Home / নারী / নারীর জীবনধারা / শ্বশুরালয়ে কিভাবে থাকবেন? শ্বশুর বাড়ীর লোকদের মন জয় করার উপায়

শ্বশুরালয়ে কিভাবে থাকবেন? শ্বশুর বাড়ীর লোকদের মন জয় করার উপায়

শাশুড়ির মন জয় করার উপায়প্রত্যেক মেয়েকেই একদিন স্বামীর বাড়ীতে যেতে হয়।

সেখানে থাকে শ্বশুর-শাশুড়ী, ননদ-ননদী সহ স্বামীর নিকটাত্মীয় স্বজন।

তাই জেনে নিন কিভাবে তাঁদের স্নেহভাজন হবেন, তাঁদের মন জয় করে তাঁদের নিকট প্রিয় হবেন। স্বামী নিকটাত্মীয়দের কাছে স্নেহ-ভাজন ও প্রিয় হতে এবং শাশুড়ির মন জয় করতে ১০ টি উপায়।

০১. স্বামীর পরিবারের লোকজনের সাথে অত্যন্ত সুন্দরভাবে মিলে মিশে চলবেন।

০২. যাবতীয় আচরণ-উচ্চারণ, চলা-ফেরা ও কথা-বার্তায় আদব ও শিষ্টাচার প্রদর্শন করবেন।

০৩. ছোটদেরকে স্নেহ করবেন ও বড়দেরকে সম্মান করবেন।

০৪. নিজের কোন কাজ অপরের জন্য রেখে দিবেন না। নিজের কোন জিনিস অন্যের উপর নির্ভর করে ফেলে রাখবেন না।

০৫. শাশুড়ী ও স্বামীর বোনেরা পরিবারের যে সব কাজ করতে পারে, তা করতে সংকোচ বোধ করবেন না। বরং নিজে আগে বেড়ে তাঁদের থেকে নিয়ে করে ফেলবেন। ফলে তাঁদের অন্তরে আপনি বিশেষ অবস্থান লাভ করবেন এবং আপনার প্রতিও তাঁদের মায়া-মমতাও বৃদ্ধি পাবে।

০৬. ঘরে যে কোন দু’জনে একান্তে কথা বলার সময় তাঁদের থেকে দূরে অবস্থান করবেন। কাছে থাকলেও দূরে সরে যাবেন। দু’জনে কি বললো না বললো তা জানার জন্য পেছনে পড়বেন না। তাঁরা আপনার সম্পর্কে কিছু বলছে—এ জাতীয় অহেতুক ধারণা করতে যাবেন না।

শাশুড়ি মা০৭. বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবেন যে, শ্বশুরালয়ে যেন আদব ও শিষ্টাচার পরিপন্থী কোন কিছু আপনার থেকে প্রকাশ না পায়। সম্পূর্ণ নতুন জায়গা, নতুন পরিবেশ ও নতুন লোকজন হওয়াতে প্রথম প্রথম আপনার মন না বসলেও মনকে বুঝিয়ে নিবেন। সেখানে নিজ বাপের বাড়ির জন্য কান্নাকাটি করে বিব্রতকর অবস্থা সৃষ্টি করবেন না। কারণ, যেখানের জন্য আপনার এ কান্নাকাটি, সেখানে যাওয়া মাত্রই আপনি আসার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়বেন।

০৮. অহেতুক কথা-বার্তা বলতে যাবে না। যা বলবেন ধীর-স্থিরভাবে চিন্তা-ভাবনা করে বলবেন। নিজে এতো অধিক কথা-বার্তা বলবেন না, যা অন্যদের জন্য বিরক্তির কারণ  হয়। আবার এমন নিরবতাও পালন করবেন না যে, আপনার মুখ থেকে শব্দ বের করতে তোষামোদের প্রয়োজন হয়। কেননা এটাকে মানুষ শিষ্টাচার-বিরোধী ও অহংকার মনে করে থাকে।

০৯. স্বামীর পরিবার পরিজনের কোন কাজ বা কথা আপনার মনের খেলাফ বা আপনার জন্য কষ্টদায়ক হলে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে তা স্বামীর কাছে বা অন্য কারো কাছে প্রকাশ করবেন না। স্বামীর বাড়ীর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়সমূহ বাপের বাড়ীতে এসে মায়ের কাছে বর্ণনা করা এবং ম্যা খুঁটে খুঁটে জিজ্ঞেস করে জানতে চাওয়া বড়ই খারাপ ও নিন্দনীয় কাজ। এসব কারণেই স্বামীর পরিবার ও স্ত্রীর পরিবারের মধ্যে মন কষা-কষি ও ঝগড়া-বিবাদের সূত্রপাত হয়। এছাড়া আর কোনই ফায়দা নেই।

১০. স্বামীর মা-বাবা যদি জীবিত থাকে এবং স্বামী তার উপার্জিত সমস্ত টাকা-পয়সা আপনার হাতে না দিয়ে মা-বাবার হাতে দিয়ে দেয়, তাহলে এটাকে আপত্তিকর মনে না করে বরং আপনি তার প্রশংসা করবেন। এমনকি আপনার হাতে দিতে চাইলেও আপনি তা গ্রহণ না করে শ্বশুর-শাশুড়ীর হাতে দেওয়ার পরামর্শ দিবেন। জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় এটাই। এর ফলে তাঁদের অন্তরে আপনার ব্যাপারে  কালিমা মুক্ত স্বচ্ছ ধারণা থাকবে এবং  তারই সাথে অন্যদের মতো আপনার উপর এ অভিযোগ করতে পারবে না যে, আপনি তাঁদের ছেলেকে আপনার আয়ত্তে নিয়ে গেছেন।


আপনার জন্য সহায়ক এমন কিছু বইয়ের নাম নিচে দেওয়া হলো। বিনামূল্যে পড়তে আপনার  পছন্দের বইয়ের নামের উপরে ক্লিক করুণ।

০১. আদর্শ স্বামী স্ত্রী ২

০২. আদর্শ রমণী

০৩. স্বামী স্ত্রীর সুন্দর জীবন।

০৪. নারীদের যৌন জ্ঞান।

০৫. পরনারী হতে স্বামীকে দূরে রাখার উপায়

প্রিয়  পাঠক/পাঠিকা, আপনাদেরকে জানানোর জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। তাই আপনি নিজে জানুন, অন্যকে জানাতে শেয়ার করুন এবং আমার বাংলা পোস্ট.কম এ যোগ দেওয়ার জন্য আপনাদের বন্ধু ও পরিচিত লোকদেরকে আমন্ত্রণ জানান। আমাদের পোস্ট আপনার কাছে কেমন লাগে এবং আমাদের পোস্ট সম্পর্কে আপনার প্রতিক্রিয়া জানাতে কমেন্ট করুন। আপনার মতামত সাইটের উন্নতির জন্য ব্যবহৃত হবে। আমাদের পাশাপাশি আপনিও লিখুন “আমার বাংলা পোস্ট.কম এ।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন

নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন-১১-২০

নতুন ৫৪টি নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন বা নকশা দেখুন। টপ ৫৪ টি ব্লাউজের নকশা থেকে এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE