকে মনে রাখতে হবে, আমি যে বিষয়টি বর্তমানে উপলব্ধি করছি, তা সময়ের কাছ থেকে শিকতে হলে স্ত্রীকে আরও ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। অতএব যে বিষয়টি সে ১০ বছর পর শিখবে, সেটি নিয়ে এখনই তার সাথে ঝগড়া কিংবা রাগারাগি করা  মোটেও সঙ্গত নয়।

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে পড়ার সুযোগ দিন।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মোজার উপর মাসাহ

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান। রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE