Breaking News
Home / নারী / নারীর জীবনধারা / স্তন যুগল আকর্ষণীয় করতে

স্তন যুগল আকর্ষণীয় করতে

কোনো কোনো মেয়ের স্তন ছোট এবং সুডৌল যে, পুরোটা হাতের মুঠোর মধ্যে ধরা যায়, আবার কোন কোন মেয়ের স্তন ফুটবলের মত প্রকান্ড, দু’হাত ভরেও আশপাশ থেকে বেরিয়ে পড়ে। তবে পুরুষের রুচি ভেদে এই দু’জাতের স্তনকে সুন্দর আবার কেউ বা অসুন্দর আখ্যা দিয়ে যাচ্ছেন—- যদিও সৌন্দর্যবোধ স্রেফ আপেক্ষিক ব্যাপার। মেয়েদের স্তন যৌবন-কালে পরিপূর্ণতা লাভ করলেও তার সম্পূর্ণতা ঘটে মেয়েদের মাতৃত্বে। মেয়েদের যৌবন কালে যে ম্যামারী গ্ল্যান্ড স্তনকে বড় করে তুলে সেই স্তনদ্বয়কে ঈষৎ লোল বা শ্লথ করে মাতৃত্বে, সঙ্গে সঙ্গে  মেয়েদের স্তনদ্বয় সবচেয়ে বড় হয়ে উঠে এবং সন্তান জম্মের পর সেই উন্নত শীর্ষে স্তনদ্বয় ঝুলে পড়তে থাকে যা সভ্যদেশের মেয়েরা স্তন সম্পর্কে খুবই সচেতনশীল । বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই এরা স্তন সম্পর্কে আগ্রহী। এই সময় থেকেই বহু কিশোরীর মধ্যেই নার্সিসিজম (নিজের দেহের সঙ্গে প্রেম) মনোবৃত্তি জেগে উঠে। স্তন সম্পর্কে এই সময় থেকেই লজ্জা আসতে আরম্ভ হয় এবং স্তনদ্বয়কে স্ফীত ও উন্নত করার চেষ্টা করে, দেহশ্রী আকর্ষণীয় করার সবরকম চেষ্টা এই বয়স থেকেই আরম্ভ হয়, পুরুষের নজর থেকে স্তনদ্বয়কে আড়াল করবার বা ঢাকবার মানসিকতা আসে।

নারীদেহের আসল সম্পদ হলো তার স্তন। দেহ সৌন্দর্যে কিংবা যৌন আকর্ষণে। বহিরঙ্গের বিচারে পুরুষ প্রথমেই নারীর স্তনকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। অসাধারণত সুন্দর মুখশ্রীযুক্ত নারীরও স্তন যদি চ্যাপ্টা, শিথিল ও খুবই ছোট হয় পুরুষের কাছে তার আকর্ষণ অনেক কমে যায়। তাই কবি, শিল্পীরা নারীর সৌন্দর্য বর্ণনায় স্তনকেই সবকালে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন।

সব পুরুষই নারীর সুডৌল ও পীনোন্নত স্তনকে যৌনাকর্ষণের মন্দির চুড়া বলে মনে করে। স্বাভাবিক ভাবে আর শক্ত হয় না—- ম্যামারী গ্ল্যান্ড থেকে রস (দুগ্ধ) ক্ষরণ এর আরো একটি কারণ। মেয়েদের ‘মা’ হবার আগে স্তন বেশী মর্দন করলে একটু নম্র হয়ে যায় বটে কিন্তু কোন ভাবেই মা হবার আগে সকল সৌন্দর্য ঝুলে পড়ে না। ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে মেয়েদের অন্তঃস্রাবী গ্রন্থির রসক্ষরণের দরুণ স্তনদ্বয় বর হয়ে উঠে; রসক্ষরণের অবস্থা ভেদেই অনেক মেয়ের স্তন আকারে ছোট হয়-এরূপ ক্ষেত্রে স্তনের আয়তন বৃদ্ধির জন্য ইসট্রোজেন হরমোন প্রয়োগ করা কিম্বা ইসট্রোজেন মিশ্রিত অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা চলতে পারে। আজকাল অনেক তরুণী তাদের স্তনের বিরাটত্ব লাঘব করবার জন্যে প্ল্যাস্টিক সার্জারির আশ্রয় গ্রহণ করে থাকেন।

মেয়েরা কৈশোর সময় থেকে অর্থাৎ তাদের বয়ঃসন্ধির সময় থেকে তাদের দেহের পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠতে থাকে; আজকাল আধুনিক মায়েরা তাদের ১৬/১৭ বছরের মেয়েকে ফ্রক পরিয়ে রাখেন। যখন ফ্রকের মধ্যে স্তনদ্বয় বৃদ্ধি পেয়ে ফ্রক ঠেলে মাহা উঁচু করে দাঁড়াতে চায় তখন যৌন সচেতন মেয়েরা পুরুষের কামুক দৃষ্টি থেকে উঠন্ত স্তন দু’টিকে আড়াল করবার জন্যে কুঁজো হয়ে চলতে আরম্ভ করে ফলে অনেক মেয়ে বয়স কালে কোল কুঁজো হয়ে পড়ে—তাদের স্বাভাবিক দেহশ্রী আর থাকে না। আবার অনেক কিশোরী মেয়ে স্বাভাবিক কারণে তাদের অপুষ্ট স্তনদ্বয়কে টিপে টিপে বড় করবার জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে—অনেকে রবারের তৈরী কৃত্রিম স্তন কাঁচুলির মধ্যে পরে পুরুষের মন ভোলাতে চায়।

দেশ-বিদেশের বহু চিত্রতারকারাই তাদের বক্ষ সৌন্দর্য বাড়াবার জন্য প্লাস্টিক সার্জারির সাহায্য নিয়ে থাকেন। আমাদের দেশের চিত্রতারকারাও কসমেটিক সার্জারির সাহায্য নিয়ে থাকেন। বোম্বের এক নম্বর নায়িকা একসময় তার স্তনযুগল উন্নত করার জন্য বিশেষ প্যাড ব্যবহার করতেন। কিন্তু একটি নৃত্যদৃশ্যে অভিনয় করার সময় সেটা প্রকাশ হয়ে পড়ায় কসমেটিক সার্জারির সাহায্য নেন। সিলিকন প্রসথেসিস করে তার স্তনযুগল উন্নত করা হয়। বম্বে ভিত্রজগতের বহু নায়িকাই ‘ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট’ করে তাদের স্তন উন্নত করেছেন। কসমেটিক সার্জারির কল্যাণে আজ বহু নায়িকাই তাদের ছোট বা শিথিল স্তনকে সুডৌল ও পীনপয়োধরা এবং স্ফীত বিশাল স্তনকে মনের মতো সাইজে আকর্ষণীয় করে তুলছেন।

 

মেয়েদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির ও যৌন আকর্ষণের প্রধান কেন্দ্র হল স্তনদ্বয়। এ ব্যাপারে সুসভ্য ও অসভ্য জাতির মধ্যে ঐক্য ও মতভেদ দেখা যায়। ইউরোপে মেয়েরা তাদের স্তনকে দেহশ্রী বৃদ্ধির ব্যাপারে যথেষ্ট গুরুত্বদান করে থাকে। ও দেশের মেয়েরা তাদের সাজসজ্জায় স্তনদ্বয়কে পুরুষ সমাজে দর্শনীয় করে তোলে; ওরা উন্নত ও পুষ্ট স্তনের অভাবে অনেক সময় মোম অথবা ববারের স্তন কাঁচুলির মধ্যে ব্যবহার করে থাকে; অর্ধ সভ্য পপুয়ারা মেয়েদের উন্নত বক্ষ সম্বন্ধে গোউরব বোধ করে। আবার এও দেখা গেছে অনেক অসভ্য জাতি মেয়েদের উন্নত বুক মোটেই পছন্দ করেনা। তারা অস্বাভাবিক উপায়ে মেয়েদের উন্নত সমতল করে দেয়। উন্নত স্তনদ্বয়কে ওরা কুশ্রী আখ্যা দিয়ে থাকে। এই মনোভাবের জন্যে বুলগেরিয়ার পরিচয় দিতে দেখা যায়, এ সম্পর্কে হ্যাভলক এলিস লিখেছেন”—In mediaeval Europe, indeed, the general ideal of feminine slenderness was opposed to develop breasts. And the gar-ments tended to compress them. But in a very high degree of civilization this feeling is unknown, as indeed, it is unknown to most barbarians, and the beauty of a women’s breast, and of any natural or artificial objects which suggest the gracious curves of bosom is a universal source of pleasure. পুরুষদের মধ্যে যৌনসঙ্গিনী নির্বাচনে মেয়েদের স্তন নিয়ে মাতামাতির অন্ত নেই; কোমর সরু ও স্তন পরিপুষ্ট করে দেখাবার জন্যে যুগযুগান্তর ধরে জামা-কাপড় পরার ফ্যাসন শুধু এই জন্যই বার বার পুরুষের রুচি অনুসারে অদল-বদল হয়েছে ও হচ্ছে। সুসভ্য জাতের পুরুষেরা মেয়েদের সুডৌল পরিপূর্ণ স্তনকে সৌন্দর্যের মন্দিরচূড়া বলে মনে করে। আবার আফ্রিকাবাসী পুরুষেরা মেয়েদের নেতিয়ে পড়া স্তনদ্বয়কে সুন্দর বলে মনে করে। আফ্রিকান মেয়েদের স্তন অল্প বয়সে ঝুলে যায়। রেভারেন্ড জেরসকো জার্নাল অব দি অ্যানথ্রপোলজিক্যাল ইনষ্টিটিউটে উল্লেখ করেছেন যে, আফ্রিকার উগান্ডাবাসী যুবতী মেয়েরা স্তন নিচে নামাবার জন্যে ভারী জিনিস বেঁধে রাখে, একজন বিখ্যাত লেখক চিত্রসহযোগে দেখিয়েছেন যে, কোন কোন বর্বর জাতির মেয়েরা বুক চ্যাপ্টা করবার জন্যে যন্ত্রের অনুরূপ জিনিস ব্যবহার করে (adapt device for flatting this part of body)।

উপরে উল্লেখ করেছি যে, মেয়েদের স্তনের আয়তন ও আকার জাতি হিসাবে, বংশ ও পরিবার হিসাবে ছোট কিম্বা বড় হতে পারে। পোর্ট মারসডির ব্যাপুয়া জাতির নানান বয়সী মেয়েদের ছবি থেকে দেখা যায় যে, কিশোরী মেয়ে থেকে প্রৌঢ়া নারীর, কারোই স্তন সুডৌল ও পরিপূর্ণ নয়; এ জাতের সকল বয়সী মেয়েরই স্তন ছোট; সুসভ্য ইউরোপীয় জাতির মেয়েদের মধ্যেও স্তনের তারতম্যের ইতর-বিশেষ ঘটে থাকে। “The racial variation in the form and character of the breasts are great, and there are considerable variation even among Europians”

মেয়েদের স্তন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য বই হচ্ছে Ploss ও  Bartels Das welb.

মেয়েদের নিতম্বের পরই স্তন পুরুষদের সবচেয়ে বেশী কামার্ত করে থাকে। নর-নারীর যৌন সম্ভোগের সময়ে তাই স্তনের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ । রতিসজ্জায় মেয়েদের রূপবতী করতে হলে স্তন মর্দনে ও চোষণে তাদের বিশেষভাবে কাম উত্তেজিত করে।

বাৎস্যায়ন তার কামসূত্রম গ্রন্থে স্তনের বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন; রতিসজ্জায় অনেক মেয়ে (বিশেষ করে যারা কখনও গর্ভবতী হয়েছে) মর্দন অপেক্ষা চোষণের অধিক পক্ষপাতি—স্তন চোষণে অনেক মেয়ের সারা শরীর রোমাঞ্চিত হয়ে উঠে। কামোত্তেজিত হলে তাদের স্তনদ্বয়ের সাময়িক পরিবর্তন ঘটতে দেখা যায়। এই সময় স্তনের বোটা দুটি শক্ত হয়ে উঠে; ফর্সা মেয়েদের স্তনদ্বয়ের মসৃণ ও পাতলা চামড়ার অন্তরাল থেকে সোজা চোখেই দেখা যাবে যে ঐ দুটির শিরা ও উপশিরাগুলি স্ফীত হয়ে উঠেছে; রাগকালে মেয়েদের স্তন দুটি আকারেও একটু বড় হয়ে যায়—এই সময় মেয়েদের স্তন চোষণ করলে শারীরিক সুখানুভব ঘটে। তবে রাগবতী হলে স্তনের চেয়ে ঢের বেশী পরিবর্তন ঘটে ভগদেশের। সভ্য দেশের মেয়েরা স্তন সম্বন্ধে খুবই সচেতনশীল; বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই এরা স্তন সম্পর্কে আগ্রহী হয়—-এই সময় থেকে অনেকের নার্সিসিজম মনোবৃত্তি জেগে উঠে অর্থাৎ তারা নিজের দেহকে ভালবাসতে আরম্ভ করে, এদের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের জন্যে স্তন সম্পর্কে এই সময় থেকে লজ্জা আসতে আরম্ভ হয় এবং স্তনদ্বয়কে উন্নত করে, দেহশ্রী বজায় রাখবার সকল রকম চেষ্টা এই বয়স থেকে আরম্ভ হয়; পুরুষ মানুষের চোখ থেকে স্তনদ্বয়কে আড়াল করবার বা ঢাকবার মানসিকতা এই সময় থেকেই আসে।

আপনি পড়ছেনঃ মেডিক্যাল সেক্স গাইড থেকে>>স্তন যুগল আকর্ষণীয় করতে

প্রিয় পাঠক/পাঠিকাঃ আমাদের সাইটের পোস্ট পড়ে যদি আপনার কাছে ভালো তাহলে শেয়ার করুণ। এবং আপনার বন্ধুদের কে আমন্ত্রণ জানান আমাদের সাইটে যোগ দেওয়ার জন্য।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন

নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন-১১-২০

নতুন ৫৪টি নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন বা নকশা দেখুন। টপ ৫৪ টি ব্লাউজের নকশা থেকে এই …

No comments

  1. ধন্যবাদ

    • আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE