Breaking News
Home / বই থেকে / ১৬ ইসলামী শরীয়তের স্ত্রীকে মারধর করা

১৬ ইসলামী শরীয়তের স্ত্রীকে মারধর করা

সংসার জীবনে খুটখাট ও নানা মতবিরোধের সাথে অনেক কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়ে থাকে। এমনকি শেষ পর্যায়ে অনেক সংসারে মারামারি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। অবলা নারী মার খায়। কিন্তু সবলা হয়েই খায়। পক্ষান্তরে রাগের সময় স্ত্রী যদি চুপ থাকে, তাহলে প;অরিস্থিতি এই পর্যায়ে পৌঁছে না।

শোনা মতে স্বামীর মারমুখী হওয়ার কারণ হিসাবে যা জানা যায়, তা হল স্বামীর দৈহিক বা মানসিক কোন রোগ অথবা বদমেজাজী ও ধৈর্যহীনতা। আর স্ত্রীর পক্ষ থেকে যা হয়, তা নিম্মরূপঃ-  

১। জেদ ধরা, গোঁ ধরা, কথা না শোনা, না মানা। গোঁয়ার্তুমি করা। ‘পারব না, অত পারি না, বেশ করেছি’ বলে কাঠগোয়ার ঔদ্বত্য প্রকাশ ক’রে মার খায়।

২। চাবুলি করা, মুখ চালানো, মুখের উপর মুখ দেওয়া, কথা বলে কথার প্রতিশোধ নেওয়া।

৩। গালাগালি করা।

৪। কুধারণাবশতঃ মিথ্যা অপবাদ দেওয়া।

৫। যৌনক্ষুধা নিরারণে সাথ না দেওয়া।

৬। অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্ক কায়েম করা।

অনেক সময় কারণ এত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর হয় যে, স্বামী-স্ত্রীর কেউই লজ্জায় তা বলতে পারে না। আর এ জন্যই একটি দুর্বল হাদীস আছে, ‘স্বামী তাঁর স্ত্রীকে কেন মেরেছে তা জিজ্ঞাসা করো না।’

পক্ষান্তরে যে স্ত্রী মার খাওয়ার যোগ্য হয়, সে ভাল স্ত্রী নয়। আর যে স্বামী অকারণে মারধর করে, সেও ভাল লোক নয়।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, মু’মিনদের মধ্যে সবার চেয়ে পূর্ণ মু’মিন ঐ ব্যক্তি যে চরিত্র সবার চেয়ে সুন্দর, আর তাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে নিজের স্ত্রীর জন্য সর্বোত্তম।(তিরমিযী)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তোমরা আল্লাহর বান্দীদেরকে প্রহার করবে না। পরবর্তীতে উমার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট এসে বললেন, মহিলারা তাদের স্বামীদের উপর বড় দুঃসাহসিনী হয়ে গেছে। সুতরাং নবী (সাঃ) প্রহার করার অনুমতি দিলেন। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর পরিবারের নিকট বহু মহিলা এসে নিজ নিজ স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আরম্ভ করল। সুতরাং রাসূল (সাঃ) বললেন, “মুহাম্মাদের পরিবারের নিকট প্রচুর মহিলাদের সমাগম, যারা তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। (জেনে রাখ, মারকুটে) ঐ (স্বামি)রা তোমাদের মধ্যে ভালো লোক নয়।”(আবূ দাঊদ, বিশুদ্ধ সূত্রে) আরো পড়ুন

 

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মোজার উপর মাসাহ

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান। রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE