Home / ব্লগ / রংপুরের হিন্দু বাড়িতে কারা আগুন লাগিয়েছে সরাসরি দেখুন

রংপুরের হিন্দু বাড়িতে কারা আগুন লাগিয়েছে সরাসরি দেখুন

রংপুরের হিন্দু বাড়িতে কারা আগুন লাগিয়েছিল ১০০% প্রমাণসহ পোষ্টটা লিখছি। পোষ্টটা শেষ করার আগে বা পরে একটা ভিডিওর দিয়েছি সেটা দেখে প্রত্যেকটা কথা মিলিয়ে নিবেন।

ভিডিওটির একদম শুরুতেই এক পুলিশ বলে উঠছে, “আগুন দেওয়ার পরে আসি নাই আগুন দেওয়ার আগেই আসছি।” ১১ সেকেন্ডের সময় আবার গলায় শুনা যায়, “ওই ভিতরে ছিল। ভিতরে আগুন লাগাই দিছে।” ১৪ নাম্বার সেকেন্ডে সেই পুলিশ আবার বলে, “ভিতরে আগুন লাগাই দিছে।” ঠিক একই সময়ে অপর পুলিশ বলে উঠে, “এই কাম তো নিজে নিজেই করলেন।”

১৬ সেকেন্ডে মৃদু স্বরে আরেক পুলিশের কণ্ঠে শুনা যায়, “আপনি আগুন লাগাইলেন কেন?” ১৯ তম সেকেন্ডে, “এইখানে আগুন লাগাইলেন কেন?” ২২ তম সেকেন্ড, “সে নিজেই তো লাগাই দিল এই আগুন।” তখন কেও একজন বলে উঠে, “কায় কায় দিয়া আগুন লাগে?” তখন (২৪ তম সেকেন্ড) আরেকজন পুলিশ বলে, “এখানে আপনারা ভেতরে যেয়ে আগুন লাগাই দিলেন।” পরক্ষণে একজন পুলিশ বালু দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।

আমার একটা কথা নিয়ে ডাউট থাকলে ভিডিওটা এয়ারফোন কানে লাগিয়ে দেখেন।

এইবার আসেন ভিডিওটার ব্যাবচ্ছেদ করি। প্রথম সেকেন্ডেই পুলিশের গলায়, “আগুন দেওয়ার পরে আসি নাই আগুন দেওয়ার আগেই আসছি।” এইটার মাণে কি? পুলিশ কি আগে থেকেই জানত আগুন দেওয়া হবে হিন্দু বাড়িতে? তবে পুলিশ আগেই কেন আসল না?

কোন অপরাধ হচ্ছে জেনেও যখন পুলিশ আসে না তখন অবশ্যই পুলিশের যোগসাজসেই কাজটা হয় অথবা নাটের গুরু এমন কেও যে পুলিশ বাঁধা দিতে ভয় পায়। আচ্ছা ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা কি এতই প্রভাবশালী যে পুলিশ তাদের ভয় পায়? নাকি তারা পুলিশের সাথে মিলেই প্ল্যান করেছে। কিন্তু যদি সেটাই করে তবে মুসুল্লি কেন মারা গেল?

এরপরের কথাবার্তা থেকে স্পষ্ট কেও একজন ঘরের ভেতরে ছিল যে নিজে আগুন লাগিয়েছে। পুলিশ তাকে আগুন লাগানোর কারণও জিজ্ঞেস করে। পাশাপাশি সেই লোকটাই যে আগুন লাগিয়েছে ২২ তম সেকেন্ডে সেই কথাটা আবার বলে। সেইম কথাটা সব সবাইকে উদ্দেশ্য করে ২৪ নাম্বার সেকেন্ডে আবারও বলা হয়।

এইবার আগের প্যারার ব্যাবচ্ছেদ করি। একটা হিন্দুর ঘরে যদি কোন মুসলিম গিয়ে আগুন লাগায় তবে পুলিশ কেন তাকে ধরল না? আর একটা হিন্দুর ঘরের ভেতরে কে ঢুকে থাকতে পারে? যদি আপনার মনে হয় কোন মুসলিমই আগুন লাগিয়েছে তবে আপনার কাছে প্রশ্ন যেই ছবিগুলা নিউজপেপারে আসছে কোথাও ঘরের ভেতর কোন ফার্নিচার নেই কেন? তার মাণে ফার্নিচার আগে থেকেই সরানো হয়েছিল।

কোন মুসলমান আগুন লাগালে নিশ্চয় ফার্নিচার বের করে আগুন লাগাত না। আগুন হিন্দুরাই লাগিয়েছে। তারা আগে থেকেই ফার্নিচার সরিয়ে নিয়েছে। এই লজিক ছাড়া ফার্নিচার না পোড়ার একটা যৌক্তিক কারণও আপনি দেখাতে পারবেন না। একটাও না।

নেক্সট পয়েন্ট পুলিশ যখন বালু দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিল তখন হিন্দুরা কি করছিল? লাস্ট সেকেন্ডে একজনকে এক বালতি পানি দিতে দেখা যায় তাছাড়া সবাই নিষ্ক্রিয় কেন ছিল? তারা কি চাচ্ছিল বাড়ি, ঘর পুড়েই যাক? আগুন লাগানোর সময় ওখানে যতজনকে দেখা যায় কারও পাঞ্জাবী, টুপি ছিল না কেন? নামাযের পর সবার মাথায় টুপি, গায়ে পাঞ্জাবী থাকার কথা।

এতগুলা ঘটনার পরেও যদি কেও বলে এসব কাকতালীয়। আগুন লাগানোর পেছনে রংপুরের মুসুল্লীরাই দায়ী তবে সে প্রমাণ দিক। নয়ত ভাবব তার জন্মের পেছনেও ওই রংপুরের মুসুল্লীরাই দায়ী।

রংপুরের হিন্দু বাড়ীতে আগুন লাগানোর ভিডিও দেখুন

লেখকঃ হাসিবুর হাসান। ফেসবুক ওয়াল থেকে।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

আধুনিক যুগের বিখ্যাত কবি শফিকুল ইসলাম এর জীবনী”(ভিডিও)

Related

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE