Breaking News
Home / বই থেকে / স্বপ্নযোগে রাসূল সা. এর অঙ্কিত দাগের উপর দেওবন্দ মাদরাসা

স্বপ্নযোগে রাসূল সা. এর অঙ্কিত দাগের উপর দেওবন্দ মাদরাসা

আল্লামা কাসেম নানুতবী রহ. ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে দারুল দেওবন্দ মাদরাসা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেন মাত্র কয়েকজন অনুসঙ্গী নিয়ে। তাদের একজন  একদিন ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখেন যে, রাসূলুল্লাহ সা. তাকে নিয়ে গিয়ে বর্তমান সাত্তা মসজিদের পাশে একটি স্থানে দাগ টেনে দিলেন এবং সেখানেই মাদরাসার ফাউন্ডেশন দিতে বললেন।

এটি কোন মনগড়া কাহিনী নয়, বরং ঐতিহাসিক তথ্য। যদি কেউ মনে করেন যে, এটি মনগড়া কল্পকাহিনী তাহলে তিনি আল্লামা সৈয়িদ মাহবুব রহ. লিখিত ‘তারীখে দারুল উলূম দেওবন্দ’ নামক বিরাট ইতিহাসের ভূমিকা পড়ে দেখতে পারেন। সুস্পষ্টভাবে তাতে ঐ কথাগুলো লেখা রয়েছে। উক্ত সত্য স্বপ্ন দেখার পর ঘুম থেকে উঠে সত্যিই তিনি রাসূলের দেখিয়ে দেয়া স্থানে টেনে যাওয়া দাগ দেখতে  পান। অবশেষে সেখানেই বিখ্যাত ইলমী প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠিত হয়।

একটি প্রশ্ন ও তাঁর জবাব

এর পরের ইতিহাস জানার আগে এখানে একটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর জেনে নেয়া প্রয়োজন যে, রাসূলুল্লাহ সা. যদি সত্যিই দারুল উলূম দেওবন্দের ফাউন্ডেশন চিহ্নিত করার জন্য আসতে পারেন, তবে আমাদের মিলাদ—মাহফিলে আসতে পারবেন না?

এই প্রশ্নের জবাব বুঝার জন্য আমি আপনাদেরকে একটি উদাহরণ দিচ্ছি। দেওবন্দের মাটিতে দাগ দেয়ার জন্য নবীজীর যদি সুদূর মদীনা থেকে আসতে হয়, তাহলে এটা কী তাঁর বুযুর্গী হয়? না মদীনায় শুয়ে থেকে দেওবন্দে দাগ দিতে পারলে বুযুর্গী হয়? দ্বিতীয়ত. মহানবী সা. যে দেওবন্দের মাটিতে দাগব দিয়েছিলেন তা কি স্বাভাবিক ছিল না অস্বাভাবিক? অস্বাভাবিক। যদি এই দাগটা দেওবন্দে এসে দেন তাহলে এটা স্বাভাবিক আর মদীনায় থেকে দাগ দিলে সেটা অস্বাভাবিক? আপনাদের ধারণা কি সেই দাগ দেয়াটা কি স্বাভাবিক ছিল না অস্বাভাবিক? অস্বাভাবিক। কাজেই তিনি দেওবন্দে এসে যদি দাগ দিতে হয়, তাহলে এতে কোনই মোজেযা বা বুযুর্গী প্রকাশ পায় না বরং মদীনায় শুয়ে শুয়ে স্বপ্নযোগে দাগ পৌঁছায়ে দেওয়াইটাই হল নবীর মোজেযা। সুতরাং দারুল উলূম দেওবন্দের ফাউন্ডেশনের দাগ দেয়ার জন্য নবীজী এসেছিলেন? নাকি মোজেযার মাধ্যমে দাগ দিয়েছিলেন? মুজেযার মাধ্যমে দাগ দিয়েছিলেন। যারা দাগ দেয়ার জন্য মহানবী সা. এখানে এসেছিলেন বলে, তারা মূলত : মহানবী সা. এর মুজেযাকেই অস্বীকার করতে চায়। আর যদি কেউ মহানবী সা. এর মুজেযা অস্বীকার করে তাহলে প্রিয়নবীর নবুওয়াতের ঈমানই তাঁর থাকে না। আর নবুওয়াতের উপর যদি কারো ঈমান না থাকে তাহলে আল্লাহর উপরও থাকবে না। সুতরাং এখন ঠাণ্ডা মাথায় বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করুন।  আরো পড়ুন>>>

আপনি পড়ছেন: “তাবলীগ বিরোধিতার অন্তরালে” বই থেকে

 

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

মোজার উপর মাসাহ

মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান (হাদিস)

জেনে নিন মোজার উপরে মাসাহ করার বিধান। রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরামগণ চামড়ার মোজা পরিধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE