Home / বই থেকে / প্রত্যকেই স্বীয় মায়ের গর্ভে সাত চিল্লা দিয়ে আসে

প্রত্যকেই স্বীয় মায়ের গর্ভে সাত চিল্লা দিয়ে আসে

তাবলীগ বিরোধীরা যখন দেখল যে, চিল্লার কথাও পবিত্র কুরআনে আছে। হযরত মুসা আ. তুর পাহাড়ে চিল্লা দিয়েছেন। এখন বলে যে, হযরত মুসা আ. এর চিল্লার কথা আছে এটা মানলাম। কিন্তু তিনি তো নবী ছিলেন, এজন্য চিল্লা দিয়েছিলেন। আমরা তো নবী নই। আমরা চিল্লা দিবো কেন?

এর জবাব বিভিন্ন আয়াতে এবং হাদীসে উল্লেখ আছে—

পিতা-মাতার শরীরের দু’বিন্দু পানি একত্র হয়ে যখন মায়ের গর্ভ থলিতে যায়, তখন তাকে মানব সন্তানে পরিণত করার জন্য আল্লাহ একজন ফিরিশতা পাঠিয়ে দেন। উক্ত ফিরিশতা প্রথম চল্লিশ দিন এ পানির বিন্দুতে প্রক্রিয়াগতভাবে খাটুনী দেন। যার ফলে এটা রক্তের বিন্দুতে পরিণত হয়। দ্বিতীয় চল্লিশ দিনের মেহনত চলে রক্তের বিন্দুতে; ফলে তা গোশতের টুকরায় পরিণত হয়। তৃতীয় চল্লিশ দিনের মেহনত চলে গোশতের পিণ্ডে। ফলে তাতে প্রাণের সঞ্চার হয়। এভাবে চতুর্থ চল্লিশ হাড় গজায়। পঞ্চম চল্লিশ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গজায়। ষষ্ঠ চিল্লায় পৃথিবীর আলো—বাতাস সহ্য করার যোগ্য হয়। আরে সপ্তম চল্লিশ পর ভূমিষ্ঠ হয়।

সুতরাং দেখা গেল সাধারণতঃ প্রতিটি মানব সন্তানই আপন আপন মায়ের পেটে সাত চিল্লা দিয়ে আসে। এই সাত চিল্লা কি শুধু গাট্টিওয়ালা তাবলীগের লোকেরাই দিয়ে আসে, না। ঐ বিরুদ্ধবাধীরাও প্রত্যেকেই দিয়ে এসেছে, এখন অস্বীকার করো কেন? আরো পড়ুন>>> আপনি পড়ছেন: “তাবলীগ বিরোধিতার অন্তরালে” বই থেকে।

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

[পঞ্চম পরিচ্ছেদ] ইসলামী শরী‘য়াহ বাস্তবায়নের হুকুম

আল্লাহর প্রতি ঈমান ও তাঁর একত্ববাদে বিশ্বাস এটাই দাবী যে, আমরা ঈমান আনব যে, তিনি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *