Breaking News
Home / নারী / নারীর জীবনধারা / নারীর স্তন ঝুলে যাওয়ার কারন ও প্রতিকারের উপায়

নারীর স্তন ঝুলে যাওয়ার কারন ও প্রতিকারের উপায়

প্রশ্নঃ স্তন ঝুলে যায় কেন, এর প্রতিকার কি কি?

উত্তরঃ নারীর সৌন্দর্য স্তন। স্তনের আকার ও গড়ন নিয়ে বেশির ভাগ মেয়েকেই কম বেশি মানসিক অশান্তি ভোগ করতে হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্তনের উন্নত ও আঁটসাঁট ভাব চলে গিয়ে স্তন শিথিল হয়ে অবনমিত হয়ে পড়ে।

স্তন খুব বড় বা ছোট মনে হয়, শরীরের অন্যান্য অঙ্গের (কমর, কাঁধ, পাছা ইত্যাদি)দৈহিক উচ্চতার সাথে স্তনের আকারের সামঞ্জস্যের অভাব থাকার জন্য।

স্তনের আকার ছোট হওয়ার জন্য অনেকেই আবার দু কাঁধ ভেতরের দিকে বেঁকিয়ে অনেকটা কুঁজো হয়ে কাঁধ দিয়ে স্তনযুগল আড়াল করে চলাফেরা করেন। একইভাবে যাদের স্তন খুব বড় তারা আবার টাউট করে ব্রেসিয়ার পরেন, যাতে স্তন খুব বড় না দেখায়। দ্বিতীয় সমস্যা—স্তন শিথিল হয়ে অবনমিত হয়ে পড়া।

স্তনের আকার যেমনই হোকনা কেন, সাধারণত কুড়ি বছর বয়সের পরেই পরিচর্যার অভাবে যতনের আঁটসাটঁ, নিটোল ও উন্নত ভাব চলে গিয়ে স্তন শিথিল ও অবনমিত পড়ে। নিয়মিত ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে আবার সুউন্নত নিটোল স্তনের অধিকারী হওয়া সম্ভব।

স্তনের আকার ও গড়ন বিভিন্ন মেয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের দেখা যায়। বুকের পাঁজরের সামনে পেক্টোরালিম মেজর পেশি আছে যার উপর ভিত্তি করে স্তন আকারে বাড়তে থাকে। ব্যায়ামের মাধ্যমে নিয়মতি পরিচর্যা করে এ পেশি সুংসচিত বা প্রসারিত করে বড় স্তনকে আকারে ছোট ও ছোট স্তনের আকার বড় করা সম্ভব।

স্তনের উন্নত আঁটসাঁট ভাব নির্ভর করে বুকের ত্বকের উপর। ত্বক রবারের মত স্থিতিস্থাপক তন্ত্র জাতীয় টিসু দিয়ে তৈরি। এজন্য স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখার চেষ্টা করা উচিত।

সাধারণত ১৬/১৮ বছর বয়সেই স্তন সবচেয়ে বেশি সুঠাম, উন্নত ও নিটোল হয়ে থাকে। এর পরেই বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্তনের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হতে শুরু করে ও স্তনে শৈথিল্য ভাব দেখা দেয়। শরীরের অযত্ন করা ফলে ও পরিচর্যার অভাবে এ শিথিল ভাব  আবার বেশি তাড়াতাড়ি দেখা দেয়।

স্তনের সৌন্দর্য রক্ষায় ম্যাসাজ

নিয়মিত ম্যাসেজের মাধ্যমে পরিচর্যা করে স্তনের সৌন্দর্য বহুদিন ধরে রাখা যায় ও স্তনের শিথিল ভাব রোধ করা সম্ভব। স্তনের ম্যাসেজ নিয়মিত করার ফলে স্তনে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় ও স্তনে চর্বি জমার পরিমাণ নিয়মিত করার ফলে স্তনে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় ও স্তনের সৌন্দর্য বহুদিন ধরে রাখা যায় ও স্তনের শিথিল ভাব রোধ করা সম্ভব।

স্তনের ম্যাসেজ নিয়মিত করার ফলে স্তনে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় ও স্তনে চর্বি জমার পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হয়। একই সাথে বুকের ত্বকের স্থিতিস্থাপক তন্ত্র উদ্দীপ্ত হবার ফলে স্তন আঁটসাঁট ও নিটল হয়। প্রথম দিকে সম্ভব হলে প্রতিদিন ম্যাসেজ করবেন। সম্ভব না হলে সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন স্তন ম্যাসেজ করতেই হবে। ম্যাসেজ করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হল গোসল করার আগে। ম্যাসেজ করার সময় সারা শরীর পানিতে ভিজিয়ে স্তনযুগল, ঘাড়, গলা, কাঁধ, বাহুমুল (বগল) ও পেটে সাবান মাখিয়ে ফেনা তৈরী করে নেবেন। সব সময় দাঁড়িয়ে ম্যাসেজ করবেন।

এছাড়া সপ্তাহে ৩ দিন সাবানের বদলে তেল। (অলিভ অয়েল, ম্যাসেজ করা তেল ইত্যাদি) ব্যবহার করে সামান্য পানি ছিটিয়ে ম্যাসেজ করবেন। মাসিকের ৪ দিন ম্যাসেজ বন্ধ রাখবেন। ম্যাসেজের সময় সব সময় খেয়াল রাখবেন যে হাত চালাতে হবে নিচ থেকে ওপর দিকে ও স্তন ওপরের দিকে উঠিয়ে স্তন ম্যাসেজ করতে হবে।

উৎসঃ সেক্স ও ট্রিটমেন্ট, বই থেকে সংগ্রহ।

আরও জানতে পড়ুন >> মেডিক্যাল সেক্স গাইড বই থেকে।

আরও পড়ুন >> স্ত্রীর দুধ পান করা কি স্বামীর  জন্য জায়েয? 

আরও পড়ুন >> মুসলিম মেয়েরা কি ব্রা-পেন্টি-টপস-নাইটি পোশাক পড়তে পারবে?

নারীর স্বাস্থ্য সচেতনতায় এই স্বাস্থ্য খবরটি শেয়ার করুণ। আমাদের স্বাস্থ্য খবর সম্পর্কে আপনার মতামত জানাতে কমেন্ট করুণ।

#পুনঃপ্রকাশ

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন

নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন-১১-২০

নতুন ৫৪টি নববধূদের ব্লাউজের ডিজাইন বা নকশা দেখুন। টপ ৫৪ টি ব্লাউজের নকশা থেকে এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE