Home / বই থেকে / রাসূল (সাঃ) এর আনন্দ কৌতুক

রাসূল (সাঃ) এর আনন্দ কৌতুক

কৌতুকপ্রিয় নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সময় ছাহাবায়ে কেরামের সঙ্গে আনন্দ-কৌতুক করেছেন বলে উল্লেখ আছে।

কিন্তু তাঁহার পবিত্র আনন্দ-কৌতুককে আমাদের হাসি-ঠাট্টার সঙ্গে তুলনা করা ঠিক হবে না। কোন ব্যক্তি যদি সত্যিকার অর্থেই রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুরূপ হাসি-মজাক করিতে সক্ষম হয়, তবে নিঃসন্দেহে তাহা নিন্দনীয় কিংবা অপছন্দনীয় হবে না। বরং এক হিসাবে তাহা সুন্নত ও মোস্তাহাবই হবে।

আল্লাহর হাবীব ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র আনন্দ-কৌতুকে কোনরূপ অসত্য ও অতিরঞ্জনের লেশমাত্র যুক্ত হইত না। উহাতে এমন কোন বিষয়ও থাকিত না যাহা অপরের জন্য কষ্টের কারণ হতে পারে। আর তিনি খুব কমই হাসি-ঠাট্টা করেছেন। এখন কোন ব্যক্তি যদি এইসব রীতি ও শর্ত পূরণ করে হাসি-ঠাট্টা করতে পারে, তবে তাঁহার উহার অনুমতি আছে।

কিন্তু মজার ব্যাপার হল, আজকাল অনেকেই হাসি-মজাককে নিয়মিত পেশায় পরিণত করে দিনরাত উহাতেই ডুবে থাকে। আর মনে করে যে, এই ক্ষেত্রে আমি আল্লাহর নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুকরণ করতেছি।

 এইসব ধারণা নিতান্ত মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নহে। নিম্মে আমরা প্রিয় নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র আনন্দ-কৌতুকের কিছু নমুনা উল্লেখ করলাম—
  • হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, একবার ছাহাবায়ে কেরাম রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে আরজ করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনিও তো আমাদের সঙ্গে আনন্দ-কৌতুক করেন। জবাবে তিনি এরশাদ করিলেনঃ নিঃসন্দেহে আমি (কৌতুকের সময়ও) সত্যই বলিয়া থাকি। (তিরমিযী)
  • একদা এক বৃদ্ধা রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে এসে আরজ করিল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য দোয়া করুণ, যেন আমি বেহেশতে যেতে পারি। বৃদ্ধার নিবেদনের জবাবে আল্লহর নবী এরশাদ করেছেন, “কোন বৃদ্ধা নারী বেহেশতে যেতে পারবে না।” আল্লাহর নবীর মুখে এই কথা শুনে বৃদ্ধা অন্তহীন মর্মপীড়ায় রোদন করিতে করিতে তথা হইতে ফিরে যাইতে লাগলো। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপস্থিত ছাহাবায়ে কেরামকে বললেন, তোমরা গিয়ে তাহাকে বল, (আমার কথার অর্থ ইহা নহে যে, দুনিয়াতে যে সকল নারী বৃদ্ধা হয়েছে, পরকালে তাঁহারা বেহেশতে যেতে পারবে না। বরং) আমার কথার অর্থ হল, বৃদ্ধারাও জান্নাতে যাবে বটে, তবে যুবতী হয়ে যাবে। অতঃপর তিনি কালামে পাকের নিম্নোক্ত আয়াতটি তেলাওয়াত করলেন—

“আরবী”……

অর্থঃ আমি জান্নাতী রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি। অতপর তাহাদিগকে করেছি চির কুমারী।” (সূরাঃ সূরা ওয়াক্বেয়া-৩৫)

 অর্থাৎ নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপরোক্ত মন্তব্যের অর্থ হচ্ছে, বৃদ্ধা রমণীগণকে চিরকুমারী করে বেহেশতে প্রবেশ করানো হবে।
  • জায়েদ ইবনে আসলাম বর্ণনা করেন, উম্মে আয়মন নাম্নী এক মহিলা রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে এসে আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার স্বামী আপনাকে দাওয়াত করেছেন। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার স্বামী কি সেই ব্যক্তি, যার চোখ ধবল (সাদা দাগ) রয়েছেন। উম্মে আয়মন বলিল, আল্লাহর কসম! আমার স্বামীর চোখে কোন ধবল নাই। এইবার রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এমন কোন মানুষ নাই, যার চোখে ধবল (সাদা দাগ) নাই। (অর্থাৎ তিনি চোখের কাল মনির চতুর্থদিকে সাদা অংশের কথা বলেছেন।
  • হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, হযরত আবু তালহা (রাঃ)-এর এক ছেলের নাম ছিল ওমায়ের। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হযরত আবু তালহা (রাঃ)-এর ঘরে তাশরীফ আনতেন, তখন তাঁহার ছেলেকে ডেকে বলিতেন, ওহে ওমায়ের! কোথায় গেল তোমার নোগায়েব?

“নোগায়ের” লাল ঠোটবিশিষ্ট একটি পাখীর নাম। হযরত আবু তালহার ছেলের একটি নোগায়ের ছিল। সে ঐ পাখিটি নিয়ে খেলা কর। কিছু দিন পর ঐ পাখিটি মরে গেলে প্রিয় নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবিতার ভাষায় ওমায়েরকে তাঁহার নোগায়ের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন।

  • একবার নবীজী (সাঃ) হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতায় অবর্তীণ হন। এই প্রতিযোগিতায় হযরত আয়েশা (রাঃ) অগ্রগামী হন। হযরত আয়েশা (রাঃ) তখন হালকা-পাতলা ছিলেন। বয়স বৃদ্ধির পর হযরত আয়েশার দেহ ভারী হয়ে গেলে তাঁহাদের আবার সেই প্রতিযোগিতা অনুষ্টিত হয় এবং উহাতে হযরত আয়েশা (রাঃ) পরাজিত হন।
  • হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, একবার আমি নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য হারীরা (গোশত সহযোগে প্রস্তুত এক প্রকার রান্না করা খাবার) তৈরী করিলাম। হযরত সাওদা (রাঃ)-ও ঘরে উপস্থিত ছিলেন। আমি তাহাকেও খাইতে বলিলাম কিন্তু তিনি বলিলেন, “আমি খাইব না।” আমি বলিলাম, তুমি যদি না খাও, তবে এই খাবার আমি তোমার চেহারায় মাখিয়া দিব। এরপরেও তিনি খেতে অস্বীকার করলে আমি সত্য সত্যই উহা তাঁহার  চেহারায় মাখিয়া দিলাম। অতঃপর উহার বদলা হিসাবে হযরত সওদাও ঐ খাবার আমার মুখে মাখিয়া দিলেন। আমাদের এই কান্ড দেখে নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেসে ফেললেন।
  • হযরত জাহহাক বিন সুফিয়ান কেলাবীর চেহারা-ছুরত ছিল খুবই বিশ্রী। একবার তিনি রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে হাজির হইয়া তাঁহার নিকট বাইআত হইলেন। এই সময় সেখানে হযরত আয়েশাও (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাটি ছিল পর্দার আয়াত নাজিল হওয়ার পূর্বের।

হযরত জাহহাক বিন সুফিয়ান কেলাবী নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে আরজ করিলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার দুইজন স্ত্রী আছে, তাঁহারা উভয়ই এই আয়েশা অপেক্ষা অধিক সুন্দরী। আপনি যদি অনুমতি দেন, তবে আমি তাঁহাদের একজনকে ত্যাগ করিতেছি; আপনি তাহাকে গ্রহণ করুণ। হযরত আয়েশা (রাঃ) সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করিলেন, তাঁহারা বেশী সুন্দরী, না তুমি বেশী সুন্দর? হযরত কেলাবী বলিলেন, আমিই বেশী সুন্দর। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আয়েশাহ প্রশ্ন এবং জাহহাক বিন সুফিয়ানের জবাব শুনিয়া মৃদু হাস্য করিলেন। কেননা, হযরত জাহহাক (রাঃ) নেহায়েত বদ-ছুরত হওয়ার পরও নিজেকে সুন্দর বলে উল্লেখ করিতেছিলেন।

  • হযরত আলকামা আবু ছালামা হতে নকল করেন, একবার প্রিয় নবী হযরত হাসানকে নিজের জিহ্বা মোবারক দেখিয়ে দেখিয়ে হাসাইতে ছিলেন। এই দৃশ্য দেখে ইউয়াইনা বিন বদর আরজ করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার ছেলেরা বড় হয়ে তাঁহাদের মুখে দাড়িও উঠে যায়, কিন্তু আমি কোন দিন তাহাদেরকে আদর করি না। প্রিয় নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করিলেন—

“যে দোয়া করে না, তাঁহার উপর দয়া করা হয় না।”

  • একবার হযরত ছোহাইব (রাঃ)-এর চক্ষুপীড়া দেখা দেয়। এই অবস্থায় একদিন তিনি খেজুর খেতে থাকিলে প্রিয় নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বললেন, ছোহাইব! চক্ষুপীড়া নিয়ে তুমি খেজুর খেতেছো? হযরত ছোহাইব জবাব দিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি অন্য মাড়ির দাঁত দিয়ে খাইতেছি। প্রিয় সহচরের এই নির্দোষ কৌতুকে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এমনভাবে হাস্য করিলেন যে, তাঁহার দন্তপাটি প্রকাশ হইয়া পড়িল। (ইবনে মাজা)
  • খাওয়াত বিন জোবায়ের একবার মক্কার পথে বনু কাবের কতক মহিলার সঙ্গে বসে ছিলেন। ইত্যবসরে নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই পথে যাওয়ার সময় তাহাকে সেখানে দেখিতে পেয়ে জিজ্ঞাসা করিলেন, তুমি এখানে বসে কি করিতেছ? তিনি আরজ করিলেন, আমার উট অবাধ্যতা করতেছে, এই কারণে আমি এই মহিলাদের দ্বারা রশি পাকাইতেছি। রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন পুনরায় সেই পথে প্রত্যাবর্তন করিলেন, খাওয়াত বিন জোবায়ের তখনো সেখানে উপবিষ্ট ছিলেন। এইবার আল্লাহর নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, হে আবু আব্দুল্লাহ! তোমার উটকি এখনো অবাধ্যতা ত্যাগ করে নাই? খাওয়াত বলেন, আল্লাহর নবীর এই প্রশ্ন শুনিয়া আমি লজ্জায় একেবারে নীরব হয়ে গেলাম।

উপরোক্ত ঘটনার পর যখনই আমি রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখিতাম, লজ্জায় কারণে পাশ কাটিয়ে অন্য দিকে সরে যাইতাম। পরে আমি মদীনা শরীফ গমনপূর্বক ইসলাম গ্রহণ করে ধন্য হইলাম। এক দিন আমি মসজিদে নামাজ পড়তেছিলাম, এমন সময় আরাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথায় তাশরীফ আনিলেন। আমি নামায দীর্ঘ করিতে চাচ্ছিলাম, কিন্তু তিনি বলিলেন, নামাজ দীর্ঘ করিও না, আমি তোমার অপেক্ষায় আছি। আমি নামাজ শেষ করার পর তিনি আমাকে বললেন, হে আবু আব্দুল্লাহ! তোমার উট কি অবাধ্যতা ত্যাগ করে নাই? আল্লাহর নবীর মুখে এই কথা শুনে আমি এতটা শরমিন্দা হলাম যে, অতঃপর আমার মুখে উহার কোন উত্তর যোগাইল না এবং আমি তাঁহার সম্মুখ হতে পালিয়ে গেলাম।

পরে একদিন আমি এমন অবস্থায় তাঁহার সম্মুখে পতিত হলাম যে, তিনি একটি গাধার উপর সওয়ার ছিলেন এবং তাঁহার উপর পা গাধার এক দিকে রেকারের উপর ছিল। আমাকে দেখিয়ে তিনি সেই আগের মতই প্রশ্ন করিল আমি আরজ করিলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি যখন ইসলাম গ্রহণ করেছি তখন হতেই আমার উট অবাধ্যতা ত্যাগ করেছে। আমার এই জবাব শুনে তিনি এরশাদ করিলেনঃ আল্লাহু আকবর! আল্লাহু আকবর! আয় আল্লাহ, এই ব্যক্তিকে হেদায়েত দান কর।

বর্ণনাকারী বলেন, আল্লাহ পাক তাহাকে ইসলামের সৌন্দর্য দ্বারা ধন্য করেছেন এবং হেদায়েতের পথ প্রদর্শন করিয়াছেন। (তাবরানী কাবীর)

  • মদীনায় নাঈ’মান নামে একজন কৌতুক-প্রিয় আনসারী ছিলেন। এক সময় তিনি শরাব পান করিতেন এবং এই কারণে তাহাকে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে লইয়া আসিলে তিনি তাহাকে জুতা দিয়ে প্রহার করিতেন। কোন কোন সময় ছাহাবায়ে কেরামও তাহাকে জুতা দিয়ে প্রহার করিতেন। একদিন এক ছাহাবী তাহাকে তিরস্কার করে বলিলেন, আল্লাহ তোমার উপর লা’নত করুণ। এই কথা শুনিয়া রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই ছাহাবীকে বলিলেন, তাঁহার উপর লা’নত করিও না। সে আল্লাহ ও তদীয় রাসূলকে মোহাব্বত করে।

আল্লাহর রাসূলের প্রতি উপরোক্ত আনসারী ছাহাবীর মোহাব্বতের এমন অবস্থা ছিল যে, মদীনায় বাজারে বিক্রয়ের জন্য কোন খাদ্য দ্রব্য আসিলে তিনি উহা (বাকীতে) ক্রয় করে বলিতেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইহা আমার পক্ষ হইতে আপনাকে হাদিয়া। পরে সেই দ্রব্যের বিক্রেতা মূল্য চাহিতে আসিলে তিনি তাহাকে রাসূল (সাঃ) এর খেদমতে নিয়ে এসে বলতেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! অমুক দ্রব্যের মূল্য পরিশোধ করে দিন। আল্লাহর নবী বলিতেন, উহা তো তুমি আমাকে হাদিয়া দিয়েছিলে, (এখন আবার মূল্য পরিশোধের জন্য তাহাকে আমার নিকট নিয়ে এসেছো কেন?) ছাহাবী আরজ করিতেন, হুজুর! তখন আমার নিকট কোন অর্থ ছিল না। অথচ আমার মন চাহিতেছিল যেন উহা আপনাকে খাওয়াইতে পারি। আল্লাহর হাবীব (প্রিয় সহচরের অন্তহীন ভালবাসার অবস্থা দেখে) মৃদ্যু হাস্য করতেন, উহার মূল্য পরিশোধ করিয়ে দিতেন।

এই হলো আল্লাহর হাবীব ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দোষ আনন্দ-কৌতুকের অবস্থা। এইরূপ নির্দোষ হাসি-মজাক মোবাহ। কিন্তু ক্রমাগত তাহাতে নিমগ্ন হওয়া ভাল নহে।

সূত্রঃ “জবানের ক্ষতি” বই থেকে সংগ্রহিত এবং সম্পাদিত।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

হাসির কৌতুক ১৮+

চরম হাসির জোকস ও কৌতুক। শুধুমাত্র বড়দের জন্য ১৮+

আপনাদেরকে কিছুক্ষণের জন্য আনন্দ দিতে অনেক দিন পর আবারো হাজির হলাম কিছু বাংলা জোকস ও …

One comment

  1. আনিক আহমেদ

    রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাসি ও আনন্দ তুলে ধরার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করি এরকম পোস্ট আরও পাবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *