Home / বই থেকে / মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

মোজার উপর মাসাহজেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান।

রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান করতেন এবং অজু করার সময় চামড়ার মোজার উপরেই মাসাহ করতেন।
রাসূল (সাঃ)-মের হাদিস থেকে জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার নিয়ম ও সময়সীমা।

67- عَنِالمُغِيْرَةِبْنِشُعْبَةَرَضِيَاللَّهُعَنْهُ،قَالَ:  كُنْتُمَعَالنَّبِيِّصَلَّىاللَّهُعَلَيْهِوَسَلَّمَفِيْسَفَرٍ؛فَأَهْوَيْتُلِأَنْزِعَخُفَّيْهِ؛فَقَالَ: “دَعْهُمَا؛فَإِنِّيْأَدْخَلْتُهُمَاطَاهِرَتَيْنِ”؛فمَسَحَعَلَيْهِمَا.

(صحيحالبخاري،رقمالحديث 206،واللفظله،وصحيحمسلم،رقمالحديث 80 – (274)،).

67- অর্থ: আল মুগীরা বিন শুবা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]এর সাথে কোনো এক সময়ে সফরে ছিলাম। তাই ওজু করার সময় আমি তাঁর মোজা দুইটি খুলতে চাইলে তিনি বলেন:“ওই দুইটি থাক, আমি পবিত্র অবস্থায় ওই দুইটি পরিধান করেছি”। এই বলে তিনি মোজা দুইটি উপর মাসাহ করলেন।

[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 206 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 80 -(274), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।

* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 35  নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।

* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:

1। আরবী ভাষায় চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণকে মোজা বা খুফ বলা হয়।

2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করা প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা সম্মত একটি বিধান। তাই এই ধরণের পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে বাসস্থানে বাস করার অবস্থায় এবংমুসাফির অবস্থায় গ্রীষ্মকালে এবং শীতকালে মাসাহ করা বৈধ।  চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করার শর্ত হলো: পরিপূর্ণ পবিত্র অবস্থায় ওজু অথবা গোসল করার পর চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপর মাসাহ করা। সুতরাং এই পদ্ধতিতে পায়ের আবরণ বা মোজা পরিধান করার পর ওজু চলে গেলে উক্ত মোজার বা অবরণের উপরে মুসলিম ব্যক্তির জন্য মাসাহ করা বৈধ। আর এটাই হলো অধিকাংশ ইমাম ও পণ্ডিতদের অভিমত। মহান আল্লাহ তাঁদের প্রতি দয়া করুন।

3। চামড়া অথবা অন্য কোনো বস্তুর তৈরি পায়ের আবরণ বা মোজার উপরে মাসাহ করার সময় শুরু হবে ওজু ভেঙ্গে যাওয়ার পর প্রথম মাসাহ করা থেকে। সুতরাং বাসস্থানে বাস করা অবস্থায় প্রথম মাসাহ থেকে একদিনএকরাতএবংমুসাফির অবস্থায় তিনদিন তিন রাত মাসাহ করা বৈধ।

সূত্র : নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খন্ড

এই হাদীসটি আপনার পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের কে পড়াতে শেয়ার করুণ। পবিত্র ইসলামের আলোয় আলোকিত হোক সবার জীবন।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

[চতুর্থ পরিচ্ছেদ] ইসলামী শরী‘য়াহ সহজ সরল হওয়ার দলিলসমূহ

প্রথমত: আল-কুরআনুল কারীম থেকে দলিল: ﴿ لَا يُكَلِّفُ ٱللَّهُ نَفۡسًا إِلَّا وُسۡعَهَاۚ لَهَا مَا كَسَبَتۡ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *