Breaking News
Home / যৌন জীবন / যৌন সমস্যা ও সমাধান / দ্রুত বীর্যপাতঃ প্রতিকারে স্ত্রীর ভূমিকা

দ্রুত বীর্যপাতঃ প্রতিকারে স্ত্রীর ভূমিকা

পুরুষের যৌন জীবনের অন্যতম প্রধান সমস্যা দ্রুত বীর্যস্খলন। যে পুরুষ যত বেশিক্ষণ বীর্যরোধ করে রতিমিলনে অবিচল থাকজতে পারেন—তিনি নিজেকে যৌন জীবনে তত শক্তিমান এবং সার্থক মনে করেন। এমনি ধারণার কারণও আছে। নারীর উত্তেজনা যেমন দ্রুত হয় না—রতি তৃপ্তি হতেও তেমনি সময় লাগে বেশি। এই দীর্ঘ সময় ধরে পুরুষকে মিলনে প্রবৃত্ত  থাকতে হয়। কিন্তু শতকরা ৯০ জন পুরুষ বোধ হয় পাঁচ মিনিটের কম সময় বীর্যরোধ করে থাকতে পারেন। এই জন্য যারা বেশিক্ষণ বীর্যধারণ করতে পারে তারা নারীকে সন্তুষ্ট করতে পারেন বলে নিজেরা গর্বিত হন। এমন বহু পুরুষ আছে যাদের লিঙ্গ প্রবেশের সময় অথবা প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে বীর্যস্খলন করে ফেলেন—এবং দীর্ঘ দিন যদি এই অবস্থা চলে তবে নারী ও পুরুষ উভয়েই অতৃপ্তিজনিত এক মানসিক বিষাদে ভুগতে শুরু করেন। অতৃপ্ত নারী স্বামীকে দোষ দেয়, অক্ষম বলে তিরস্কার করে—কখনও বিদ্রূপও করে। এই জন্য যেসব পুরুষের দ্রুত বীর্যস্খলন হয়—তারা এক মারাত্মক মানসিক দুঃশ্চিন্তায় ভুগতে থাকেন। বিবাহজীবনে এতবড় দুর্বিপাক আর নেই, এর মত অসুখী অবস্থাও আর নেই। দীর্ঘদিন যদি কোন পুরুষের এই অবস্থা চলতে থাকে—এবং তা যদি সময় মত চিকিৎসা না হয়—তাহলে শেষ পর্যন্ত ঐ পুরুষ যৌনজীবনে সম্পূর্ণ অক্ষম (impotent) হয়ে যান।

দ্রুত বীর্যস্খলন অনেক প্রকার আছে।

(এক) যোনিদেশে লিঙ্গ প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে বীর্যপাত।

(দুই) নারীর রতিতৃপ্তি লাভের অনেক আগে বীর্যপাত।

(তিন) লিঙ্গ যোনিদেশে প্রবেশের সময় বীর্যপাত এবং এর থেকে মারাত্মক হচ্ছে, নারীর দৈহিক সংস্পর্শে আসার অব্যবহিত পরেই—অর্থাৎ নারীকে আলিঙ্গন, চুম্বন করা বা মিলনের জন্য প্রস্তত হবার সঙ্গে সঙ্গে বীর্যপাত। দ্রুত বীর্যস্খলন যত প্রকার আছে, তাঁর মধ্যে শেষেরটি মারাত্মক শ্রেণীর। অনেকের লিঙ্গে উত্তেজনা হয় না—কিন্তু বীর্যস্খলন হয়ে যায়। শিথিল লিঙ্গ থেকে প্রস্রাবের মত গড়িয়ে পড়তে থাকে বীর্যরস অথবা লিঙ্গ হয়ত অর্ধেক মাত্র উত্তেজিত হয়েছে—এমন সময় বীর্যস্খলন হয়ে যায়। সবাই জানেন, পুরুষের বীর্যস্খলন হয়ে গেলে সে আর রতিক্রিয়ার অংশ গ্রহণ করতে পারে না, বেশ কিছুক্ষণের জন্য—কারণ লিঙ্গ তখন আর দৃঢ় হয় না।

দীর্ঘকাল যাবত যদি এইভাবে অকালে বীর্যপাত হতে থাকে তবে তা নিশ্চয়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চিকিৎসকরা মনে করেন যে, পুরুষের যৌনাঙ্গে আধা-অক্ষমতা দেখা দিলে অনেক সময় এই অবস্থা হয়। চিকিৎসা না হলে এর থেকে ‘সম্পূর্ণ অক্ষম’ পরিণত হওয়া বিচিত্র নয়। সে প্রতিদিন মিলনকালে দীর্ঘক্ষণ বীর্যধারণ করতে না পেরে—স্ত্রীকে অতৃপ্ত রেখে মিলন শেষ করতে বাধ্য হয়—খুব তাড়াতাড়ি তাঁর মনের মধ্যে একটা দুর্বল এবং পরাজিতের মনোভাব গড়ে ওঠে। সে তখন নিজেকে ব্যর্থ বলে মনে করে—এবং স্ত্রীর থেকে নিজে কম শক্তিশালী ভেবে অত্যন্ত মানসিক যন্ত্রানায় কষ্ট পায়। যতবার সে এইভাবে পরাজিত হয় ততবারই তাঁর মনে এমন এক ভীতির সৃষ্টি হয় সে কোন প্রকারেই আর নিজের উপরে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে না বলে একবারও সার্থক ভাবে মিলিত হতে পারে না। অনেকে এই লজ্জাকর পরিণিত এড়ানোর জন্য রতিমিলনে প্রবৃত্ত হতেই চায় না। স্ত্রীকে এড়িয়ে চলে—অথবা স্ত্রীর সামনে অপরাধীর মত জীবনযাপন করে।

অকাল বীর্যস্খলনের সমস্যা এমন এক সংবেদনশীল এবং লজ্জাজড়িত বিষয় যে—পুরুষেরা এই পরাজয়ের সংবাদ চিকিৎসককে জানিয়ে চিকিৎসার বন্দোবস্ত করতেও লজ্জায় পায়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষের এই অসুবিধার কথা স্ত্রীই সুকৌশলে চিকিৎসকের কাছে হাজির করেন। যে নারী চিকিৎসকের সাহায্য নিতে পারেন না স্বামীর ভয়ে—অথবা যে স্বামী লজ্জার বশে চিকিৎসা করতে পারেন না—এবং এই অবস্থাকে নিয়তি বলে ভেবে নেন—তাদের অতৃপ্ত স্ত্রীর সাধারণতঃ আশাভঙ্গ হয়ে শেষ পর্যন্ত অন্য পুরুষসঙ্গীর সন্ধান করে গোপনে গোপনে। অনেক মহিলা শুধু এই কারণেই বিবাহ বিচ্ছেদ করেন।

দ্রুত বীর্যস্খলনের প্রধান কারণ পুরুষের লিঙ্গের এবং সংশ্লিষ্ট জননাঙ্গের অতি সংবেদনশীলতা (Hypersensitivity)। যৌন উত্তেজনা যদি তীব্র হয় রবং দৈহিক ক্ষেত্রে ঐ উত্তেজনা যদি আরও দ্রুতগতিতে প্রতিফলিত হয়—তাহলে বীর্যস্খলন হয়। পুরুষের যৌনাঙ্গ যদি তীব্রভাবে উত্তেজনার দ্বারা শিহরণ লাভ করে তাহলে দেহের শিহরণ এবং উত্তেজনা দ্রুত হয়ে প্রস্টেট গ্রন্থির মধ্যে এক শ্রেণীর কম্পিত তরঙ্গ তুলতে থাকে—এবং মানসিক ও দৈহিক উত্তেজনার চাপে প্রস্টেটের সঙ্গে সংযুক্ত স্নায়ুরা শিহরণের ফলে তীব্রভাবে স্পন্দিত হতে থাকে, এর ফলে পুরুষের অনিচ্ছা সত্ত্বেও প্রস্টেট থেকে বীর্যপাত গড়িয়ে লিঙ্গ দিয়ে বের হয়ে আসে। কখনও সামান্য জোরের সঙ্গে, কখনও বা সাধারণ গতিতে বীর্যস্খলন হয়।

এই অতি – উত্তেজনার দরুণ তীব্র যৌন শিহরণ শুধু দৈহিক হতে পারে। কখনও লিঙ্গ মুখের স্নায়ুরা এত সংবেদনশীল হয়ে ওঠে যে, নারীদেহের সংস্পর্শে আসামাত্রই স্নায়ুরা তীব্রভাবে স্পন্দিত হতে থাকে এবং এই স্পন্দনের ফলে প্রস্টেটগ্রন্থির সঞ্চয়গার থেকে বীর্যস্খলন হয়ে যায়। কখনও নারী যৌনাঙ্গে প্রবেশের জন্য যে সামান্য তৎপরতার প্রয়োজন হয়—তাতেই লিঙ্গমুখের স্নায়ুতন্ত্র তীব্রভাবে উত্তেজিত হওয়ার বীর্যস্খলন হয়ে যায়। মানসিক কারণে এইভাবে দ্রুত বীর্যস্খলন হয়। যে সব পুরুষ অন্যন্ত কামাবেগপ্রবণ  অর্থাৎ সহজ ভাষায় যারা কামুক এবং যারা কামনাতৃপ্তির জন্য মৃদু উদ্বেগ সব সময় বোধ করেন—উত্তেজনা তীব্র হলে তারা নিজেদের সামলে রাখতে পারেনা— নারী দেহের সংস্পর্শে এলেই তাদের উত্তেজনার চরমে ওঠে এবং বীর্যস্খলন হয়ে যায়। মানসিক ভীতি এবং অপরিচিত পরিবেশে অপরিচিত কিন্তু সুন্দরী নারীর সান্নিধ্যে এলে অনেক পুরুষের দ্রুত বীর্যস্খলন হয়ে যায়।

যারা গোপনে কোন নারীর সঙ্গে মিলিত হন—তারা সামাজিক এবং অন্যবিধ ভয়ে মিলনকালে ভীত হয়ে পড়েন—এবং মানসিক ভীতির সঙ্গে কামনাজনিত উত্তেজনা মিশ্রিত হয়ে দ্বিবিধ স্নায়ুবিক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে—তাতে বহু সুস্থ এবং স্বাভাবিক পুরুষের দ্রুত বীর্যস্খলন হয়ে যায়। আবার পতিতা বা বাঈজীদের কাছে যারা যান—তাদেরও অনেক সময় অপরিচিত পরিবেশ, সামাজিক লাজ লজ্জার ভয় এবং যৌনরোগের ভয় ইত্যাদি মনকে ভীতিগ্রস্ত করে তোলে। এরপর সুন্দরী পতিতা বা বাঈজীরা যখন নগ্ন দেহে এদের আলিঙ্গন করে অথবা যৌন মিলনে আহ্বান করে—তখন এরা এমন এক বিহ্বল অবস্থায় পড়েন, যে উত্তেজনা বিশেষ করে লিঙ্গের উত্তেজনা, সম্পূর্ণ নষ্ট হয়—কিন্তু মানসিক ও দৈহিক উত্তেজনা ফলে নারীর যৌনাঙ্গ স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে বীর্যস্খলন হয়ে যায়। সদ্য বিবাহিতদের এমনি অকালে বীর্যস্খলন হতে দেখা যায়। তবে অকালে  এবং অসময়ে বীর্যস্খলনের প্রধানতঃ দুটি কারণঃ একটি মানসিক উত্তেজনার তীব্রতা, এর সঙ্গে কোন প্রকার ভীতিও থাকতে পারে, অপরটি দৈহিক সংবেদনশীলতার তীব্রতা।

পুরুষের অকাল বীর্যপাতের সমস্যা অতি পুরাতন। এজন্য চিকিৎসকগণও দীর্ঘদিন ধরে চিন্তা করছেন এমন কোন ওষুধ বা নিরোধক উপায় আবিস্কার করা যায় কিনা। বহু  পদ্ধতি চেষ্টা করে দেখা হয়েছে—কিন্তু সার্থকতা  কোথাও মনোমত হয় নি।

অকাল বীর্যপাত বন্ধ কররা জন্য চিকিৎসকরা বোধ হয় সবার আগে আবিস্কার করেন—এ্যানেসথেটিক অয়েন্টমেন্ট বা অনুভূতি নাশক মলম। এই মলম যৌন মিলন শুরু হবার আগে লিঙ্গশীর্ষে লাগানো হয়। এই মলম যে স্থানে লাগানো হয় সেই স্থানের কোন অনুভূতি শক্তি বেশিক্ষণ থাকে না। এর ফলে পুরুষ দীর্ঘক্ষণ নারীর যোনিদেশের সংস্পর্শে থাকলেও তীব্র উত্তেজনার ফলে দ্রুত বীর্যপাত হয় না। এর পরের আবিস্কার ট্রাস্কুলাইজার শ্রেণীর ওষুধগুলো। স্লিপিং পিল জাতীয় এই ওষুধ গুলো পুরুষ খেলে তাঁর মধ্যে যে উদ্বেগ এবং মানসিক অস্থিরতা থাকে তা দ্রুত কমে গিয়ে মনে একটা শান্তভাব আসে—এতে মানসিক এবং দৈহিক উত্তেজনা কমে যাওয়ায় দ্রুত বীর্যস্খলন রোধ হয়। জনৈক যৌনবিজ্ঞানী বলেছেন যে, তাঁর এক রোগী দ্রুত বীর্যপাত রোধ করার জন্য যৌন মিলন শুরু হবার সঙ্গে সঙ্গে কঠিন অঙ্ক মনে মনে কষতে থাকতেন—এর ফলে তাঁর মন বাইরের চিন্তায় কিছুটা বিক্ষিপ্ত থাকায় বীর্যস্খলন হতে দেরী হতো। বলা যায় মনের ভিন্নমুখী চিন্তার ফলে দৈহিক উত্তেজনা কিছুটা কমে  যেত। ঐ বিজ্ঞানীর আর একজন রোগী যৌন মিলনের সময়  ভিন্নমুখী চিন্তায় চালিত কররা জন্য ইংরেজী বর্ণমালা গুলি শেষের দিক থেকে পড়তে শুরু করতেন। এতে তাঁর মানসিক চিন্তা ভিন্নপথে প্রবাহিত হওয়ার দৈহিক স্নায়ুবিক উদ্বেগ কমে যেত। ফলে  বীর্যস্খলন দ্রুত হতো না। কিন্তু এইসব প্রতিক্রিয়া কোনটিই সম্পূর্ণ রূপে সফল নয়। কারও কারও এই সব প্রতিক্রিয়ার দ্বারা ভাল কাজ হলেও সবার হয় না। অথবা কারও কারও আবার প্রথম দুচারদিন কাজ হয়। পরে আর কাজ হয় না।

আধুনিক চিকিৎসকেরা এই প্রধান যৌনসমস্যাটির সমাধানের জন্য এমন একটি নতুন উপায়ের কথা বলেছেন—যার মধ্যে পূর্ণ নিরাময়ের প্রতিশ্রুতি লক্ষ্য করা যায়। এই চিকিৎসাও অনুভূতিহীনকারী পদ্ধতির শ্রেণীভুক্ত। কিন্তু প্রত্যেকবার মিলনের সময় কোনপ্রকার ওষুধ বা মানসিক প্রক্রিয়া দ্বারা অনুভূতিহীন হতে দেয় না। পরিবর্তে, এই পদ্ধতি পুরুষের কামাবেগে উত্তেজিত হওয়ার কৌশলটি পুনরাবৃত্তি করার দ্বারা বেশী পরিমাণ যৌন উত্তেজনার ফলে বীর্যস্খলন প্রণালীকে সরল করে নিতে চায়।

এই কৌশল ব্যবহার করার দুটি পদ্ধতি আছে এবং দুটিই সহজ। এই দুটি কৌশল যে-কোন স্বামী এবং যে কোন স্ত্রী, যিনি অবশ্য স্বামীর এই ক্রটি দূর করে সুস্থ যৌনজীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চান, সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। যাদের বিবাহজীবন এই দুর্ভোগের জন্য ধ্বংস হতে বসেছে তাদের ক্ষেত্রে গল খুব দ্রুত পাওয়া যায়।

প্রেথম পদ্ধতিকে বলা হয় সক্রিয় আবেদন (active approach)—এই পদ্ধতিটির কথা নির্দেশ করেছেন ডিউক ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন চিকিৎসক ডাঃ জেমস এইচ সীম্যান্স। এই পদ্ধতিতে স্ত্রী তাঁর স্বামীর লিঙ্গ হাতের সাহায্যে এমনভাবে উত্তেজিত করতে থাকবেন যতক্ষণ না তাঁর স্বামী বুঝতে পারে যে তাঁর অনুভূতি এমন তীব্র অবস্থায় পৌঁছেছে যে এখনই হয়ত বীর্যস্খলন হয়ে যাবে। পুরুষ তখনই তাঁর স্ত্রীকে তাঁর অবস্থার কথা বলে থামিয়ে দেবেন। কিছুক্ষণ বন্ধ থাকলে উত্তেজনা ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে যাবে এবং এই সময় স্ত্রী পুনরায় হাতের সাহায্যে লিঙ্গে উত্তেজনা দেওয়ার কাজ শুরু করবে। আবার পুরুষ বীর্যস্খলন হবার সময় এসেছে বুঝতে পেরে স্ত্রীকে থামিয়ে দেবেন।

এই পদ্ধতি বেশ কিছুদিন ধৈর্য ধরে স্বামী-স্ত্রী অনুসরণ করলে লিঙ্গের তীব্র শিহরণ এবং স্পর্শকাতরতা অনেকটা সহ্য হয়ে যাবে এবং উত্তেজনা উতেজনা ও শিহরণ কিছুটা থিতিয়ে আসবে। প্রথম হয়ত ২-১০ দিন উত্তেজনার সময় স্ত্রীর হাতের পরেই বীর্যপাত হয়ে যেতে পারে—কিন্তু ধীরে ধীরে বীর্যস্খলনের সময় বাড়তে থাকবে এবং এমন এক সময় আসবে যখন দেখা যাবে পুরুষ অনির্দিষ্ট কাল বীর্যধারণ করতে পারছেন। কারণ বীর্যস্খলন তখনই দ্রুত হয় যখন লিঙ্গ স্ত্রীর যোনিপথের রসে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে যাবে। কিন্তু শুঙ্ক অবস্থায় বীর্যপাত দ্রুত হয় না। যদি শুকনো অবস্থায় স্ত্রীর হাতে লিঙ্গ উত্তেজনা অসহ্য লাগে—তবে লিঙ্গে কোনপ্রকার সাধারণ ক্রীম বা নারকেল তেল অল্পমাত্রায় ব্যবহার করতে নির্দেশ দিয়েছেন ডাঃ সীম্যান্স। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে লিঙ্গ এক প্রকার অনুভূতিহীনতা লাভ করবে যা মিলনকালে নারীর যোনিদেশে সিক্ত এবং মসৃণ অভ্যন্তরে বার বার স্পর্শ পেলেও তীব্রভাবে উত্তেজিত হয়ে বীর্যস্খলন করবে না।

দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হল নিষ্ক্রিয় আবেদন। ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল ফ্যাকাল্টির সদস্য এবং প্রখ্যাত যৌন মনোবিজ্ঞানী ডাঃ জোসেফ উল্প লক্ষ্য করেছেন  যে পুরুষের যৌন অক্ষমতা এবং দ্রুত বীর্যস্খলনের মূলে আছে যৌনপরিবেশজনিত মানসিক উদ্বেগ এবং ভয়। উদ্বেগ অত্যন্ত সহজে উত্তেজিত করতে পারে। ধরা যাক, যেসব পুরুষ অত্যন্ত ভীত এবং দৃঢ়মনা নন, তারা যে কোন যৌনমিলনের পরিবেশে এত ভয় পেয়ে যান যে, তিনি বুঝি কোন প্রকারেই তাঁর স্ত্রীর কামশক্তিকে জয় করতে পারবেন না এবং নিশ্চিত ভাবে পরাজিত হয়ে যাবেন। অনেকে এমনও ভাবেন যে তিনি বুঝি ঐ নারীর সঙ্গে ঠিকমত রতিমিলনও সমাধা করতে পারবেন না। এইসব উদ্বেগ এবং ভয়ার্ত ভাবনা পুরুষকে এমনভাবে শিহরিত করে তোলে যে—মিলন তো দূরের কথা, সামান্য চুম্বন দিতে গেলেই তাঁর সেই ভীতসন্ত্রস্ত মনোভাব তাঁর বীর্যবাহী গ্রন্থিকে এমনভাবে আন্দোলিত করে যে তাঁর বীর্যস্খলন হয়ে যায়। ডাঃ উল্পের পদ্ধতিতে এই শ্রেণীর পুরুষকে এমনভাবে অনুভূতিহীন করা হয়—যাতে সে নারীর সংস্পর্শে এলে তাঁর উদ্বিগ্ন ভাব কাটিয়ে উঠতে পারে। ডাঃ উল্পের উল্পের পদ্ধতিতে স্ত্রীকে স্বামীর লিঙ্গে উত্তেজনা দেওয়ার দরকার হয় না। এমন কিছু এই পদ্ধতিতে করতে দেওয়া হয় না যাতে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিপায়—বা যৌন মিলনের জন্য উদগ্রীব হতে হয়।

এই পদ্ধতিতে স্বামী-স্ত্রী ঘনিষ্ঠ রবং অন্তরঙ্গভাবে একে অন্যের সংস্পর্শে আসবেন—কিন্তু কেউ যৌনমিলনের জন্য কোন প্রকার আকাঙ্খা রাখবেন না। বিছানায় শায়িত অবস্থায় ততটুকু রতিলীলায় তারা ব্যাপৃত হতে পারেন—যতটুকু করলে ঐ পুরুষ কোনপ্রকার উদ্বেগ বোধ না করেন বা তাঁর বীর্যস্খলন না হয়। পুরুষ সব সময় মনে রাখবেন যে তিনি রতিমিলনে প্রবৃত্ত হচ্ছেন না—শুধু একটু রতিলীলা করছেন। যেহেতু এখানে এমন কোন বিশেষ লক্ষ্য নেই যেখানে ধীরে পুরুষকে গিয়ে পৌঁছাতে হবে অথবা—রতিমিলনের ব্যাপার নেই যে স্ত্রীকে সুখী করতে করতেই হবে—ফলে যৌন মিলনের সময় যে উদ্বেগ তাঁর মধ্যে জাগে—তা অনেকটা কম হয়।

এইভাবে নারীর ঘনিষ্ঠ দৈহিক সান্নিধ্যে থাকার জন্য পুরুষের মানসিক উদ্বেগ ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। এরপর তাঁর সহলশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং বীর্যস্খলন ছাড়াই সে দীর্ঘক্ষণ আলিঙ্গন,চুম্বন ইত্যাদি করতে পারবে। পুরুষের যৌনাঙ্গগুলি এমনভাবে তৈরি হয়ে উঠবে যে এর চেয়ে বেশী উত্তেজনা হলেও উদ্বেগ বোধ করবে না।

নিষ্ক্রিয় এবং সক্রিয় এই দুই পদ্ধতিতেই ফল ভাল হতে দেখা গেছে। তবে এই দুটি পদ্ধতির সুফল পেতে হলে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত চেষ্টা করে যেতে হবে। ডাঃ সীম্যান্স একজন রোগীর কথা উল্লেখ করেছেন—তিনি বিয়ের প্রথম পাঁচ বছর এমনি অকাল বীর্যপাতের অসুবিধায় ভুগছিলেন। তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হলে—সে পাঁচ সপ্তাহ যাবৎ নিষ্ক্রিয় পদ্ধতি অনুসরণ করার পর এই অসুবিধা কাটিয়ে উঠতে সমর্থ হয়—এবং তারপরে তাদের দাম্পত্যজীবন সুখী এবং সার্থক হয়ে উঠে। ডাঃ উল্প একজন রোগীর কথা জানিয়েছেন যে রতিমিলনের চেষ্টা করলেই  তাঁর বীর্যস্খলন হয়ে যেত। এর ফলে সে দীর্ঘ চারবছর রতিমিলনের কোন প্রকার চেষ্টা করতেই চাইত না। ডাঃ উল্পের নির্দেশে আটমাস চলার পর এই ভদ্রলোক স্বাভাবিক যৌনজীবনে ফিরে আসে এবং দীর্ঘক্ষণ যাবত রতিমিলনে অংশ গ্রহন্থ করতে সমর্থ হয়। কিন্তু এই উভয় পদ্ধতিতে সবচেয়ে বেশী সহায়তা এবং সহানুভূতি প্রয়োজন স্ত্রীর। স্ত্রী যদি ধৈর্য ধরে স্বামীকে সাহায্যে করেন—তবে স্বামীর পক্ষে এই বাঁধা কাটিয়ে ওঠা সবচেয়ে সহজ হয়। কোন পদ্ধতিই কার্যকরী হতে পারে না যদি স্ত্রী ইচ্ছুক এবং সহযোগিতার মনোভাব সম্পন্ন না হন। এই সময় স্ত্রী কোনভাবেই স্বামীকে সমালোচনা করবে না বা স্বামীর কাছে যৌনতৃপ্তি দাবী করবে না।

 

এই দুই পদ্ধতির দুটিতেই অথবা যে কোন একটিতেই স্বামী এবং স্ত্রীকে পৃথক পৃথক ভাবে উপদেশ দিয়ে পদ্ধতিটা বুঝিয়ে দেওয়া—তারপর স্বামী স্ত্রীকে একত্রে বসিয়ে জেনে নিতে হবে যে পদ্ধতিটা তারা দুজনে ঠিকমত বুঝতে পেরেছেন কিনা এবং ঠিকমত অনুসরণ করতে পারছেন কি না। এরপর স্বামী-স্ত্রীকে আবার  একত্রে ডেকে খোঁজ খবর নিতে হবে কয়েক সপ্তাহ পরে, যে-কোন অসুবিধা হচ্ছে কি না বা কিছুটা উপকার হয়েছে কিনা। এই পদ্ধতির যে-কোন একটি কৌশল অবলম্বন করলে প্রথম দিকে নিশ্চয় অকাল বীর্যপাত হবে—কিন্তু তাঁর মানে এই নয়  পদ্ধতিটা ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। বরং দম্পতি প্রথম প্রথম যেন এই ব্যর্থতাই আশা করেন। তবে ক্রমেই এটাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করতে হবে—এবং হবেও।

আকস্মিকভাবে যদি কোনদিন বীর্যস্খলন হয়ে যায় তবে ঐ দিন অন্যান্য প্রক্রিয়াগুলি কিছুটা বিলম্বিত হবে—এইমাত্র। কিন্তু স্বামী যদি প্রতিদিন স্ত্রীর সহযোগিতা পেতে চান তবে তাঁর যৌনউত্তেজনা নিবৃত্তির জন্য স্ত্রীর ক্লিটরিচে হাতের সাহায্যে উত্তেজনা দিয়ে স্ত্রীকে সাহায্য করতে হবে। ডাঃ উল্পের পদ্ধতিতে পুরুষ এমনভাবে রতিলীলা করবে যাতে তাঁর উত্তেজনা হয়—কিন্তু বীর্যস্খলন না হয়ে যায়।

অনেকে মনে করেন, যেসব পুরুষ অনেক বয়স পর্যন্ত বিছানায় মূত্রত্যাগ করতেন তারা অনেকেই এই অকাল বীর্যপাতে ভোগেন। সেইসব চিকিৎসকের মতে পুরুষরা প্রস্রাবের সময় মাঝে মাঝে প্রস্রাবের বেগ কিছুক্ষণ বন্ধ করে রাখতে চেষ্টা করবেন—কিছুক্ষণ বন্ধ থাকার  পর আবার প্রস্রাব ত্যাগ করবেন। এই অভ্যাস কিছুদিন করলে মূত্রনালীর মাংসপেশীর পরে যে কর্তৃত্ব আসবে তাতে অকাল বীর্যপাতও রোধ হবে।

অনেক সময় অকাল বীর্যপাত ঘটে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হলে। স্বাস্থ্য ঠিক হয়ে গেলে সব ঠিক হয়ে যায়, যেসব পুরুষ নারীর প্রতি ঘৃণা এবং ভয় থেকে যৌন অক্ষম হয়ে পড়েন—তাদের উচিত মনোবিজ্ঞানীর সাহায্য নেওয়া। পৃথিবীর প্রায় সব পুরুষ তাঁর জীবনের কোন না কোন সময়ে এই অকাল বীর্যপাতের সমস্যায় ভোগেন—আর সাধারণতঃ এর মূলে থাকে মানসিক দুঃশ্চিন্তা এবং দৈহিক ক্লান্তি।

অকাল বীর্যপাত যৌনজীবনের শুরুতেও অনেক সময় ঘটতে দেখা যায়। যারা ৫/৭ বা তাঁর বেশিদিন অন্তর মিলিত হন—তাদেরও মধ্যে এই ঘটনা ঘটতে দেখা যায়; কিন্তু যে সব কারণ এই দুর্বলতার পেছনে কাজ করে—তার মধ্যে প্রধান হল মানসিক দুঃশ্চিন্তা, উদ্বেগ এবং ভীতি।

সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি

  উপরোক্ত পদ্ধতি ছাড়াও সারা বিশ্বে যে পদ্ধতিটি সবচেয়ে জনপ্রিয় তাহল ‘মর্দন’ পদ্ধতি এবং ‘থামো-যাও পদ্ধতি। মর্দন পদ্ধতিটি হল এই—করোনা অর্থাৎ লিঙ্গমুণ্ড এবং লিঙ্গদেহের সংযোগস্থলে বুড়ো আঙ্গুল ও অন্যান্য অঙ্গুলি দিয়ে মর্দন করা। এতে বীর্যপাতের বিষয়টি বিলম্বিত হয়। কিন্তু সেটা করতে হবে যখন পুরুষটি বীর্যপাতের অনিবার্যতার  মুখে এসে পড়েছে তখন। ‘মর্দন’ পদ্ধতি পুরুষটিকে প্রশিক্ষণ দেয় কী ভাবে পূর্ণমাত্রায় উত্তেজিত হতে হয় এবং যোনিমধ্যে লিঙ্গ প্রবেশের সুখটি পুরোপুরি ভোগ করতে হয়। এই পদ্ধতিতে কিন্তু সঙ্গিনীর পূর্ণ সহযোগিতা দরকার।

প্রথমে পুরুষটি চিৎ হয়ে শুবে এবং তাঁর দিকে মুখ করে নারী তাঁর দুই পায়ের ফাঁকের মধ্যে বসবে। নারী সরাসরি পুরুষটিকে উত্তেজিত করার দায়িত্ব নেবে এবং পুরুষটির সঙ্কেত পেয়ে নারী তখন পুরুষের লিঙ্গের করোনাটিকে উপরোক্ত পদ্ধতিতে মর্দন করবে চার সেকেন্ড ধরে। এর ফলে বীর্যপাতের আগ্রহ পুরুষটির অনেক কমে যাবে, অন্তরঃ শতকরা ২০ ভাগ। এরপর নারী-পুরুষ দুজনেই ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা কররা পর আবার ঐ ভাবে মর্দন করবে। এর ফলে পুরুষটি উত্তেজিত হবে এবং প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর্যন্ত বীর্য ধরে রাখতে সক্ষম হবে।

দ্বিতীয় ক্ষেত্রেঃ নারী পুরুষের উপরে শোবে এবং লিঙ্গটিকে নিজের যোনির মধ্যে প্রবেশ করিয়ে নিয়ে নিশ্চল হয়ে শুয়ে থাকবে। উত্তেজিত কররা আর কোনো চেষ্টা করা হবে না এবং পুরুষটি লিঙ্গ যোনি সংস্পর্শের কথা একমনে চিন্তা করবে। পুরুষটি যখন বুঝবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে আর পারছে না (বহু পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গ যোনির সংস্পর্শে এলেই অদ্ভুত উত্তেজনা অনুভব করে), তখন ইশারায় নারীকে থেমে যেতে বলবে এবং মুক্ত লিঙ্গে আবার ‘মর্দন’ করতে হবে। উদ্দেশ্য হল যোনির মধ্যে প্রবিষ্ট থেকেও পুরুষের যেন স্খলন না হয়। এটা হবার পর উভয়ে আবার ক্রিয়া শুরু করতে পারে।

তৃতীয় ক্ষেত্রঃ লিঙ্গ ক্রমাগত প্রবেশ করান ও বের করানোর ব্যাপারটি পুরুষ খুব ধীরে ধীরে করবে, যতটুকু না করলে লিঙ্গ উত্তেজিত থাকে না। যে মুহূর্তে পুরুষটি বুঝতে পারবে বীর্যপাত অনিবার্য হয়ে উঠেছে, তখনই লিঙ্গকে মুক্ত করে আনতে হবে এবং ‘মর্দন’ প্রক্রিয়া প্রয়োগ করতে হবে। এই কাজটি করবে নারী তারপর  যখন পুরুষটি বুঝবে আবার যোনিতে প্রবেশ করা দরকার, তখন তাই করবে। এবার নারীটি তাঁর  নিতম্ব প্রদেশ ধীরে ধীরে ওঠা-নামা করবে, কিন্তু তাঁর মধ্যেতেমন কোনো তাগিদ থাকবে না। নিয়মিত অভ্যাসের দ্বারা পুরুষ বীর্যপাতের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে পারবে। এই অধ্যায়ে পৌঁছবার পর দুজনে যা খুশী তা করতে পারে।

‘থামো-যাও’ পদ্ধতিটি এই—এটা আক্ষরিক অর্থে থামা এবং এগোনো। নারীর কাজ হবে পুরুষটিকে এমনভাবে উত্তেজিত করা যাতে তাঁর লিঙ্গ দৃঢ় হয়। তারপরই নারী স্থির হয়ে যাবে, উত্তেজিত কররা আর চেষ্টা করবে না এবং পুরুষের মধ্যে বীর্যস্খলনের আকাঙ্ক্ষা কমে এলে আবার তাঁকে উত্তেজিত করবে। এই থেমে থাকার সময়ে ‘মর্দন’ পদ্ধতির প্রয়োগ উপকার।

সাফল্যের হার

এই পদ্ধতি দুটির সাফল্যের হার শতকরা ১৮ ভাগ। ভারতে এই পদ্ধতির প্রয়োগ খুব সহজসাধ্য নয়। কাড়ন এতে নারীর তরফ থেকে গোপনতা এবং সক্রিয় অংশ গ্রহণের প্রশ্নটি জড়িত। গোপনীয়তার ব্যাপারটি ভারতে যথেষ্ট ব্যয়সাপেক্ষ, অর্থাৎ আলাদা ঘর এবং নিজিস্ব ব্যবস্থা। আর নারীর সক্রিয় ভূমিকা নেওয়াটা ভারতে প্রায় নেই বললেই চলে। আমাদের দরিদ্র দেশে নারী ও পুরুষ সকলে নিজস্ব গোপনীয়তা  রক্ষা করতে পারে না। আর সংস্কারমুক্ত নয় বলে নারীরা সক্রিয় অংশ নিতে লজ্জা পায়। ভারতে প্রাচীন চৈনিক ও তান্ত্রিক পদ্ধতি গ্রহণ কররা সুপারিশ করেন অনেক বিশেষজ্ঞ । এটা খুবই ফলপ্রদ কারণ এতে নারীকে সক্রিয় অংশ নিতে হয় না।

এই পদ্ধতিতে লিঙ্গমূলে অবস্থিত বুলবোক্যাভের নোসাস পেশীর সঙ্কোচন জড়িত। এই পেশীটিকে চিহ্নিত করতে হলে পুরুষের উচিত প্রসেয়াব করার সময় ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রস্রাব রুখে দেওয়া। এটা করতে গেলে পেশীকে সঙ্কুচিত করতে হয় তারই নাম বুলবোক্যাভের নোসাস পেশী। সঙ্গমের সময় এই পেশীটিকে সঙ্কুচিত করে বীর্যপাত বিলম্বিত করা যায়। তাই প্রথমে সচেতন ভাবে এই পেশীটিকে সঙ্কুচিত করা অভ্যাস করতে হয়। দিনে ৩/৪ বার এটা সঙ্কুচিত করা দরকার এবং তিন সেকেণ্ড সঙ্কুচিত করার পর ছাড়া উচিত।

এটা অভ্যাস হয়ে গেলে সঙ্গমের সময় সেটা করা উচিত। ধীরে ধীরে যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর পর ঐ পেশীটিকে  সঙ্কুচিত করে আবার ছেড়ে দিতে হবে, এই ভাবে চলতে থাকবে কয়েক সেকেণ্ড। তারপর লিঙ্গ সঞ্চালন ৪/৫ বার করে, আবার ঐ ভাবে বুলবোক্যাভের নোসাস পেশীটিকে সঙ্কুচিত-প্রসারিত করতে হবে তিন সেকেণ্ড ধরে। তারপর এই চক্রটিকে বেশ কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। করতে করতে পুরুষ ক্রমশঃ তাঁর বীর্যস্খলনের উপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবে।

                 ___________________ 

আপনি পড়ছেনঃ মেডিক্যাল সেক্স গাইড থেকে>>দ্রুত বীর্যপাতঃ

প্রিয় পাঠক/পাঠিকাঃ আমাদের সাইটের পোস্ট পড়ে যদি আপনার কাছে ভালো তাহলে শেয়ার করুণ। এবং আপনার বন্ধুদের কে আমন্ত্রণ জানান আমাদের সাইটে যোগ দেওয়ার জন্য।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

প্রশ্নঃ আমার নতুন বিয়ে হয়েছে। সহবাসের সময় স্বামী ১ বা ২ মিনিটের ভিতরেই বীর্যপাত হয়ে …

No comments

  1. ভালো একটি পোস্ট

  2. khub sundor lekha golo pore onek valo laglo.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE