Home / যৌন জীবন / যৌন জিজ্ঞাসা (প্রশ্ন ও উত্তর) / ব্রা পেন্টি নাইটি টপস পোশাক পড়া কি ইসলামে জায়েয আছে

ব্রা পেন্টি নাইটি টপস পোশাক পড়া কি ইসলামে জায়েয আছে

প্রশ্নঃ বর্তমানে বাজারে এমন হারে ছোট পোশাক গুলা বিক্রি হচ্ছে (ব্রা পেন্টি টপস নাইটি ইত্যাদি) যা সবাই নিতেছে। যেনো মূল পোশাকের চেয়ে এসবের গুরুত্ব বেশি। কেউ চেরা পোশাক পরছে,,আর কেউ অধিক হারে এ গুলা (ব্রা পেন্টি নাইটি টপস ইত্যাদি,) কিনে টাকা অপচয় করছে,,,

আমার প্রশ্ন হলো এ ধরনের পোশাক কি ইসলামে জায়েয আছে নাকি?এবং এগুলা অধিক হারে ক্রয় করে টাকা নষ্ট করছে,,, এটা কি ঠিক? উত্তর দিলে উপকৃত হব। ধন্যবাদ আপনাকে।

আমার বাংলা পোস্ট.কম এ আপনার প্রশ্ন জমা দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ এবং এই প্রশ্নের  উত্তর থেকে আপনার ও পাঠকদের অন্তার্বাস পরিধান করা সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

উত্তরঃ ব্রা, পেন্টি বা অন্তার্বাস পড়া ইসলামে না জায়েয হবার কোন কারণ দেখি না। কেননা এজাতীয় পোশাক নারীরা সেলোয়ার-কামিজের ভিতরেই পড়ে থাকে।

টপস পোশাক ডিজাইন
ছবিঃ টপস পোশাক

যদি তারা এসব পোশাক পড়ে এর উপরে অন্যসব দেহ ঢাকার পোশাক পরিধান না করতো, তাহলে এটি না জায়েয হতো। যেমনঃ ব্রা ও পেন্টি পড়ার পর যদি শাড়ী-ব্লাউজ অথবা সেলোয়ার কামিজ না পড়ে বিধর্মী মেয়েদের মতো লোক প্রকাশ্যে উপস্থিত হতো, তাহলে এসব পোশাক পড়া মুসলিম মেয়েদের জন্য পড়া না জায়েয হয়তো। যেহে তো মুসলিম বোনেরা এটি দেহ অঙ্গ পূর্ণ  ঢাকার পোশাকে পড়ে, তাতে আমাদের বাঁধা দেওয়া ঠিক নয়।

টপস পোশাকঃ টপস পোশাক গুলো বিভিন্ন ডিজাইনের  হয়ে থাকে এবং এর মধ্যে অনেক গুলো সর্ট  ধরণের হয়ে থাকে। টপস পোশাক পড়ে অনেক নারীই তাদের দেহাঙ্গ ঠিক-ঠাক মত ঢাকতে পারে না এবং তাদের যৌনাঙ্গ গুলো আকর্ষণীয় রূপে ফুটে উঠে। আর ইসলাম এ ধরনের পোশাক পড়ে বাহিরে বের হওয়া কিংবা লোকেদের সামনে উপস্থিত হওয়া সমর্থন করে না। তবে মুসলিম নারীগণ স্বামীর কাছে নিজেকে আকর্ষণীয় রূপে তুলে ধরতে নিজ ঘরে একান্ত ভাবে টপস পোশাক পরিধান করতে পারে। কেননা স্বামী স্ত্রীর মাঝে কোন পর্দা নেই  এবং তারা একে-অপরের অর্ধাঙ্গিনী।

নাইটি পোশাক
ছবিঃ ভদ্র ও শালীন নাইটি পোশাক

নাইটি পোশাকঃ মেয়েদের নাইটি পোশাকও বেশ কয়েক প্রকারের হয়ে থাকে। যেমন  হালকা পাতলা কিংবা সর্ট ধরণের হয়ে থাকে। কিছু কিছু নাইটি পোশাক পরিধান করার দ্বারা নারীর দেহ ও যৌনাঙ্গ পূর্ণভাবে ঢাকে না। যার ফলে তাদের লজ্জাস্থান প্রকাশ পায়। তাই এ ধরনের পোশাক স্বামী স্ত্রীর একান্ত কামরায় পড়তে পারবে কিন্তু লজ্জাস্থান প্রকাশ পায় এমন সব পোশাক পড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করা ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে সমর্থন যোগ্য নয়। নাইটি পোশাকের মধ্যে কিছু ভদ্র ডিজাইনের রুচিশীল এবং আকর্ষণীয় নাইটি পোশাক  আছে । সেসব নাইটি পোশাক পরিধান করার ফলে দেহ ও লজ্জাস্থান ঠিক ঠাক ভাবেই ঢেকে যায় এবং লজ্জাস্থান প্রকাশ পায় না। তাই প্রকৃতি মুসলিম মেয়েদের উচিৎ এসব দিক বিবেচনা করে টপস ও নাইটি পোশাক ক্রয় করা।

অপচয়ঃ  প্রয়োজনীয় অনুসারে এসব পোশাক ক্রয় করলে  তাকে অপচয় বলা যাবে না। কেউ যদি প্রয়োজনের চাইতে অধিক হারে এসব পোশাক ক্রয় করে এবং অব্যবহৃত  ভাবে ফেলে দেয় তাহলে একে অপচয় হিসেবেই গণ্য করতে হবে। ইসলাম কোন কিছুতেই অপচয়কে সমর্থন করে না। এবং ইসলাম বলে অপচয়কারী ব্যক্তি শয়তানের ভাই-বোন।

ব্রা ছবি
মুসলিম নারী ব্রা পছন্দ করছেন।

মেয়েদের কেনো অন্তার্বাস পড়তে হয়?

কিছু গোপনীয় সমস্যার কারণে মেয়েদেরকে অন্তার্বাস পড়তে হয়। যেমন, ব্রা মেয়েদের ব্রেস্টকে সুগঠিত রাখতে এবং ব্রেস্টের বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করে সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও আরো কিছু বিষয় যা এখানে বলার কোন প্রয়োজন নেই।

উত্তর লিখেছেনঃ সৈয়দ রুবেল । (প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদকঃ আমার বাংলা পোস্ট.কম)

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

যোনিতে বীর্যপাত

Q : যোনিতে বীর্যপাত ঘটলে নারী কোন আনন্দ পায় কি?

প্রশ্নঃ যোনিতে পুরুষের বীর্যপাত ঘটলে নারী কোন আনন্দ পায় কি? উত্তরঃ হ্যাঁ, নারীর যোনিতে বীর্যপাত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE