Breaking News
Home / ব্লগ / প্রেম করিলে কি ফ্রিতে নারীর দেহ ভোগ করা যায়!

প্রেম করিলে কি ফ্রিতে নারীর দেহ ভোগ করা যায়!

“শুরুটা হয়েছিল প্রভা ও রাজিরকে দিয়ে। তারপরে একে একে বের হতে থাকে অনেক সুপরিচিত মডেলদের যৌন স্ক্যান্ডাল।

প্রভা-রাজিবদের পথ অনুসরণ করে এখন প্রেমিক জুটিদের যৌন স্ক্যান্ডাল ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হচ্ছে। গত বছরেও আলোচনার বস্তু ছিল চিত্রনায়িকা নাজনীজ আক্তার হ্যাপী ও পেস বোলার রুবেল হোসেনকে নিয়ে। গত কিছুদিন আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (DMC) দুই শিক্ষার্থীর শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায় এবং তা নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ফেসবুকে এই ভিডিও’র আলোচনার অংশ ছিল আম্মু ৫ মিনিট পরে আসো। পরে ঐ নারী শিক্ষার্থী শারমিন ইসলামের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে জানা যায় তার আদরের প্রেমিক তাকে বাসায় ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানেই নষ্টামীতে লিপ্ত হয়। এরকম হাজারো ঘটনা আমাদের দেশে কথিত আধুনিক সোনার ছেলে মেয়েদের দ্বারা ঘটে চলেছে, ভিডিও হচ্ছে কিন্তু আলোচনা হচ্ছে না। ভিডিও গুলো ফেসবুকে ভাইরাল না হলেও শীর্ষ স্থানীয় পর্ণসাইট ও গানলোডের দোকানের মাধ্যমে সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়ছে। ”

প্রেমিক প্রেমিকার সেক্স
ছবিঃ নির্জনে প্রেম লীলায় মত্ত প্রেমিক জুটি

উপরের শিরোনামটি দেখে অনেকে হয়তো ভেবেছেন এটি কোন পশ্চিমা-বিশ্বের খবর হবে হয়তো। ঘটনার পিছনে ঘটনা হচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্বের তরুন-তরুণীরা যা করছে তার থেকে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা কোন অংশে কম নয় বা পিছিয়ে নেই। পার্থক্য হচ্ছে পশ্চিমা সমাজের চোখে এসব স্বাভাবিক ঘটনা, যা বাংলাদেশের জন্য নয়। বাংলাদেশের সমাজ ইসলামের ভাবধারায় হওয়াতে এখনও এসব নোংরামী মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। তাই বলে আমাদের আধুনিক তরুন তরুণীরা থেমে নেই। তারা গোপনে লোকচক্ষুর অন্তরালে যা করছে তা বিবাহিত স্বামী স্ত্রীর মধ্যেও মনে হয় এতো কিছু হয় না। চ্যাট ও ভয়েস কলের মাধ্যমে যৌন কথা-বার্তা শুরু করে নগ্ন দেহের ছবি ও ভিডিও পর্যন্ত আদান-প্রদান করে থাকে। বাদ যায় না গোপনে শারীরিক মিলন করাও। গোপনে দেহ মিলন করার জন্য তারা বেঁছে নেয়, আবাসিক হোটেল, পার্কের নির্জন স্থান, সহ-বন্ধুদের বাসা অথবা যেসব এলাকায় লোকজনের আনা-গোনা নেয় সেসব স্থান। এইসব আধুনিক পতিতা ছেলে-মেয়েরা অবাধে পাপাচার করে গেলেও এই পাপাচারের ভাগ কেউ নিতে চায় না। তাই দেশে কুমারী মেয়েদের সতীত্ব হারানোর হার বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বেড়ে যাচ্ছে কুমারী মেয়েদের গর্ভপাতের হারও।

“বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, সারা বিশ্বে প্রতিবছর ২০ মিলিয়ন অবৈধ গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৯৭ ভাগ অনিরাপদ গর্ভপাত ঘটে উন্নয়নশীল দেশে। স্বাস্থ্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা গাটমেচারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৬ লাখের বেশি গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে। যার বেশির ভাগই অনিরাপদভাবে সংঘঠিত হয়। জনসংখ্যার অনুপাতে যা প্রতি হাজারে ১৮.২ জন।

বাংলাদেশ মানবধিকার নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর ৭৮ হাজার অবৈধ গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে। গর্ভপাতের কারণে এর মধ্যে ৮ হাজার নারী মৃত্যুবরণ করে। অবৈধ এসব গর্ভপাতের বেশিরভাগ ঘটনাই ঘটে রাজধানী ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায়। আইসিডিডিআরবি’র কয়েক বছর আগের এক গবেষণার তথ্য মতে, বাংলাদেশে প্রতি হাজারে ১৮টি অবৈধ গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে থাকে। এসব নারীদের বয়স ১৫ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। এ সবের মধ্যে ৩.৩ শতাংশ গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কের কারণে।”সূত্রঃ মানব জমিন ০৮/০৮/১০১৫

৩ আরো কিছু বলতে চাই…

উপরের তো প্রেম ঘটিত অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করলাম। এবার বলি এক শ্রেণী লুচ্চা শিক্ষকদের কথা। যারা ছাত্রীদেরকে প্রাইভেট পড়ানোর অন্তরালে ভোগ করে চলেছে ছাত্রীদের দেহ। কোন ছাত্রী যদি এইসব লম্পট শিক্ষকদের হাতে নিজের দেহকে সপে না দেয় তাহলে তাহলে হুমকি দেওয়া হয় পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার। বোকা ছাত্রীরা নিজের ইজ্জতের মূল্য না বুঝে নিজেকে বিলিয়ে দেয় অইসব লম্পট শিক্ষকদের হাতে। এইসবের ভিডিও করে আবার শুরু করা হয় ব্যাকমেইল। এভাবে দৈনিক শত শত ছাত্রী লম্পট শিক্ষকদের দ্বারা যৌন লালসার শিকার হয়ে প্রতিনিয়ত ধর্ষিত হচ্ছে। বেশ কয়েক বছর আগে যখন পরিমল তার ছাত্রীর সাথে যৌনাচার করে তখন তিনি নিজেই এর ভিডিও করেন। এনিয়ে ছাত্রীদের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তখন ছাত্রীরা শ্লোগান দেয় “শিক্ষক যদি হয় ভক্ষক, কে হবে জাতির রক্ষক?” আসলেই শিক্ষক যদি হয় ছাত্রী ভক্ষক, তাহলে ছাত্ররাও হবে এর পথ প্রদর্শক। আমরা এর বাস্তব প্রমান অনেক আগেই দেখা শুরু করেছি। পরিমলের লুচ্ছামীর ঘটনার পরে যে লম্পট শিক্ষকদের দ্বারা এই ঘটনা পুনারাবৃত্তি ঘটছে না এমনটা ভাবা বোকামী ছাড়া আর কিছু নয়। পরিমল জয়ধরদের পথ হয়তো অনেক শিক্ষক অনুসরণ করছে কিন্তু এগুলো লোক-প্রকাশ্য আসছে না। ঘটনা যা ঘটার ঠিকিই ঘটে চলেছে কিন্তু এর সাউন্ড আমরা শুনতে পাচ্ছিনা। প্রেমের নামে নারীর সর্বশ লুট করার পরে তার আদরের প্রেমিক তাকে যখন ছেড়ে চলে যায় তখন তার কান্না দেখার কেউ থাকে না। প্রবাদ আছে নিজের ভালো পাগলেও বুঝে, কিন্তু যৌবন জোয়ারে গা ভাসিয়ে দেওয়া হতভাগা নারীরা বুঝে না। অবস্থা দেখে যা বুঝা যাচ্ছে,ভবিষ্যতে কোন মেয়ের স্ক্যান্ডাল যদি না বের হয় তাহলে সেটাই হবে হয়তো আশ্চর্যের বিষয়। যেমন এখন কেউ ফেল করলে আশ্চর্য হয়ে যায়।

লেখা চলবে………….

লিখেছেনঃ সৈয়দ রুবেল।

লেখক/সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আমার বাংলা পোস্ট

About Syed Rubel

Creative writer and editor of amar bangla post. Syed Rubel create this blog in 2014 and start social bangla bloggin.

Check Also

রবীন্দ্রনাথ কি আসলেই বিশ্বকবি না পশ্চিমবঙ্গের কবি ???

রবীন্দ্রনাথ কি আসলেই বিশ্বকবি না পশ্চিমবঙ্গের কবি এ বিষয়টি ভাবতে গেলে স্বভাবতই নীচের প্রশ্নগুলো মনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE