Breaking News
Home / নারী / মা ও শিশু / সন্তান প্রসবের পরে

সন্তান প্রসবের পরে

প্রসবের হাঙ্গামা মিটে যাবার পরে প্রসূতি শীঘ্রই তার সকল কষ্টের কথা ভুলে যায়। তখন তার কাছে অন্য রকমের কত সমস্যা এসে পড়েছে। প্রথম সমস্যা কতদিনে সে সুস্থ হয়ে উঠে বেড়াবে। দ্বিতীয় সমস্যা তার কোলের শিশুটি।

কত দিনে প্রসুতি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মতো বিছানা ছেড়ে উঠবে? পূর্বে আমাদের দেশে নিয়ম ছিল যে তাকে এক মাস কাল আঁতুড় ঘরে আবদ্ধ হয়ে থাকতে হবে। কিন্তু আজকাল সে নিয়ম খুব কম লোকেই মানে। আঁতুড় সম্বন্ধে নানারকমের অদ্ভুত অদ্ভুত নিয়ম ছিল, আজকাল সেই সব নিয়ম—পালন করবার সুবিধাও নেই আর প্রয়োজনবোধও নেই। আঁতুড়ের স্বতন্ত্র গন্ডী থেকে যত শীঘ্র ছাড়া পাওয়া যায় ততই সুবিধা।

অন্যান্য জীবজন্তুদের এবং অসভ্য মানুষদের পক্ষে প্রসবের পরে শুয়ে থেকে বিশ্রাম নেবার বিশেষ কিছুই দরকার হয় না। তারা প্রসবের কিছুক্ষণ পরেই অনেকটা সহজভাবে আপন আপন স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় লেগে যায়। কিন্তু আমাদের ঘরের মেয়েদের পক্ষে কয়েকদিন বিছানায় থেকে বিশ্রাম নেওয়ার দরকার। বেশী দিনের জন্য সম্ভব না হলেও স্বাভাবিক প্রসবের পরে অন্তরপক্ষে সাত দিন। কারণ যে সকল যৌন আঙ্গাদি প্রসবের কালে ক্ষত বিক্ষত ও বিপর্যস্ত হয়ে গেছে সেগুলি উপযুক্ত বিশ্রামের দ্বারাই তাড়াতাড়ি আগেকার অবস্থায় ফিরে আসতে পারে। সেই বিশ্রামটুকু না দিলে কোনো কোনো অঙ্গ শিথিল অবস্থাতেই থেকে যায়। আর বিশ্রামের দ্বারা শরীরের দুর্বলতা দূর হয়, অনেকে মায়ের দুধের অভাবে অন্য দুধ দেবার ব্যবস্থা করে, কিন্তু তাতে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ প্রয়োজন মেটে না। এমন অবস্থায় আগে দেখা দরকার যাতে সেই দুধ যাবতীয় প্রয়োজনীয় উপাদানে সমৃদ্ধ থাকে। এই সকল সমস্যা সমাধানের এক মাত্র উপায় মায়ের শরীরের পুষ্টির দিকে লক্ষ্য রাখা। স্তন দিতে থাকার দরুন মায়ের শরীর ক্রমশ জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে, তার মুখের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে, তবুও ও কিছু নয় বলে অকৃত্রিম বা কৃত্রিম ভিটামিন যথাসাধ্য সরবরাহ করতে হবে।

ক্ষতিপূরণের দিক দিয়ে এক অতি উৎকৃষ্ট উপায় প্রসবের পর থেকে অন্তরপক্ষে এক সের করে খাঁটি দুধ প্রত্যহ খেতে দেওয়া। আমাদের দেশে নব প্রসূতিকে ঘন করা দুধ—সাগু খেলে স্তনের দুধ বাড়ে। কিন্তু দুধের বদলে অন্য জিনিস দিয়ে কোনো লাভ নেই। যেখানে দুধ দেওয়া প্রয়োজন সেখানে দুধই দিতে হবে। এবং তাও অল্পদিনের জন্য নয়, গর্ভসঞ্চারের সময় থেকে শুরু করে প্রসবের পরে অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত। এই কথাটি আমাদের দেশের লোকে ভালো রকম বোঝে না বলে, অথবা বুঝলেও তার ব্যবস্থা করতে পারে না বলে প্রসূতি মাত্রেই রোগা এবং অসুস্থ হয়ে যায়, প্রসবের কিছুদিনের মধ্যেই তার স্তনের দুধ ফুরিয়ে যায়, আর সে নিজের রোগা শরীর নিয়েই তার অপুষ্ট শিশুকে পালন করতে থাকে। তার পরে যা হয় তা ঘরেই দেখতে পাওয়া যায়। শিশুমৃত্যু আর তরুণী মায়ের স্বাস্থ্যভঙ্গ যদি নিবারণ করতে চাও তাহলে প্রত্যেক সন্তানবর্তীকে প্রয়োজনীয় খাদ্য দিয়ে পুষ্ট করতে হবে, আর শিশুকে তারই স্তনের দুধ খাইয়ে মানুষ করতে হবে। এছাড়া দ্বিতীয় কোনো পন্থা নেই। দুধ ছাড়াও প্রসূতিকে ঘি মাখন ডিম শাক সবজি ও ফলমূল খেতে দেওয়া দরকার। এক বোতল কৃত্রিম ফুড কিংবা এক শিশি পেটেন্ট ওষুধ  কিনে দিয়ে মনে করা ভুল যে তাতেই শরীর সেরে যাবে, কারণ তাতে কখনই খাদ্যের অভাব পূরণ হয়না। কেউ কেউ মদ্যমিশ্রিত টনিক খেতে দিয়ে থাকে। তাতে ভঙ্কে ঘি ঢালা হয়। প্রসবের প্রথম দিন থেকেই কেউ কেউ প্রসুতিকে চাঙ্গা করবার উদ্দেশ্যে উৎকৃষ্ট ব্রান্ডি খেতে দিয়ে থাকে। এটি খুবই ভুল কাজ করা হয়। মদ্য রক্ত স্রোতকে আরো চঞ্চল করে, তার থেকে রক্তক্ষয়ের মাত্রা হঠাৎ আরো বেড়ে যেতে পারে। নব প্রসূতির পক্ষে মদ্যজাতীয় টনিকের প্রয়োজন নেই। পুষ্টিকর খাদ্যই তার পক্ষে সব চেয়ে উৎকৃষ্ট টনিক। যা কিছু তার শরীর থেকে ক্ষয় হয়ে বেরিয়ে গেছে এবং যাচ্ছে, উপযুক্ত খাদ্যেরই দ্বারা সেগুলির পূরণ করতে হবে। সেখানে কেবল উত্তেজক জিনিস দিয়ে কোনো লাভ নেই।

প্রসবের কতদিন পর থেকে সঙ্গম ক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে? এও তরুণ বয়সের স্বামী স্ত্রীর পক্ষে একটা বিশেষ প্রশ্ন। পৃথিবীতে এমন অবিবেচক মানুষও আছে যারা প্রসবের আগের দিন পর্যন্ত সঙ্গম করে, আবার প্রসবের পরে এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই সঙ্গম শুরু করে দেয়। তারা যে সকলেই পাষন্ড তাও নয়। হয়তো সম্পূর্ণ অজ্ঞতা থেকেই তারা এমন ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এতে কত যে অনিষ্ট করা হয় সে কোথা বলবার নয়। ক্ষত স্থানগুলি সম্পূর্ণ আরোগ্য হয়ে উঠতে না উঠতে যদি তার উপরে সঙ্গম করা যায় তাহলে ঐ সকল ক্ষতের মুখ নতুন করে খুলে যায় আর সেগুলি বাইরের জীবাণু কর্তৃত্ব সংক্রামিত হয়ে নানা রকমের মারাত্মক রোগ জন্মে যায়। ক্ষতগুলিকে সেরে উঠবার জন্য যথেষ্ট সময় দিতেই হবে। নতুবা বিপদ ঘটবে। এই সহজ বিবেচনা কথাগুলি মানুষ মাত্রেরই মনে রাখা উচিৎ।

প্রসবের পর থেকে সাধারণত এক মাসের মধ্যে কোনো সঙ্গম প্রচেষ্টা করা নিরাপদ নয়। তবে স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে তিন চার সপ্তাহের মধ্যে যৌন স্থান গুলি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠে, একথা পূর্বেই বলা হয়েছে। সঙ্গমের খুবই প্রয়োজন বোধ করলে প্রসবের ৪০ দিন পর থেকে সেটা শুরু করা যেতে পারে। কিন্তু সেই বাসনা দুই পক্ষ থেকেই হওয়া চাই, মাত্র এক পক্ষের নয়। সাধারণতঃ মেয়েদের সঙ্গমলিপ্সা এ সময়টাতে একেবারেই চলে যায়। তারা সবে নতুন জননী হয়েছে আর বাৎসল্যের মনোভাবই তখন তাদের মধ্যে প্রধান্য লাভ করেছে। এদিকে তখন তাদের রক্তের মধ্যে ইসট্রিনের প্রভাব খুব কম, প্রোজোস্টিনের প্রভাবটাই চলেছে সজোরে। তাই সহজে তাদের সঙ্গমে সন্মত করানো প্রায়ই সম্ভব হয় না। এই সময়টিতে যদি জোর করে স্ত্রীকে সঙ্গমে লিপ্ত করা যায় তাহলে তার মন স্বামীর প্রতি অকস্মাৎ বিরূপ হয়ে উঠতে পারে। স্বামী স্ত্রীতে মনোমালিন্য ঘটবার এই একটি বিশেষ কারণ। সুতরাং এই সমটিতে দুই দিক থেকেই বিশেষ বিবেচনা পূর্বক ব্যবহার করে যেতে হবে। পুরুষেরও স্মরণ রাখা চাই অপর পক্ষের উপস্থিত অবস্থাটির কোথা। আর নারীরও একথা বোঝা চাই যে তার পূর্বস্নেহ এবং যৌন সম্পর্কে আগ্রহের অভাবে স্বামী মনে মনে কষ্ট পাচ্ছে। দুজনকেই দেখাতে হবে পরস্পরের প্রতি বিবেচনা ও সহানুভুতি, দুজনকেই চাইতে হবে আগেকার সেই ভালোবাসার খানিকটা পুনঃপ্রতিষ্ঠা। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বোঝাবুঝি ভাবটি আবার এসে পড়লে তখন আর সঙ্গমে কোনো বিঘ্ন থাকবে না।

আরো একটি বিষয়ে বিবেচনা করবার আছে। অচিরে সঙ্গম শুরু করার ফলে একটি প্রসবের পরে যদি এক মাসের মধ্যেই আবার একটি গর্ভাধান ঘটে না, সেটাও বাঞ্ছনীয় নয়। অনেকে মনে করে প্রসবের পরে নতুন ঋতুস্রাব না দেখা দেওয়া পর্যন্ত বুঝি গর্ভসঞ্চার হবার কোনো আশংকাই নেই। কিন্তু এ ধারণা খুবই ভুল। ঋতুস্রাব আবার আরম্ভ হবার আগেই ডিম্বাশয়ের কাজ শুরু হয়ে যেতে পারে, এবং তার থেকে ডিম্বকোষ জন্মেও যথারীতি প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারে। তখন সেখানে শুক্রকীট গিয়ে পড়লেই তার সঙ্গে সংযোগ ঘটতে কোন বাধা নেই। সুতরাং প্রসবের পরে ঋতু দেখা দেবার আগেই পুনরায় গর্ভসঞ্চার হওয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। কিন্তু এমনটি ঘটতে দিলে প্রসূতির স্বাস্থ্যের উপর প্রবল অত্যাচার করা হয়। শিশুকে স্তন দেবার কালের মধ্যেই আবার গর্ভসঞ্চার হয়ে পড়লে তাকে তখন তিনদিক সামলাতে হয়। গর্ভস্থ সন্তানকে আপন রক্তের দ্বারা পুষ্টি দিতে হবে, কোলের সন্তানটিকেও পুষ্টি দিতে হবে স্তন্যদুগ্ধ দ্বারা, আবার নিজের শরীরটাকেও সুস্থ রেখে বাঁচতে হবে। এতদিক সামাল দেওয়া অধিকাংশ নারীর  পক্ষেই অসম্ভব হয়ে উঠে। এইসব কোথা উভয় পক্ষকেই ভাবতে হবে।

দেহ মিলন ছাড়া যখন থাকা সম্ভব নয় তখন দেহ মিলন হোক,কিন্তু এমন উপায় অবলম্বন করতে হবে যাতে নবজাতক বড় হয়ে ওঠা পর্যন্ত গর্ভসঞ্চার রোধ করা যায়। তাছাড়া আজকের আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে  বেশী সন্তান ঠিকমতো মানুষ করাও দুঃসাধ্য ব্যাপার।

স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধার হয়। আলগা হয়ে যাওয়া জরায়ু থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষয়ের সম্ভাবনাও এর দ্বারা দূর হয়। আঁতুরে থেকে বিশ্রাম নেবার সময়ে আমাদের দেশের প্রসূতিকে সেক তাপ দিয়ে ও তেল মালিশ করে পরিচর্যা করার নানারূপ বিধি আছে, সেগুলি  খুবই ভালো। বিশেষত কিছুদিন যাবত পেটে তেল মালিশ করলে যতটা উপকার হয় এমন আর কিছুতে নয়। ম্যাসাজ বা উপযুক্ত মর্দনের দ্বারা পেটের এবং তার ভিতরকার জরায়ুর শিথিল মাংসপেশীগুলি সংকুচিত হয়ে শীঘ্রই আবার পূর্বের মতো অবস্থা ফিরে পায়।

প্রসবের পরে অতটা স্ফীতিপ্রাপ্ত জরায়ুর পক্ষে গুটিয়ে ক্রমশ ছোট হয়ে আসতে কিছু সময় লেগে যায়। গর্ভফুলটি যখন তার ভিতরকার গা থেকে ছেড়ে এসেছে তখন সেখানে একটি ক্ষতেরও সৃষ্টি হয়েছে। ঐ ক্ষত থেকে প্রথম দুই একদিন পর্যন্ত কেবল অমিশ্র রক্তপাতই হতে থাকে। ক্রমে যেমন জরায়ু সংকুচিত হতে থাকে এবং ঐ ক্ষতটি আরোগ্য হয়ে সেখানে নতুন ঝিল্লীর আবরণ পড়তে থাকে। এক সপ্তাহ থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রক্ত থেকে গিয়ে তার বদলে পুঁজের মতো পদার্থ নির্গত হতে দেখা যায়। এটা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। প্রায় তিন সপ্তাহের মধ্যে এই সমস্ত থেমে গিয়ে যোনিস্থানও অনেকটা স্বাভাবিক অবস্থা প্রাপ্ত হয়, আর ওরই সঙ্গে ভিতরকার জরায়ুটিও ক্রমশ ছোট হয়ে আসতে থাকে। কিন্তু দুই সপ্তাহ পরে অনেকটা ছোট হয়ে গেলেও তখনও তার আকার গর্ভসঞ্চার হবার আগেকার আকারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বড়। চার সপ্তাহের কমে প্রসবের জরায়ু স্বাভাবিক অবস্থায় এসেছে বলা যেতে পারেনা। কিন্তু তার পরেও সেটি গর্ভাধানের আগেকার আকারের চেয়ে প্রায় দেড়গুণ বড় থাকে। প্রসবের পরে বিশ্রাম নেবার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে এই সকল কথাই বিবেচনা করতে হবে। তাই প্রসবের পরে কিছুকাল পর্যন্ত সকল দিক দিয়ে যতই বিশ্রাম নেওয়া যায় ততই ভালো।

প্রসবের দুই চার দিন পরেই একবার একটা জোলাপ নিয়ে নেওয়া উচিৎ। বহুদিন পর্যন্ত গর্ভপূর্ণ জরায়ুর চাপে আবদ্ধ থাকতে অভ্যস্ত হয়েব তারপরে মুক্তি পেলে পেটের উপরকার মাংসপেশী ও ভিতরকার অন্ত্রসমূহ অনেকটা শিথিল এবং অসাড় হয়ে থাকে। জোলাপের ক্রিয়ার দ্বারা পেটও পরিস্কার হয়ে যায়, আর ঐ সমস্ত যন্ত্রাদি খাইকটা নাড়াচাড়া পেয়ে আবার আগের মতো আপন যথা কর্তব্য ক্রিয়াগুলি স্বাভাবিক ভাবে করতে শুরু করে দেয়।

প্রসবের পরেও অন্তর ছয় মাস পর্যন্ত প্রসূতিকে গর্ভাবস্থায় মতোই পুষ্টিকর খাদ্যাদি খেতে দিতে থাকা দরকার। এই সময়টাতেই তার শরীরের সব কিছু গঠনকারী উপাদানের উপর টান পড়ে । প্রসবের পর থেকেই, আর শরীর একটু সুস্থ হতে না হতেই প্রসূতির নিজস্ব স্তনের দুধের দ্বারা শিশুকে তার সমস্ত প্রয়োজনীয় সারবস্তুগুলি নিত্য পরিবেশনা করে যেতে হয়। তার সেই স্তনদুধ মাত্র সম্বল করেই শিশু পুষ্ট হয়ে উঠতে থাকে। শিশুর বাড়ের জন্য যত রকমের খাদ্যসার দরকার তা সে মায়ের শরীর থেকেই দুধের সঙ্গে টেনে নেবে। এমন ভাবে নিত্য যোগান দিতে গিয়ে মায়ের নিজের দিক দিয়ে যথেষ্ট অকুলান পড়ে যায়। কিন্তু তবু তাকে নিতান্তপক্ষে দশ মাস পর্যন্ত স্তনের দুধ দিয়েব যেতেই হবে, ওর বদলে অন্য কোনো খাদ্য দিলে শিশুর জীবন বাঁচানো দুরূহ হবে।

আপনি পড়ছেনঃ মেডিক্যাল সেক্স গাইড থেকে>>প্রসবের পরে

প্রিয় পাঠক/পাঠিকাঃ আমাদের সাইটের পোস্ট পড়ে যদি আপনার কাছে ভালো তাহলে শেয়ার করুণ। এবং আপনার বন্ধুদের কে আমন্ত্রণ জানান আমাদের সাইটে যোগ দেওয়ার জন্য।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মাতৃস্তন্য দুগ্ধ শিশুর অমৃত আধার

সর্বযুগে সর্বদেশে মাতৃস্তন্য পান ও মাতৃস্তন্য দান নবজাত শিশুর জীবন সংরক্ষণ ও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক …

3 comments

  1. প্রসবের তিন মাস পর সহবাস করলে গর্ভধারনের অাশংকা আছে কী?

    • গর্ভ নিরোধ পদ্ধতি ব্যবহার না করে স্বাভাবিক পন্থায় সহবাস করলে গর্ভসঞ্চয় হয়ে যাবে। আপনি যদি তাড়াতাড়ি দ্বিতীয় সন্তান নিতে না চান তাহলে জন্ম নিরোধ পদ্ধতি ব্যবহার করুণ। জন্ম নিরোধের বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। জন্মনিরোধ বিভিন্ন পদ্ধতি ও ব্যবহার নিয়ামবলী জানতে এখানে যান @পরিবার পরিকল্পনা

  2. আমার একটা বাবু মারা গেছে জন্মের কিছুখোন পরে আমরা আবার বাবু নিতে চাচ্ছি এ ক্ষেত্রে কতোদিন পর আমারা আবার সহবাস করতে পারি বা কতোদিন পরে pregnant হবার ভাল সময়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE