Breaking News
Home / ইসলাম / আল কুরআন (আরবী থেকে বাংলা) / ২৬ সূরা আশ-শো’আরা

২৬ সূরা আশ-শো’আরা

সূরা আশ-শো’আরা

( মক্কায় অবতীর্ণ ),

আয়াত সংখাঃ ২২৭

আরবী থেকে বাংলা অনুবাদ

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

طسم

ত্বা, সীন, মীম।

01

تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ

এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

02

لَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ أَلَّا يَكُونُوا مُؤْمِنِينَ

তারা বিশ্বাস করে না বলে আপনি হয়তো মর্মব্যথায় আত্নঘাতী হবেন।

03

إِن نَّشَأْ نُنَزِّلْ عَلَيْهِم مِّن السَّمَاء آيَةً فَظَلَّتْ أَعْنَاقُهُمْ لَهَا خَاضِعِينَ

আমি যদি ইচ্ছা করি, তবে আকাশ থেকে তাদের কাছে কোন নিদর্শন নাযিল করতে পারি। অতঃপর তারা এর সামনে নত হয়ে যাবে।

04

وَمَا يَأْتِيهِم مِّن ذِكْرٍ مِّنَ الرَّحْمَنِ مُحْدَثٍ إِلَّا كَانُوا عَنْهُ مُعْرِضِينَ

যখনই তাদের কাছে রহমান এর কোন নতুন উপদেশ আসে, তখনই তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

05

فَقَدْ كَذَّبُوا فَسَيَأْتِيهِمْ أَنبَاء مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُون

অতএব তারা তো মিথ্যারোপ করেছেই; সুতরাং যে বিষয় নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তার যথার্থ স্বরূপ শীঘ্রই তাদের কাছে পৌছবে।

06

أَوَلَمْ يَرَوْا إِلَى الْأَرْضِ كَمْ أَنبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ زَوْجٍ كَرِيمٍ

তারা কি ভুপৃষ্ঠের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না? আমি তাতে সর্বপ্রকার বিশেষ-বস্তু কত উদগত করেছি।

07

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ

নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।

08

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

আপনার পালনকর্তা তো পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।

09

وَإِذْ نَادَى رَبُّكَ مُوسَى أَنِ ائْتِ الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ

যখন আপনার পালনকর্তা মূসাকে ডেকে বললেনঃ তুমি পাপিষ্ঠ সম্প্রদায়ের নিকট যাও;

10

قَوْمَ فِرْعَوْنَ أَلَا يَتَّقُونَ

ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট; তারা কি ভয় করে না?

11

قَالَ رَبِّ إِنِّي أَخَافُ أَن يُكَذِّبُونِ

সে বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমার আশংকা হচ্ছে যে, তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলে দেবে।

12

وَيَضِيقُ صَدْرِي وَلَا يَنطَلِقُ لِسَانِي فَأَرْسِلْ إِلَى هَارُونَ

এবং আমার মন হতবল হয়ে পড়ে এবং আমার জিহবা অচল হয়ে যায়। সুতরাং হারুনের কাছে বার্তা প্রেরণ করুন।

13

وَلَهُمْ عَلَيَّ ذَنبٌ فَأَخَافُ أَن يَقْتُلُونِ

আমার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ আছে। অতএব আমি আশংকা করি যে, তারা আমাকে হত্যা করবে।

14

قَالَ كَلَّا فَاذْهَبَا بِآيَاتِنَا إِنَّا مَعَكُم مُّسْتَمِعُونَ

আল্লাহ বলেন, কখনই নয় তোমরা উভয়ে যাও আমার নিদর্শনাবলী নিয়ে। আমি তোমাদের সাথে থেকে শোনব।

15

فَأْتِيَا فِرْعَوْنَ فَقُولَا إِنَّا رَسُولُ رَبِّ الْعَالَمِينَ

অতএব তোমরা ফেরআউনের কাছে যাও এবং বল, আমরা বিশ্বজগতের পালনকর্তার রসূল।

16

أَنْ أَرْسِلْ مَعَنَا بَنِي إِسْرَائِيلَ

যাতে তুমি বনী-ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যেতে দাও।

17

قَالَ أَلَمْ نُرَبِّكَ فِينَا وَلِيدًا وَلَبِثْتَ فِينَا مِنْ عُمُرِكَ سِنِينَ

ফেরাউন বলল, আমরা কি তোমাকে শিশু অবস্থায় আমাদের মধ্যে লালন-পালন করিনি? এবং তুমি আমাদের মধ্যে জীবনের বহু বছর কাটিয়েছ।

18

وَفَعَلْتَ فَعْلَتَكَ الَّتِي فَعَلْتَ وَأَنتَ مِنَ الْكَافِرِينَ

তুমি সেই-তোমরা অপরাধ যা করবার করেছ। তুমি হলে কৃতঘ্ন।

19

قَالَ فَعَلْتُهَا إِذًا وَأَنَا مِنَ الضَّالِّينَ

মূসা বলল, আমি সে অপরাধ তখন করেছি, যখন আমি ভ্রান্ত ছিলাম।

20

فَفَرَرْتُ مِنكُمْ لَمَّا خِفْتُكُمْ فَوَهَبَ لِي رَبِّي حُكْمًا وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُرْسَلِينَ

অতঃপর আমি ভীত হয়ে তোমাদের কাছ থেকে পলায়ন করলাম। এরপর আমার পালনকর্তা আমাকে প্রজ্ঞা দান করেছেন এবং আমাকে পয়গম্বর করেছেন।

21

وَتِلْكَ نِعْمَةٌ تَمُنُّهَا عَلَيَّ أَنْ عَبَّدتَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ

আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা বলছ, তা এই যে, তুমি বনী-ইসলাঈলকে গোলাম বানিয়ে রেখেছ।

22

قَالَ فِرْعَوْنُ وَمَا رَبُّ الْعَالَمِينَ

ফেরাউন বলল, বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কি?

23

قَالَ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا إن كُنتُم مُّوقِنِينَ

মূসা বলল, তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।

24

قَالَ لِمَنْ حَوْلَهُ أَلَا تَسْتَمِعُونَ

ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, তোমরা কি শুনছ না?

25

قَالَ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ

মূসা বলল, তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরও পালনকর্তা।

26

قَالَ إِنَّ رَسُولَكُمُ الَّذِي أُرْسِلَ إِلَيْكُمْ لَمَجْنُونٌ

ফেরাউন বলল, তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রসূলটি নিশ্চয়ই বদ্ধ পাগল।

27

قَالَ رَبُّ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَمَا بَيْنَهُمَا إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ

মূসা বলল, তিনি পূর্ব, পশ্চিম ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, যদি তোমরা বোঝ।

28

قَالَ لَئِنِ اتَّخَذْتَ إِلَهًا غَيْرِي لَأَجْعَلَنَّكَ مِنَ الْمَسْجُونِينَ

ফেরাউন বলল, তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ কর তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করব।

29

قَالَ أَوَلَوْ جِئْتُكَ بِشَيْءٍ مُّبِينٍ

মূসা বলল, আমি তোমার কাছে কোন স্পষ্ট বিষয় নিয়ে আগমন করলেও কি?

30

قَالَ فَأْتِ بِهِ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ

ফেরাউন বলল, তুমি সত্যবাদী হলে তা উপস্থিত কর।

31

فَأَلْقَى عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُّبِينٌ

অতঃপর তিনি লাঠি নিক্ষেপ করলে মুহূর্তের মধ্যে তা সুস্পষ্ট অজগর হয়ে গেল।

32

وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا هِيَ بَيْضَاء لِلنَّاظِرِينَ

আর তিনি তার হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে সুশুভ্র প্রতিভাত হলো।

33

قَالَ لِلْمَلَإِ حَوْلَهُ إِنَّ هَذَا لَسَاحِرٌ عَلِيمٌ

ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, নিশ্চয় এ একজন সুদক্ষ জাদুকর।

34

يُرِيدُ أَن يُخْرِجَكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِ فَمَاذَا تَأْمُرُونَ

সে তার জাদু বলে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায়। অতএব তোমাদের মত কি?

35

قَالُوا أَرْجِهِ وَأَخَاهُ وَابْعَثْ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ

তারা বলল, তাকে ও তার ভাইকে কিছু অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে ঘোষক প্রেরণ করুন।

36

يَأْتُوكَ بِكُلِّ سَحَّارٍ عَلِيمٍ

তারা যেন আপনার কাছে প্রত্যেকটি দক্ষ জাদুকর কে উপস্থিত করে।

37

فَجُمِعَ السَّحَرَةُ لِمِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ

অতঃপর এক নির্দিষ্ট দিনে জাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল।

38

وَقِيلَ لِلنَّاسِ هَلْ أَنتُم مُّجْتَمِعُونَ

এবং জনগণের মধ্যে ঘোষণা করা হল, তোমরাও সমবেত হও।

39

لَعَلَّنَا نَتَّبِعُ السَّحَرَةَ إِن كَانُوا هُمُ الْغَالِبِينَ

যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি-যদি তারাই বিজয়ী হয়।

40

فَلَمَّا جَاء السَّحَرَةُ قَالُوا لِفِرْعَوْنَ أَئِنَّ لَنَا لَأَجْرًا إِن كُنَّا نَحْنُ الْغَالِبِينَ

যখন যাদুকররা আগমণ করল, তখন ফেরআউনকে বলল, যদি আমরা বিজয়ী হই, তবে আমরা পুরস্কার পাব তো?

41

قَالَ نَعَمْ وَإِنَّكُمْ إِذًا لَّمِنَ الْمُقَرَّبِينَ

ফেরাউন বলল, হঁ্যা এবং তখন তোমরা আমার নৈকট্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

42

قَالَ لَهُم مُّوسَى أَلْقُوا مَا أَنتُم مُّلْقُونَ

মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেন, নিক্ষেপ কর তোমরা যা নিক্ষেপ করবে।

43

فَأَلْقَوْا حِبَالَهُمْ وَعِصِيَّهُمْ وَقَالُوا بِعِزَّةِ فِرْعَوْنَ إِنَّا لَنَحْنُ الْغَالِبُونَ

অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ফেরাউনের ইযযতের কসম, আমরাই বিজয়ী হব।

44

فَأَلْقَى مُوسَى عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ

অতঃপর মূসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করল, হঠাৎ তা তাদের অলীক কীর্তিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।

45

فَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ

তখন জাদুকররা সেজদায় নত হয়ে গেল।

46

قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ

তারা বলল, আমরা রাব্বুল আলামীনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

47

رَبِّ مُوسَى وَهَارُونَ

যিনি মূসা ও হারুনের রব।

48

قَالَ آمَنتُمْ لَهُ قَبْلَ أَنْ آذَنَ لَكُمْ إِنَّهُ لَكَبِيرُكُمُ الَّذِي عَلَّمَكُمُ السِّحْرَ فَلَسَوْفَ تَعْلَمُونَ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَافٍ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ

ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে? নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে। শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব। এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।

49

قَالُوا لَا ضَيْرَ إِنَّا إِلَى رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ

তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।

50

إِنَّا نَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَايَانَا أَن كُنَّا أَوَّلَ الْمُؤْمِنِينَ

আমরা আশা করি, আমাদের পালনকর্তা আমাদের ক্রটি-বিচ্যুতি মার্জনা করবেন। কারণ, আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অগ্রণী।

51

وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِي إِنَّكُم مُّتَّبَعُونَ

আমি মূসাকে আদেশ করলাম যে, আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিযোগে বের হয়ে যাও, নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে।

52

فَأَرْسَلَ فِرْعَوْنُ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ

অতঃপর ফেরাউন শহরে শহরে সংগ্রাহকদেরকে প্রেরণ করল,

53

إِنَّ هَؤُلَاء لَشِرْذِمَةٌ قَلِيلُونَ

নিশ্চয় এরা (বনী-ইসরাঈলরা) ক্ষুদ্র একটি দল।

54

وَإِنَّهُمْ لَنَا لَغَائِظُونَ

এবং তারা আমাদের ক্রোধের উদ্রেক করেছে।

55

وَإِنَّا لَجَمِيعٌ حَاذِرُونَ

এবং আমরা সবাই সদা শংকিত।

56

فَأَخْرَجْنَاهُم مِّن جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ

অতঃপর আমি ফেরআউনের দলকে তাদের বাগ-বাগিচা ও ঝর্ণাসমূহ থেকে বহিষ্কার করলাম।

57

وَكُنُوزٍ وَمَقَامٍ كَرِيمٍ

এবং ধন-ভান্ডার ও মনোরম স্থানসমূহ থেকে।

58

كَذَلِكَ وَأَوْرَثْنَاهَا بَنِي إِسْرَائِيلَ

এরূপই হয়েছিল এবং বনী-ইসলাঈলকে করে দিলাম এসবের মালিক।

59

فَأَتْبَعُوهُم مُّشْرِقِينَ

অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তারা তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল।

60

فَلَمَّا تَرَاءى الْجَمْعَانِ قَالَ أَصْحَابُ مُوسَى إِنَّا لَمُدْرَكُونَ

যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল, তখন মূসার সঙ্গীরা বলল, আমরা যে ধরা পড়ে গেলাম।

61

قَالَ كَلَّا إِنَّ مَعِيَ رَبِّي سَيَهْدِينِ

মূসা বলল, কখনই নয়, আমার সাথে আছেন আমার পালনকর্তা। তিনি আমাকে পথ বলে দেবেন।

62

فَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْبَحْرَ فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ

অতঃপর আমি মূসাকে আদেশ করলাম, তোমার লাঠি দ্বারা সমূদ্রকে আঘাত কর। ফলে, তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল।

63

وَأَزْلَفْنَا ثَمَّ الْآخَرِينَ

আমি সেথায় অপর দলকে পৌঁছিয়ে দিলাম।

64

وَأَنجَيْنَا مُوسَى وَمَن مَّعَهُ أَجْمَعِينَ

এবং মূসা ও তাঁর সংগীদের সবাইকে বাঁচিয়ে দিলাম।

65

ثُمَّ أَغْرَقْنَا الْآخَرِينَ

অতঃপর অপর দলটিকে নিমজ্জত কললাম।

66

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ

নিশ্চয় এতে একটি নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী ছিল না।

67

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

আপনার পালনকর্তা অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

68

وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ إِبْرَاهِيمَ

আর তাদেরকে ইব্রাহীমের বৃত্তান্ত শুনিয়ে দিন।

69

إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا تَعْبُدُونَ

যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর?

70

قَالُوا نَعْبُدُ أَصْنَامًا فَنَظَلُّ لَهَا عَاكِفِينَ

তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি।

71

قَالَ هَلْ يَسْمَعُونَكُمْ إِذْ تَدْعُونَ

ইব্রাহীম (আঃ) বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি?

72

أَوْ يَنفَعُونَكُمْ أَوْ يَضُرُّونَ

অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?

73

قَالُوا بَلْ وَجَدْنَا آبَاءنَا كَذَلِكَ يَفْعَلُونَ

তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারা এরূপই করত।

74

قَالَ أَفَرَأَيْتُم مَّا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ

ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূজা করে আসছ।

75

أَنتُمْ وَآبَاؤُكُمُ الْأَقْدَمُونَ

তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?

76

فَإِنَّهُمْ عَدُوٌّ لِّي إِلَّا رَبَّ الْعَالَمِينَ

বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত তারা সবাই আমার শত্রু।

77

الَّذِي خَلَقَنِي فَهُوَ يَهْدِينِ

যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,

78

وَالَّذِي هُوَ يُطْعِمُنِي وَيَسْقِينِ

যিনি আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন,

79

وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ

যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।

80

وَالَّذِي يُمِيتُنِي ثُمَّ يُحْيِينِ

যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর পুনর্জীবন দান করবেন।

81

وَالَّذِي أَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لِي خَطِيئَتِي يَوْمَ الدِّينِ

আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন।

82

رَبِّ هَبْ لِي حُكْمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর

83

وَاجْعَل لِّي لِسَانَ صِدْقٍ فِي الْآخِرِينَ

এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।

84

وَاجْعَلْنِي مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ النَّعِيمِ

এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।

85

وَاغْفِرْ لِأَبِي إِنَّهُ كَانَ مِنَ الضَّالِّينَ

এবং আমার পিতাকে ক্ষমা কর। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম।

86

وَلَا تُخْزِنِي يَوْمَ يُبْعَثُونَ

এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,

87

يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ

যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;

88

إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ

কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।

89

وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ

জান্নাত আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।

90

وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِلْغَاوِينَ

এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।

91

وَقِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ

তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।

92

مِن دُونِ اللَّهِ هَلْ يَنصُرُونَكُمْ أَوْ يَنتَصِرُونَ

আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?

93

فَكُبْكِبُوا فِيهَا هُمْ وَالْغَاوُونَ

অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে আধোমুখি করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে।

94

وَجُنُودُ إِبْلِيسَ أَجْمَعُونَ

এবং ইবলীস বাহিনীর সকলকে।

95

قَالُوا وَهُمْ فِيهَا يَخْتَصِمُونَ

তারা তথায় কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়ে বলবেঃ

96

تَاللَّهِ إِن كُنَّا لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ

আল্লাহর কসম, আমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে লিপ্ত ছিলাম।

97

إِذْ نُسَوِّيكُم بِرَبِّ الْعَالَمِينَ

যখন আমরা তোমাদেরকে বিশ্ব-পালনকর্তার সমতুল্য গন্য করতাম।

98

وَمَا أَضَلَّنَا إِلَّا الْمُجْرِمُونَ

আমাদেরকে দুষ্টকর্মীরাই গোমরাহ করেছিল।

99

فَمَا لَنَا مِن شَافِعِينَ

অতএব আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই।

100

وَلَا صَدِيقٍ حَمِيمٍ

এবং কোন সহৃদয় বন্ধু ও নেই।

101

فَلَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةً فَنَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ

হায়, যদি কোনরুপে আমরা পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ পেতাম, তবে আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।

102

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ

নিশ্চয়, এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।

103

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

104

كَذَّبَتْ قَوْمُ نُوحٍ الْمُرْسَلِينَ

নূহের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যারোপ করেছে।

105

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ نُوحٌ أَلَا تَتَّقُونَ

যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বললেন, তোমাদের কি ভয় নেই?

106

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ

আমি তোমাদের জন্য বিশ্বস্ত বার্তাবাহক।

107

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

108

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।

109

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

110

قَالُوا أَنُؤْمِنُ لَكَ وَاتَّبَعَكَ الْأَرْذَلُونَ

তারা বলল, আমরা কি তোমাকে মেনে নেব যখন তোমার অনুসরণ করছে ইতরজনেরা?

111

قَالَ وَمَا عِلْمِي بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

নূহ বললেন, তারা কি কাজ করছে, তা জানা আমার কি দরকার?

112

إِنْ حِسَابُهُمْ إِلَّا عَلَى رَبِّي لَوْ تَشْعُرُونَ

তাদের হিসাব নেয়া আমার পালনকর্তারই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে!

113

وَمَا أَنَا بِطَارِدِ الْمُؤْمِنِينَ

আমি মুমিনগণকে তাড়িয়ে দেয়ার লোক নই।

114

إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُّبِينٌ

আমি তো শুধু একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

115

قَالُوا لَئِن لَّمْ تَنتَهِ يَا نُوحُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمَرْجُومِينَ

তারা বলল, হে নূহ যদি তুমি বিরত না হও, তবে তুমি নিশ্চিতই প্রস্তরাঘাতে নিহত হবে।

116

قَالَ رَبِّ إِنَّ قَوْمِي كَذَّبُونِ

নূহ বললেন, হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় তো আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।

117

فَافْتَحْ بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ فَتْحًا وَنَجِّنِي وَمَن مَّعِي مِنَ الْمُؤْمِنِينَ

অতএব, আমার ও তাদের মধ্যে কোন ফয়সালা করে দিন এবং আমাকে ও আমার সংগী মুমিনগণকে রক্ষা করুন।

118

فَأَنجَيْنَاهُ وَمَن مَّعَهُ فِي الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ

অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর সঙ্গিগণকে বোঝাই করা নৌকায় রক্ষা করলাম।

119

ثُمَّ أَغْرَقْنَا بَعْدُ الْبَاقِينَ

এরপর অবশিষ্ট সবাইকে নিমজ্জত করলাম।

120

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ

নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।

121

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

122

كَذَّبَتْ عَادٌ الْمُرْسَلِينَ

আদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

123

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ هُودٌ أَلَا تَتَّقُونَ

তখন তাদের ভাই হুদ তাদেরকে বললেনঃ তোমাদের কি ভয় নেই?

124

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত রসূল।

125

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

126

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ

আমি তোমাদের কাছে এর জন্যে প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো পালনকর্তা দেবেন।

127

أَتَبْنُونَ بِكُلِّ رِيعٍ آيَةً تَعْبَثُونَ

তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে অযথা নিদর্শন নির্মান করছ?

128

وَتَتَّخِذُونَ مَصَانِعَ لَعَلَّكُمْ تَخْلُدُونَ

এবং বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ, যেন তোমরা চিরকাল থাকবে?

129

وَإِذَا بَطَشْتُم بَطَشْتُمْ جَبَّارِينَ

যখন তোমরা আঘাত হান, তখন জালেম ও নিষ্ঠুরের মত আঘাত হান।

130

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ

অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।

131

وَاتَّقُوا الَّذِي أَمَدَّكُم بِمَا تَعْلَمُونَ

ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে সেসব বস্তু দিয়েছেন, যা তোমরা জান।

132

أَمَدَّكُم بِأَنْعَامٍ وَبَنِينَ

তোমাদেরকে দিয়েছেন চতুষ্পদ জন্তু ও পুত্র-সন্তান,

133

وَجَنَّاتٍ وَعُيُونٍ

এবং উদ্যান ও ঝরণা।

134

إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ

আমি তোমাদের জন্যে মহাদিবসের শাস্তি আশংকা করি।

135

قَالُوا سَوَاء عَلَيْنَا أَوَعَظْتَ أَمْ لَمْ تَكُن مِّنَ الْوَاعِظِينَ

তারা বলল, তুমি উপদেশ দাও অথবা উপদেশ নাই দাও, উভয়ই আমাদের জন্যে সমান।

136

إِنْ هَذَا إِلَّا خُلُقُ الْأَوَّلِينَ

এসব কথাবার্তা পূর্ববর্তী লোকদের অভ্যাস বৈ নয়।

137

وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ

আমরা শাস্তিপ্রাপ্ত হব না।

138

فَكَذَّبُوهُ فَأَهْلَكْنَاهُمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ

অতএব, তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলতে লাগল এবং আমি তাদেরকে নিপাত করে দিলাম। এতে অবশ্যই নিদর্শন আছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।

139

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

এবং আপনার পালনকর্তা, তিনি তো প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

140

كَذَّبَتْ ثَمُودُ الْمُرْسَلِينَ

সামুদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

142

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

143

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ

অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

144

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ

আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।

145

أَتُتْرَكُونَ فِي مَا هَاهُنَا آمِنِينَ

তোমাদেরকে কি এ জগতের ভোগ-বিলাসের মধ্যে নিরাপদে রেখে দেয়া হবে?

146

فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ

উদ্যানসমূহের মধ্যে এবং ঝরণাসমূহের মধ্যে ?

147

وَزُرُوعٍ وَنَخْلٍ طَلْعُهَا هَضِيمٌ

শস্যক্ষেত্রের মধ্যে এবং মঞ্জুরিত খেজুর বাগানের মধ্যে ?

148

وَتَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا فَارِهِينَ

তোমরা পাহাড় কেটে জাঁক জমকের গৃহ নির্মাণ করছ।

149

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ

সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।

150

وَلَا تُطِيعُوا أَمْرَ الْمُسْرِفِينَ

এবং সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য কর না;

151

الَّذِينَ يُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ وَلَا يُصْلِحُونَ

যারা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না;

152

قَالُوا إِنَّمَا أَنتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ

তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্থুরেদ একজন।

153

مَا أَنتَ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا فَأْتِ بِآيَةٍ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ

তুমি তো আমাদের মতই একজন মানুষ বৈ নও। সুতরাং যদি তুমি সত্যবাদী হও, তবে কোন নিদর্শন উপস্থিত কর।

154

قَالَ هَذِهِ نَاقَةٌ لَّهَا شِرْبٌ وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ

সালেহ বললেন এই উষ্ট্রী, এর জন্যে আছে পানি পানের পালা এবং তোমাদের জন্যে আছে পানি পানের পালা নির্দিষ্ট এক-এক দিনের।

155

وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَظِيمٍ

তোমরা একে কোন কষ্ট দিও না। তাহলে তোমাদেরকে মহাদিবসের আযাব পাকড়াও করবে।

156

فَعَقَرُوهَا فَأَصْبَحُوا نَادِمِينَ

তারা তাকে বধ করল ফলে, তারা অনুতপ্ত হয়ে গেল।

157

فَأَخَذَهُمُ الْعَذَابُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ

এরপর আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল। নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।

158

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

159

كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ الْمُرْسَلِينَ

লূতের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

160

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ لُوطٌ أَلَا تَتَّقُونَ

যখন তাদের ভাই লূত তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না ?

161

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

162

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

163

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ

আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তা দেবেন।

164

أَتَأْتُونَ الذُّكْرَانَ مِنَ الْعَالَمِينَ

সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর্ম কর?

165

وَتَذَرُونَ مَا خَلَقَ لَكُمْ رَبُّكُمْ مِنْ أَزْوَاجِكُم بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌ عَادُونَ

এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে যে স্ত্রীগনকে সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।

166

قَالُوا لَئِن لَّمْ تَنتَهِ يَا لُوطُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمُخْرَجِينَ

তারা বলল, হে লূত, তুমি যদি বিরত না হও, তবে অবশ্যই তোমাকে বহিস্কৃত করা হবে।

167

قَالَ إِنِّي لِعَمَلِكُم مِّنَ الْقَالِينَ

লূত বললেন, আমি তোমাদের এই কাজকে ঘৃণা করি।

168

رَبِّ نَجِّنِي وَأَهْلِي مِمَّا يَعْمَلُونَ

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এবং আমার পরিবারবর্গকে তারা যা করে, তা থেকে রক্ষা কর।

169

فَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ أَجْمَعِينَ

অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে রক্ষা করলাম।

170

إِلَّا عَجُوزًا فِي الْغَابِرِينَ

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, সে ছিল ধ্বংস প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।

171

ثُمَّ دَمَّرْنَا الْآخَرِينَ

এরপর অন্যদেরকে নিপাত করলাম।

172

وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِم مَّطَرًا فَسَاء مَطَرُ الْمُنذَرِينَ

তাদের উপর এক বিশেষ বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। ভীতি-প্রদর্শিত দের জন্যে এই বৃষ্টি ছিল কত নিকৃষ্ট।

173

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ

নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।

174

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

175

كَذَّبَ أَصْحَابُ الْأَيْكَةِ الْمُرْسَلِينَ

বনের অধিবাসীরা পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

176

إِذْ قَالَ لَهُمْ شُعَيْبٌ أَلَا تَتَّقُونَ

যখন শো’আয়ব তাদের কে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?

177

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

178

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

179

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।

180

أَوْفُوا الْكَيْلَ وَلَا تَكُونُوا مِنَ الْمُخْسِرِينَ

মাপ পূর্ণ কর এবং যারা পরিমাপে কম দেয়, তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

181

وَزِنُوا بِالْقِسْطَاسِ الْمُسْتَقِيمِ

সোজা দাঁড়ি-পাল্লায় ওজন কর।

182

وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءهُمْ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ

মানুষকে তাদের বস্তু কম দিও না এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে ফিরো না।

183

وَاتَّقُوا الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالْجِبِلَّةَ الْأَوَّلِينَ

ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তী লোক-সম্প্রদায়কে সৃষ্টি করেছেন।

184

قَالُوا إِنَّمَا أَنتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ

তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্যতম।

185

وَمَا أَنتَ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا وَإِن نَّظُنُّكَ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ

তুমি আমাদের মত মানুষ বৈ তো নও। আমাদের ধারণা-তুমি মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত।

186

فَأَسْقِطْ عَلَيْنَا كِسَفًا مِّنَ السَّمَاء إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ

অতএব, যদি সত্যবাদী হও, তবে আকাশের কোন টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও।

187

قَالَ رَبِّي أَعْلَمُ بِمَا تَعْمَلُونَ

শো’আয়ব বললেন, তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আমার পালনকর্তা ভালরূপে অবহিত।

188

فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَهُمْ عَذَابُ يَوْمِ الظُّلَّةِ إِنَّهُ كَانَ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ

অতঃপর তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলে দিল। ফলে তাদেরকে মেঘাচ্ছন্ন দিবসের আযাব পাকড়াও করল। নিশ্চয় সেটা ছিল এক মহাদিবসের আযাব।

189

إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ

নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।

190

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

191

وَإِنَّهُ لَتَنزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ

এই কোরআন তো বিশ্ব-জাহানের পালনকর্তার নিকট থেকে অবতীর্ণ।

192

نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ

বিশ্বস্ত ফেরেশতা একে নিয়ে অবতরণ করেছে।

193

عَلَى قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنذِرِينَ

আপনার অন্তরে, যাতে আপনি ভীতি প্রদর্শণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হন,

194

بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُّبِينٍ

সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

195

وَإِنَّهُ لَفِي زُبُرِ الْأَوَّلِينَ

নিশ্চয় এর উল্লেখ আছে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে।

196

أَوَلَمْ يَكُن لَّهُمْ آيَةً أَن يَعْلَمَهُ عُلَمَاء بَنِي إِسْرَائِيلَ

তাদের জন্যে এটা কি নিদর্শন নয় যে, বনী-ইসরাঈলের আলেমগণ এটা অবগত আছে?

197

وَلَوْ نَزَّلْنَاهُ عَلَى بَعْضِ الْأَعْجَمِينَ

যদি আমি একে কোন ভিন্নভাষীর প্রতি অবতীর্ণ করতাম,

198

فَقَرَأَهُ عَلَيْهِم مَّا كَانُوا بِهِ مُؤْمِنِينَ

অতঃপর তিনি তা তাদের কাছে পাঠ করতেন, তবে তারা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করত না।

199

كَذَلِكَ سَلَكْنَاهُ فِي قُلُوبِ الْمُجْرِمِينَ

এমনিভাবে আমি গোনাহগারদের অন্তরে অবিশ্বাস সঞ্চার করেছি।

200

لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ حَتَّى يَرَوُا الْعَذَابَ الْأَلِيمَ

তারা এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে না, যে পর্যন্ত প্রত্যক্ষ না করে মর্মন্তুদ আযাব।

201

فَيَأْتِيَهُم بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ

অতঃপর তা আকস্মিকভাবে তাদের কাছে এসে পড়বে, তারা তা বুঝতে ও পারবে না।

202

فَيَقُولُوا هَلْ نَحْنُ مُنظَرُونَ

তখন তারা বলবে, আমরা কি অবকাশ পাব না?

203

أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ

তারা কি আমার শাস্তি দ্রুত কামনা করে?

204

أَفَرَأَيْتَ إِن مَّتَّعْنَاهُمْ سِنِينَ

আপনি ভেবে দেখুন তো, যদি আমি তাদেরকে বছরের পর বছর ভোগ-বিলাস করতে দেই,

205

ثُمَّ جَاءهُم مَّا كَانُوا يُوعَدُونَ

অতঃপর যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হত, তা তাদের কাছে এসে পড়ে।

206

مَا أَغْنَى عَنْهُم مَّا كَانُوا يُمَتَّعُونَ

তখন তাদের ভোগ বিলাস তা তাদের কি কোন উপকারে আসবে?

207

وَمَا أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا لَهَا مُنذِرُونَ

আমি কোন জনপদ ধ্বংস করিনি; কিন্তু এমতাবস্থায় যে, তারা সতর্ককারী ছিল।

208

ذِكْرَى وَمَا كُنَّا ظَالِمِينَ

স্মরণ করানোর জন্যে, এবং আমার কাজ অন্যায়াচরণ নয়।

209

وَمَا تَنَزَّلَتْ بِهِ الشَّيَاطِينُ

এই কোরআন শয়তানরা অবতীর্ণ করেনি।

210

وَمَا يَنبَغِي لَهُمْ وَمَا يَسْتَطِيعُونَ

তারা এ কাজের উপযুক্ত নয় এবং তারা এর সামর্থøও রাখে না।

211

إِنَّهُمْ عَنِ السَّمْعِ لَمَعْزُولُونَ

তাদেরকে তো শ্রবণের জায়গা থেকে দূরে রাখা রয়েছে।

212

فَلَا تَدْعُ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَتَكُونَ مِنَ الْمُعَذَّبِينَ

অতএব, আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যকে আহবান করবেন না। করলে শাস্তিতে পতিত হবেন।

213

وَأَنذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ

আপনি নিকটতম আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দিন।

214

وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ

এবং আপনার অনুসারী মুমিনদের প্রতি সদয় হোন।

215

فَإِنْ عَصَوْكَ فَقُلْ إِنِّي بَرِيءٌ مِّمَّا تَعْمَلُونَ

যদি তারা আপনার অবাধ্য করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, তা থেকে আমি মুক্ত।

216

وَتَوَكَّلْ عَلَى الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ

আপনি ভরসা করুন পরাক্রমশালী, পরম দয়ালুর উপর,

217

الَّذِي يَرَاكَ حِينَ تَقُومُ

যিনি আপনাকে দেখেন যখন আপনি নামাযে দন্ডায়মান হন,

218

وَتَقَلُّبَكَ فِي السَّاجِدِينَ

এবং নামাযীদের সাথে উঠাবসা করেন।

219

إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

220

هَلْ أُنَبِّئُكُمْ عَلَى مَن تَنَزَّلُ الشَّيَاطِينُ

আমি আপনাকে বলব কি কার নিকট শয়তানরা অবতরণ করে?

221

تَنَزَّلُ عَلَى كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍ

তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক মিথ্যাবাদী, গোনাহগারের উপর।

222

يُلْقُونَ السَّمْعَ وَأَكْثَرُهُمْ كَاذِبُونَ

তারা শ্রুত কথা এনে দেয় এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।

223

وَالشُّعَرَاء يَتَّبِعُهُمُ الْغَاوُونَ

বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে।

224

أَلَمْ تَرَ أَنَّهُمْ فِي كُلِّ وَادٍ يَهِيمُونَ

তুমি কি দেখ না যে, তারা প্রতি ময়দানেই উদভ্রান্ত হয়ে ফিরে?

225

وَأَنَّهُمْ يَقُولُونَ مَا لَا يَفْعَلُونَ

এবং এমন কথা বলে, যা তারা করে না।

226

إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَذَكَرُوا اللَّهَ كَثِيرًا وَانتَصَرُوا مِن بَعْدِ مَا ظُلِمُوا وَسَيَعْلَمُ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَيَّ مُنقَلَبٍ يَنقَلِبُونَ

তবে তাদের কথা ভিন্ন, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ কে খুব স্মরণ করে এবং নিপীড়িত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নিপীড়নকারীরা শীঘ্রই জানতে পারবে তাদের গন্তব্যস্থল কিরূপ।

227

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

৭ সূরা আল আ’রাফ

 সূরা আল আ’রাফ ( মক্কায় অবতীর্ণ ), আয়াত সংখাঃ ২০৬ আরবী থেকে বাংলা অনুবাদ بِسْمِ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE