Breaking News
Home / যৌন জীবন / যৌন টিপস এবং টিক্স / ছেলেদের উত্তেজিত করার নিয়ম-পর্ব ২

ছেলেদের উত্তেজিত করার নিয়ম-পর্ব ২

প্রিয় পাঠিকা, কিভাবে ছেলেদের উত্তেজিত করা যায়, সেসব নিয়ম ও কলা-কৌশল জানতে ছেলেদের উত্তেজিত করার উপায় দুই পর্বের লেখিত মেয়েদের যৌন জ্ঞান লাভ আর্টিকেলের এইটি শেষ পর্ব। ছেলেদের উত্তেজিত করার নিয়ম-টিপ্স ও কলাকৌশলের দ্বিতীয় পর্বে থেকে জেনে নিন ছেলেদের দেহের যৌনকাতর স্থানের নাম ও সেসব স্থান স্পর্শ-আদর করার নিয়ম।

উত্তেজিত

ছেলেদের উত্তেজিত করার নিয়ম ও টিপস-পর্ব ২

ছেলেদের উত্তেজিত করার উপায়-পর্ব ১

১১. লিঙ্গঃ ছেলেদের সবচাইতে যৌনত্তেজক স্থান। বেশিরভাগ মেয়েই ফোরপ্লে’র সময় হাত দিয়ে ছেলেটির লিঙ্গ ধরে খেলতে পছন্দ করে এবং তাতে ছেলেরাও যথেস্ট আনন্দ পায়। কিন্ত সেখানে মেয়েটির নরম ঠোটের স্পর্শ, মুখের ভিতরের উষ্ঞতা ছেলেটির সারা দেহ দিয়ে যে চরম সুখের অনুভুতি বইয়ে দেয় তা শুধু ছেলেরাই বলতে পারবে। এই ব্যাপারটিতেই বেশিরভাগ মেয়েরই একেবার ঘোর অনিহা। লেখার শেষাংশে এই বিষয়ে ও কি করে হাত দিয়ে ও মুখ দিয়ে কিভাবে ছেলেটির লিঙ্গে আদর করা যায় তা নিয়ে বলছি। তার আগে আলাদাভাবে লিঙ্গের বিভিন্ন অংশগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ক) লিঙ্গের মাথাঃ ছেলেদের সবচাইতে যৌনস্পর্শকাতর স্থান। এটাকে মেয়েদের ক্লাইটোরিসের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। এটির মধ্যে রয়েছে অসংখ্য স্নায়ুপ্রান্ত যার কারনে এটি অত্যন্ত সংবেদী। লিঙ্গের মূল অংশ থেকে এই মাথাটিকে আলাদা করেছে যে অংশটি সেখান থেকে এর সংবেদনশীলতা বাড়তে বাড়তে একেবারে ছিদ্রটির আশে পাশে গিয়ে সর্বোচ্চ। মেয়েদের ক্লাইটোরিসের মতই এটিকে নিয়ে খেলা করতে যাওয়ার সময় মেয়েদের একটু সতর্ক হতে হবে। এই স্থানে অতিরিক্ত চাপ বা আচমকা আক্রমনে এমনকি ছেলেটির শক্ত হয়ে যাওয়া লিঙ্গও সাময়িকভাবে নেতিয়ে পড়া শুরু হতে পারে।

খ) ফ্রেনুলাম (Frenulam): লিঙ্গের পেছনের দিকে, যেখানে অন্ডকোষ থেকে লিঙ্গের মাথা পর্যন্ত একটি নালী অনুভব করা যায়, সেই নালী যে স্থানে শেষ, অর্থাৎ যেখানে লিঙ্গের মুল অংশটি এর মাথার সাথে সংযুক্ত সেই ছোট্ট স্থানটি অত্যন্ত সংবেদী। এখানে just আঙ্গুল দিয়ে ঘষলেও সেটা ছেলেটির জন্য দারুন উত্তেজনার।

গ) দন্ড (Shaft): ছেলেদের লিঙ্গের মূল অংশটি যে বেশ স্পর্শকাতর এটা আশা করি আর কাউকে বলে দিতে হবে না? এই অংশটি প্রায় সম্পুর্নই বিভিন্ন পেশী ও রক্ত নালীর সমন্বয়ে গঠিত। তাই এ অংশটি লিঙ্গের অন্যান্য স্থানের তুলনায় সবচেয়ে বেশী চাপ সহ্য করতে পারে। এখানে মেয়েটির হাতের মৃদু থেকে মধ্যম চাপ বেশ উত্তেজনাকর।

ঘ) লিঙ্গ ও দেহের সংযোগস্থলঃ ছেলেদের লিঙ্গটি যে স্থানে দেহের সাথে সংযুক্ত হয়েছে ঠিক সেই স্থানটি অর্থাৎ লিঙ্গের গোড়া ও অন্ডকোষের ঠিক উপরের অংশটি বেশ স্পর্শকাতর। তবে এ অংশটিতে আদর করে ছেলেটিকে পরিপুর্ন আনন্দ দিতে শুধু মেয়েটির হাতের স্পর্শ নয় তার….উম…উপপসস! তার জিহবার স্পর্শও প্রয়োজন!

১২. অন্ডথলিঃ এটিও ছেলেদের এমন একটি স্পর্শকাতর স্থান যেটি অনেক মেয়েই এড়িয়ে যায়। এই থলিটির পর্দা ও মেয়েদের যোনির ল্যাবিয়া ম্যাজোরা একই ভ্রূণীয় টিস্যু দ্বারা গঠিত। এই স্থানে মেয়েটির হাতের স্পর্শ দারুন এক চালু হতে পারে ছেলেটির জন্য। কিভাবে এটিতে আদর করা যায় সে ব্যাপারে একটু পরেই আসছি।

১৩. পায়ুছিদ্র ও পথঃ ছেলেদের এই অংশগুলো বেশ স্পর্শকাতর। বিশেষ করে এখানে পিউডেন্ডাল নার্ভের (আগের পোস্ট এ সম্পর্কে বলেছি) শাখা থাকার কারনে এই স্থান ছেলেদের মলত্যাগের প্রবনতা সৃষ্টি করা ছাড়াও তাদের যৌনানন্দেও কিছুটা ভুমিকা রাখে। তাই এই ছিদ্র দিয়ে বিশেষ করে ছেলেটিকে চুমু খাওয়ার সময়, বা তার লিঙ্গে আদর করার সময় একটি বা দুটি আঙ্গুল (নখহীন) ঢুকিয়ে ওঠানামা করানো বেশ আনন্দের হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই আঙ্গুলে আঙ্গুলে পিচ্ছিল কিছু লাগিয়ে নিতে হবে, বিশেষ করে সাধারন কাপড় কাচার সাবান দিয়ে পিচ্ছিল করে নেওয়া নিরাপদ, অন্যকিছু লাগাতে গেলে তা ওই ওইস্থানের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও স্থানটি সুগন্ধী সাবান জাতীয় কিছু দিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে যেন কোন প্রকার ঘেন্নার অনুভুতির উদ্রেক না হয়। ইচ্ছে করলে মেয়েটি এখানে প্রবেশ করানোর পূর্বে আঙ্গুলে কনডম পড়ে নিতে পারে।

১৪. প্রস্টেট (Prostate): ছেলেদের দেহের একটি অত্যন্ত যৌনসংবেদী একটি অংশ। এর অবস্থান পেলভিক অঞ্চলে মুত্রথলির ঠিক নিচেই। যৌনসংবেদীতার দিক দিয়ে এটিকে মেয়েদের জি-স্পটের সাথে তুলনা করা হয়। এর মূলকাজ বীর্যরসের কয়েকটি উপাদানের যোগান দেয়া হলেও এটির সাথে মানুষের যৌন সংবেদী পিউডেন্ডাল নার্ভ এর সংযোগ আছে বলে শুধুমাত্র এটিকে উত্তেজিত করেই ছেলেটির অর্গাজম হতে পারে। আর সে অর্গাজম কোন কোন ছেলের ক্ষেত্রে তাদের লিঙ্গের অর্গাজমের চেয়েও বেশি আনন্দের হতে পারে (আমার নিজেরও সে অভিজ্ঞতা হয়েছে)। শুধু মেয়েরাই যে এটায় আদর করতে পারে তাই না ছেলেটি নিজেও মাস্টারবেশনের সময় এটা উত্তেজিত করে তুলতে পারে। এর জন্য প্রথমে আঙ্গুলে পিচ্ছিল কিছু লাগিয়ে নিতে হবে। তারপর পায়ুছিদ্রে আস্তে আস্তে আঙ্গুল ঢুকিয়ে প্রথমে কিছুক্ষন ওঠানামা করিয়ে একটু সহজ হয়ে নিতে হবে। উল্লেখ্য এসময়ও বেশ সুখের অনুভুতি হয়। এবার আস্তে আস্তে এর ছিদ্রের ভেতরে আঙ্গুলটি নাড়াচাড়া শুরু করতে হবে। এরপর বিশেষ করে যেদিকে লিঙ্গ আছে সেদিকের দেয়ালে বেশী বেশী চাপ দিতে হবে। অনেকে শুধুই এভাবে উত্তেজিত নাও হতে পারে। তাদের জন্য আরেকটি হাত দিয়ে লিঙ্গে বুলাতে থাকতে হবে। এভাবে চালিয়ে যেতে থাকলে কি হবে তা আর বললাম না, নিজেই বা নিজেরাই চেষ্টা করে দেখুন!

ছেলেদের লিঙ্গে আদর করার নিয়ম

কিভাবে ছেলেদের লিঙ্গে আদর করতে হয়, ছেলেদের লিঙ্গ কে আদর করতে নিচের নিয়ম গুলো অনুসরণ করুন।

প্রথমেঃ হাত দিয়ে (Handjob):

ছেলেরাই নিজেরাই হাত দিয়ে তাদের লিঙ্গে আদর করতে পারে, কিন্ত সেটা যখন আসবে তার ভালোবাসার মেয়েটির হাত থেকে তখন সেটার আনন্দ কতগুন বেড়ে যাবে সেটা বলাই বাহুল্য। হাত দিয়ে নিজের ভালোবাসার মানুষটির সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশটিতে আদর করতে আশা করি মেয়েদেরও তেমন আপত্তি নেই? তবে আসুন আপনার সঙ্গীটিকে উত্তেজনায় দিশেহারা করে তোলার জন্য কিছু পদ্ধতি জেনে নেওয়া যাক।

হাত দিয়ে লিঙ্গে আদর করার জন্য একটি সেক্সী পজিশন হতে পারে এটাঃ ছেলেটিকে বিছানায় লম্বা করে শোয়ানোর পর তার পা দুটো কাছাকাছি এনে মেয়েটিকে ওর হাটুর উপর বসতে হবে। মেয়েটির নগ্ন নিতম্বের নরম স্পর্শ ছেলেটির জন্য এবং নিতম্বে ওর পায়ের স্পর্শ মেয়েটির জন্যও দারুন এক চালু হবে (এই পজিশনের জন্য দুজনেই সম্পুর্ন নগ্ন থাকতে হবে।)এবার প্রথমে ওর উরুতে সামান্য ম্যাসাজের মত করে হাত এগিয়ে লিঙ্গের কাছে নিয়ে লিঙ্গের গোড়ার অংশটি, যেখানে যৌনকেশ থাকে সেখানটায় হাত বুলিয়ে শুরু করতে হবে। এখানে ক্লিন সেভ (খোচা খোচা থাকলে কিন্ত অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে!) করা থাকলে ছেলেটির জন্য তা বেশ আরামদায়ক হবে এবং মেয়েটিকেও তা বিরক্ত করবে না। এবার হাত দিয়ে কয়েকবার লিঙ্গটিকে ছাড়া ছাড়াভাবে আদর করে একটি হাত লিঙ্গের গোড়ার আশেপাশে বুলাতে বুলাতে অন্য হাতটির তর্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে একটি রিং তৈরী করে লিঙ্গটিতে উঠানামা শুরু করতে হবে। তবে এসময় লিঙ্গের মাথাটি চলুন করতে হবে। এভাবে কিছুক্ষন করার পর অন্যহাতের আঙ্গুল দিয়েও এমন রিং বানিয়ে দুটোই লিঙ্গে উঠা নামা করাতে হবে। এভাবে বেশ কিছুক্ষন করার পর একটি হাত দিয়ে লিঙ্গটি মুঠ করে ধরে উঠানামা শুরু করতে হবে। মাঝে মাঝে মুঠ খুলে ওর লিঙ্গের ফ্রেনুলামে (উপরে এর বর্ননা আছে) কিছুক্ষন আঙ্গুল ঘষে আবার হাত মুঠো করে ওঠানামা করাতে হবে। মাঝে মাঝে মুঠ খুলে হাতের তালুটা লিঙ্গের পেছনে কিছুক্ষন বুলিয়ে দিতে হবে। যেসব ছেলের সহযে বীর্যপাত হয়না তাদেরকে এক হাত দিয়ে লিঙ্গে আদর করে অন্য হাত দিয়ে অন্ডথলি নাড়াচাড়া করা যেতে পারে, সেটা আরো বেশী উত্তেজনাকর। আর যারা বেশিক্ষন বীর্য ধরে রাখতে পারে না তাদেরকে আগেই বলে রাখতে হবে যেন সে তার বীর্যপাত সমাগত হলে কোন ইঙ্গিত দেয়। ছেলেটি ইঙ্গিত দিলেই হাতটা তার অন্ডথলিতে নামিয়ে আনতে হবে। থলিটা হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করলে ছেলেটি অন্যরকম এক আনন্দ লাভ করবে কিন্ত তার বীর্যপাতের প্রবনতা কমে আসবে। হাত দিয়ে অন্ডকোষদুটি নিয়ে খেলা করা যেতে পারে, তবে সেখানে জোরে চাপ না দেয়ার ব্যাপারে সাবধান হতে হবে। এভাবে ছেলেটি একটু শিথিল হয়ে এলে আবার হাত মুঠ করে তার লিঙ্গে আদর করা শুরু করতে হবে। এবার হাত উপর নিচ করা থামিয়ে লিঙ্গটি হাতের মুঠোতে শক্ত করে ধরুন। লক্ষ্য রাখবেন যেন লিঙ্গের একেবারে নিচের অংশটাই শুধু হাতের মুঠোয় থাকে, লিঙ্গের মূল অংশ ও মুন্ডির সংযোগস্থলে যেন আঙ্গুলের স্পর্শ না থাকে। এ অবস্থাতে অন্য হাতের তালুটি ওর লিঙ্গের মাথায় লাগিয়ে পিঠা বানানোর মত করে হাতটা ঘুরাতে থাকুন। প্রথমে আস্তে, তারপর ছেলেটি মজা পেলে একটু জোরে চাপ দিয়ে। এটা অত্যন্ত যৌনত্তেজনাকর। এরকম করার সময় মাঝে মঝে সামান্য সময়ের জন্য ছেলেটির লিঙ্গের মূল অংশ ও মুন্ডির সংযোগস্থলে রিংয়ের মত করে ধরে মুন্ডিতে তালু দিয়ে ম্যাসাজ করলে ছেলেটি লাফিয়ে উঠবে। এমনকি উত্তেজনায় চিৎকারও দিয়ে উঠতে পারে। তবে এমনটি বেশিক্ষন করা যাবে না। অনেক ছেলে এটা সহ্য নাও করতে পারে, এর ফলে তাদের শক্ত লিঙ্গ আবার নেতিয়ে পড়তে পারে (অবশ্য আবার শক্ত হতে আর কতক্ষন?)।

ছেলেটির লিঙ্গের শক্ত অবস্থায় আরেকভাবেও ওতে আদর করা যায়। এজন্য সবচেয়ে ভালো পজিশন হল ছেলেটি দাঁড়িয়ে বা বিছানার কিনারে বসে থাকলে ও মেয়েটি নিচে ঝুকে থাকলে। এজন্য প্রথমে মেয়েটিকে দুটো হাত ঘষে একটু গরম করে নিতে হবে তারপর হাততালির মত করে দুই হাত দিয়ে লিঙ্গটি ধরে হাত দুটি ঘষার মত করে নাড়ানো শুরু করতে হবে। এভাবে ইচ্ছে করলে অরগাজম না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া যায়।

দ্বিতীয়ত্বঃ মুখ দিয়ে (Fellatio): (মুখমেহন)

এই অংশটি মূলত আমি সেই প্রীতিমুগ্ধ মেয়েদের জন্যই লিখেছি যারা তাদের সঙ্গীর লিঙ্গে আদর করে তাকে সুখ দিতে উদগ্রীব। তবে আমাদের দেশে বেশিরভাগ মেয়েই এমনটি করা চরম ঘৃন্য ও সেক্সের সাথে অসম্পৃক্ত একটি কাজ বলে মনে করে। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি। অনেক মেয়ে, যারা ছেলেদের লিঙ্গ চুষে তাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা শুধুই সঙ্গীর অনুরোধ রক্ষা করে তাকে আনন্দ দেয়ার জন্য তার লিঙ্গে মুখ দিয়ে আদর করে না। তারা নিজেরাও এতে আনন্দ লাভ করে। এর মূল কারন হল মেয়েদের যোনির মত এটিও তাদের দেহের এমন একটি অংশ যাতে তারা ছেলেদের এই প্রধান যৌনঅঙ্গটির অবস্থান অনুভব করতে পারে। যাকে মেয়েটি ভালোবাসে সে তার মন, দেহ সবকিছুকেই ভালবাসে, আর এটা তো তার দেহেরই একটা অংশ, নয় কি? সেই মেয়েদের মাঝে অনেকেই আছে যারা আগে ছেলেদের লিঙ্গের ধারে কাছেও মুখ নিত না অথচ তারাই একবার এর স্বাদ পেয়ে বর্তমানে এমনকি ছেলেটার বীর্য মুখে নিতেও দ্বিধা করে না। এর কারন কি হতে পারে? ইন্টারনেটে এ নিয়ে বহু নারীর মতামত পড়ে ও আমার close কয়েকজন মেয়ে বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করে কয়েকটি সিদ্ধান্তে পৌছেছি (এগুলো ছেলেদেরও জানা উচিত):

১. মেয়েটির সঙ্গী তার যোনিতে মুখ দিয়ে আদর করতে কোন প্রকার দ্বিধা বা কার্পন্য করে না। যতক্ষন মেয়েটি চায় ততক্ষনই সে সেখানে আদর করে যায়। এমনকি সে ওখানে বেশ অপরিচ্ছন্ন (বাহ্যিকভাবে, কারন মেয়েদের অঙ্গাদি নিয়ে লেখা প্রবন্ধে আমি আগেই বলেছি, মেয়েদের যোনিরস তাদের যোনিকে সকল প্রকার রোগ-জীবানু হতে মুক্ত রাখে) থাকলেও ছেলেটি এর কোন পরোয়া করে না। এটা দেখে মেয়েটার মনে হয়েছে যে ছেলেটি যদি আমার ওখানে এরকম ভালোবাসার সাথে মুখ দিতে পারে তবে আমি ওরটায় দিতে পারবনা কেন?

২. মেয়েটির সঙ্গী যখন তারই জন্য, সেক্সের আগে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে থাকে তখন তার লিঙ্গের প্রতি ওর ঘৃনার অনুভুতি কিছুটা হলেও কমে। বিশেষ করে দুজনে যদি নিয়মিত একসাথে শাওয়ারে গোসল করে একজন-আরেকজনকে পরিস্কার করে দেয়, তখন এই ঘৃনা বহুলাংশে কমে যায়। এছাড়াও এতে দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।

৩. অনেক মেয়ে তার সঙ্গীর লিঙ্গের আশেপাশে যৌনকেশ থাকা পছন্দ করে না। এই কারনেই সেই স্থানটির প্রতি অনেক মেয়ের ঘৃনা আরো বেশি বেড়ে গিয়েছিল। কিন্ত ছেলেটি তার জন্য নিয়মিত ওখানে সেভ শুরু করায় পরিস্কার সে স্থানটি মেয়েটির কাছে বেশ যৌনত্তেজক মনে হওয়ায় মেয়েটি সে স্থানের প্রতি ধীরে ধীরে আকৃষ্ট হয়ে সেদিকে এগিয়ে গিয়েছে।

৩. দেখা গেছে অনেক মেয়ের সঙ্গী যখন যতরকম ভাবে সম্ভব মেয়েটিকে চরম উত্তেজিত করে তোলায়, বিশেষ করে তার যোনিতে হাত ও মুখ দিয়ে আদর করার সময় লিঙ্গ নিয়ে মেয়েটির যে কারনেই (‘এটি দিয়ে ও বাথরুম করে!! ইয়াক থু!!’) হোক অনীহা ছিল চরম উত্তেজনায় সেটা ভুলে গিয়ে লিঙ্গটি নিজের মুখে দিয়েছে। বিশেষ করে অনেকগুলো ক্ষেত্রে দেখা গেছে ছেলেটি মেয়েটি চাওয়া সত্ত্বেও তার যোনিতে মৈথুন করার চেয়ে ফোরপ্লে’র দিকেই বেশি নজর দিচ্ছিল। তাই মেয়েটি নিচের ঠোটে লিঙ্গটি না পেয়ে উপরেরটাতেই……

৪. বেশিরভাগ মেয়ে বলেছে যে, কোনভাবে একবার ঠোট ও জিহবা দিয়ে লিঙ্গের স্বাদ নেওয়ার পর এবং নিজের মুখের ভিতরে ওটার অবস্থান অনুভব করার পর থেকেই ওরা ওটা করতে পছন্দ করতে শুরু করেছে। এর কারন হিসেবে অনেকেই বলেছে যে তারা নিজেরা যখন উত্তেজিত অবস্থায় থাকে তখন তাদের যে কোন ধরনের ঘৃনার অনুভুতি প্রায় শূন্যের কাছাকাছি চলে যায়। তাই তখন এমনকি ছেলেদের লিঙ্গের যে ঘ্রান (যে ছেলেরা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে তাদের) তাতে তারা অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। তাদের কাছে মনে হয় ছেলেটির লিঙ্গ যেন একটি জীবন্ত বস্তু। এখানে তাদের অত্যন্ত স্পর্শকাতর ঠোট ও জিহবার স্পর্শ তাদের নিজের কাছেই অনেক ভালো লাগে। আর মুখের ভেতরে থাকার সময় যখন লিঙ্গটির নড়াচড়া (রক্তচাপের ফলে) ওরা অনুভব করে সেটা নাকি তাদের যোনির ভেতরে ওটার অবস্থানের চেয়ে কম সুখকর নয়। আর অনেক মেয়ে বলেছে, তাদের মুখের স্পর্শে যখন ছেলেটি উত্তেজিত হয়ে উঠে, তার মুখে সুখের একটা অনুভুতি ফুটে উঠে তখন তাদের লিঙ্গ থেকে তাদের মুখের মাধ্যমে সরাসরি ছেলেটির উত্তেজনা মেয়েটির মাঝেও সঞ্চারিত হয়। আর বীর্য গলধঃকরনের ব্যাপারটাও এরকম। ছেলেটির লিঙ্গ ওর মুখে যে অনুভুতি সৃষ্টি করে (উপরে বলেছি) তাতে সে এতটাই বিভোর হয়ে থাকে যে এর আঁশটে গন্ধ বা টক নোনতা স্বাদ তাকে বিরক্ত করে না। কয়েকজন মেয়ে বলেছে যে কিছুক্ষন তাদের সঙ্গীদের লিঙ্গ চুষতে চুষতে যখন তার বীর্যপাতের সময় হয়ে আসে তখন তারা পজিশন চেঞ্জ করে ৬৯ এ চলে যায়। তখন ছেলেটিও মেয়েটির যোনি চুষতে থাকে বলে এর উত্তেজনায় মেয়েটি অন্যমনষ্ক হয়ে যায়। ফলে ছেলেটির বীর্য সে গিলে ফেলে বা মুখের ভিতরই রেখে পরে থু করে ফেলে দেয়। তবে অনেক মেয়ে বলেছে তাদের সঙ্গী তাদের মুখের ভিতরে বীর্যপাত করার পর তাকে ওটা মুখেই রেখে দিতে বলে তারপর তাকে চুমু খেয়ে তার মুখ থেকে সেটার শেয়ার নেয়। এরকমটি হলে নাকি মেয়েটির কাছে মুখে ছেলেটির বীর্যপাত হওয়া শুধু অনুমোদিতই হয়না বরং ওর জন্য সেটা বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠে।

মূলত এসকল কারনেই মেয়েরা ছেলেদের লিঙ্গ চুষতে পছন্দ করে। যাদের কাছে এই কাজটি ঘৃন্য তারা কি ধরনের একটি মজা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তা আমি ছেলে বলে আমার জানা নেই। কিন্ত এতগুলো মেয়ে তো আর এমনি এমনি এটায় মজা পাচ্ছে না, তাই না? তাই আপনারাও ইচ্ছে করলে আপনার সঙ্গীর মাঝে উপরে উল্লিখিত গুনসমূহ খুজে পেলে ব্যাপারটা একবার হলেও চেষ্টা করে দেখতে পারেন। যাক এ বিষয়ে অনেক কথা হয়ে গেল, এবার মূল প্রসঙ্গে যাওয়া যাক।

ছেলেদের লিঙ্গে চোষার সবচেয়ে ভালো পজিশন হল ওকে লম্বা করে শুইয়ে নিয়ে তার দুই পা ফাক করে বিছানায় উঠে দু পায়ের ফাকে ঝুকে পড়া অথবা বিছানার কিনারে ছেলেটিকে বসিয়ে মেয়েটি মেঝেতে উবু হয়ে বসা। ছেলেটির লিঙ্গে মুখ নামিয়ে আনার পূর্বে তাকে tease করে এটা পাবার জন্য অনুনয় করার মত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। এজন্য পুর্বোল্লেখিত হাত দিয়ে লিঙ্গে আদর করার প্রথমদিকের কয়েকটি পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে। এরপর প্রথমে ওর লিঙ্গটা হাত দিয়ে ধরে অন্ডথলির উপরে আলতো করে জিহবা লাগিয়ে ওর লিঙ্গের পেছনদিয়ে উপরে ফ্রেনুলামে (উপরে দ্রষ্টব্য) উঠে আসতে হবে। ওখানে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কিছুক্ষন জিহবা চালিয়ে যেতে হবে, তারপর আবার জিহবা দিয়ে লাইন একে নিচে ওর অন্ডথলির কাছে এসে আবার উপরে উঠে যেতে হবে। এবার ওর লিঙ্গের উল্টোপাশের অবহেলিত দিকটাতেও এভাবে কিছুক্ষন জিহবা বুলিয়ে দিন।

এবার ওর লিঙ্গের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশটিকে উত্তেজিত করার পালা। ওর লিঙ্গটি আঙ্গুল দিয়ে ধরে (মুঠোয় নয়) আপনার ঠোট নিচে নামিয়ে আনুন। জিহবা দিয়ে ঠোট ভিজিয়ে নিয়ে অথবা সামান্য লিপজেল দিয়ে হাল্কা ভাবে ঠোট বন্ধ থাকা অবস্থায় লিপস্টিক দেয়ার মত করে ওর লিঙ্গের মাথাটা আপনার ঠোটের সাথে ঘষতে থাকুন। তারপর লিপস্টিক দেয়ার সময় যেভাবে মুখ হা করে ঠোটের কোনাগুলোতে লাগান সেভাবেই লিঙ্গটা দিয়ে লাগাতে থাকুন। মাঝে মাঝে পুরো মাথাটা (সম্পুর্ন লিঙ্গ নয়) মুখের ভিতরে ভরে নিয়ে ঠোট দিয়ে চাপ দিয়ে আবার বের করে লিপস্টিক লাগাতে থাকুন। কিছুক্ষন এরকম করার পর ঠোটের ভিতরে আবার লিঙ্গের মাথাটা ভরে নিয়ে ওটার জিহবা বুলিয়ে দিতে থাকুন। এ অবস্থায় কিছুক্ষনের মাঝে লিঙ্গ থেকে কিছু স্বচ্ছ তরল বের হতে পারে। এর তেমন কোন গন্ধ নেই কিন্ত এর স্বাদ নোনতা, খুব একটা খারাপ লাগার কথা না। ছেলেরাও অনেক সময় হাত দিয়ে নিয়ে এটা টেস্ট করে থাকে। এবার আস্তে আস্তে যতটুকু পারেন আপনার মুখের গভীরে লিঙ্গটি ভরে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন আপনার দাঁতে বেশি জোরে না লাগে। কারন লিঙ্গ অত্যন্ত স্পর্শকাতর বলে এতে অনেক ব্যথা লাগতে পারে। এটা আপনার প্রথমবার হলে কিছুক্ষন আপনার মুখের ভিতরে লিঙ্গটি রেখে দিন। একটু অভ্যস্ত হয়ে গেলে আস্তে আস্তে মুখটা ওঠানামা করাতে থাকুন। জিহবা দিয়ে ললিপপের মত চুষে যেতে হবে। এসময় কিন্ত লিঙ্গের নিচটা হাত দিয়ে ধরে রাখতে হবে। নাহলে এদিক ওদিক হয়ে আপনার দাঁতে লেগে যেতে পারে। অনেকসময় মেয়েরা পুরো লিঙ্গটাই মুখের ভিতরে ভরে ফেললে বড় লিঙ্গ হলে এটা তাদের গলায় ঘষা খায়। এটাকে Deep throat বলে। ছেলেরা তো বটেই, অনেক মেয়েও এটা পছন্দ করে। কিন্ত সবাই এটা try না করাই ভালো। এভাবে মুখ উঠা নামা করতে করতে মাঝে মাঝেই মুখ তুলে জিহবা দিয়ে লিঙ্গের বিভিন্ন সাইড একবার করে লেইয়ে দেয়া যেতে পারে। আর লিঙ্গ চোষার সময়, উপরে ছেলেটির চোখের দিকে তাকিয়ে থাকলে দুজনের দৃষ্টি এক হলে দুজনেরই অন্যরকম একটা অনুভুতি হয়। ছেলেটির চোখে মেয়েটি দেখতে পায় তার আদরে উত্তেজিত ছেলেটির কৃতজ্ঞতা ভরা ভালোবাসা আর মেয়েটির চোখেও ছেলেটি তার জন্য ভালোবাসা খুজে পায়, যে ভালোবাসার বশে মেয়েটি তার গোপনতম অঙ্গটিতে ঠোটের পরশ বুলিয়ে দিচ্ছে।

লিঙ্গ চুষার ফাকে ফাকে ছেলেটির অন্ডথলিতে নেমে সেখানেও চুমু দেয়া, জিহবা বুলিয়ে দেয়া, ও চুষা অত্যন্ত উত্তেজনাকর। বিশেষ করে ছেলেটির বীর্যপাত সমাগত হলে (ছেলেটিকে আগেই সেটা জানানোর কথা বলে রাখতে হবে।) আরো বেশিক্ষন ধরে চুষে যাওয়ার জন্য এটা করা হয়। অন্ডথলিটি সম্পুর্ন মুখের ভিতরে ভরে নিয়ে সেটার উপরে জিহবা চালানো ছেলেটিকে দারুন সুখের অনুভুতি দেয়। এছাড়াও ছেলেটির পেরিনিয়ামে জিহবা নামিয়ে সে অংশটাতেও একটু আদরের পরশ বুলিয়ে দেয়া যেতে পারে।

আর বীর্যরস গলধঃকরনের ব্যপারে বলছি এটা একান্তই মেয়েদের নিজস্ব ইচ্ছের উপর নির্ভর করে। তবে অন্যান্য মেয়েরা যারা এটা করতে পছন্দ করে তাদের পরছন্দ করার কারনের কথা তো উপরেই বলেছি। তারপরেও বলে রাখছি, যে মেয়েটি এভাবে তার মুখ দিয়ে ছেলেটির লিঙ্গে আদর দিতে থাকলেও একেবারে ওর চরম মুহুর্তে ছেলেটি চায় মেয়েটির মুখের ভেতরেই বীর্যপাতের মাধ্যমে মেয়েটির মাঝেও নিজের উত্তেজনাকে ছড়িয়ে দিতে। আর যে মেয়েদের ছেলেদের বীর্য মুখে নেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে তারাও বলেছে হঠাৎ করে বীর্যপাতের আগে যখন ছেলেটির লিঙ্গটি কেঁপে উঠে (অবশ্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েটির সঙ্গী প্রথমবার এমন করার সময় তাকে আগেই সতর্ক করেছিল যে সে এখন বীর্যপাত করতে যাচ্ছে, সেজন্য মেয়েটি এর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে পেরেছে।) তখন ছেলেটির দিকে তাকিয়ে ওর চেহারার চরম সুখের প্রতিচ্ছবি দেখার সাথে সাথে লিঙ্গের এই কাঁপুনি অনুভব করতে তাদের দারুন লাগে। আর যখন গরম গরম সে তরল তাদের মুখের ভিতর দিয়ে বয়ে যেতে শুরু করে সেটা এই স্বাদ তাদের যোনিতে পাওয়ার চেয়ে কম উপভোগ্য কিছু নয়।

আর যারা বীর্য গলধঃকরনের ফলে কোন প্রকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তাদের জানাচ্ছি যে স্বাস্থ্যবতী মেয়েদের যোনিরসের মতই সুস্থ কোন ছেলের বীর্যে ক্ষতিকর কোন উপাদান নেই। তাই এটা গিলে ফেলায় কোন ক্ষতি নেই। আর এ বিষয়ে ধর্মীয় দিক দিয়ে স্পষ্ট কোন বিধি নিষেধের কথা বলা হয়নি (অবশ্যই যতক্ষন পর্যন্ত তা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে)। এ নিয়ে আমার পরবর্তী কোন লেখায় উপযুক্ত উৎসের কথা উল্লেখ করে ব্যাপারটা নিশ্চিত করে সেক্সের বিষয়ে ইসলামে কি কি বিধিনিষেধ রয়েছে সে ব্যাপারে কিছু লিখব, যা সবারই জানা প্রয়োজন।

সংক্ষেপে মূলত ছেলেদের এই কয়টি অঙ্গই তাদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গাদির মধ্যে পড়ে। এভাবে এদের আদর করার মাধ্যমে একটি মেয়ে সঙ্গীকে ভালোবাসার মাধ্যমে তার ভালোবাসার প্রতিদান দিতে পারে। কোনদিন ছেলে আক্রমনাত্মক, কোনদিন মেয়ে আক্রমনাত্মক আবার কোনদিন দুজনেই আগ্রাসী হয়ে সেক্স করলে তা কোন যুগলের দীর্ঘ সেক্স লাইফে বৈচিত্র্য আনবে। এছাড়াও সেক্স লাইফ থেকে একঘেয়েমী দূর করার আরো হাজারো উপায় রয়েছে। পরবর্তীতে আশা করি এরকম আরো আর্টিকেল নিয়ে আপনাদের কাছে হাজির করতে পারবো। আজ তবে এই পর্যন্তই। আপনাদের কেমন লাগল বলতে ভুলবেন না যেন!

ছেলেদের উত্তেজিত করার নিয়ম-পর্ব ১ থেকে ঘুরে আসুন

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

সম্পর্ক মধুর করার উপায়

স্বামী স্ত্রী নব দাম্পত্য সম্পর্ক মধুর করার উপায়

বিবাহের পর দু’এক মাস ধরে যে মিলন লগ্ন আসে, তা সফল করতে নিচের দেওয়া উপদেশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE