Home / যৌন জীবন / সঙ্গম বা সহবাস / ০৯ যেসব অবস্থায় সহবাস করা ঠিক নয়?

০৯ যেসব অবস্থায় সহবাস করা ঠিক নয়?

* ভরপেটে সহবাস করা অনুচিত । এ সময় শরীর খাদ্য হজমে ব্যস্ত থাকে। যদি এ অবস্থায় সহবাস করা হয়, তবে হজমে ক্রুটি হবে। ফলে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হবে। যৌনবিদদের অভিমত হল, রাতের প্রথমাংশে সহবাস না করা উত্তম। কেননা এ সময় পাকস্থলী খাদ্যে ভরপুর থাকে।

* খালি পেটেও সহবাস না করা। কেননা অন্ডকোষদ্বয় বীর্য মূত্রথলী থেকে সন্ধান করে। আর মূত্রথলী তাঁর খাদ্য কলিজা সংগ্রহ করে। আর কলিজা পাকস্থলী থেকে সংগ্রহ করে। সহবাসের সময় যদি পাকস্থলী খালি থাকে, তবে সহবাসের দ্বারা শরীর একেবারেই দুর্বল হয়ে যায়। শরীরের দুর্বলতা যৌনচাহিদা সৃষ্টির ক্ষেত্রে হয়। ধীরে ধীরে শরীরের শক্তি হ্রাস পায়। মনের ধুকধুকানী রোগ সৃষ্টি হয়। খালি পেটে সহবাস করা ভরপেটে সহবাস করার চেয়েও অধিক ক্ষতিকর।

নিম্মোক্ত অবস্থাতেও সহবাস করা অনুচিত

পেটের বদ হজম হলে সহবাস উচিৎ নয়। দুঃখ-কষ্ট, ব্যথা-বেদনা, চিন্তা, লজ্জা-শরমের অবস্থাতেও সহবাস উচিৎ নয়। অধিক মেহনতের পর, অধিক গরমের সময়েও সহবাস অনুচিত। কেননা, এসব অবস্থায় সহবাস করলে নিজেকে কিছুক্ষণের জন্য বিরত রাখতে হয়। অন্যথায় শরীর একেবারে ক্লান্ত হয় এজন্য মন তখন আরাম চায়, কোনো প্রকার কষ্ট বা মেহনত করার প্রতি আগ্রহ থাকে না। যেহেতু শরীরে প্রচন্ড চাপ পড়ে এবং পেরেশানী বৃদ্ধি পায়, যা মনের চাহিদার বিপরীত। তাই এ অবস্থায় সহবাস না করাই উত্তম। ঘুম ঘুম ভাব অবস্থায় সহবাস উচিৎ নয়। বিভিন্ন চিন্তায় ঘুম না আসলে সহবাসের মাধ্যমে নিজেকে দুর্বল বানিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করা অনুচিত। কেননা, ঘুম এমন বিষয় যা শরীরের যাবতীয় ক্লান্তি দূর করে। কিন্তু সহবাস ক্লান্তি তৈরি করে। দেমাগ ও শরীর যখন আরাম চায়, তখন সহবাস করে নিজেকে ক্লান্ত বানানো ঠিক নয়।

বমির পর, দাস্ত বা পাতলা পায়খানার পর, অস্ল বা তিক্ত ফল খাওয়ার পর এবং ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পরপরই সহবাস অনুচিত।

শরীর খুব ঠাণ্ডা অবস্থায় সহবাস না করা। এ সময়ের সহবাসে বেশিক্ষণ অবস্থান করা যায় না এবং মরদামী শক্তি কমতে থাকে।

স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিত বা অসম্মতিতে তাঁর সাথে সহবাস অনুচিত। মাঠে, চাঁদনী রাতে, অন্ধকারে, মাসের পনের ও শেষ তারিখে এবং সহবাসের পরই আবার সহবাস অনুচিত। যতক্ষণ না নতুন যৌনশক্তি সৃষ্টি হয়।

মাতাল ও নেশার শেষাবস্থায় সহবাস না করা। এ সময় মানুষের চিন্তা ফিকির ও জ্ঞান-বুদ্ধি বলতে কিছুই থাকে না। এ অবস্থায় সহবাসে যেসব সন্তান জম্ম নিবে তারা বেউকুফ ও নির্বোধ হয়ে জম্মগ্রহণ করবে।

যেখানে থেকে সূর্য সরাসরি দেখা যায় বা তাঁর কিরণ সহবাসের স্থানে এসে পৌঁছে সহবাস অনুচিত । এতে যেসব সন্তান জম্ম নিবে, তারা সর্বদা চিন্তা ও অস্থিরতায় ভুগবে। ফলদার গাছের নিচের সহবাসে সন্তান সন্তান সর্বদা জালেম বা অত্যাচারি হয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সহবাসের দ্বারা সন্তানের চরিত্র খারাপ হয়ে থাকে।

সূর্য উদয় ও অস্ত যাওয়ার সময় সহবাসের দ্বারা যেসব সন্তান জম্ম নেয়, তারা সাধারণত চোর বাটপার হয়ে থাকে । তদ্রূপ ভাবে ঈদের রাতে সহবাসের দ্বারা ভূমিষ্ট সন্তান অধিকাংশ সময় খারাপ হয়ে থাকে।

যৌনবিদদের মতে কুরবানী ঈদের রাতে স্ত্রী সহবাসে যেসব সন্তান ভূমিষ্ট হয়, তারা আচার বা ছয় আঙ্গুল বিশিষ্ট হয়ে থাকে। বস এবসে সহবাসে সম্পূর্ণ বীর্য বের হতে পারে না। এতে কিডনী বা পেটে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরুষাঙ্গ ফুলা বা এমন রোগ দেখা দিতে পারে।

একপার্শ্ব থেকে সহবাস করলে মূত্রথলীতে ব্যাথা হতে পারে। কেননা, এভাবে সহবাসের দ্বারা সম্পূর্ণ বীর্য পুরুষাঙ্গ থেকে বের নাও হতে পারে। যা বিভিন্ন রোগের কারন হয়ে দাঁড়াবে। উত্তম হল বিশ বছর বয়সের পূর্বে সহবাস না করা। কেননা এর পূর্বে যৌন চাহিদার পূর্ণ শক্তি পূর্ণাঙ্গ ভাবে সৃষ্টি হয় না। সুতরাং বিশ বছরের আগে কোনো মহিলার নিকট এবং ষাট বছর অতিক্রমের পর সহবাস থেকে নিজেকে বিরত রাখা উচিৎ। এসময় সাধারণত বীর্য থাকে না। হাড্ডি যখন দুর্বল হয়, তখন সহবাসে শরীর একেবারেই দুর্বল হয়ে যাবে। ভূমিকম্পের সময় ,ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পর গোসলের আগেই সহবাস অনুচিত।

বিঃদ্রঃ উপরে উল্লেখিত বিষয়ে যত্মবান থেকে নিজেকে নিয়মিতান্ত্রিক পরিচালনা করা উচিৎ। অন্যথায় নিজে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরো পড়ুন

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

হায়েয

হায়েয অবস্থায় স্ত্রী সহবাসের আরও কিছু মাসআলা

হায়েয অবস্থায় স্ত্রী সহবাসের আরও কিছু মাসআলা পড়ুন “পরিপূর্ণ স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন” বই থেকে। …

No comments

  1. thank you, nice

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *