Breaking News
Home / নারী / নারীর জীবনধারা / গর্ভবতী হওয়ার ৭ টি লক্ষন সমূহ

গর্ভবতী হওয়ার ৭ টি লক্ষন সমূহ

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণপ্রতিটি নারীর কাছেই খুশির সংবাদ হল সন্তানের মা হওয়া।

প্রতিটি বিবাহিত নারীই মাতৃত্বের সাধ পেতে চায়।গর্ভধারণের প্রক্রিয়াটি শুরু হয় আপনার গর্ভে ভ্রুনের জন্মের মধ্য দিয়ে। আর আপনি আসলেই সন্তান সম্ভবা হয়েছেন কিনা তা ঘরে বা ক্লিনিকে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে নিয়মিত মাসিক বন্ধ হওয়ার পর আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু আপনার শরীর তার আগে থেকেই আপনাকে বিভিন্ন ভাবে জানিয়ে দিবে যে আপনি মা হতে চলেছেন।

তাহলে জেনে নিন নারীর গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো কি কি…

১. ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া : যাদের নিয়মিত মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে গর্ভধারনের সর্বপ্রথম চিহ্ন মাসিক বন্ধ হওয়া। মাঝে মধ্যে গর্ভবতী হলেও মাসিকের সময় সামান্য রক্তক্ষরণ হতে পারে। সবচেয়ে প্রচলিত ও তাৎপর্যপূর্ণ লক্ষণ হলো মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া। তবে কোনো কোনো গর্ভবতী নারীর পিরিয়ড থাকতে পারে তবে তা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক হাল্কা মাত্রার ও কম সময়ের জন্য। কোনো নারীর যদি আগে থেকেই অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে তবে গর্ভধারণের এ লক্ষণটি তার ক্ষেত্রে একটু সমস্যার সৃষ্টি করবে। ঠিক কবে থেকে মাসিক বন্ধ হলো তা সনাক্তকরণ একটু কঠিনই হবে।

আরও পড়ুন : অনিয়মিত মাসিকের কারণ-করনীয় এবং চিকিৎসা

খাবারের প্রতি অনীহা : সবচেয়ে কমন একটি লক্ষন। আগে ভাল লাগত এমন খাবার বিস্বাদ লাগে আর নতুন নতুন খাবার খেতে ইচ্ছে করে। আবার অনেকের মুখে তামাটে স্বাদ লাগে।

৩. তলপেট ফাপা : এটিও হয় হরমোনের পরিবর্তনের কারনে। মাসিক শুরু হওয়ার আগেও একি রকম লক্ষন দেখা দেয়।

৪. ঘন ঘন প্রস্রাব : গর্ভধারণের পর হরমোনের পরিবর্তনের কারনে কিডনিতে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এর ফলে কিডনির ব্লাডার দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায় এবং ফলশ্রুতিতে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। গর্ভধারণের ৬ সপ্তাহের মাঝেই এই লক্ষন প্রকাশ পায়। গর্ভাবস্থার পরবর্তী মাস গুলোতে এর মাত্রা আরও বাড়তে পারে।

৫. ক্লান্তি/অবসাদ : প্রজেস্টেরনের বৃদ্ধির কারনে এই সময়ে অল্পতেই ক্লান্ত অনুভব করতে পারেন। গর্ভকালীন সময়ে মর্নিং সিকনেস (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) এবং রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার কারনেও অবসাদগ্রস্ততা বেড়ে যায়।

৬.স্তন স্ফীত হওয়া  সংবেদনশীলতা বেড়ে যাওয়া : মাসিকের সময়েও এই অসস্তিকর লক্ষন গুলো দেখা যায়, তবে গর্ভকালীন সময়ে এর তীব্রতা অনেক বেশী হয়। শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের কারনে এমন হয়। গর্ভধারণের পরবর্তী মাসগুলোতে শরীর যখন ধীরে ধীরে হরমোনের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেয় তখন এই অসস্তিকর অনুভুতি কমে যায়

৭. বমির ভাব : কনসিভ করার ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর থেকে মর্নিং সিকনেস (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) দেখা দেয়। বমি বমি ভাব শুধু সকালেই নয় এমনকি দুপুরে ও রাতেও অনুভূত হয়। সাধারনত গর্ভধারণের ১২-১৬ সপ্তাহ পরে বমির ভাব অনেকটাই কমে যায়।

আরও পড়ুন : গর্ভবতী মা ও সন্তান। (গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য বিষয়ক বই)

When sexual intercourse is done without the method of contraception, these 7 pregnancies are expressed when the woman is born in the womb. So, whether you are pregnant or not know the signs of being pregnant.

#গর্ভধারণ #গর্ভধারণের লক্ষন #নারীর স্বাস্থ্য #Bangla Health News 

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

ব্লাউজের ডিজাইন

টপ ৫৪ পিছনে ঘাড় ব্লাউজের ডিজাইন ছবি

একটি চমৎকার শাড়ির সঙ্গে একটি অনন্য এবং সুন্দর ব্লাউজ ডিজাইন পুরো পোষাক সামগ্রিক আকর্ষনীয় চেহারা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE