Breaking News
Home / নারী / নারীর স্বাস্থ্য সমস্যা / মেয়েদের মাসিকের নানান সমস্যায় করনীয় ও ডাক্তারের পরামর্শ

মেয়েদের মাসিকের নানান সমস্যায় করনীয় ও ডাক্তারের পরামর্শ

মাসিক বা ঋতুচক্র মেয়েদের একটা অতি স্বাভাবিক বিষয়।

প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট তারিখে মেয়েদের এই শারীরিক ঘটনাটি ঘটবে। এর মধ্যে কোন অস্বাভাবিকতা নেই। অনেক মেয়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়—এই সময় কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভোগে তারা। অনেকে আতঙ্কজনিত কারণে শ্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে না।

ঋতুস্রাব নারীত্বের একটা লক্ষণমাত্র। এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। যৌবনের শুরুতে এই বিষয়টা চিন্তা—ভাবনার গভীরে ঢুকিয়ে নিতে পারলে পরবর্তী জীবনে মাসিকের আগের শরীর—মনের উপসর্গগুলো তেমন একটা সমস্যা হয়ে উঠবে না। অন্যদিকে এটা একটা ‘খারাপ ব্যাপার’ বা ‘লজ্জার ব্যাপার’ অথবা ‘এসময় শরীর—মনের শুচিতা নষ্ট হয়’—এরকম বহুল প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা এবং ভয় বা সংস্কার মনে একবার ঢুকে গেলে সারা জীবন ধরে তাকে ভুগতে হয়। শুধু এই কারণে এদেশের বহু মহিলা মাসিকের আগে শরীরে-মনে অসম্ভব কষ্ট পান। সেই সাথে এদের ভুগতে হয় নানা ধরনের যন্ত্রনায়।

প্রিয় পাঠিকা, আপনার যে কোন মাসিক সংক্রান্ত সমস্যায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ-সাহায্য ও চিকিৎসা পেতে কথা বলুন ন্যাচারাল চিকিৎসক ডাক্তার মনিরুজ্জামান এম ডি স্যারের সাথে। নির্দ্বিধায় কথা বলুন >> 01707330660, +601112796062 << ইমো ও হোয়াটসআপ।

গ্রামের অনেক মেয়ে ঋতুজনিত সময়কালে অতি স্বাভাবিক জীবনও পালন করে না বাড়ির বড়দের বিভিন্ন কুসংস্কারজনিত বিধি নিষেধের বেড়াজালে আটকে। ঋতুকালীন সময়টুকু অনেকে স্কুল কলেজ যাওয়া যাওয়া বন্ধ করে দেয়। তাঁর সাথে ঋতুকালীন বিভিন্ন উপসর্গ হলে তো কথাই নেই। পরবর্তীতে আমি ঋতুকালীন বিভিন্ন সমস্যা এবং তাঁর সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছি। আজকের আলোচনায় থেকে জানুন…

মেয়েদের মাসিকের সমস্যায় করনীয়

মাসিকের ব্যাথা ও করিণীয়ঃ

যৌবনারম্ভের প্রথম ২ থেকে ৪ বছর খুব কম মেয়েরাই এরকম ব্যাথায় ভোগে। তাঁর কারণ এই সময় বেশিরভাগ ঋতুচক্র ( Menstrual Cycle )-তে ডিম্বাণু নিক্ষেপ (Ovulation) হয় না।

১৮ থেকে ২১ বছরের মেয়েরা মাসিক শুরু হবার সময় থেকে এক-আধাদিন, কখনও বা ২ থেকে ৩ দিন পর্যন্ত এরকম ব্যাথায় ভোগে। কখনও ব্যাথায় শুরু হয় স্রাব শুরু হবার আগে। ব্যথা হতে পারে পায়ে, কোমরে বা পিঠে। ছড়াতে পারে পায়ের দিকে। সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ভারবোধ—এসবও থাকতে পারে। ব্যথা হতে পারে বেশি বয়সেও। বেশিরভাগ কম বয়সের মেয়েদের এই ধরনের ব্যথার তীব্রতা সহ্যসীমার ভেতর থাকে। সাধারণত শারীরবৃত্তীয় এইসব ঘটনা নিয়ে অহেতুক নানা ভয় বা ভুল ধারণা বা ভয় মন থেকে দূর করতে হবে।

বিষটাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে ফেললে শরীরের যন্ত্রণা আরও অনেক বেশি শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শতকরা ১ ভাগ মেয়ের ক্ষেত্রে এই ব্যথার তীব্রতা খুব বেশি হতে পারে। সঙ্গে বমি বা জ্ঞান হারানোর মতো উপসর্গ থাকতে পারে।

এই সময় যা করা উচিৎঃ

মাসিক বা ঋতুচক্র প্রকৃতিক সাধারণ নিয়ম। একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত মেয়েদের এই ঋতুচক্র হয়ে থাকে। প্রতিমাসে (কখনও ব্যতিক্রম ঘটে) একটা নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিটি সক্ষম মেয়েকে ঋতুচক্রের মুখোমুখি হতে হয়। বাংলাদেশে মেয়েদের এই বিশেষ সময়টাতে বিভিন্ন বিধিনিষেধের বেড়াজালে আটকে থাকতে হয়। এই চির প্রাকৃতিক নিয়ম অবধারিত জেনেও অনেক ধরনের ভ্রান্ত ধারণা চলমান সমাজ ঋতুবতী মেয়েদের স্বাভাবিক জীবন থেকে আলাদা করে ফেলে। এই সময় সব বয়সী মেয়েদের নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা উচিৎ।

(১) ঋতুচক্রের শারীরবৃত্তীয় ব্যাপারটা সম্পর্কে একটা পরিস্কার ও স্বচ্ছ ধারণা গড়ে তুলতে হবে।

(২) মন থেকে এ সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ভুল ধারণাগুলো দূর করতে হবে। মাসিক চলাকালীন মেয়েদের ‘শরীর খারাপ’ হয় না—ঠিকই থাকে।

(৩) মাসিকের সময় স্কুল-কলেজ যাওয়া, বাইরে বেরোনো, যাবতীয় সাধারণ কাজকর্ম, হাঁটাচলা, হালকা ব্যায়াম—সব কিছুই এই সময় করা যাবে মাসের অন্যান্য দিনগুলোর মতো।

(৪) মাসিকের ব্যথা নিয়ে ভয়ঙ্কর ধরনের গালগল্প চালু আছে এদেশে। এগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মাসিকের সময় বা আগে পরে কোন কোন মেয়ের শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথাজনিত সমস্যা হতে পারে। ব্যথার তীব্রতা খুব বেশি না হলে—সেটাকে স্বাভাবিক মনে করতে হবে। এতে তেমন ভয়ের কোন কারণ নেই। তবে, ব্যথার তীব্রতা এবং সেই সাথে আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে ওষুধ খেতে হবে এবং অবশ্যই তা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। কখনও মা, বোন বা পরিবারের বড়ো কেউ কিংবা বান্ধবীদের মত অনুযায়ী অথবা পাড়ার হাতুড়ে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী নয়।

(৫) মাসিকের ব্যথার সময় অনেকে নিজে নিজে ফার্মেসী থেকে পেইন কিলার জাতীয় ওষূধ কিনে খেয়ে থাকেন। এই অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। কথায় কথায় পেইন কিলার খেলে পাকস্থলি, কিডনি বা শরীরের অন্যত্র গুরুতর বিপদ ঘটা অসম্ভব কিছু নয়।

(৬) ঋতুস্রাবের ব্যাপারে পরিস্কার, বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গী গড়ে উঠলে ব্যথার তীব্রতা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সহ্যসীমা ছাড়িয়ে যাবে না। এই ধারণা মেয়েদের ভেতর তৈরী করতে  যৌবন শুরুর বছরগুলোতে মায়েরা বড় ভূমিকা নিতে পারেন, যদি তিনি নিজে এ সম্পর্কে অবৈজ্ঞানিক ভুল ধারণার শিকার না হন। বা হলেও তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

(৭) মাসিকের দিনগুলোতে ‘প্রচন্ড যন্ত্রণার’ দোহাই দিয়ে বিছানায় শুয়ে পেটে গরম পানির বোতল বা ব্যাগ চাপিয়ে স্কুল—কলেজ বা অফিস না যাবার ঘটনা শুধু এদেশে নয়, বিদেশও ঘটে থাকে।

এক্ষত্রে মেয়ে বা যুবতীকে বার বার আশ্বস্ত করা (Repeated Reassurance) দরকার। বোঝানো দরকার, তাঁর তেমন কিছু হয়নি। এতে কাজ না হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা আশ্বাস ও মৃদু চিন্তানাশক ওষুধ দিতে পারেন।

এসব ক্ষেত্রে মায়েদের বা পরিবারের বড়ো মহিলাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে ফেললে সমস্যা বাড়বে। এই সময় মেয়েকে সব কিছু বুঝিয়ে আশ্বস্ত করলে কাজ হবে অনেকটাই।

মাসিকের আগে উপসর্গ ও পরিক্রাণ

যৌবন শুরুর বছরগুলোতে শতকরা ৯৭ ভাগ মেয়েই মাসিক শুরু হবার আগের কয়েকটা দিন কিছুটা শারীরিক, কিছুটা মানসিক অস্বস্তিতে ভোগে। এই সময়টা কয়েকঘন্টা থেকে শুরু করে ৪/৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে এরকম অস্বস্তি হয় সাত আট দিন জুড়ে।

উপসর্গ হতে পারে নানা ধরনের। যেমন—ক্লান্তিবোধ, অবসাদ,  মানসিক উত্তেজনা বা অস্থিরতা। কাজকর্ম, চিন্তাভাবনায় ঠিকমত মন  দিতে না পারা, শারীরিক—মানসিক একাগ্রতা কিছুটা কমে যাওয়া। এছাড়া কোমরে বা তলপেটে বিশেষ ‘ভারবোধ’, স্তনে ভারবোধ বা সামান্য ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, এসব উপসর্গও থাকতে পারে।

এগুলো সহজ ও স্বাভাবিক ভাবে নিতে হবে। মাসিকের আগে রক্তে ইস্টোজেন আর প্রোজেস্টেরনের পরিমাণ বেড়ে যায়। এজন্য শরীরের কোষগুলোতে পানির পরিমাণ বাড়ে (Water Retention)।

তাছাড়া এই সময় সংবেদশীল স্নায়ুতন্ত্রের (Autonomic Nervous System) কাজকর্মের ভারসাম্য কিছুটা বিঘ্নিত হয়। ঋতুস্রাবের আগে শরীর—মনের উপসর্গগুলো দেখা দেয় এই কারণে।

এই উপসর্গগুলো কতটা কষ্টকর?

এগুলো কোন মেয়ের জীবনে কতটা কষ্টকর হবে, তাঁর স্বাভাবিক কাজকর্মে এগুলো কতটা ব্যাঘাত ঘটাবে, তা নির্ভর করছে নিচের বিষয় গুলোর উপর।

(১) মেয়েটির মানসিক গঠন কিরকম। মনের জোর বেশি হলে উপসর্গগুলো কম ঝামেলা করবে।

(২) ঋতুচক্র ও ঋতুস্রাব সম্পর্কে মেয়েটির ধারণা কতটা স্বচ্ছ, দৃষ্টিভঙ্গী কতটা সঠিক তা হিওসেব করতে হবে। এই ধারণায় ভ্রান্তি থাকলে মেয়েটি ভুগবে বেশি।

(৩) কতটা সহজভাবে সে নারী-জীবনের এই স্বাভাবিক বিষয়গুলোকে মেনে নিতে পারে । এ ব্যাপারে সে যত সহজ হবে—কষ্টও তত কম হবে।

আরও পড়ুন ঃ মেয়েদের মাসিকের যে ৭ টি সমস্যায় ডাক্তারের সাহায্য নেওয়া খুবই জরুরী

ঋতুস্রাব যখন অনিয়মিত

ঋতুমতী হবার পর প্রথম তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত অনেক মেয়েরই ঋতুস্রাব নিয়মিত না হওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে। ঋতুচক্র শুরু হবার পর প্রথম কয়েক বছর হাইপোথ্যালামাস, পিটুইটারী, এ্যাড্রেনাল এবং ডিম্বাশয়ের পরস্পনির্ভর কাজকর্ম কিছুটা অনিয়মিত থাকে। তাই ঋতুচক্রও হয়ে যায় অনিয়মিত। যেমন—

  • স্বাভাবিক ২৮-৩০ দিনের বদলে অনেক সময় ২ থেকে ৩ মাস বাদে বাদে স্রাব হয়।
  • কখনও আবার একটানা ৫ থেকে ৬ মাস ঋতুস্রাব বন্ধ থাকে।
  • কিছু ক্ষেত্রে কখনও ১০ থেকে ১৫ দিন বাদে, কখনও ২ থেকে ৩ মাস বাদে স্রাব হচ্ছে—এই ধরনের অনিয়ম দেখা যায়।

মাসিক অনিয়মিত হওয়ার কারণ

যৌবনারম্ভের  জন্য সংশ্লিষ্ট হরমোনগুলোর অনিয়মিত নিঃসরণ এর জন্য দায়ী। তাছাড়া বয়ঃসন্ধীর দ্রুত ঘটতে থাকা শরীর-মনের পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে এসময় অনেক মেয়ে মানসিক চাপে ভোগে। তাঁর সঙ্গে যোগ হয় পারিপার্শ্বিক অন্যান্য অমূলক আশঙ্কার প্রভাব।

অনিয়মিত মাসিক এ করনীয়

মাসিক চূড়ান্ত অনিয়মিত হয়ে পড়লে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। একটানা চার পাঁচমাস বন্ধ থাকলেও তাই করুন। বিশেষজ্ঞ আশ্বস্ত করলে নিশ্চিন্ত থাকুন, উদ্বেগমুক্ত হোন। ঋতুস্রাবে সামান্য একটু আধটু অনিয়মে চিকিৎসকের পরামর্শ না নিলেও চলবে।

অনেক সময় কম বয়সী মেয়েরা নানা ধরনের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে। ১৬ থেকে ২০ বছরের অনেক মেয়ে না বুঝেই সমবয়সী বা বেশি বয়সী পুরুষের  যৌনলিপ্সার শিকার হয়ে পড়ে। এর ফলে অবাঞ্ছিত গর্ভসঞ্চার হবার ঘটনা বিরল নয়।

আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলে অনেক সময় কোয়াক (এক শ্রেণীর গ্রাম্য কবিরাজ নামধারী হাতুড়ে ডাক্তার) দিয়ে এরকম গর্ভনাশ করাবার চেষ্টা করা হয়। এতে গর্ভপাত হয় আংশিক (Incomplete) ।

এই ধরনের অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গর্ভনাশ করাতে গিয়ে নানা জটিলতা এমনকি প্রাণসংশয় ঘটা অসম্ভব কিছু নয়। এছাড়া, পরবর্তী কালে অনিয়মিত ঋতুস্রাবের প্রধান কারণও হয়ে দাঁড়ায় এই আংশিক গর্ভপাত। গ্রামাঞ্চলে এমনকি আধুনিক শহরেও এই ধরনের জটিলতা ক্রমেই বাড়ছে।

লিখেছেনঃ ডাঃ রিজিয়া খান মিতা

আরও জানুন ঃ পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে কি হয়

#মেয়েদের মাসিক সমস্যা #নারীদের মাসিক সমস্যা #পিরিয়ড সমস্যা #Period #Women Health Problem

রেটিং দিন

0%

প্রিয় পাঠিকা, মাসিকের সমস্যায় করনীয় আর্টিকেলটি পড়ে আপনার কাছে কেমন লেগেছে তা আমাদেরকে জানাতে ৫ টি লাভের মধ্যে আপনার রেটিং প্রয়োগ করুন, যেখানে ১ম লাভ হচ্ছে সর্বনিম্ন ও ৫ম লাভ হচ্ছে সর্বোচ্চ রেটিং।

মেয়েদের মাসিক থেকে আরও
User Rating: 4.9 ( 3 votes)

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মাসিক প্যাড

নারীদের পিরিয়ডে কোনটি ভালো কাপড় নাকী প্যাড?

মেয়েদের মাসিকের সময় কোনটি ভালো-প্যাড নাকি কাপড়? আজকাল টিভি খুললেই স্যানিটারি ন্যাপকিন এর বিজ্ঞাপনে দেখা …

2 comments

  1. আনিক আহমেদ

    মেয়েদের স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে অবশ্যই জানার প্রয়োজন। আপনাদেরকে ধন্যবাদ মাসিক সম্পর্কে কতগুলো তথ্য শেয়ার করার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE