Breaking News
Home / ফান / হাসির কৌতুক / একটু হাসুন- কিছু স্বামী-স্ত্রীর মজার কৌতুক ১৮+

একটু হাসুন- কিছু স্বামী-স্ত্রীর মজার কৌতুক ১৮+

কৌতুকআপনি কিছু সময় হাসতে চান?

তাহলে স্বামী স্ত্রীর ১০টি মজার জোকস ও কৌতুক পড়ুন।

০১ ম্যাচের খোল

রফিক আর পলির আজ বাসর রাত…রফিক পলি কে কিস করছে…..এসময় দেখে পলির কাছে একটা ম্যাচের খোল আর একটা ৫০ টাকার নোট।

রফিকঃ ম্যাচের খোল কেন?

পলিঃ তোমার কাছে আমি কিছুই লুকাবোনা…

যখন আমি আমার কোন বয়ফ্রেন্ডের সাথে সেক্স করতাম তখন একদানা চাল আমি এটার মধ্যে রাখতাম।

রফিক কিছু না বলে ম্যাচের খোলটি হাতে নিয়ে খুলে দেখে খোলের মধ্যে মাত্র তিনটি দানা।সে কিছুটা গম্ভীর হয়ে মনে মনে ভাবলো যাক মাত্র তো তিনটি দানা এই ভেবে সে পলিকে মাফ করে দিল।তারপরও রফিক ৫০ টাকার ব্যাপারে কৌতুহল থামাতে না পেরে বলেই বসল…

রফিকঃ আচ্ছা ম্যাচের কাহিনী তো বুঝলাম কিন্তু তোমার হাতে ৫০ টাকার নোট কিসের??

পলিঃ গতকালই আমি ২ কেজি চাল ৫০ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি!!!

০২ খাট

এক নব-বিবাহিত দম্পতি এক হোটেল এ রুম ভাড়া নিতে গিয়েছে ।

হোটেল ম্যানেজার : “দেখুন , আমাদের খাট-গুলো বেশ পুরাতন । এগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । তো , স্বামী–স্ত্রী দের আমরা খাট দেই না । আপনারা কষ্ট করে ফ্লোর এ থাকবেন । “

এই বলে ম্যানেজার রুম-বয় কে ডেকে বলল : এই খাট গুলা সরা ।

স্বামী : দেখুন ভাই, আমরা নব বিবাহিত …

ম্যানেজার ( রুম বয়কে ডেকে ) : এই, চেয়ার গুলাও সরা..

০৩ সোনার কনডম

একবার এক রানীর সোনার গহনা বানাতে ইচ্ছা হল।। আর রাজার পেনিস (penis) খুব ব্যথা হলো।

কোনো উপায় না দেখে তিনি যৌন অভিজ্ঞ ডাক্তারকে আর স্বর্ণকারকে ডেকে পাঠালেন।

তাই দেখে রাজার প্রাসাদের দুই বরকন্দাজ আলাপ করছে-

প্রথম বরকন্দাজ : আচ্ছা, রাজার হঠাৎ যৌন ডাক্তার আর স্বর্ণকার এতো দরকার পড়লো কেন বলো তো?

দ্বিতীয় বরকন্দাজ : আরে, এও বুঝলে না। রাজার এবার শখ হয়েছে তিনি সোনার কনডম পরবেন!

০৪ সাদা পর্দা

এক ভদ্রলোকের ডাইরি থেকে………….

“অনেক কঠিন সময় যাচ্ছে আমার অফিসে। ২ দিন টানা অফিসে কাজ করতে হয়েছে একটা প্রোজেক্টের কাজে। তো এরকম শ্রান্ত হয়ে আমি সন্ধ্যাবেলা বাসায় ফিরলাম। আমার স্ত্রী আমাকে অনেক অনুরোধ করেছে আজকে আমি যাতে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরি। আমি অনেক ক্লান্ত আর এদিকে আমি দুপুরে খেয়েছি গাজরের হালুয়া আর পরাটা (যেটা আমার একদম খাওয়া ঠিক হয় নি)। আমার গ্যাসের অনেক সমস্যা। এসব খাওয়াতে গ্যাস অনেক ববেড়ে গিয়েছে।

আমি বাসায় ফিরার পর আমার স্ত্রী আমাকে দেখে অনেক উচ্ছ্বসিত হল। আর বলল “হানি, আজকে তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ ডিনার আছে। সে অনেক সময়ই এই কাজ করে। চমকে দিয়ে সারপ্রাইজ দিতে পছন্দ করে। যাই হোক সে আমাকে টেবিলে নিয়ে বসালো। দেখলাম যে টেবিলের পাশে সাদা পর্দা দিয়ে ব্লাইন্ডফোর্ড দেয়া। এদিকে গ্যাসে আমার অবস্থা খারাপ। আমার গ্যাস বের করা খুব জরুরী হয়ে পড়েছে। কি করব বুঝছি না। এই সময়ে আশীর্বাদের মত পাশের রুমে ফোন বাজলো। আমার স্ত্রী অই রুমে চলে গেল। আমি হাপ ছেড়ে বাঁচলাম। সে ফোন ধরতে গেল আর আমি সাথে সাথে বায়ুত্যাগ করলাম শব্দ করে। গন্ধ বের হল যেন ময়লার ডাস্টবিনের মতো। আমি ন্য…

াপকিন দিয়ে নাড়তে গন্ধ তাড়ালাম। মানে চেষ্টা করতে লাগলাম।এরপর চাপ আরেকটা হাল্কা করার জন্য আরেকবার গ্যাস ছাড়লাম অ্যাটমবোমের মতো। এবার গন্ধ বের হল পচা শাঁকসবজির। আমি খেয়াল করছিলাম সে কতক্ষণ ফোনে কথা বলে। এরই মাঝে আরও কয়েকবার গ্যাস ছাড়লাম। গন্ধ বের হচ্ছিল পুরো সারের ট্রাক থেকে যেরকম গন্ধ আসে ওরকম। সে ফোনটা রেখে চলে আসছিল। এরমধ্যে আমি সর্বশেষ গ্যাসটা ছাড়লাম। খুবই শান্তি লাগছিল।

যাই হোক সে আসলো। সে এসে জিজ্ঞেস করল যে আমি সাদা পর্দা সরিয়েছি নাকি! আমি আশ্বস্ত করলাম যে আমি সরাই নি।

সে তখন সাদা পর্দাটি সরাল।

প্রায় ২০ জনের মতো বন্ধু আর আত্মীয় সেখান থেকে বের হয়ে আসলো আর বলল “শুভ জন্মদিন!!!!!!!!”

০৫ প্রোগ্রামার এর জবাব!

পিসির সামনে বসে প্রোগ্রাম রচনা করছে প্রোগ্রামার। তার দৃষ্টি আকর্ষণের নানাবিধ চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তার স্ত্রী নতুন কেশবিন্যাস করল, নতুন পোশাক পরল, মেকআপ করল মন দিয়ে, তারপর তার কাছে গিয়ে বলল, ‘আমার দিকে তাকিয়ে দেখো তো। কোনো পরিবর্তন লক্ষ করছো?’

স্ত্রীর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে প্রোগ্রামার বলল, নতুন স্কিন?

০৬ মাতালের জন্য!

গভীর রাত। প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে।

কেউ একজন চিৎকার করে বলছে, ‘এই যে ভাই, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দেবেন?’

চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে গেল মিসেস মলির। মলি তাঁর স্বামী রফিক সাহেবকে ধাক্কা দিয়ে বললেন, ‘এই যে, শুনছো, কে যেন খুব বিপদে পড়েছে!’

ঘুমাতুর কণ্ঠে বললেন রফিক, ‘আহ্! ঘুমাও তো! লোকটার কণ্ঠ শুনে মাতাল মনে হচ্ছে।’

অভিমানের সুরে বললেন মলি, ‘মনে আছে সেই রাতের কথা? সেদিন তোমার কণ্ঠও মাতালের মতোই শোনাচ্ছিল।’

রফিক বললেন, ‘মনে আছে। সে রাতেও প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। তোমার খুব শরীর খারাপ করেছিল। গাড়িতে করে তোমাকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ গাড়ি বন্ধ হয়ে গেল। সেদিন আমিও চিৎকার করেছিলাম, কেউ আছেন? একটু ধাক্কা দিয়ে দেবেন?’

মলি বললেন, ‘মনে আছে তাহলে। সেদিন যদি তোমার চিৎকার শুনে একটা লোকও এগিয়ে না আসত, কী হতো বলো তো? আজ অন্যের বিপদে তুমি যাবে না? প্লিজ, একটু গিয়ে দেখো না!’

অগত্যা উঠতে হলো রফিক সাহেবকে। ভিজে চুপচুপা হয়ে কাদা-পানি মাড়িয়ে এগিয়ে চললেন তিনি শব্দের উৎস লক্ষ্য করে। বললেন, ‘কোথায় ভাই আপনি?’

শুনতে পেলেন, ‘এই তো, এদিকে। বাগানের দিকে আসুন।’

রফিক সাহেব এগোলেন। আবারও শুনতে পেলেন, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ…ডানে আসুন। নিম গাছটার পেছনে…।’

রফিক সাহেব আরও এগোলেন।

‘আহ্! ধন্যবাদ! আপনার ভাই দয়ার শরীর। কতক্ষণ ধরে দোলনায় বসে আছি, ধাক্কা দেওয়ার মতো কাউকে পাচ্ছি না!’ বলল মাতাল!

০৭ জেল থেকে ছাড়া পেতাম!

মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল স্ত্রীর। চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে দেখলেন, স্বামী বিছানায় নেই।

বিছানা থেকে নেমে গায়ে গাউন চাপালেন তিনি। তারপর স্বামীকে খুঁজতে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এলেন। বেশি খুঁজতে হলো না। রান্নাঘরের টেবিলেই বসে থাকতে দেখা গেল স্বামীকে। হাতে গরম এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, গভীর

কোনো চিন্তায় মগ্ন।

মাঝেমধ্যে অবশ্য হাতের রুমাল দিয়ে চোখ থেকে পানি মুছে নিচ্ছেন, তারপর কফি খাচ্ছেন।

‘কী হয়েছে তোমার?’ রান্নাঘরে ঢুকতে ঢুকতে চিন্তিতভাবে বললেন স্ত্রী।

‘এত রাতে রান্নাঘরে কেন?’

স্বামী তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকালেন। তারপর গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘হঠাৎ ২০ বছর আগের কথা মনে পড়ল।

খেয়াল আছে তোমার, যেদিন আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল। আর তার পর থেকেই তো আমরা ডেট

করতে শুরু করেছিলাম।

তোমার বয়স ছিল ষোলো। তোমার কি মনে পড়ে সেসব?’

স্ত্রী তাঁর স্বামীর চোখের পানি মুছে দিতে দিতে জবাব

দিলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই মনে আছে।’

স্বামী একটু থেমে বললেন,

‘তোমার কি মনে আছে, পার্কে তোমার বাবা আমাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন?’

‘হ্যাঁ, আমার মনে আছে।’ একটা চেয়ার নিয়ে স্বামীর কাছে বসতে বসতে বললেন স্ত্রী।

স্বামী আবার বললেন, ‘মনে আছে, তোমার বাবা তখন রেগে গিয়ে আমার মুখে শটগান ধরে বলেছিলেন, ‘এক্ষুনি আমার মেয়েকে বিয়ে করো, নয়তো তোমাকে ২০ বছর জেল খাটাব আমি।’

স্ত্রী নরম সুরে বললেন, ‘আমার সবই মনে আছে।’

স্বামী আবার তাঁর গাল থেকে চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন,

‘আজকে আমি জেল

থেকে ছাড়া পেতাম।

০৮ বড় করে দিব

বিবাহিত এক ভদ্রমহিলা গেছেন ডাক্তারের কাছে – ডাক্তার সাহেব, আমার স্তন দুটি অনেক ছোট, কী করলে বড় হবে জানাবেন?

ডাক্তারটি আবার বেজায় লম্পট, ভাবল এই তো সুযোগ। খুশি হয়ে মহিলাকে বলল, এখন থেকে প্রতিদিন একবার করে আসবেন। আমি চুষে বড় করে দিব।

মহিলা খুশি হয়ে বলল, তাই?? তাহলে আমার স্বামীকেও নিয়ে আসব আপনার কাছে। তার penis টাও অনেক ছোট, আপনি চুষে বড় করে দিয়েন…

০৯ পরামর্শ

করিম সাহেব এবং জরিনা বেগম স্বামী-স্ত্রী। দুজনের মধ্যে কিছুতেই বনিবনা হচ্ছে না। দিনরাত ঝগড়া লেগেই থাকে। তাঁরা গেছেন একজনপরামর্শকের কাছে। সব শুনে পরামর্শক করিম সাহেবকে বললেন, ‘আপনাদের সমস্যাটা বুঝতে পেরেছি। শুনুন, আপনি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পাঁচ কিলোমিটার হাঁটবেন।’

এক সপ্তাহ পর করিম সাহেবকে ফোন করলেন পরামর্শক।

পরামর্শক: কী খবর করিম সাহেব, আছেন কেমন?

করিম সাহেব: আমি তো খুবইভালো আছি! আপনার পরামর্শ কাজে লেগেছে।

পরামর্শক: বাহ! আপনার স্ত্রী কেমন আছেন?

করিম সাহেব: কী করে বলব? আমি তো বাড়ি থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে আছি!

১০ চোর-পুলিশ

এক ভদ্রলোক সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। যাকে বিয়ে করেছেন তার বয়স নিতান্তই কাঁচা। বিবাহ পরবর্তি বিষয়গুলোর ব্যপারে স্পষ্ট ধারনা নেই সেই মেয়ের। যাইহোক, ভদ্রলোক প্রথম কিছুদিন অনেক ভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলেন তার নুতন বৌ-এর লজ্জা ভাঙ্গাতে। অতঃপর শেষ চেষ্টা হিসেবে একটা খেলার আশ্রয় নিলেন।

তিনি তার নবপরিনীতাকে বললেন, এসো আমার চোর-পুলিশ খেলি। স্ত্রী খেলার নাম শুনে বেশ উৎসাহি হয়ে উঠলো। নিয়ম জানতে চাইলো।

ভদ্রলোক তখন জানালেন এই খেলায় আমার একটা চোর আছে যাকে তোমার জেলে নিয়ে বন্দি করতে হবে।বিষয়টা ভদ্রলোকের স্ত্রীর কাছে খুব মজার মনে হলো। তারা পরবর্তি বেশ কিছু সময় চোর-পুলিশ খেলার মধ্যদিয়ে চোরটাকে জেলে নিয়ে বন্দি করতে সক্ষম হলো। ভদ্রলোক খুশি হলেন।ভদ্রলোক পাশ ফিরে শুয়ে আছেন। পাঁচ মিনিটও যায়নি, তার স্ত্রী চিৎকার করে উঠলো, “এই দেখো দেখো চোরটা জেল থেকে বের হয়ে গিয়েছে!”

কি আর করা! অতঃপর আবার তারা চোর ধরতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো এবং কিছুক্ষনের মধ্যে চোর ধরাও পড়লো। ভদ্রলোক স্ত্রীকে বললেন, “এবার খুশি?” স্ত্রী লাজুক হেসে জবাব দিলো, “হ্যা”।ভদ্রলোক ক্লান্তিতে দুচোখ বন্ধ করে শুয়ে আছেন। এমন সময় শুনতে পেলেন স্ত্রী বলছে, “এই, দেখো না! চোরটা আবার জেল থেকে বের হয়ে গিয়েছে!”

ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে আবারও চোর-পুলিশ খেলায় অংশ নিলেন এবং খেলা শেষে যথারীতি স্ত্রীকে বললেন, “খুশি?” স্ত্রী এবারও লাজুক হেসে জবাব দিলো, “হ্যা”।

ক্লান্ত-অবসন্ন ভদ্রলোক দ্রুত তন্দ্রায় চলে গেলেন। সেখান থেকে তিনি শুনতে পেলেন স্ত্রীর গলা, “এই, দেখো না! চোরটা আবারও জেল থেকে বের হয়ে গিয়েছে!”

এবার রাগে চিৎকার করতে করতে ভদ্রলোক বললেন, “তুমি এটা কেন বুঝতে পারছো না যে চুরির অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয় না?”।

বাংলা জোকস ও কৌতুক গুলো বই থেকে সংগ্রহিত।

আরও কিছু জোকস ও কৌতুকের তালিকা…

০১ দুই বান্ধবীর হাসির জোকস

০২ শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীর হাঁসির কৌতুক

০৩ চরম হাসির জোকস ও কৌতুক। শুধুমাত্র বড়দের জন্য ১৮+

জোকস গুলো পড়ে আপনার কাছে ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুণ।

এই জোকস গুলোর সম্পর্কে আপনার রেটিং দিন

0%

বাংলা জোকস গুলো পড়ে আপনার কাছে কেমন লেগেছে তা লেখককে জানাতে আপনি একটি রেটিং দিন।

বাংলা কৌতুক থেকে আরও দেখুন
User Rating: 3.78 ( 2 votes)

About নুসরাত জাহান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE