Home / বই থেকে / গাট্টিওয়ালাদের ছয় কথায় রোযা-হজ্জ আছে কি না?

গাট্টিওয়ালাদের ছয় কথায় রোযা-হজ্জ আছে কি না?

এখন আমরা দেখব যে, গাট্টিওয়ালা তাবলীগীদের কথায় রমযানের রোযা আর হজ্জ আছে কি না? তারা যে ছয় উসূল বলেন, তাঁর তিন নাম্বার উসূল ছিল ‘ইলম’। আর ইলম বলা হয় : কুরআন-হাদীসের জ্ঞানকে। আর কুরআন-হাদীস  গ্রহণ করলে, হজ্জ গ্রহণ করল না বাদ দিল? কুরআনে-হাদীস গ্রহণ করলে রোযা গ্রহণ করল না বাদ দিল?

তোমাদের চোখ থাকলে পবিত্র কুরআন খুলে দেখ! সুস্থ বিবেক থাকলে একবার ভেবে দেখ তো! তাবলীগের ছয় কথায় রোযা-হজ্জ আছে কি না? আছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কালিমার নাম বলতে পারল, নামাযের নাম বলতে পারল, ইকরামুল মুসলিমীনের নাম বলতে পারল, সহীহ নিয়তের কথা বলতে পারল, তাবলীগের কথা বলতে পারল, রমযানের কথা বলল না কেন? হজ্জের কথা বলল না কেন? আরেকটার ব্যাখ্যার ভিতরে রেখে দিল কেন? পরিস্কার করে বললেই তো হতো। এরএ রহস্য আছে। রহস্য হল, তাবলীগ জামাতে চিল্লা হয় ৪০ দিনে। এই ৪০ দিনের চিল্লা রমযান মাসেও হয় এবং রমযান ছাড়া অন্য সময়েও হয়। তাই যদি তাবলীগের উসূলের মধ্যে রমযানের রোযাকেও সরাসরি শামিল করে দেয়া হয় তাহলে এর অর্থ হবে যে, চিল্লায় গেলেই রোযা রাখতে হবে। রমযান ছাড়া অন্য সময়েও যদি চিল্লায় তাহলে তখনও রোযা রাখতে হবে। অথচ রমযান ছাড়া অন্য সময়ে বাধ্যতামূলভাবে রোযা রাখাটা ইসলামের কথা নয়। হজ্জের ক্ষেত্রেও একই কথা। তাই রোযার মত হজ্জকেও তাবলীগের উসূল সাব্যস্ত করা হয়নি। তাঁর অর্থ কিন্তু এই নয় যে, তাবলীগের লোকেরা রোযা ও হজ্জকে অস্বীকার করেছে।

রো্যা ও হজ্জ ছাড়া অন্য বিষয়গুলো বৎসরের যে কোন সময় চিল্লায় গেলেই করতে হয়। কালিমার বিশ্বাস স্থাপন, পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা যেহেতু প্রতিটি মুমিনের ঈমানের অন্তর্ভুক্ত অন্যতম বিষয় তাই এটা ঈমানের পরই আবশ্যকীয় বিষয়! এজন্য এগুলোকে সরাসরি নাম উল্লেখ্যের মাধ্যেম উসূল নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে ইলম, যিকির, ইকরামুল মুসলিমীন, সহীহ  নিয়ত ও দ্বীনের কাজে সময় দেয়া ছাড়া চিল্লা সফল হতে পারে না। তাই এগুলোকে  ছয় উসূলের অন্তর্ভূক করা হয়েছে। আরো পড়ুন>>

আপনি পড়ছেন: “তাবলীগ বিরোধিতার অন্তরালে” বই থেকে

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মোজার উপর মাসাহ

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান। রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *