Breaking News
Home / বই থেকে / ০৭ বিবাহ কেন করবে?

০৭ বিবাহ কেন করবে?

বিবাহের পশ্চাতে রয়েছে নানা উদ্দেশ্যঃ-

১। অর্ধেক দিন পূর্ণ করা।

মহানবী (সাঃ) বলেন, “বান্দা যখন বিবাহ করে তখন সে তার অর্ধেক দ্বীন পূর্ণ করে নেয়। অতএব তাকে তার অবশিষ্ট অর্ধেক দ্বীনের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করা উচিত।”( বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান, সহীহুল জামে, ৪৩০ নং)

২। পবিত্র পরিয়াব্র গঠন করা।

“হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর, যিনি তোমাদের কে এক ব্যক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন ও তা হতে তার সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যিনি তাদের দুজন থেকে বহু নরনারী (পৃথিবীতে ) বিস্তার করেছেন। সেই আল্লাহকে ভয় কর, যার নামে তোমরা একে অপরের নিকট প্রার্থনা কর, আত্মীয়তা ছিন্ন করোনা। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর তীক্ষ্ম দৃষ্টি রাখেন।” ( সূরা নিসা-আয়াত ১।

“ হে মানুষ! আমি তোমাদের কে সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী হতে, পরে তোমাদের কে বিভুক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পার।”(সূরা হুজরাত-আয়াত ১৩)

“তিনিই মানুষকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন; অতঃপর তিনি মানবজাতির মধ্যে রক্তগত ও বৈবাহিক সম্বন্ধ স্থাপন করেছেন। তোমার প্রতিপালক সর্বশক্তিমান।”

(সূরা ফুরক্বান – আয়াত ৫৪)

“আর আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতেই জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের যুগল হতে তোমাদের জন্য পুত্র ও পৌত্র সৃষ্টি করেছেন এবং উত্তম জীবনোপকরণ দান করেছেন; তবুও কি তারা মিথ্যাতে বিশ্বাস করবে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?।”( সূরা নাহল- আয়াত ৭২)

৩। চারিত্রিক পরিত্রতা রক্ষা করা।

৪। বৈধ ভাবে যৌনক্ষুধা নিবারণ করা, যৌনসুখ উপভোগ করা।

কাম দৃষ্টি সংযত করা।

মহানবী (সাঃ) বলেন, “হে যুবকদল! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ( বিবাহের অর্থাৎ স্ত্রীর ভরণ পোষণ ও রতিক্রিয়ার) সামর্থ্য রাখে সে যেন বিবাহ করে।

কারণ, বিবাহ চক্ষুকে দস্তরমত সংযত করে এবং লজ্জাস্থান হিফাযত করে। আর যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না সে যেন রোয়া রাখে। কারণ, তা যৌনেন্দ্রিয় দমনকারী।”(বুখারী, মুসলিম)

তিনি আরো বলেন, “তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব; আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ কারী মুজাহিদ, সেই ক্রীতদাস যে নিজেকে স্বাধীন করার জন্য তার প্রভুকে কিস্তিতে নির্দিষ্ট অর্থ দেওয়ার চুক্তি লিখে সেই অথ আদায় ইচ্ছা করে এবং সেই বিবাহ কারী যে বিবাহের মাধ্যমে ( অবৈধ যৌনাচার হতে) নিজের চরিত্রের পবিত্রতা কামনা করে।”( আহমাদ, তিরমিযী, নাসাঈ, বাইহাক্বী, হাকেম, সহীহুল জামে ৩০৫০ নং)   

৫। পবিত্র প্রেম ও ভালবাসা এবং মানসিক শান্তি উপভোগ করা।

মহান আল্লাহ বলেন, “তার নিদর্শনাবলী মধ্যে আর একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতেই তোমাদের সঙ্গিনীদের কে সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা ওদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও মায়া- মমতা সৃষ্টি করেছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে।”৯ সূরা রূম- আয়াত ২১)

৬। সুস্বাস্থ্য রক্ষা করা।  

বৈধ ভাবে মিলনে স্বাস্থ্য রক্ষা হয়। মিলন না করলেও স্বস্থ্য নষ্ট হয়। পরন্ত অবৈধ ভাবে করলেও এডস প্রভৃতি রোগ সৃষ্টি হয়ে জীবন ধ্বংস করে।

৭। পবিত্র সমাজ গঠন, পারস্পরিক আত্মীয়তার বন্ধন সৃষ্টি হয়।

৮।রুযীর দরজা উন্মুক্ত হয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন, “তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত তাদের বিবাহ সম্পাদন কর এবং তোমাদের দাস- দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরও। তারা অভাব গ্রস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাব মুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ তো প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।”( সূরা নুর – আয়াত ৩২)

৯। বিবাহে আছে নারীর নারীত্ব, সতীত্ব আরো পড়ুন

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মোজার উপর মাসাহ

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান। রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE